30-12-2025, 06:14 PM
“ এখানে একলা বসে কি করছ অনিন্দ্য? “
চমকে তাকাল অনিন্দ্য, মেহের আলম
“ আপনি এখানে?”
“ হুম, তোমার চোখে জল কেন? “
“ না এমনি ম্যাডাম “ হাত দিয়ে চোখ মুছে বলল অনিন্দ্য
“ চোখের জল ফেলতে এত দূরে, সবার আড়ালে? লজ্জা না ভয় “
“ গোপনীয়তা ম্যাডাম “
“ কিসের এত গোপনীয়তা অনিন্দ্য? সবাই দুর্বল ভাববে তাই? “
“ না ম্যাডাম, “
“ তাহলে? “
“ ম্যাডাম এটা নাহয় পরে কোনদিন বলি “
“ বেশ তবে তাই হোক, চলো সবাই তোমায় খুঁজছে, ফোনে তো পাওয়া জাচ্ছে না “
“ হ্যা, ফোন অফ করেছি “
“ গুঞ্জন ফার্স্ট প্রাইজ নিয়ে অপেক্ষা করছে”
“ ম্যাডাম, একটা কথা জিজ্ঞেস করব? “
“ যে কিভাবে আমি জানলাম তুমি এখানে ? “
“ হ্যা “
“ অনিন্দ্য তোমার ব্যাপারে তোমার থেকেও অনেক বেশি কিন্তু আমি জানি, যাও মুখে চোখে জল দিয়ে গুঞ্জনের কাছে যাও “
হতভম্বের মত দাঁড়িয়ে থাকল অনিন্দ্য,
“ উও দেখ বানারজি “……নিখিল চেঁচিয়ে বলল।
নিখিল, লাভ্লি আর গুঞ্জন দাঁড়িয়ে আছে, গুঞ্জনের হাতে ট্রফি, ইন্টার কলেজ সেরা গায়িকা। অনিন্দ্য কে দেখতে পেয়ে গুঞ্জন ট্রফি টা লাভ্লির হাতে দিয়ে এগিয়ে এল অনিন্দ্যর দিকে।
“কিরে হাঁদারাম, কেমন গাইলাম না বলেই কেটে পড়লি?”
হলুদ শাড়ি, গাড় সবুজ ব্লাউজ, কপালে ছোট কালো একটা টিপ, বা হাতে একটা ঘড়ি। আপাতত এটাই আজকের গুঞ্জন। অনিন্দ্য ওর চোখের দিকে তাকাল
“ এই গুঞ্জন তো আমার অজানা রে “
“ আরে বাঙালি বাবু, আমরা হলাম পিঁয়াজের মত,আমাদের জানা কি অতই সোজা” হেসে বলল গুঞ্জন।
আজ যেন গুঞ্জনের দিক থেকে চোখ সরছে না অনিন্দ্যর।
“ওয়ে ভাবীজান, আজ তো পার্টি হয়ে যাক “
“ তোর রুম মেট কে বল, ওর গার্ল ফ্রেন্ড প্রাইজ পেয়েছে ওকেই দিতে বল “
“ সাহি বাত, বানারজি চল ভাই আজ থোড়া পার্টি হ যায়ে “
ব্যাস হই হই করতে করতে এগিয়ে চলল নিখিল আর লাভ্লি গাড়ির দিকে গুঞ্জনের ট্রফি নিয়ে। যেন গুঞ্জন নয় জিতেছে নিখিল। গুঞ্জন নিজের দু হাত দিয়ে অনিন্দ্যর ডান হাত টা ধরে চলতে শুরু করল। হটাত পিছন থেকে ডাক এল
“ গুঞ্জন “
পিছন ফিরে তাকাল দুজনেই, মেহের আলম আর মধুশ্রী।
“ খুব সুন্দর গেয়েছ, এখানে এসে কাউকে তানপুরা নিয়ে মীরার ভজন গাইতে শুনব ভাবিনি কিন্তু।“ মধুশ্রী বলল।
“ থ্যাঙ্ক ইয়ু ম্যাডাম “ লাজুক হেসে বলল গুঞ্জন।
