12-01-2026, 10:06 PM
“ বানারজি চল আজ মার্ডার করতে হ্যায় “
“ ধুর বাল বোস তো, ঠান্ডা হ “
“ ঠান্ডা তো তব হোনা হ্যায় জব কুবের কে গাঁড় মেরা লন্ড ঘুসেগা”
“ তাহলে লাভ্লির কি হবে “
“ মজাক না কর বানারজি, ম্যায় সিরিয়াস হু। হারামি কি অউকাত দেখ, খুদ কা পাওার লাগা কে বেটে কো জিতা রহা হ্যায়।“
“ আরে বাবা শান্ত হ, তোর থেকে তো বেশী দুঃখ গুঞ্জনের হওা উচিত রে। কত কষ্ট করে আমার নাম দিয়েছিল আমি জিতব বলে “
গুঞ্জন যদিও নির্বিকার, যদিও নাকের ডগা লাল, যার অর্থ মটকা গরম।
“ কি রে গুঞ্জন তুই তো কিছু বল, তুই ও কি মার্ডার করবি? “
“ না আমি পাগড়ী পড়ি না “
“ হাহাহা ঠিক আছে, কিন্তু এত কষ্ট করে আমার নাম দিলি “
“ তোমার নাম গুঞ্জন দেয়নি অনিন্দ্য, আমি দিয়েছিলাম “…… মেহের আলম, যাকে কেউই এই মুহূর্তে এখানে আশা করেনি।
“ ম্যা ম্যাডাম, আ আ আপনি ক কেন?” ……হতভম্বের মত আমতা আমতা করে প্রশ্ন করল অনিন্দ্য
“ এই মেডিক্যাল কলেজে তুমি যখনি আমাকে দেখ এত অবাক কেন হও বলত অনিন্দ্য?”
“ না মানে আপনি হটাত আমার নাম দিলেন কেন সেটাই বুঝলাম না “
“ সেটা একটু পরেই বুঝবে, এখন বলত হেরে কেমন লাগছে?”
“ জিতব তো আশা করিনি, তাই হারার কোন আলাদা অনুভুতি হয়নি। তবে লোক হাসাবো ভেবেছিলাম, কিন্তু হাততালি পাব ভাবিনি “
“ হাততালি পাবার মতই তুমি বলেছিলে অনিন্দ্য, আমি নিজেও আশা করিনি যে তুমি এত ভাল বলবে তাও এরকম কোন প্রিপেরাসেন ছাড়াই, কংগ্রাচুলেশন ।“
“ কিন্তু কেন নাম দিয়েছেন সেটা তো বললেন না”……… এই সময় অনিন্দ্যর ফোন বেজে উঠল হটাত, অপিরিচিত নাম্বার দেখে অবাক হল একটু তারপর ফোন টা রিসিভ করল অনিন্দ্য
“ হ্যালো “
“ হ্যালো মিঃ ব্যানারজি, কংগ্রাচুলেশ্নস “
“ আপনি কে বলছেন? আর কিসের কংগ্রাচুলেশ্নস ?
“ হা হা হা ডিবেট হারার কংগ্রাচুলেশ্নস মিঃ ব্যানারজি । I know you spoke awesomely well but power matters, you know that. “
“ মিঃ দীক্ষিত? “
“ আরে তুম তো পেহচান লিয়ে হামে, ওয়াহ ওয়াহ “
“ আপনি আমাকে ফোন করলেন হটাত? “
“ গুসসা ছোড়ো ইয়াং ম্যান, হকিকাত কো সমঝো “
“ কি হকিকত বুঝতে হবে শুনি।“
“ যে আমি কতটা পাওারফুল আছি। Just a phone call and see, such a stunning speech of yours got trampled in the ground so easily. Not even a consolation prize went to you.” …… বলেই অট্টহাস্যে ভরিয়ে দিলেন ফোনের ওপর প্রান্ত।
“ মিঃ দীক্ষিত, আপনার নিজের বোধয় কিছু ভুল হচ্ছে “
“ আমার ভুল হয় না ইয়াং ম্যান, আই এম কুবের দীক্ষিত, দিল্লী আমার ইশারায় চলে “
“ তা চলুক ক্ষতি নেই, কিন্তু শেষকালে আমার মত একজনের জন্য আপনাকে আপনার পাওার ব্যাবহার করতে হচ্ছে এটা দেখে খারাপ লাগছে। আপনি আমাকে এত বেশী গুরুত্ব দিয়ে ফেলবেন বুঝিনি।“
“ আমি আমার দুশমন দের কখনো কমজোর ভাবিনা, I never under estimate my enemies “
“ আবার তো overestimate করে ফেললেন, কোথায় আপনি আর কোথায় আমি। ঠিক ব্যালেন্স হল না মিঃ দীক্ষিত।“
“ থাপ্পড় তুমনে মেরে বেটে কো লাগায়া থা, পর উও তুমহারে লায়েক নহি । উসে সিরফ মারনা, পিটনা আতা হ্যায়, বেওকুফ হ্যায়। উও তো ইয়ে ভি সোচতা হ্যায় কি উও তুমসে জিত পায়েগা। উসে তো ইয়ে ভি নহি পতা কি তুম উসকা ক্যায়া হাল কর সকতে হো। But I know it, you could be a worthy opponent. Beware, hope to meet you soon. সাবধান রহো ।“
অনিন্দ্য ফোনটা নিয়ে ভাবতে লাগল, হটাত গুঞ্জন এসে দাঁড়াল
“ কি রে কার ফোন?”
