31-12-2025, 09:17 PM
“ এ ভাবীজান, ইয়ে কাহাঁ লায়া? “
গুঞ্জন গাড়ি দাঁড় করাল লীলা প্যালেস এর সামনে।
“ গুঞ্জন তুই এখানে এলি ?”
“ বাহ রে লীলা করতে গেলে তো লীলা তে আস্তেই হবে, গাড়ি থেকে নাম, আমি পার্ক করে আসি “
গাড়ি থেকে নেমে অনিন্দ্য কে একটু আড়ালে ডেকে নিয়ে গেল নিখিল
“ভাই বানারজি, ম্যনে তো মজাক মে হি পার্টি কা বাত কর দিয়া থা, ইয়ে তো হামারা অউকাত কে বহুত বাহার হ্যায় রে “
“ জানি রে, কিন্তু গুঞ্জন তো, মাথায় নিশ্চয় কিছু তো ঘুরছে ওর “
“ ভাই ক্যাশ কিতনা হ্যায় তেরে পাস? “
“ ২৫০০/- আর তোর কাছে? “
“ ৩০০০/- , পর ইয়াহা তো এক কাপ কফি ভি ৪০০০/- লে লেগা “
“ দূর বাল, চল দেখি “
“ স্ট্রেটেজি ঠিক হল তোদের?” … পিছন থেকে গুঞ্জনের আওয়াজ।
“ কিসের স্ত্রেটেজি ?”
“ সে আমি কি জানি, তোরা দুজনেই তো দেখলাম বেশ গম্ভীর মুখে আলোচনা করছিস তাই বললাম। “
“ আসলে অভ্যাস নেই তো এরকম জায়গায় আসার “
“ ও আচ্ছা, আর আতলামি না মেরে চল ভিতরে”। বলে গট গট করে এগিয়ে গেল গুঞ্জন, পিছনে লাভ্লি,তার পিছনে হাত ধরাধরি করে নিখিল আর অনিন্দ্য।
“ পাক্কা গে কাপল লাগছিস তোরা “ আওয়াজ দিল গুঞ্জন পিছনে না তাকিয়েই।
হোটেলের ভিতর ঢুকেই তাক লেগে গেল অনিন্দ্যর, এ তো হোটেল না, এ তো রাজ প্রাসাদ।
গুঞ্জন সোজা গেল রিসেপ্সনে, গিয়ে কি বলল কে জানে, সবাই বেশ শশব্যাস্ত হয়ে উঠল।
“ চল, এদিকে লিফট”
বাকি তিনজন বাধ্য সন্তানের মত মাতা গুঞ্জনকে অনুসরন করল।
লিফট এসে থামল ৯ তলায়। বেরিয়ে এল ৪ জনেই। লিফটের বাইরেই এক জন সুট পরিহিত ব্যাক্তি অপেক্ষায় ছিল, গুঞ্জন বেরতেই একগাল হাসি হেসে এগিয়ে এল।
“ ওয়েলকাম ম্যাডাম, প্লীজ কাম দিস ওয়ে”
রুমের দরজা খুলে দিল সেই কালো সুট,
“ প্লীজ কাম ইন্সাইড “
ভিতরে ঢুকে নিখিল আর অনিন্দ্য হাঁ। এটা কি? কোথায় তারা? রুমের ভিতর সুইমিং পুল। উপরে ঝাড়বাতি, দেওয়াল জোড়া জানালা,
“ বানারজি, ভাগ, হামকো বেচনে সে ভি বিল নহি ভারেগা “ ফিসফিসিয়ে বলল নিখিল।
দরজা লক করে সুইমিং পুলের সামনে রাখা সোফার ওপর এসে বসলো গুঞ্জন।“
“ কি রে বালগুলো, দাঁড়িয়ে কি করছিস? বস “
লাভ্লি যন্ত্র চালিত পুতুলের মত এগিয়ে গিয়ে একটা চেয়ারে বসলো।
“ ভাবীজান মুঝে সুসু করনা হ্যায়” প্রায় কাঁদ কাঁদ সুরে বলল নিখিল
“ ওই তো ডানদিকে ওয়াশরুম “
নিখিল প্রায় দৌড় দিল।
“গুঞ্জন, একটা কথা ছিল “
“ আমার মায়ের নাম জানিস?”
“ না, কিন্তু মায়ের নাম আসছে কেন?”
“ আমার বাবার নাম কৈলাস মাখিজা, আর মায়ের নাম লীলা “
“ তার মানে “ …… কপালে ভাঁজ পড়ল অনিন্দ্যর
“ হ্যা হোটেল টা আমার বাবার, আর এবার তো একটু আমার ওপর ভরসা রাখতে শুরু কর “
গুঞ্জন গাড়ি দাঁড় করাল লীলা প্যালেস এর সামনে।
“ গুঞ্জন তুই এখানে এলি ?”
