10-01-2026, 11:09 PM
টেবিলের ওপর রাখা মোবাইল ফোন টা আবার কেঁপে উঠল, এই নিয়ে পরপর তিনবার। বিরক্ত হয়েই ফোন টা তুলল শিল্পপতি কুবের দীক্ষিত।
“ ক্যায়া হুয়া, বারবার কিস লিয়ে ফোন কিয়ে যা রহে হো তুম? “
“ পাপা আব মেরে হাথো সে ইয়ে বাঙ্গালি জরুর মরেগা “
“ ফির ক্যায়া হুয়া?”
“ ইস ডিবেট মে ভি ইয়ে বাঙ্গালি মেরে সে পঙ্গা লে রহা হ্যায় “
“ ম্যায় কুছ সমঝা নহি “
“ ইয়ে ডিবেট মে মেরে খিলাফ বোলেগা “
“ অউর তুম মে ইতনা ভি দম নহি কি তুম জিত পাওগে। you idiot. নলায়েক হো তুম যশ, নলায়েক। “
“ ম্যায় তো উসকা লাশ গিরা দেতা, লেকিন আপ হি মনা কিয়ে থে। ৫ মিনট ভি নহি লগেগা আউর উও হিস্ট্রি হো জায়েগা ড্যাড।“
“ তুম কুছ নহি করোগে, কুছ নহি। nothing, ami I clear? যো করনা হ্যায় ম্যায় কর লুঙ্গা “
“ ok dad “
“ And one more thing, never ever try to call me when I am in a meeting. If its an emergency , give me a message. “ ……ফোন টা অফ করে কনফারেন্স রুমে ঢুকে গেলেন কুবের দীক্ষিত।
“ ক্যায়া হুয়া বানারজি বাবু, টেনসন মে হো? “
“ ঝাঁট জ্বালাস না পাগড়ী, আমি তো ভেবেই পাচ্ছি না স্টেজে উঠে আমি কি বলব?”
“ যো জি মে আয়েগা বোল দেনা বাঙ্গালী তো ইন্টেলিজেন্ট বাই বার্থ হোতা হ্যায় “
“ ধুর বাল “
“ শুন জাজ হ্যায় ৩ আদমি। এক হ্যায় আয়ুষ্মান সিং, যো রিপোর্টার হ্যায়। দুসরা মেহেবুব আলম খান, টিভি মে নিউজ পড়তা হ্যায়। তিসরা সিমা প্রধান, এক্ট্রেস থি আভি খুদ কা চ্যানেল হ্যায়।“
“ তো এদের নিয়ে কি আমি ধুয়ে খাব?”
“ নহি , বস তেরেকো ইনফরমেশন দে দিয়া। আব চলতা হু।“
“ কোথায় চললি?”
“ থোড়া লাভ্লি কে সাথ জানা হ্যায়, বেস্ট অফ লাক “
অনিন্দ্যর নিজেকে এখন টাইটানিক এর নাবিক এর মত মনে হচ্ছিল। অসহায়, নিসঙ্গ। জিবনে কোনদিন সে ডিবেট করেনি, আর আজ এখানে সোজাসুজি স্টেজে। তাও আবার কোন প্রিপারেশন ছাড়াই। হে ভগবান, এ তো পুরো লোক হাসাবার নেট প্র্যাকটিস।
মনে মনে নিজের ইষ্ট দেবতা কে স্মরণ করে অনিন্দ্য অডিটোরিয়ামের দিকে হাঁটা লাগাল।
হাততালি নিজে অনেক দিলেও নিজে কখনো পায়নি অনিন্দ্য। কোনদিন যে পাবে এ দুরাশাও তার ছিল না। কিন্তু আজ যেন উল্টোপুরান, তার জন্য সারা অডিটোরিয়াম উঠে দাঁড়িয়ে হাততালি দিল। ভাবতেও অবাক লাগছে অনিন্দ্যর। ডিবেটের শেষ প্রতিযোগী হিসেবে সে যখন স্টেজে উঠল তখনও সে ভিতরে ভিতরে কাঁপছে। সেই কাঁপা কাঁপা গলাতেই মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে সে বলতে শূরু করেছিল , কিন্তু তখনি যশের এক অনুচর পিছন থেকে আওয়াজ দিল …… চুপ বে মাদারচোদ। তারপর কি যে হল তা অনিন্দ্যর মনে নেই, হুঁশ ফিরল হাততালির শব্দে।
স্টেজ থেকে নামতেই নিখিল এসে ওকে জড়িয়ে ধরে বলল
“ শালে তু তো ছা গয়া রে, মান গয়া তুঝে”
“ একটু জল খাওয়া রে আগে।“
“ তু বোলেগা তো আজ তুঝে শ্যাম্পেন ভি পিলায়েগা রে , পেহলে তু ফার্স্ট প্রাইজ তো লে লে “
“ ক্যায়া হুয়া, বারবার কিস লিয়ে ফোন কিয়ে যা রহে হো তুম? “
“ পাপা আব মেরে হাথো সে ইয়ে বাঙ্গালি জরুর মরেগা “
“ ফির ক্যায়া হুয়া?”
