07-01-2026, 06:33 AM
প্রথমেই যেটা না বল্লেই নয়, প্রতিটা মানুষেরই কর্মঠ জীবন বা ব্যাস্ত জীবন থাকে। তেমনই লেখক এর ও নিজস্ব ব্যাস্ত জীবন থেকেও আমাদের জন্য নিয়মিত গল্প লিখে যাচ্ছেন এতে তিনি অবশ্যই প্রশংসার দাবিদার। আমি মোটামুটি ধৈর্যশীল পাঠকদের মধ্যে একজন। আমি এমনও গল্প পড়ি যা সপ্তাহে একটা কোনোটা ১৫ দিনে একটা কোনো কোনোটা মাসে একটা পর্ব পোস্ট করা হয়, সেখানে আপনার নিয়মিত আপডেট পেয়ে খুবিই আনন্দিত। যদিও লাস্ট দুইটা আপডেট একটু দেরিতে পেয়েছি তবে এটা কোনো ব্যাপার না। দাবি আমার একটাই এতো সুন্দর গল্পটা যেনো মাঝপথে ছেড়ে যাওয়া না হয়। গল্প দেড়িতে পেয়েও অতটা কষ্ট হয় না যতোটা কষ্ট ভালো গল্প মাঝপথে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর হয়।
এবার আসি গল্প নিয়ে, গল্প পড়ে এযাবত পর্যন্ত যা বুঝেছি! বউ এবং শ্বাশুড়িকে নিয়ে রাব্বিল যা জানে তা হলো মদ্রার এপিট মুদ্রার ওপিট সম্পর্কে রাব্বিল এর এখোনো অনেক কিছুই অজানা,,,যেটা আমরা ধরনা করতে পারতেসি। সৃজন ২ এর শেষ আপলোড করা আপডেট থেকে কিছুটা ধরনা করতে পারছি যে মিম আর শ্বাশুড়ির আরো কিছু কালো অধ্যায় আছে যা এখোনো রাব্বিল এর অজানা, এবং মিম আর শ্বাশুড়ি যতোটা ভোলাবালা দেখাচ্ছে নিজেদের আসলে তারা অতোটাও সাদাসিধা না।
বিষয় টা এমন দাড়াচ্ছে যে রাব্বিল মিম আর শ্বাশুড়িকে দিয়ে চাচ্ছে কাঁঠাল পেড়ে খেতে কিন্তু মিম আর শ্বাশুড়ি কাঁঠাল পেড়ে রাব্বিল এরই মাথায় কাঠাল ভেঙ্গে খাচ্ছে। গল্পতে কিছু রহস্য রহস্য ঘ্রান আসছে এতে করে থ্রীলার এর ফিল পাচ্ছি। গল্প রহস্যজনকই ভাবেই চলুক,,,এতে করে গল্প পড়তে আগ্রহ জাগে বেশি পরের পার্ট পড়ার জন্য। গল্পে খুল্লামখুল্লা টাইপের হয়েগেলে কিছুদিন পর আর সেই গল্পে আগের মতো ফিল আসে না।
বাকিটা লেখক এর হাতে,,,লেখক যেভাবে গল্প সামনে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সেভাবেই চলুক। সব গল্পই যে সবার মনের মতো হবে এমনটাও না কারন সবার চিন্তাভাবনা এক না। এক এক জনের মনোভাব এক এক রকম।
এবার আসি গল্প নিয়ে, গল্প পড়ে এযাবত পর্যন্ত যা বুঝেছি! বউ এবং শ্বাশুড়িকে নিয়ে রাব্বিল যা জানে তা হলো মদ্রার এপিট মুদ্রার ওপিট সম্পর্কে রাব্বিল এর এখোনো অনেক কিছুই অজানা,,,যেটা আমরা ধরনা করতে পারতেসি। সৃজন ২ এর শেষ আপলোড করা আপডেট থেকে কিছুটা ধরনা করতে পারছি যে মিম আর শ্বাশুড়ির আরো কিছু কালো অধ্যায় আছে যা এখোনো রাব্বিল এর অজানা, এবং মিম আর শ্বাশুড়ি যতোটা ভোলাবালা দেখাচ্ছে নিজেদের আসলে তারা অতোটাও সাদাসিধা না।
বিষয় টা এমন দাড়াচ্ছে যে রাব্বিল মিম আর শ্বাশুড়িকে দিয়ে চাচ্ছে কাঁঠাল পেড়ে খেতে কিন্তু মিম আর শ্বাশুড়ি কাঁঠাল পেড়ে রাব্বিল এরই মাথায় কাঠাল ভেঙ্গে খাচ্ছে। গল্পতে কিছু রহস্য রহস্য ঘ্রান আসছে এতে করে থ্রীলার এর ফিল পাচ্ছি। গল্প রহস্যজনকই ভাবেই চলুক,,,এতে করে গল্প পড়তে আগ্রহ জাগে বেশি পরের পার্ট পড়ার জন্য। গল্পে খুল্লামখুল্লা টাইপের হয়েগেলে কিছুদিন পর আর সেই গল্পে আগের মতো ফিল আসে না।
বাকিটা লেখক এর হাতে,,,লেখক যেভাবে গল্প সামনে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সেভাবেই চলুক। সব গল্পই যে সবার মনের মতো হবে এমনটাও না কারন সবার চিন্তাভাবনা এক না। এক এক জনের মনোভাব এক এক রকম।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)