“ বাহ রে লীলা করতে গেলে তো লীলা তে আস্তেই হবে, গাড়ি থেকে নাম, আমি পার্ক করে আসি “
গাড়ি থেকে নেমে অনিন্দ্য কে একটু আড়ালে ডেকে নিয়ে গেল নিখিল
“ভাই বানারজি, ম্যনে তো মজাক মে হি পার্টি কা বাত কর দিয়া থা, ইয়ে তো হামারা অউকাত কে বহুত বাহার হ্যায় রে “
“ জানি রে, কিন্তু গুঞ্জন তো, মাথায় নিশ্চয় কিছু তো ঘুরছে ওর “
“ ভাই ক্যাশ কিতনা হ্যায় তেরে পাস? “
“ ২৫০০/- আর তোর কাছে? “
“ ৩০০০/- , পর ইয়াহা তো এক কাপ কফি ভি ৪০০০/- লে লেগা “
“ দূর বাল, চল দেখি “
“ স্ট্রেটেজি ঠিক হল তোদের?” … পিছন থেকে গুঞ্জনের আওয়াজ।
“ কিসের স্ত্রেটেজি ?”
“ সে আমি কি জানি, তোরা দুজনেই তো দেখলাম বেশ গম্ভীর মুখে আলোচনা করছিস তাই বললাম। “
“ আসলে অভ্যাস নেই তো এরকম জায়গায় আসার “
“ ও আচ্ছা, আর আতলামি না মেরে চল ভিতরে”। বলে গট গট করে এগিয়ে গেল গুঞ্জন, পিছনে লাভ্লি,তার পিছনে হাত ধরাধরি করে নিখিল আর অনিন্দ্য।
“ পাক্কা গে কাপল লাগছিস তোরা “ আওয়াজ দিল গুঞ্জন পিছনে না তাকিয়েই।
হোটেলের ভিতর ঢুকেই তাক লেগে গেল অনিন্দ্যর, এ তো হোটেল না, এ তো রাজ প্রাসাদ।
গুঞ্জন সোজা গেল রিসেপ্সনে, গিয়ে কি বলল কে জানে, সবাই বেশ শশব্যাস্ত হয়ে উঠল।
“ চল, এদিকে লিফট”
বাকি তিনজন বাধ্য সন্তানের মত মাতা গুঞ্জনকে অনুসরন করল।
লিফট এসে থামল ৯ তলায়। বেরিয়ে এল ৪ জনেই। লিফটের বাইরেই এক জন সুট পরিহিত ব্যাক্তি অপেক্ষায় ছিল, গুঞ্জন বেরতেই একগাল হাসি হেসে এগিয়ে এল।
“ ওয়েলকাম ম্যাডাম, প্লীজ কাম দিস ওয়ে”
রুমের দরজা খুলে দিল সেই কালো সুট,
“ প্লীজ কাম ইন্সাইড “
ভিতরে ঢুকে নিখিল আর অনিন্দ্য হাঁ। এটা কি? কোথায় তারা? রুমের ভিতর সুইমিং পুল। উপরে ঝাড়বাতি, দেওয়াল জোড়া জানালা,
“ বানারজি, ভাগ, হামকো বেচনে সে ভি বিল নহি ভারেগা “ ফিসফিসিয়ে বলল নিখিল।
দরজা লক করে সুইমিং পুলের সামনে রাখা সোফার ওপর এসে বসলো গুঞ্জন।“
“ কি রে বালগুলো, দাঁড়িয়ে কি করছিস? বস “
লাভ্লি যন্ত্র চালিত পুতুলের মত এগিয়ে গিয়ে একটা চেয়ারে বসলো।
“ ভাবীজান মুঝে সুসু করনা হ্যায়” প্রায় কাঁদ কাঁদ সুরে বলল নিখিল
“ ওই তো ডানদিকে ওয়াশরুম “
নিখিল প্রায় দৌড় দিল।
“গুঞ্জন, একটা কথা ছিল “
“ আমার মায়ের নাম জানিস?”
“ না, কিন্তু মায়ের নাম আসছে কেন?”
“ আমার বাবার নাম কৈলাস মাখিজা, আর মায়ের নাম লীলা “
“ তার মানে “ …… কপালে ভাঁজ পড়ল অনিন্দ্যর
“ হ্যা হোটেল টা আমার বাবার, আর এবার তো একটু আমার ওপর ভরসা রাখতে শুরু কর “


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)