02-11-2025, 08:28 AM
(This post was last modified: 22-11-2025, 06:27 PM by strangerwomen. Edited 4 times in total. Edited 4 times in total.)
দুই
এর কয়েক দিন পরে একদিন বিদ্যালয় ছুটি হয়ে গেছে, মা আমাকে নিতে এসেছিল , সেদিনও বোন বিদ্যালয়ে আসেনি । ওদের কি একটা কারণে যেন ছুটি চলছিল , খুবই নিচু ক্লাস তো, ওদের পড়াশুনোর কোন চাপ নেই । আমি আর মা যথারীতি একই রাস্তা দিয়ে বাড়ি ফিরছি , একটু এগোনোর পরে নির্জন ওই চাষের ক্ষেত গুলো শুরু হওয়ার সময় হটাৎই দেখলাম সেদিনের সেই বট গাছের নিচে তপন কাকু সাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে । “বৌদি” বলে মাকে ডাকে তপন কাকু । মা বলে -কি তপনদা? তপন কাকু আবার ইশারাতে মাকে কাছে ডাকে । মা শেষে আমাকে বলে -তুই এখানে একটু দাঁড়া, দেখি তপনদা কি বলছে |আমি রাস্তাতেই দাঁড়িয়ে থাকি, মা ওই বট গাছের তলায় যায় । কাকু মাকে বলে - বৌদি তোমার সাথে একটু দেখা করবো বলে তখন থেকে দাঁড়িয়ে আছি । এই বলে মায়ের একটা হাত নিজের হাতে নেয় । মা কিন্তু নিজের হাত ছাড়ায় না, শুধু বলে -বল কি বলবে ?
তপন কাকু বলে -আসলে আমি গত কয়েকদিন ধরে তোমাদের ফেরার সময়টাতে এখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম, ভাবলাম যদি তোমাদের দেখতে পাই । মা হেঁসে বলে -ও তুমি দাঁড়িয়ে ছিলে বুঝি আমাদের জন্য ? কাকু বলে -হ্যাঁ । মা বলে -বল কি বলবে । কাকু মাকে বলে -চল না এই বট গাছের পেছন দিকটাতে যাই, কথা আছে । মা বলে -কি বলছো তপনদা, ছেলে রয়েছে না সাথে । কাকু বলে -ওই জন্যই তো বলছি গাছের পেছন দিকটায় চল , আর তোমার ছেলেকে একটু ওখানেই দাঁড়িয়ে থাকতে বল । মা তাই করে । আমাকে বলে -বাবলু তুই যেখানে দাঁড়িয়ে আছিস ওখানেই একটু দাঁড়া , আমি কাকুর সাথে কয়েকটা দরকরি কথা বলে আসছি । আমি বলি -আচ্ছা মা । কাকু এবার মায়ের হাত ধরে মাকে নিয়ে বট গাছটার ঠিক পেছন দিকে নিয়ে চলে যায় । ওরা গাছের গুঁড়ির আড়ালে এমন একটা জায়গায় গিয়ে দাঁড়ায় যেখান থেকে আমি ওদের দেখতে পাব না । মা ওখান থেকেই আমাকে হাঁক দিয়ে বলে , -বাবলু তুই ওখান থেকে নরিসনা কিন্তু , আমি এখুনি আসছি । আমি বলি -ঠিক আছে মা । গাছের গুঁড়ির পেছনে মা আর কাকু ফিসফিস করে কথা বলতে লাগে , আমি কান খাড়া করে শুনতে চেষ্টা করি ওরা কি বলছে । ওরা যতই ফিসফিস করে বলুক , দু চারটে কথা আমি ঠিকই শুনতে পাই । কাকু বলে -উফ বাবা তিন দিন অপেক্ষা করার পর আজ তোমার দেখা পেলাম । মা হেঁসে বলে -আমার প্রেমে পরেছো নাকি তপনদা । কাকু বলে -তা নাতো কি ? সেদিনের পর থেকে দিনে রাতে সবসসময় খালি তোমার কথা মনে পরছে । মা হেঁসে বলে -প্রেমে পরা তো ভাল কিন্তু তা বলে একবারে দু বাচ্চার মায়ের প্রেমে পরলে ? কাকু হাঁসে , বোঝে মা মজা করছে । কাকু বলে , -অসুবিধে কি , ভালবাসা যে কোন বয়েসেই হতে পারে । মা বলে -সে ঠিক কিন্তু দু বাচ্চার মায়ের সাথে প্রেম করার কিন্তু অনেক ঝামেলা তপনদা । কাকু হেঁসে বলে -ঝামেলার কি আছে ? তোমার তো স্বামী নেই । লাইন ক্লিয়ার । মা হেঁসে ফেলে কাকুর কথা শুনে । এরপর মা আর তপন কাকু আরো দু একটা কি সব কথা ফিসফিস করে বলে, কিন্তু আমি রাস্তা থেকে ঠিক বুঝতে পারি না । কারণ ওই সময়টায় খুব জোরে জোরে হাওয়া দিচ্ছিল ।
