21-12-2025, 11:42 PM
জাহিদ মায়ের চুলে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বলল, আর আহ্লাদ করতে হবে না, এখন উঠে খেয়ে নাও। মা জাহিদের বুকে হালকা করে একটা চুমু খেয়ে উঠে বসে ড্রয়ার থেকে একটা কলা বের করে খাওয়া শুরু করল। জাহিদ লুঙি ঠিক করতে করতে উঠে দাঁড়াল, সুমিকে বলি এক গ্লাস দুধ দিয়ে যেতে। মা- উম্ম... নাহ। রাতে দুধ খেলে গ্যাস হবে।
জাহিদ- সমস্যা নাই। গ্যাস হলে গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে নিবে।
মা মুখ টিপে হেসে বলল, আচ্ছা, পরে রাতে অত্যাচার আপনারই সহ্য করতে হবে।
জাহিদকে দরজা খুলতে দেখে, এই দাঁড়ান গামাছাটা দিন। মা গামছাটা দিয়ে ব্লাউজের উপরে বের হয়ে থাকা ক্লিভেজ আর পেটটা কোন রকমে ঢেকে কলা খাওয়ায় মনোযোগ দিল।
জাহিদকে দরজা খুলতে দেখে আমি এক দৌড়ে পালাতে গেলাম, আর এইদিকে সুমিও জাহিদের হাক শুনে এইদিকে আসছিল। বিধি বাম, সুমির সাথে এক ধাক্কা খেয়ে দুইজনই জোরে পরে গেলাম। সুমি ও মাগো মরে গেলাম গো বলে চেঁচাতে শুরু করল। আওয়াজ শুনে মা ওই অবস্থাতেই দৌড়ে এল। রুমের ভেতরে এতক্ষন মাকে জাহিদের সাথে দেখেছি। কিন্তু এখন দেখছি একদম হাত ছোঁয়া দূরত্ব থেকে। শুধু পেটিকোট আর ব্লাউজ, গলার উপর ওড়নার মত করে আড়াআড়ি একটা গামছা ক্লিভেজ ঢেকে রেখেছে। ছোটবেলায় গ্রামের কলপাড়ে মাকে এই অবস্থায় অনেকবার গোসল করতে দেখেছি, কিন্তু তখন মায়ের মধ্যে যে নিষ্পাপ আভাটা ছিল সেটা এখন আর নেই। এখন মায়ের মধ্যে থেকে এক নষ্টা মহিলার আভা ঠিকরে ঠিকরে পরছে। এটা কি পেটকোট নাভির দুই ইঞ্চি নিচে পরার কারণে? মা আগে নাভি বরাবরই পেটিকোট পড়ত, শাড়ি একটু এদিক ওদিক হলেও কখনো নাভি দেখতে পেতাম না। এখন এই পরিবর্তনও সম্ভবত জাহিদের কথায়। শত হলেও অল্প বয়সী নাগরকে এখন খুশি রাখতে হয়।
মা, জাহিদ, সুমি কারো বুঝতেই বাকি রইল না, আমি এই রুমে কি করছিলাম। মা লজ্জা-ঘৃণা-অপমানে এক দৌড়ে বিছানায় যেয়ে বালিশে আধশোয়া হয়ে কাঁদতে লাগল। জাহিদ কিছুক্ষণ হতবিহবলের মত চেয়ে থেকে সুমিকে এক ধমক দিয়ে বলল, এখান কি? যা রুমে এক গ্লাস গরম দুধ দিয়ে যা। এরপর জাহিদ আমার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে রুমের দিকে চলে গেল।
আমিও রুমে এসে হাউমাউ করে কাঁদতে লাগলাম। আমার নিজের মা আমারই ছোটবেলার এক বন্ধু, যে কিনা একই সাথে বংশানুক্রমে আমাদের বাসার চাকর, তার সয্যাসঙ্গিনি-এটা যে কত বড় অপমানের। তার উপর গোঁদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে উঠল আজকের ঘটনা। আমি কালকে মায়ের চোখের দিকে তাকাবে কি করে। নাহ, আমি কালকেই আমাদের বাড়ি চলে যাব। আমার কান্না শুনে সুমী আর আলেয়া নানী আমার ঘরে চলে আসলো।
আলেয়া নানী- বলি মানুষ তো একটু হয়রান হয়, এদের বিয়ার একবছর হয়ে গেছে তাও কোন খামতি নেই। পত্তেকদিন রাতে এদের সংসারের অত্যাচারে বাঁচি না। বলি, মাগী, লজ্জার কি মাথা খেয়েছিস। এত দিন পরে পুলাটা আইসে, আজকের দিনটা একটু বাদ দিতে পারলি না?
