22-11-2025, 11:03 AM
ফোন হয়ে গেল। সুনীতা রায় আর মামিমা দেখলাম দুজনে দুজনের দিকে তাকিয়ে হাসল ।
সুনীতা: সুজয় ।
আমি : হ্যাঁ ।
সুনীতা: পিসি মা কখন ফিরবেন?
আমি: তা দশটা বাজবে।
সুনীতা: এখন তো সবে ছটা। একবার জবাকে ফোন করে নি?
মামিমা: কে জবা গো, দিদি?
সুনীতা: আরে ক্লাসিক জুয়েলারি ।
আবার ডায়াল ।
আবার উল্টো দিকে মহিলা কন্ঠস্বর ।
হ্যালো ।
সুনীতা: জবা, আমি সুনীতা দি বলছি।
জবা: ও হ্যাঁ বলো।
সুনীতা: গয়না কি হবে?
জবা: তোমার মেয়ের তৈরী ।
সুনীতা: জামাই?
জবা: কি কি দেবে ঠিক করেছো?
সুনীতা: বললাম যে।
জবা: ও। আরে অত গয়না তো লোকে মেয়েদের ও পরায় না। তোমার মতলবটা কি বলো তো।
সুনীতা: কেন?
জবা: আরে অত গয়না পরালে তো আর জামাকাপড় পরাতে হবে না। শুধু তো দেখছি ঝিংকাড়া টুকু বাকি গয়না পরাতে আচ্ছা সেটাও আমি একটা বানিয়ে দেব।
সবাই হেসে উঠল । আমার তো লজ্জার একশেষ।
জবা: শোন সুনীতা দি।
সুনীতা: বলো ।
জবা: নেক্সট রবিবার ওকে বাড়িতে থাকতে বোলো, লীনা গিয়ে সব মাপ নেবে। ঠিক আছে । বাই।
চলে গেলো ওরা। আমাকে যে কি করবে নিয়ে কে জানে?
রবিবার লীনা এল সুনীতা রায়ের সাথে। জিন্স টপ পরা। বয়সে আমাদের থেকে বড় অনেকটাই ।
লীনা: সুনীতা দি, কোথায় মাপ নেব।
কি ভাগ্য পিসি তিন-চার ঘণ্টার জন্য বেরিয়েছিল।
সুনীতা: কতক্ষণ লাগবে?
লীনা: এক ঘণ্টা জোর ।
সুনীতা: সুজয়, পিসি কখন ফিরবেন ?
আমি: ঘন্টা তিনেক।
লীনা: এখানেই হয়ে যাবে। সুজয়
আমি: হ্যাঁ
লীনা: জামাকাপড় সব ছেড়ে ল্যাংটো হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ো তো সোনা।
আমি সুনীতা রায়ের দিকে তাকাচ্ছি।
সুনীতা: তাড়াতাড়ি করো সুজয় । পিসি এসে যাবে।
লজ্জার মাথা খেয়ে ল্যাংটো হয়ে দাঁড়ালাম। লীনা দেখলাম দারুণ । এক ঘন্টার মধ্যে কাজ সেরে দিল।
বিয়ের দিন এগিয়ে এল। সকাল বেলা সুনীতা রায় পিসির সাথে ফোনে কথা বলল। কারণ পিসি দেশে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল ।
সুনীতা: সুজয় ।
আমি : হ্যাঁ ।
সুনীতা: পিসি মা কখন ফিরবেন?
আমি: তা দশটা বাজবে।
সুনীতা: এখন তো সবে ছটা। একবার জবাকে ফোন করে নি?
মামিমা: কে জবা গো, দিদি?
সুনীতা: আরে ক্লাসিক জুয়েলারি ।
আবার ডায়াল ।
আবার উল্টো দিকে মহিলা কন্ঠস্বর ।
হ্যালো ।
সুনীতা: জবা, আমি সুনীতা দি বলছি।
জবা: ও হ্যাঁ বলো।
সুনীতা: গয়না কি হবে?
জবা: তোমার মেয়ের তৈরী ।
সুনীতা: জামাই?
জবা: কি কি দেবে ঠিক করেছো?
সুনীতা: বললাম যে।
জবা: ও। আরে অত গয়না তো লোকে মেয়েদের ও পরায় না। তোমার মতলবটা কি বলো তো।
সুনীতা: কেন?
জবা: আরে অত গয়না পরালে তো আর জামাকাপড় পরাতে হবে না। শুধু তো দেখছি ঝিংকাড়া টুকু বাকি গয়না পরাতে আচ্ছা সেটাও আমি একটা বানিয়ে দেব।
সবাই হেসে উঠল । আমার তো লজ্জার একশেষ।
জবা: শোন সুনীতা দি।
সুনীতা: বলো ।
জবা: নেক্সট রবিবার ওকে বাড়িতে থাকতে বোলো, লীনা গিয়ে সব মাপ নেবে। ঠিক আছে । বাই।
চলে গেলো ওরা। আমাকে যে কি করবে নিয়ে কে জানে?
রবিবার লীনা এল সুনীতা রায়ের সাথে। জিন্স টপ পরা। বয়সে আমাদের থেকে বড় অনেকটাই ।
লীনা: সুনীতা দি, কোথায় মাপ নেব।
কি ভাগ্য পিসি তিন-চার ঘণ্টার জন্য বেরিয়েছিল।
সুনীতা: কতক্ষণ লাগবে?
লীনা: এক ঘণ্টা জোর ।
সুনীতা: সুজয়, পিসি কখন ফিরবেন ?
আমি: ঘন্টা তিনেক।
লীনা: এখানেই হয়ে যাবে। সুজয়
আমি: হ্যাঁ
লীনা: জামাকাপড় সব ছেড়ে ল্যাংটো হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ো তো সোনা।
আমি সুনীতা রায়ের দিকে তাকাচ্ছি।
সুনীতা: তাড়াতাড়ি করো সুজয় । পিসি এসে যাবে।
লজ্জার মাথা খেয়ে ল্যাংটো হয়ে দাঁড়ালাম। লীনা দেখলাম দারুণ । এক ঘন্টার মধ্যে কাজ সেরে দিল।
বিয়ের দিন এগিয়ে এল। সকাল বেলা সুনীতা রায় পিসির সাথে ফোনে কথা বলল। কারণ পিসি দেশে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিল ।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)