18-11-2025, 07:29 AM
কেকা একটা জিনিস বুঝতে পারছে যে মেয়ের দেখা অত সহজে পাওয়া যাবে না। আরো অনেক ঝামেলা হবে। যা হোক, কিন্তু কিছু করার নেই। এই বেইজ্জতী গুলো ওকে সহ্য করতে হবে।
দু তিনদিন কাটল।
বিন্দু একদিন ফোন করল।
বিন্দু: কি রে কি করছিস?
কেকা: না বাড়িতে
বিন্দু: তুই আমার বেয়ান। মাঝেমাঝে ফোনও তো করতে পারিস।
কেকা: না মানে
বিন্দু: আমি কোথায় সব জায়গায় তোর প্রশংসা করি আর তুই কিনা। কিরকম করিস একটা।
কেকা এই ন্যাকামীর কি উত্তর দেবে।
বিন্দু: ভালো কথা শোন
কেকা: কি?
বিন্দু: আরে দীপ আর বৌমা তো বেড়াতে যাচ্ছে দুদিনের জন্য দিঘা। শনিবার ভোরে যাবে। রবিবার রাতে ফিরবে।
কেকা: ও
বিন্দু: আরে এদিকে আমার ভগ্নিপতি। মানে সন্ধ্যার বর অনিল তো আমার কাছে এসেছিল।
কেকা বুঝতে পারছে না ব্যাপার।
বিন্দু: অনিল বলছে দিদি এতোদিন ছেলের বিয়ে দিলেন। এখনও বেয়ানের সাথে আলাপ করালেন না।
কেকা আবার বুঝল যে গোলমাল।
বিন্দু: শোন বাবু। শনিবার এই নটা নাগাদ আমি পাঁচুকে পাঠিয়ে দেবো। তুই চলে আয়। অনিল তোর কথা শুনে তোকে দেখবার জন্য মুখিয়ে আছে।
কেকা বুঝলো যে আস্তে আস্তে ওকে যে কোথায় নিয়ে গিয়ে ফেলবে কেউ জানে না।
বিন্দু নিজের কথা বলে ফোন রেখে দিল। কেকা বুঝলো যে এটা নতুন চাল।
কিন্তু মেয়ের দেখা পেতে গেলে ওর তো এ ছাড়া উপায় নেই।
কি করবে ভাবতে লাগল কেকা। কিন্তু অনেক ভেবে ও ঠিক করতে পারল না কি করা উচিত। এটুকু বুঝলো, যে প্যাঁচে পড়েছে। সহজে মুক্তি নেই।
কোন রকম চিন্তাই কাজ করছে না। দুটো দিন পেরলেই শনিবার। আবার কি হবে কে জানে।
দু তিনদিন কাটল।
বিন্দু একদিন ফোন করল।
বিন্দু: কি রে কি করছিস?
কেকা: না বাড়িতে
বিন্দু: তুই আমার বেয়ান। মাঝেমাঝে ফোনও তো করতে পারিস।
কেকা: না মানে
বিন্দু: আমি কোথায় সব জায়গায় তোর প্রশংসা করি আর তুই কিনা। কিরকম করিস একটা।
কেকা এই ন্যাকামীর কি উত্তর দেবে।
বিন্দু: ভালো কথা শোন
কেকা: কি?
বিন্দু: আরে দীপ আর বৌমা তো বেড়াতে যাচ্ছে দুদিনের জন্য দিঘা। শনিবার ভোরে যাবে। রবিবার রাতে ফিরবে।
কেকা: ও
বিন্দু: আরে এদিকে আমার ভগ্নিপতি। মানে সন্ধ্যার বর অনিল তো আমার কাছে এসেছিল।
কেকা বুঝতে পারছে না ব্যাপার।
বিন্দু: অনিল বলছে দিদি এতোদিন ছেলের বিয়ে দিলেন। এখনও বেয়ানের সাথে আলাপ করালেন না।
কেকা আবার বুঝল যে গোলমাল।
বিন্দু: শোন বাবু। শনিবার এই নটা নাগাদ আমি পাঁচুকে পাঠিয়ে দেবো। তুই চলে আয়। অনিল তোর কথা শুনে তোকে দেখবার জন্য মুখিয়ে আছে।
কেকা বুঝলো যে আস্তে আস্তে ওকে যে কোথায় নিয়ে গিয়ে ফেলবে কেউ জানে না।
বিন্দু নিজের কথা বলে ফোন রেখে দিল। কেকা বুঝলো যে এটা নতুন চাল।
কিন্তু মেয়ের দেখা পেতে গেলে ওর তো এ ছাড়া উপায় নেই।
কি করবে ভাবতে লাগল কেকা। কিন্তু অনেক ভেবে ও ঠিক করতে পারল না কি করা উচিত। এটুকু বুঝলো, যে প্যাঁচে পড়েছে। সহজে মুক্তি নেই।
কোন রকম চিন্তাই কাজ করছে না। দুটো দিন পেরলেই শনিবার। আবার কি হবে কে জানে।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)