সুমি আপু আলেয়া নানীকে এক ধমক দিল।
-আহ! নানী থামবে? এখনো শুনতে পাবে। পরে বাসা থেকে বের করে দিলে এই বয়সে কোই যাবে? তোমার পোলারা তো তোমাকে ভাত দেয় না।
শুনে আলেয়া নানী কপাল কুঁচকে বিরবির করতে করতে চলে গেল।
-দে দে। তোরা সবাই মিলে প্রশ্রয় দে, এই মাগী আর মাগীর ভাতার মিলে জমিদারিটাকে তছনছ করে দিবে। সেই ৬ বছর বয়স থেকে এই বাসায় আছি, আমার বুঝি খারাপ লাগে না? কান্নায় চোখ ভেসে যাচ্ছিল আলেয়া নানীর।
সুমি আপু-আলেয়া নানীর দিকে তাকিয়ে বলল আপনি একটু অন্যরুমে যান। আমি জীবনের সাথে কথা বলব। এরপর আমার মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বলল, কাঁদিস না ভাই। এই জাহিদ একদিন আমার সর্বনাশ করেছে, এখন তোর মায়ের করছে।
আমি মাথা তুলে তাকিয়ে বললাম, তোমার?
সুমি আপু ধরা গলায় বলল, "হ্যাঁ, আমার। সবাই কত সাবধান করেছিল, ও কত মেয়ের সর্বনাশ করেছে, তোরও করবে। শুনি নাই। ওর মধ্যে কেমন জানি একটা আকর্ষন আছে।নিজের শরীর-মন সব উজার করে দিয়েছিলাম ওকে।ভালবাসার মানুষকে প্রতিদিন রাতে আরেকজনের সাথে শুঁতে দেখার যে কি কষ্ট! ওদের রুম থেকে যখন দুইজনের ভালবাসার আওয়াজ শুনতে পাই, তোমার মায়ের শিৎকার আর গোঙানী শুনি নিজের পুরনো স্মৃতি ভেসে উঠে। ইচ্ছা করে সব ছেড়ে ছুড়ে অজানা কোথাও চলে যায়। আমি যে নিতান্ত অসহায় ভাই, আমার যে পৃথিবীতে যাওয়ার আর কোন জায়গা নাই। বুঝতে শেখার পরে নিজের মায়ের মুখ দেখি নাই, তোমার মাকে মায়ের আসন দিয়েছিলা। আজ সেই যখন নিজের ভালবাসার মানুষের সাথে দরজা বন্ধ করে আমার নি:শ্বাস বন্ধ হয়ে আসে।
আমি সুমী আপুর হাত ধরে বললাম। আপু, তুমি আমার বোনের মত। ছোটবেলায় বড় বোনের মত পেলে-পুষে বড় করেছো। আমাকে সব কিছু খুলে বল। আমার এতো ধার্মিক মা কিভাবে এই বিপথে গেল?
-তুমি শুনবে? সহ্য করতে পারবে?
-আমাকে যে বুকে পাথর দিয়ে সহ্য করতেই হবে। মাকে আমি এই পথ থেকে ফেরাবোই।
-সে তুমি পারবে নাকি জানি না। জাহিদ তো তোমার মা কে একেবারে বিয়ে করে দখল করে নিয়েছে।
-সব কিছু থেকেই ফেরার রাস্তা থাকে।
-তবে শুনো। সব ঘটনা জানার পরে তোমার আর শোভনের সর্ম্পক আর আগের মত থাকবে না। তোমাদের দুই খালাত ভাই এর এত বন্ধুত্ব....
-শোভন?