“ কুবের দীক্ষিত “
“ যশের বাবা, তোকে ফোন করল কেন হটাত ? “
“ এটাই বলতে যে আমি কেন জিতিনি “
“ জীবন টা এত সোজা নয় অনিন্দ্য, কুবের দীক্ষিত এটা বলার জন্য তোমায় ফোন করেনি “ …… মেহের আলম পাশে এসে বেঞ্চে বসে বললেন।
“ আমি ঠিক বুঝলাম না ম্যাডাম “
“ বসো , গুঞ্জন কাম সিট “
“ কিন্তু ম্যাডাম, কুবের দীক্ষিত তো তাই বলল “
“ অনিন্দ্য তোমার কি মনে হয়, একটা ইন্টার কলেজ ট্রফি জেতার জন্য কুবের দীক্ষিত মাথা ঘামাবে ?”
“ জানিনা ম্যাডাম, নো আইডিয়া।“
“ অনিন্দ্য এই ঈন্টার কলেজ ডিবেট কোন সাধারন প্রতিযোগিতা নয়। এই ট্রফি যে জিততে পারবে, তার কাছে দিল্লী রাজনীতির অনেক গুলো দরজা খুলে যাবে। কুবের দীক্ষিত নিশ্চিন্ত ছিল যে এই ট্রফি যশ জিতবে, কিন্তু মাঝে ঢুকলে তুমি। তাই যদি তুমি জিতে যাও, তাহলে যশ কে রাজনিতিতে ঢোকাতে একটু অসুবিধা হবে , আর তাই তার এই exhibition of power. “
“ রাজনীতি “ …… একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল অনিন্দ্য “ ডাক্তারি পড়া আর হলনা মনে হচ্ছে “
“ অনিন্দ্য রাজনীতির আর একটা নাম কি জান ?”
“ চোরাবালি “
“ না অনিন্দ্য, রাজনীতির আর এক নাম হল পাওয়ার, ক্ষমতা।“
“ আমার ক্ষমতা নিয়ে কি কাজ ম্যাডাম ? “
“ এটা দিল্লী অনিন্দ্য, আর তোমার প্রতিপক্ষের নাম কুবের দীক্ষিত। You will need power, lots and lots of it. “
“ বেশ মানলাম, কিন্তু আমি তো জিতিনি। তাহলে আমি রাজনীতির সাহাজ্য কিকরে পাব?”
