26-12-2025, 08:51 PM
কোলকাতার কলেজ আর দিল্লীর কলেজের ফারাক বোঝার জন্য কলেজ ফেস্ট ই যথেষ্ট। প্রায় এক সপ্তাহ ব্যাপি চলে এই ফেস্ট। ফেস্ট না বলে যজ্ঞ বলাই ভাল। প্রচুর ইভেন্ট, প্রাইজ ও প্রচুর। স্পন্সরশিপের ফেস্টুনে কলেজ কে চেনাই যায় না। মেডিক্যাল কলেজের মাঠ যেন দিল্লীর রামলীলা ময়দান। তবে এই ইন্টার কলেজে ফেস্টের তিনটে ইভেন্ট তো পুরো মর্যাদার লড়াই। ইন্টার কলেজ ডিবেট, ইন্টার কলেজ ভোকাল আর ইন্টার কলেজ কুইজ। মজার কথা এই মেডিক্যাল কলেজ আজ পর্যন্ত ডিবেট আর কুইজে সেরার শিরোপা আজ ও পায়নি। আর কলেজ রাজনীতিতে কিন্তু এই ডিবেট প্রতিযোগিতার বিজয়ীর বেশ ভাল একটা জায়গা থাকে রাজনৈতিক প্রচারে বক্তৃতা দেবার জন্য।
আজ ফেস্টের দ্বিতীয় দিন, আজ ইন্টার কলেজ ভোকাল প্রতিযোগিতা। মেন অডিটোরিয়াম আজ ভিড়ে ঠাসা। আজ নিখিল ছাড়া পেয়েছে হসপিটাল থেকে, তাই অনিন্দ্য আর লাভ্লি নিখিল কে নিয়ে এসেছে। গুঞ্জন আজ ওদের সাথে নেই, সকালেই অনিন্দ্যর ফোনে মেসেজ করেছিল, কিছু দরকারি কাজের জন্য ও দেরিতে আসবে। কি দরকারি কাজ সেটা অনিন্দ্য জিজ্ঞেস করতে সাহস করেনি, গুঞ্জন যা জিনিস।
“কি রে পাগড়ি, বল আজ কে জিতবে?”
“মেরে কো ক্যাইসে পাতা রাহেগা, ম্যায় তো আভি physically handicapped হু। I am on a medical leave “…বলেই একটা ফিচেল হাসি হেসে দিল।
“যাক তাহলে তুই ও সব কিছু জানিস না”
“ ম্যায় ভাগবান থোড়ই না হু “
“ বুঝলাম, লাভ্লি আমাদের ক্লাস থেকে কে নাম দিয়েছে রে?”
“মুঝে নহি পাতা “
“ওয়ে বানারজি, তেরা মাম্মি তো আর্টিস্ট থি, তুঝে গানা বাজানা নহি আতা? “
“ নাহ রে, সে সুযোগ আর পেলাম কই রে, “……নিজের অজান্তেই অনিন্দ্যর চোখের কোন টা চিক চিক করে উঠল।
ষ্টেজের সব আলো জ্বলে উঠল, হাল্কা সবুজ শাড়ি পরিহিতা এক সুন্দরী মাইক্রোফোনে নাম বলতে শুরু করল অতিথিদের। এক এক করে নাম বলা শুরু হল আর তার সাথে তাল মিলিয়ে হাততালি।
“ And this is our proud privilege that we have with us Mrs Madhusree as our chief judge. Madam we are really honoured to have you with us. Please do the honour of announcing the completion by saying few words”
মধুশ্রী, আজকের এই প্রতিযোগিতার বিচারক, আপাতত উনি স্টেজে
“ গান তো আমার জীবন, সেই গানের ই আমি বিচারক হতে চাইনি। জীবন কে কি বিচার করা যায়? কিন্তু আমার কোন আপত্তি সে শোনেনি, তাই আজ আমি এখানে। তবে আমিও ছেড়ে দেবার মানুষ নই, তাকেও আজ আমি স্টেজে ওঠাব। সে তোমাদের প্রফেসার, আমার বন্ধু এবং আমার থেকেও সুগায়িকা। কিন্তু চিরকাল আড়ালে থাকতেই ভালবাসে। তাই আজকে তার গান দিয়েই এই প্রতিযোগিতা শুরু হোক। Please welcome Dr. Meher Alam “
মেহের আলম! সারা অডিটোরিয়াম চুপ। এই নামের জন্য বোধহয় কেউ ই তৈরি ছিল না। অনিন্দ্য আর নিখিল ও না।
“ ওয়ে বনারজি, ই কা হায় রে”
অনিন্দ্যর চোখ স্টেজে, নীল শাড়ি তে নীলাম্বরী মেহের আলমের হাতে মাইক্রোফোন তুলে দিলেন মধুশ্রী।
“ আজ যানে কি জিদ না কারো / ইউনহি পেহ্লু মে বেইঠে রাহো
হায়ে মর জায়েঙ্গে হম তো লুট জায়েঙ্গে / এইসি বাঁতে কিয়া না কারো “
এতক্ষণ যে হাততালি গুলো তালুবন্দি হয়েছিল, সব বেরিয়ে এল। পাক্কা ২ মিনিট ধরে চলল সেই হাততালি। অনিন্দ্যও দিল, না দিয়ে উপায় কি। এ কন্ঠ যে এত সুমধুর হতে পারে কে জানত। ৫ মিনিট আগে পর্যন্ত অনিন্দ্য জানত মেহের আলম এক অসাধারন সুন্দরী, বিদুষী। কিন্তু তার গলা দিয়ে যে এরকম সুরের ঝর্না বইতে পারে, কল্পনার ও অতীত। মনে মনে বলে উঠল অনিন্দ্য ...... ভগবান তুমি সত্যি স্বার্থপর।
আজ ফেস্টের দ্বিতীয় দিন, আজ ইন্টার কলেজ ভোকাল প্রতিযোগিতা। মেন অডিটোরিয়াম আজ ভিড়ে ঠাসা। আজ নিখিল ছাড়া পেয়েছে হসপিটাল থেকে, তাই অনিন্দ্য আর লাভ্লি নিখিল কে নিয়ে এসেছে। গুঞ্জন আজ ওদের সাথে নেই, সকালেই অনিন্দ্যর ফোনে মেসেজ করেছিল, কিছু দরকারি কাজের জন্য ও দেরিতে আসবে। কি দরকারি কাজ সেটা অনিন্দ্য জিজ্ঞেস করতে সাহস করেনি, গুঞ্জন যা জিনিস।
“কি রে পাগড়ি, বল আজ কে জিতবে?”
