12-01-2026, 09:57 PM
(09-01-2026, 07:05 PM)sarkardibyendu Wrote: পল্লবী একা বসে থাকে রাত পর্যন্ত বাইরে। আজ সব কিছু ভুলে গিয়ে ভেবেছিলো অনামিকার সাথে দেখা করবে। সেই উদ্দ্যেশ্যেই অফিস ছুটির পর হাসপাতালে অনামিকার রুমের দিকে পা বাড়ায়। কিন্তু জানতো না যে সেখানে আগে থেকেই রাজু উপস্থিত আছে। বাইরে থেকে রাজুর গলার স্বর শুনে ও দাঁড়িয়ে পড়ে। বীনা ওকে দেখে চেল্লেও ইশারায় ওকে কিছু না বলতে বলে। দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে ওদের কথা কানে যায়। এভাবে কারো ব্যাক্তিগত কথা শোনাটা পল্লবীর স্বভাব বিরুদ্ধ হলেও এই ক্ষেত্রে স্বাভাবিক আকর্ষন এড়াতে পারে না। চলে আসতে গিয়ো দাঁড়িয়ে পড়ে। অনামিকার জীবন বৃত্তান্ত সবই শোনে পল্লবী। ওর মনে হতে থাকে রাজু আর অনামিকার এই সম্পর্ক অতল সমুদ্রের মতো। এখানে পল্লবী নিছকই তৃতীয় পক্ষ। রাজুর জীবনে পল্লবীর আলাদা কোন অস্তিত্ব নেই, যেটা অনামিকার আছে। অনামিকার সব কথা সত্য বলে মেনে নিলেও বাচ্চাটা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। রাজু নির্বোধ হতে পারে, কিন্তু পল্লবী না....... একটা মেয়ে জানবে না তার পেটে কার বাচ্চা? অনামিকা শুধু চালাকই না, অত্যন্ত ধূর্তও..... আর রাজু ওর চালাকিতে এমন বশ হয়েছে যে, ওকে আটকানোর সাধ্য কারো নেই.....।
ঈর্ষা কাতর প্রেমিকার চরিত্রটা ভাল বুনেছেন আপনি।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)