“ Anindyo, politics is made of three components…. Strategist, spokesman and field worker. মাইক ধরলে যে তুমি কতটা ভয়ঙ্কর সেটা আজ গোটা দিল্লী জেনে গেছে। You are a hell of a spokesperson, and the political circle has already got a hint of it “
“ জানিনা জীবনে আর কি কি ঝড় আসতে চলেছে, এত ঝড় সামলাব কিকরে কে জানে “
“ ভয় পেয়না অনিন্দ্য, মেহের আলম যতদিন বেঁচে আছে তোমার কিচ্ছু হবে না। “ অনিন্দ্যর কাঁধে হাত রেখে কথাগুলো বললেন মেহের আলম। তারপর হাত দিয়ে অনিন্দ্যর মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বল্লেন
“ আজ আসি অনিন্দ্য , গুঞ্জন he is all yours “
“ ধুর বাল বোস তো, ঠান্ডা হ “
“ ঠান্ডা তো তব হোনা হ্যায় জব কুবের কে গাঁড় মেরা লন্ড ঘুসেগা”
“ তাহলে লাভ্লির কি হবে “
“ মজাক না কর বানারজি, ম্যায় সিরিয়াস হু। হারামি কি অউকাত দেখ, খুদ কা পাওার লাগা কে বেটে কো জিতা রহা হ্যায়।“
“ আরে বাবা শান্ত হ, তোর থেকে তো বেশী দুঃখ গুঞ্জনের হওা উচিত রে। কত কষ্ট করে আমার নাম দিয়েছিল আমি জিতব বলে “
গুঞ্জন যদিও নির্বিকার, যদিও নাকের ডগা লাল, যার অর্থ মটকা গরম।
“ কি রে গুঞ্জন তুই তো কিছু বল, তুই ও কি মার্ডার করবি? “
“ না আমি পাগড়ী পড়ি না “
“ হাহাহা ঠিক আছে, কিন্তু এত কষ্ট করে আমার নাম দিলি “
“ তোমার নাম গুঞ্জন দেয়নি অনিন্দ্য, আমি দিয়েছিলাম “…… মেহের আলম, যাকে কেউই এই মুহূর্তে এখানে আশা করেনি।
“ ম্যা ম্যাডাম, আ আ আপনি ক কেন?” ……হতভম্বের মত আমতা আমতা করে প্রশ্ন করল অনিন্দ্য
“ এই মেডিক্যাল কলেজে তুমি যখনি আমাকে দেখ এত অবাক কেন হও বলত অনিন্দ্য?”
“ না মানে আপনি হটাত আমার নাম দিলেন কেন সেটাই বুঝলাম না “
“ সেটা একটু পরেই বুঝবে, এখন বলত হেরে কেমন লাগছে?”
“ জিতব তো আশা করিনি, তাই হারার কোন আলাদা অনুভুতি হয়নি। তবে লোক হাসাবো ভেবেছিলাম, কিন্তু হাততালি পাব ভাবিনি “
“ হাততালি পাবার মতই তুমি বলেছিলে অনিন্দ্য, আমি নিজেও আশা করিনি যে তুমি এত ভাল বলবে তাও এরকম কোন প্রিপেরাসেন ছাড়াই, কংগ্রাচুলেশন ।“
“ কিন্তু কেন নাম দিয়েছেন সেটা তো বললেন না”……… এই সময় অনিন্দ্যর ফোন বেজে উঠল হটাত, অপিরিচিত নাম্বার দেখে অবাক হল একটু তারপর ফোন টা রিসিভ করল অনিন্দ্য
“ হ্যালো “
“ হ্যালো মিঃ ব্যানারজি, কংগ্রাচুলেশ্নস “
“ আপনি কে বলছেন? আর কিসের কংগ্রাচুলেশ্নস ?
“ হা হা হা ডিবেট হারার কংগ্রাচুলেশ্নস মিঃ ব্যানারজি । I know you spoke awesomely well but power matters, you know that. “
“ মিঃ দীক্ষিত? “
“ আরে তুম তো পেহচান লিয়ে হামে, ওয়াহ ওয়াহ “
“ আপনি আমাকে ফোন করলেন হটাত? “
“ গুসসা ছোড়ো ইয়াং ম্যান, হকিকাত কো সমঝো “
“ কি হকিকত বুঝতে হবে শুনি।“
“ যে আমি কতটা পাওারফুল আছি। Just a phone call and see, such a stunning speech of yours got trampled in the ground so easily. Not even a consolation prize went to you.” …… বলেই অট্টহাস্যে ভরিয়ে দিলেন ফোনের ওপর প্রান্ত।
“ মিঃ দীক্ষিত, আপনার নিজের বোধয় কিছু ভুল হচ্ছে “
“ আমার ভুল হয় না ইয়াং ম্যান, আই এম কুবের দীক্ষিত, দিল্লী আমার ইশারায় চলে “
“ তা চলুক ক্ষতি নেই, কিন্তু শেষকালে আমার মত একজনের জন্য আপনাকে আপনার পাওার ব্যাবহার করতে হচ্ছে এটা দেখে খারাপ লাগছে। আপনি আমাকে এত বেশী গুরুত্ব দিয়ে ফেলবেন বুঝিনি।“
“ আমি আমার দুশমন দের কখনো কমজোর ভাবিনা, I never under estimate my enemies “
“ আবার তো overestimate করে ফেললেন, কোথায় আপনি আর কোথায় আমি। ঠিক ব্যালেন্স হল না মিঃ দীক্ষিত।“
“ থাপ্পড় তুমনে মেরে বেটে কো লাগায়া থা, পর উও তুমহারে লায়েক নহি । উসে সিরফ মারনা, পিটনা আতা হ্যায়, বেওকুফ হ্যায়। উও তো ইয়ে ভি সোচতা হ্যায় কি উও তুমসে জিত পায়েগা। উসে তো ইয়ে ভি নহি পতা কি তুম উসকা ক্যায়া হাল কর সকতে হো। But I know it, you could be a worthy opponent. Beware, hope to meet you soon. সাবধান রহো ।“
অনিন্দ্য ফোনটা নিয়ে ভাবতে লাগল, হটাত গুঞ্জন এসে দাঁড়াল
“ কি রে কার ফোন?”