“মেরে কো ক্যাইসে পাতা রাহেগা, ম্যায় তো আভি physically handicapped হু। I am on a medical leave “…বলেই একটা ফিচেল হাসি হেসে দিল।
“যাক তাহলে তুই ও সব কিছু জানিস না”
“ ম্যায় ভাগবান থোড়ই না হু “
“ বুঝলাম, লাভ্লি আমাদের ক্লাস থেকে কে নাম দিয়েছে রে?”
“মুঝে নহি পাতা “
“ওয়ে বানারজি, তেরা মাম্মি তো আর্টিস্ট থি, তুঝে গানা বাজানা নহি আতা? “
“ নাহ রে, সে সুযোগ আর পেলাম কই রে, “……নিজের অজান্তেই অনিন্দ্যর চোখের কোন টা চিক চিক করে উঠল।
ষ্টেজের সব আলো জ্বলে উঠল, হাল্কা সবুজ শাড়ি পরিহিতা এক সুন্দরী মাইক্রোফোনে নাম বলতে শুরু করল অতিথিদের। এক এক করে নাম বলা শুরু হল আর তার সাথে তাল মিলিয়ে হাততালি।
“ And this is our proud privilege that we have with us Mrs Madhusree as our chief judge. Madam we are really honoured to have you with us. Please do the honour of announcing the completion by saying few words”
মধুশ্রী, আজকের এই প্রতিযোগিতার বিচারক, আপাতত উনি স্টেজে
“ গান তো আমার জীবন, সেই গানের ই আমি বিচারক হতে চাইনি। জীবন কে কি বিচার করা যায়? কিন্তু আমার কোন আপত্তি সে শোনেনি, তাই আজ আমি এখানে। তবে আমিও ছেড়ে দেবার মানুষ নই, তাকেও আজ আমি স্টেজে ওঠাব। সে তোমাদের প্রফেসার, আমার বন্ধু এবং আমার থেকেও সুগায়িকা। কিন্তু চিরকাল আড়ালে থাকতেই ভালবাসে। তাই আজকে তার গান দিয়েই এই প্রতিযোগিতা শুরু হোক। Please welcome Dr. Meher Alam “
মেহের আলম! সারা অডিটোরিয়াম চুপ। এই নামের জন্য বোধহয় কেউ ই তৈরি ছিল না। অনিন্দ্য আর নিখিল ও না।
“ ওয়ে বনারজি, ই কা হায় রে”
অনিন্দ্যর চোখ স্টেজে, নীল শাড়ি তে নীলাম্বরী মেহের আলমের হাতে মাইক্রোফোন তুলে দিলেন মধুশ্রী।
“ আজ যানে কি জিদ না কারো / ইউনহি পেহ্লু মে বেইঠে রাহো
হায়ে মর জায়েঙ্গে হম তো লুট জায়েঙ্গে / এইসি বাঁতে কিয়া না কারো “
এতক্ষণ যে হাততালি গুলো তালুবন্দি হয়েছিল, সব বেরিয়ে এল। পাক্কা ২ মিনিট ধরে চলল সেই হাততালি। অনিন্দ্যও দিল, না দিয়ে উপায় কি। এ কন্ঠ যে এত সুমধুর হতে পারে কে জানত। ৫ মিনিট আগে পর্যন্ত অনিন্দ্য জানত মেহের আলম এক অসাধারন সুন্দরী, বিদুষী। কিন্তু তার গলা দিয়ে যে এরকম সুরের ঝর্না বইতে পারে, কল্পনার ও অতীত। মনে মনে বলে উঠল অনিন্দ্য ...... ভগবান তুমি সত্যি স্বার্থপর।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)