04-01-2026, 01:51 PM
(This post was last modified: 04-01-2026, 01:52 PM by nusrattashnim. Edited 1 time in total. Edited 1 time in total.)
বেশীরভাগ গল্পে স্ত্রী পরকীয়া শুরু করে স্বামীর অবহেলা কিংবা শারিরীক চাহিদা পূরণ করতে না পারার কারণে। বিদেশ-বিভুঁইয়ে থাকার কারণে সময় দিতে না পারাটা ইচ্ছাকৃত অবহেলার মধ্যে পড়ে না যখন দেখা যাচ্ছে যে, দুজনের ফিউচার উজ্জ্বল করতেই তো রিতম এত দূরে কিছু সময়ের জন্য। এবং এখন পর্যন্ত গল্পমতে, সে কোনো চিট করেনি বিদেশে। কিন্তু মধুমিতা! রিতমের শারীরিক ও কোনো দুর্বলতা নেই। শুধুমাত্র দূরে থাকার কারণে মধুমিতার তৃষ্ণা মেটাতে না পারায় মধুমিতা পা পিছলে এই কণ্টকাকীর্ণ ভুল পথে চলা শুরু করলো। এখন অব্দি সেই পথ থেকে ফেরার কোনো শক্ত তাড়নাও তার মধ্যে দৃশ্যতই দেখা যাচ্ছে না। আছে শুধু বিন্দুমাত্র অপরাধবোধ, কিন্তু সেটাও সে মুছে ফেলে, রিতম কেন ওর থেকে দূরে, এই যুক্তি দাঁড় করিয়ে রিতমের ঘাড়ে। নারীরা চিট করলে বেশীরভাগ সময় তার দোষটাকে গৌণ করে ফেলতে চায় সবসময়। মধুমিতা সেই ক্লাসিক উদাহরণ। রিতম যদি ওর ব্যাপারে জেনে যায়, কি নাটকীয়তাই না হবে তখন। দিহানের বৌ ও কি তা মেনে নিবে যখন সে তার স্বামীর এত নারী বাদ দিয়ে মধুমিতাকে গমন করার কথা জানবে। ভাইয়ের প্রতি তার ভালোবাসা তাকে কী সিধান্ত নেওয়াবে ? রিতম ও কি মধুমিতার ভাইয়ের মতো সেই মদের দোকানের রেগুলার কাস্টমার হয়ে যাবে নাকি নিজেকে সামলাবে? আর যার কারণে এতকিছু, সেই মধুমিতাই কি করবে?
শুরু থেকে অসংখ্য সম্ভাবনা তৈরী করে গল্পটাকে দারূনভাবে লিখে চলেছেন। আশা করি, আপডেট গুলো একটু তাড়াতাড়ি দিবেন এবং গল্পটা শেষ করবেন অবশ্যই। শুভকামনা।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)