“ কুবের দীক্ষিত “
“ যশের বাবা, তোকে ফোন করল কেন হটাত ? “
“ এটাই বলতে যে আমি কেন জিতিনি “
“ জীবন টা এত সোজা নয় অনিন্দ্য, কুবের দীক্ষিত এটা বলার জন্য তোমায় ফোন করেনি “ …… মেহের আলম পাশে এসে বেঞ্চে বসে বললেন।
“ আমি ঠিক বুঝলাম না ম্যাডাম “
“ বসো , গুঞ্জন কাম সিট “
“ কিন্তু ম্যাডাম, কুবের দীক্ষিত তো তাই বলল “
“ অনিন্দ্য তোমার কি মনে হয়, একটা ইন্টার কলেজ ট্রফি জেতার জন্য কুবের দীক্ষিত মাথা ঘামাবে ?”
“ জানিনা ম্যাডাম, নো আইডিয়া।“
“ অনিন্দ্য এই ঈন্টার কলেজ ডিবেট কোন সাধারন প্রতিযোগিতা নয়। এই ট্রফি যে জিততে পারবে, তার কাছে দিল্লী রাজনীতির অনেক গুলো দরজা খুলে যাবে। কুবের দীক্ষিত নিশ্চিন্ত ছিল যে এই ট্রফি যশ জিতবে, কিন্তু মাঝে ঢুকলে তুমি। তাই যদি তুমি জিতে যাও, তাহলে যশ কে রাজনিতিতে ঢোকাতে একটু অসুবিধা হবে , আর তাই তার এই exhibition of power. “
“ রাজনীতি “ …… একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল অনিন্দ্য “ ডাক্তারি পড়া আর হলনা মনে হচ্ছে “
“ অনিন্দ্য রাজনীতির আর একটা নাম কি জান ?”
“ চোরাবালি “
“ না অনিন্দ্য, রাজনীতির আর এক নাম হল পাওয়ার, ক্ষমতা।“
“ আমার ক্ষমতা নিয়ে কি কাজ ম্যাডাম ? “
“ এটা দিল্লী অনিন্দ্য, আর তোমার প্রতিপক্ষের নাম কুবের দীক্ষিত। You will need power, lots and lots of it. “
“ বেশ মানলাম, কিন্তু আমি তো জিতিনি। তাহলে আমি রাজনীতির সাহাজ্য কিকরে পাব?”
“ Anindyo, politics is made of three components…. Strategist, spokesman and field worker. মাইক ধরলে যে তুমি কতটা ভয়ঙ্কর সেটা আজ গোটা দিল্লী জেনে গেছে। You are a hell of a spokesperson, and the political circle has already got a hint of it “
“ জানিনা জীবনে আর কি কি ঝড় আসতে চলেছে, এত ঝড় সামলাব কিকরে কে জানে “
“ ভয় পেয়না অনিন্দ্য, মেহের আলম যতদিন বেঁচে আছে তোমার কিচ্ছু হবে না। “ অনিন্দ্যর কাঁধে হাত রেখে কথাগুলো বললেন মেহের আলম। তারপর হাত দিয়ে অনিন্দ্যর মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বল্লেন
“ আজ আসি অনিন্দ্য , গুঞ্জন he is all yours “


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)