“ মেহের এরকম একটা প্রতিভা কে ডাক্তার বানিয়ে নস্ট করবি? “
“ তোদের মত গায়িকা দের কিন্তু গলা দেখাবার জন্য ডাক্তারের কাছেই আসতে হবে “ যোগ দিলেন মেহের আলম।
এই কথা শুনে তিনজনেই হেসে উঠল।
“ অনিন্দ্য অত দূরে কেন? মধু এই অনিন্দ্য কিন্তু অলরেডি এই গুঞ্জনের মন জয় করে নিয়েছে “
“ অনিন্দ্য, বাঙালি নাম, কোলকাতার তো?” মধুশ্রী জিজ্ঞেস করল।
“ হ্যা ম্যাডাম,”
“ আরে আমি কোন ম্যাডাম নই, শোন গুঞ্জন আমার ফোন নাম্বার টা রাখো। তোমার টাও আমাকে দাও, মাঝে মাঝে আমি দিল্লী এলে আড্ডা মারার জন্য ডাকব কিন্তু। অবশ্য যদি না এই প্রিন্স কলকাতা তোমায় অন্য ভাবে আটকে রাখে। “ বলেই মধুশ্রী আর মেহের আলম দুজনেই মুখ টিপে হাসতে লাগল। আর অনিন্দ্য লজ্জায় লাল হল।
“ ইস অনিন্দ্য একেবারে লজ্জায় লাল যে “ মধুশ্রির টিপ্পনী।
“ তাহলে অনিন্দ্য, কাল তো তোমার পালা, দেখি মিয়াঁ বিবি কে টেক্কা দিতে পারে কি না। বেস্ট অফ লাক “
মধুশ্রী আর মেহের আলম এগিয়ে গেল, আর অবাক চোখে অনিন্দ্য গুঞ্জনের দিকে তাকিয়ে থাকল।
“ ওভাবে তাকাস না, চল যাই “ বলেই অনিন্দ্যর হাত ধরে হাঁটতে শুরু করল গুঞ্জন গাড়ির দিকে।
চমকে তাকাল অনিন্দ্য, মেহের আলম
“ আপনি এখানে?”
“ হুম, তোমার চোখে জল কেন? “
“ না এমনি ম্যাডাম “ হাত দিয়ে চোখ মুছে বলল অনিন্দ্য
“ চোখের জল ফেলতে এত দূরে, সবার আড়ালে? লজ্জা না ভয় “
“ গোপনীয়তা ম্যাডাম “
“ কিসের এত গোপনীয়তা অনিন্দ্য? সবাই দুর্বল ভাববে তাই? “
“ না ম্যাডাম, “
“ তাহলে? “
“ ম্যাডাম এটা নাহয় পরে কোনদিন বলি “
“ বেশ তবে তাই হোক, চলো সবাই তোমায় খুঁজছে, ফোনে তো পাওয়া জাচ্ছে না “
“ হ্যা, ফোন অফ করেছি “
“ গুঞ্জন ফার্স্ট প্রাইজ নিয়ে অপেক্ষা করছে”
“ ম্যাডাম, একটা কথা জিজ্ঞেস করব? “
“ যে কিভাবে আমি জানলাম তুমি এখানে ? “
“ হ্যা “
“ অনিন্দ্য তোমার ব্যাপারে তোমার থেকেও অনেক বেশি কিন্তু আমি জানি, যাও মুখে চোখে জল দিয়ে গুঞ্জনের কাছে যাও “
হতভম্বের মত দাঁড়িয়ে থাকল অনিন্দ্য,
“ উও দেখ বানারজি “……নিখিল চেঁচিয়ে বলল।
নিখিল, লাভ্লি আর গুঞ্জন দাঁড়িয়ে আছে, গুঞ্জনের হাতে ট্রফি, ইন্টার কলেজ সেরা গায়িকা। অনিন্দ্য কে দেখতে পেয়ে গুঞ্জন ট্রফি টা লাভ্লির হাতে দিয়ে এগিয়ে এল অনিন্দ্যর দিকে।
“কিরে হাঁদারাম, কেমন গাইলাম না বলেই কেটে পড়লি?”
