(৬২)
মিমকে বললাম, “বউ যাও গোসল করে নাও। আমি ফ্রেস হয়ে ছাদে যাবো।”
“চলো দুজনেই গোসল করবো।”
“না সোনা। আমি আর এখন করবোনা। শরীর ভালো লাগছেনা।”
“তুমি না করলে আমিও করবোনা।হুম।”
“পাগলি। চল।”
দুজনেই গোসল করে মিমকে বললাম, “পড়তে বসো। আমি ছাদে গেলাম।আর আম্মা বা ফাউজিয়া যাকে দিয়েই হোক, চা পাঠিয়ো।”
আমি ছাদের জন্য রওনা হলাম।
শাশুড়িকে দেখছি ডাইনিং এ একাই বসে আছে। দেখে মনে হচ্ছে মন খারাপ। কিছু একটা হয়েছে। উনার কাছে গেলাম। একদম কাছাকাছি।
“কি ব্যাপার আমার মামুনির? বাবা মায়ের ওপেন শো দেখে মন খারাপ?”
“রাব্বীল তোমার সাথে কথা আছে।”
আরেব্বাহ, প্রথমবার মুখের সামনে সরাসরি নাম ধরে ডাক! তাও সিরিয়াস মুডে। হয়েছেটা কি!! মনের ভেতর উদ্বিগ্নতা বেড়ে গেলো।
“কি হয়েছে আম্মা???”
“এখানে না। ছাদে যাও আসছি একটু পর।”
“আচ্ছা।এখনি চলে আসেন তাহলে।”
“এখনি না। একটু পর চা নিয়ে আসছি।”
“আচ্ছা।”
আমি ছাদে চলে গেলাম। মনের ভেতর হাজারো প্রশ্ন। কুচ তো হে। এবং তা সিরিয়াস। এমন সিরিয়াস মুডে উনাকে কখনোই দেখিনি। কিন্তু কি হতে পারে! সেবহান চাচা কি আবার ফোন করেছিলো–----খারাপ কিছু বলেছে? নাকি আমাকে ফাউজিয়ার রুমে দেখে ফেলেছে?
সম্ভাব্য অনেক কিছুই মনে আকলাম। উত্তর পাচ্ছিনা। মন ছটপট করছে। কখন আসবেন উনি!
“রাব্বীল?” ছাদের দরজা থেকেই ডাক।
আবারো সরাসরি নাম! কাহিনি কি!
এক কাপ চা এনে আমাকে দিলেন। পাশে বসলেন।
“কি হয়েছে আম্মা?”
“তুমি চা শেষ করো। বলছি।”
“সমস্যা নাই। আমি চা খাচ্ছি। আপনি বলেন।”
“রাব্বীল আমি……”
“জ্বী আম্মা বলেন।”
“রাব্বীল আমি কনসিভ করেছি।”
“কিইইইহ?????”
অসমাপ্ত
সিরিজটি এখানেই শেষ। সিরিজের রেস/পরবর্তী ভাবনা পাঠকের হাতেই ছেরে দেওয়া হলো।
আবারো পরবর্তী কোনো সিরিজে হয়তো দেখা হবে–---অন্য কোনো দুনিয়ায়।
সকল পাঠককে আমার আন্তরিক ভালোবাসা।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)