-ওই তো সব কিছুর হোতা। তোমার মনে হয় জাহিদের ঘটে এত বুদ্ধি আছে? আছে শুধু গাঁয়ে এক জোর শক্তি।
-শোভন? যাকে আমি নিজের আপন ভাই বোনের থেকে আপন ভাবতাম-ও আমার সাথে এত বড় বেইমানি করেছে?
-তবে বলছি, শুনো...
জাহিদ- সমস্যা নাই। গ্যাস হলে গ্যাসের ট্যাবলেট খেয়ে নিবে।
মা মুখ টিপে হেসে বলল, আচ্ছা, পরে রাতে অত্যাচার আপনারই সহ্য করতে হবে।
জাহিদকে দরজা খুলতে দেখে, এই দাঁড়ান গামাছাটা দিন। মা গামছাটা দিয়ে ব্লাউজের উপরে বের হয়ে থাকা ক্লিভেজ আর পেটটা কোন রকমে ঢেকে কলা খাওয়ায় মনোযোগ দিল।
জাহিদকে দরজা খুলতে দেখে আমি এক দৌড়ে পালাতে গেলাম, আর এইদিকে সুমিও জাহিদের হাক শুনে এইদিকে আসছিল। বিধি বাম, সুমির সাথে এক ধাক্কা খেয়ে দুইজনই জোরে পরে গেলাম। সুমি ও মাগো মরে গেলাম গো বলে চেঁচাতে শুরু করল। আওয়াজ শুনে মা ওই অবস্থাতেই দৌড়ে এল। রুমের ভেতরে এতক্ষন মাকে জাহিদের সাথে দেখেছি। কিন্তু এখন দেখছি একদম হাত ছোঁয়া দূরত্ব থেকে। শুধু পেটিকোট আর ব্লাউজ, গলার উপর ওড়নার মত করে আড়াআড়ি একটা গামছা ক্লিভেজ ঢেকে রেখেছে। ছোটবেলায় গ্রামের কলপাড়ে মাকে এই অবস্থায় অনেকবার গোসল করতে দেখেছি, কিন্তু তখন মায়ের মধ্যে যে নিষ্পাপ আভাটা ছিল সেটা এখন আর নেই। এখন মায়ের মধ্যে থেকে এক নষ্টা মহিলার আভা ঠিকরে ঠিকরে পরছে। এটা কি পেটকোট নাভির দুই ইঞ্চি নিচে পরার কারণে? মা আগে নাভি বরাবরই পেটিকোট পড়ত, শাড়ি একটু এদিক ওদিক হলেও কখনো নাভি দেখতে পেতাম না। এখন এই পরিবর্তনও সম্ভবত জাহিদের কথায়। শত হলেও অল্প বয়সী নাগরকে এখন খুশি রাখতে হয়।
মা, জাহিদ, সুমি কারো বুঝতেই বাকি রইল না, আমি এই রুমে কি করছিলাম। মা লজ্জা-ঘৃণা-অপমানে এক দৌড়ে বিছানায় যেয়ে বালিশে আধশোয়া হয়ে কাঁদতে লাগল। জাহিদ কিছুক্ষণ হতবিহবলের মত চেয়ে থেকে সুমিকে এক ধমক দিয়ে বলল, এখান কি? যা রুমে এক গ্লাস গরম দুধ দিয়ে যা। এরপর জাহিদ আমার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে থেকে রুমের দিকে চলে গেল।
আমিও রুমে এসে হাউমাউ করে কাঁদতে লাগলাম। আমার নিজের মা আমারই ছোটবেলার এক বন্ধু, যে কিনা একই সাথে বংশানুক্রমে আমাদের বাসার চাকর, তার সয্যাসঙ্গিনি-এটা যে কত বড় অপমানের। তার উপর গোঁদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে উঠল আজকের ঘটনা। আমি কালকে মায়ের চোখের দিকে তাকাবে কি করে। নাহ, আমি কালকেই আমাদের বাড়ি চলে যাব। আমার কান্না শুনে সুমী আর আলেয়া নানী আমার ঘরে চলে আসলো।
আলেয়া নানী- বলি মানুষ তো একটু হয়রান হয়, এদের বিয়ার একবছর হয়ে গেছে তাও কোন খামতি নেই। পত্তেকদিন রাতে এদের সংসারের অত্যাচারে বাঁচি না। বলি, মাগী, লজ্জার কি মাথা খেয়েছিস। এত দিন পরে পুলাটা আইসে, আজকের দিনটা একটু বাদ দিতে পারলি না?