হলুদ শাড়ি, গাড় সবুজ ব্লাউজ, কপালে ছোট কালো একটা টিপ, বা হাতে একটা ঘড়ি। আপাতত এটাই আজকের গুঞ্জন। অনিন্দ্য ওর চোখের দিকে তাকাল
“ এই গুঞ্জন তো আমার অজানা রে “
“ আরে বাঙালি বাবু, আমরা হলাম পিঁয়াজের মত,আমাদের জানা কি অতই সোজা” হেসে বলল গুঞ্জন।
আজ যেন গুঞ্জনের দিক থেকে চোখ সরছে না অনিন্দ্যর।
“ওয়ে ভাবীজান, আজ তো পার্টি হয়ে যাক “
“ তোর রুম মেট কে বল, ওর গার্ল ফ্রেন্ড প্রাইজ পেয়েছে ওকেই দিতে বল “
“ সাহি বাত, বানারজি চল ভাই আজ থোড়া পার্টি হ যায়ে “
ব্যাস হই হই করতে করতে এগিয়ে চলল নিখিল আর লাভ্লি গাড়ির দিকে গুঞ্জনের ট্রফি নিয়ে। যেন গুঞ্জন নয় জিতেছে নিখিল। গুঞ্জন নিজের দু হাত দিয়ে অনিন্দ্যর ডান হাত টা ধরে চলতে শুরু করল। হটাত পিছন থেকে ডাক এল
“ গুঞ্জন “
পিছন ফিরে তাকাল দুজনেই, মেহের আলম আর মধুশ্রী।
“ খুব সুন্দর গেয়েছ, এখানে এসে কাউকে তানপুরা নিয়ে মীরার ভজন গাইতে শুনব ভাবিনি কিন্তু।“ মধুশ্রী বলল।
“ থ্যাঙ্ক ইয়ু ম্যাডাম “ লাজুক হেসে বলল গুঞ্জন।
“ মেহের এরকম একটা প্রতিভা কে ডাক্তার বানিয়ে নস্ট করবি? “
“ তোদের মত গায়িকা দের কিন্তু গলা দেখাবার জন্য ডাক্তারের কাছেই আসতে হবে “ যোগ দিলেন মেহের আলম।
এই কথা শুনে তিনজনেই হেসে উঠল।
“ অনিন্দ্য অত দূরে কেন? মধু এই অনিন্দ্য কিন্তু অলরেডি এই গুঞ্জনের মন জয় করে নিয়েছে “
“ অনিন্দ্য, বাঙালি নাম, কোলকাতার তো?” মধুশ্রী জিজ্ঞেস করল।
“ হ্যা ম্যাডাম,”
“ আরে আমি কোন ম্যাডাম নই, শোন গুঞ্জন আমার ফোন নাম্বার টা রাখো। তোমার টাও আমাকে দাও, মাঝে মাঝে আমি দিল্লী এলে আড্ডা মারার জন্য ডাকব কিন্তু। অবশ্য যদি না এই প্রিন্স কলকাতা তোমায় অন্য ভাবে আটকে রাখে। “ বলেই মধুশ্রী আর মেহের আলম দুজনেই মুখ টিপে হাসতে লাগল। আর অনিন্দ্য লজ্জায় লাল হল।
“ ইস অনিন্দ্য একেবারে লজ্জায় লাল যে “ মধুশ্রির টিপ্পনী।
“ তাহলে অনিন্দ্য, কাল তো তোমার পালা, দেখি মিয়াঁ বিবি কে টেক্কা দিতে পারে কি না। বেস্ট অফ লাক “
মধুশ্রী আর মেহের আলম এগিয়ে গেল, আর অবাক চোখে অনিন্দ্য গুঞ্জনের দিকে তাকিয়ে থাকল।
“ ওভাবে তাকাস না, চল যাই “ বলেই অনিন্দ্যর হাত ধরে হাঁটতে শুরু করল গুঞ্জন গাড়ির দিকে।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)