“ ইস ডিবেট মে ভি ইয়ে বাঙ্গালি মেরে সে পঙ্গা লে রহা হ্যায় “
“ ম্যায় কুছ সমঝা নহি “
“ ইয়ে ডিবেট মে মেরে খিলাফ বোলেগা “
“ অউর তুম মে ইতনা ভি দম নহি কি তুম জিত পাওগে। you idiot. নলায়েক হো তুম যশ, নলায়েক। “
“ ম্যায় তো উসকা লাশ গিরা দেতা, লেকিন আপ হি মনা কিয়ে থে। ৫ মিনট ভি নহি লগেগা আউর উও হিস্ট্রি হো জায়েগা ড্যাড।“
“ তুম কুছ নহি করোগে, কুছ নহি। nothing, ami I clear? যো করনা হ্যায় ম্যায় কর লুঙ্গা “
“ ok dad “
“ And one more thing, never ever try to call me when I am in a meeting. If its an emergency , give me a message. “ ……ফোন টা অফ করে কনফারেন্স রুমে ঢুকে গেলেন কুবের দীক্ষিত।
“ ক্যায়া হুয়া বানারজি বাবু, টেনসন মে হো? “
“ ঝাঁট জ্বালাস না পাগড়ী, আমি তো ভেবেই পাচ্ছি না স্টেজে উঠে আমি কি বলব?”
“ যো জি মে আয়েগা বোল দেনা বাঙ্গালী তো ইন্টেলিজেন্ট বাই বার্থ হোতা হ্যায় “
“ ধুর বাল “
“ শুন জাজ হ্যায় ৩ আদমি। এক হ্যায় আয়ুষ্মান সিং, যো রিপোর্টার হ্যায়। দুসরা মেহেবুব আলম খান, টিভি মে নিউজ পড়তা হ্যায়। তিসরা সিমা প্রধান, এক্ট্রেস থি আভি খুদ কা চ্যানেল হ্যায়।“
“ তো এদের নিয়ে কি আমি ধুয়ে খাব?”
“ নহি , বস তেরেকো ইনফরমেশন দে দিয়া। আব চলতা হু।“
“ কোথায় চললি?”
“ থোড়া লাভ্লি কে সাথ জানা হ্যায়, বেস্ট অফ লাক “
অনিন্দ্যর নিজেকে এখন টাইটানিক এর নাবিক এর মত মনে হচ্ছিল। অসহায়, নিসঙ্গ। জিবনে কোনদিন সে ডিবেট করেনি, আর আজ এখানে সোজাসুজি স্টেজে। তাও আবার কোন প্রিপারেশন ছাড়াই। হে ভগবান, এ তো পুরো লোক হাসাবার নেট প্র্যাকটিস।
মনে মনে নিজের ইষ্ট দেবতা কে স্মরণ করে অনিন্দ্য অডিটোরিয়ামের দিকে হাঁটা লাগাল।
হাততালি নিজে অনেক দিলেও নিজে কখনো পায়নি অনিন্দ্য। কোনদিন যে পাবে এ দুরাশাও তার ছিল না। কিন্তু আজ যেন উল্টোপুরান, তার জন্য সারা অডিটোরিয়াম উঠে দাঁড়িয়ে হাততালি দিল। ভাবতেও অবাক লাগছে অনিন্দ্যর। ডিবেটের শেষ প্রতিযোগী হিসেবে সে যখন স্টেজে উঠল তখনও সে ভিতরে ভিতরে কাঁপছে। সেই কাঁপা কাঁপা গলাতেই মাইকের সামনে দাঁড়িয়ে সে বলতে শূরু করেছিল , কিন্তু তখনি যশের এক অনুচর পিছন থেকে আওয়াজ দিল …… চুপ বে মাদারচোদ। তারপর কি যে হল তা অনিন্দ্যর মনে নেই, হুঁশ ফিরল হাততালির শব্দে।
স্টেজ থেকে নামতেই নিখিল এসে ওকে জড়িয়ে ধরে বলল
“ শালে তু তো ছা গয়া রে, মান গয়া তুঝে”
“ একটু জল খাওয়া রে আগে।“
“ তু বোলেগা তো আজ তুঝে শ্যাম্পেন ভি পিলায়েগা রে , পেহলে তু ফার্স্ট প্রাইজ তো লে লে “


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)