সুমি আপু আলেয়া নানীকে এক ধমক দিল।
-আহ! নানী থামবে? এখনো শুনতে পাবে। পরে বাসা থেকে বের করে দিলে এই বয়সে কোই যাবে? তোমার পোলারা তো তোমাকে ভাত দেয় না।
শুনে আলেয়া নানী কপাল কুঁচকে বিরবির করতে করতে চলে গেল।
-দে দে। তোরা সবাই মিলে প্রশ্রয় দে, এই মাগী আর মাগীর ভাতার মিলে জমিদারিটাকে তছনছ করে দিবে। সেই ৬ বছর বয়স থেকে এই বাসায় আছি, আমার বুঝি খারাপ লাগে না? কান্নায় চোখ ভেসে যাচ্ছিল আলেয়া নানীর।
সুমি আপু-আলেয়া নানীর দিকে তাকিয়ে বলল আপনি একটু অন্যরুমে যান। আমি জীবনের সাথে কথা বলব। এরপর আমার মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বলল, কাঁদিস না ভাই। এই জাহিদ একদিন আমার সর্বনাশ করেছে, এখন তোর মায়ের করছে।
আমি মাথা তুলে তাকিয়ে বললাম, তোমার?
সুমি আপু ধরা গলায় বলল, "হ্যাঁ, আমার। সবাই কত সাবধান করেছিল, ও কত মেয়ের সর্বনাশ করেছে, তোরও করবে। শুনি নাই। ওর মধ্যে কেমন জানি একটা আকর্ষন আছে।নিজের শরীর-মন সব উজার করে দিয়েছিলাম ওকে।ভালবাসার মানুষকে প্রতিদিন রাতে আরেকজনের সাথে শুঁতে দেখার যে কি কষ্ট! ওদের রুম থেকে যখন দুইজনের ভালবাসার আওয়াজ শুনতে পাই, তোমার মায়ের শিৎকার আর গোঙানী শুনি নিজের পুরনো স্মৃতি ভেসে উঠে। ইচ্ছা করে সব ছেড়ে ছুড়ে অজানা কোথাও চলে যায়। আমি যে নিতান্ত অসহায় ভাই, আমার যে পৃথিবীতে যাওয়ার আর কোন জায়গা নাই। বুঝতে শেখার পরে নিজের মায়ের মুখ দেখি নাই, তোমার মাকে মায়ের আসন দিয়েছিলা। আজ সেই যখন নিজের ভালবাসার মানুষের সাথে দরজা বন্ধ করে আমার নি:শ্বাস বন্ধ হয়ে আসে।
আমি সুমী আপুর হাত ধরে বললাম। আপু, তুমি আমার বোনের মত। ছোটবেলায় বড় বোনের মত পেলে-পুষে বড় করেছো। আমাকে সব কিছু খুলে বল। আমার এতো ধার্মিক মা কিভাবে এই বিপথে গেল?
-তুমি শুনবে? সহ্য করতে পারবে?
-আমাকে যে বুকে পাথর দিয়ে সহ্য করতেই হবে। মাকে আমি এই পথ থেকে ফেরাবোই।
-সে তুমি পারবে নাকি জানি না। জাহিদ তো তোমার মা কে একেবারে বিয়ে করে দখল করে নিয়েছে।
-সব কিছু থেকেই ফেরার রাস্তা থাকে।
-তবে শুনো। সব ঘটনা জানার পরে তোমার আর শোভনের সর্ম্পক আর আগের মত থাকবে না। তোমাদের দুই খালাত ভাই এর এত বন্ধুত্ব....
-শোভন?
-ওই তো সব কিছুর হোতা। তোমার মনে হয় জাহিদের ঘটে এত বুদ্ধি আছে? আছে শুধু গাঁয়ে এক জোর শক্তি।
-শোভন? যাকে আমি নিজের আপন ভাই বোনের থেকে আপন ভাবতাম-ও আমার সাথে এত বড় বেইমানি করেছে?
-তবে বলছি, শুনো...


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)