এর পর কাকু মাকে বলে -বৌদি একটা হামি দাও না ? মা ফিসফিস করে বলে -না না , ছেলে দাঁড়িয়ে রয়েছে রাস্তায় । কাকু বলে -ও ওখান থেকে আমাদের দেখতে পাবে না , এস টুক করে একটু হামি খাওয়া খায়ি হয়ে যাক । মা বলে -না তপনদা , এসব বোলো না, আমার খুব ভয় করছে , এভাবে খোলা খুলি ঠিক নয় , সেদিন বৃষ্টির মধ্যে যা হয়েছে হয়েছে । কাকু বলে -এখানে এখন জন মানুষ নেই , একটা কুকুর ও দেখ যাচ্ছে না , এত ভয় পেলে চলবে , আমাদের এই ভাবেই লুকিয়ে চুরিয়ে চালাতে হবে । এস তাড়াতাড়ি ।
কাকু সম্ভবত এই বলে মাকে কাছে টানে, কিন্তু আমি রাস্তা থেকে কিছুই দেখতে পাইনা। আর কোন কথাও শুনতে পাইনা ওদের মধ্যে | খুব দেখতে ইচ্ছে করে গাছের পেছনে কি হচ্ছে , কিন্তু সাহস পাইনা । মা আমাকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে বলেছে, কাছে গিয়ে দেখার সাহস হয় না । শেষে একটা বুদ্ধি বার করি , যেখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম সেখান থেকে একটু হেঁটে এগিয়ে গিয়ে দাঁড়াই । ওখান থেকে গাছের পেছনটা অল্প দেখা যাচ্ছে , আর একটু এগোলেই পুরোটা দেখা যাবে , কিন্তু ভয় হয় যদি মায়ের সাথে চোখাচুখি হয়ে যায় , তাহলে ভীষণ বকা খাব । শেষে একটু সাহস করে আর একটু এগিয়ে গিয়ে ওদের এক পলক দেখেই আবার টুক করে আগের জায়গায় ফিরে আসি । যা ভেবেছি ঠিক তাই, কাকু মাকে বুকে জড়িয়ে ধরে আছে, আর কাকুর মুখের সাথে মায়ের মুখে লাগানো । না চুমু টুমু নয় , একবারে পাগলের মত ঠোঁট চোষাচুষি করছে ওরা । প্রায় মিনিট পাঁচেক পরে মা গাছের আড়াল থেকে হাতে করে ঠোঁট মুছতে মুছতে বেরিয়ে আসে । আমার কাছে এসে বলে -চল হয়ে গেছে এই বলে আমার হাত ধরে হাঁটা দেয় ।
পরের দিন বিদ্যালয় থেকে ফেরার সময় কাকুকে দেখতে পাই না । কাকু মনে হয় আজ আর দাঁড়ায়নি আমাদের জন্য । কিন্তু তার ঠিক পরের দিন আবার ওই একই জায়গায় কাকুকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখি । সেদিন বোনও আমাদের সাথে ছিল । আজ কিন্তু কাকু আর মাকে ডাকে না , উল্টে আমাদের পাশে পাশেই সাইকেল হাঁটিয়ে নিয়ে চলতে থাকে | আর মায়ের সাথে সাথে এটা ওটা গল্প করতে থাকে । ক্ষেত পেরিয়ে লোকালয় শুরু হওয়ার একটু আগেই কাকু সাইকেলে চেপে এগিয়ে যায় ।
পর পর বেশ কয়েক দিন এরকম চলতে থাকে , কিন্তু বোনের খুব মজা হয় , কারণ কাকু ওকে সাইকেলের সামনের রডে বসিয়ে নেয় তারপর দুই হাত দিয়ে সাইকেলের দুই হ্যান্ডেল ধরে সাইকেল হাঁটিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে আমাদের সাথে সাথে চলতে থাকে । ফলে অতটা পথ বোনকে হাটতে হয় না ।মা আর কাকু খুব গল্প করে দেখি এখন ।
এর ঠিক সপ্তাহ দুয়েক পরে , একদিন বোন বিদ্যালয়ে আসে নি , আমি মা আর তপন কাকু বিদ্যালয় ছুটির পর বাড়ি ফিরছি । সেদিন আমি একটু আগে আগে হাঁটছি , মা আর তপন কাকু একটু পেছনে পেছনে আসছে গল্প করতে করতে । কাকু যথারীতি সাইকেল হাঁটিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে মায়ের পাশে পাশে হাটছে আর মায়ের সাথে বক বক করছে । আমি হাঁটতে হাঁটতে একটু পেছন ফিরে তাকাতেই দেখি মা আর কাকু হাত ধরাধরি করে হাঁটছে । কাকুর এক হাতে সাইকেলের হ্যান্ডেল আর অন্য হাতে মায়ের একটা হাত । মা দেখি খুব সহজ ভাবেই কাকুর হাত ধরে হাঁটছে, যেন খুব আপন কেউ । গল্পে ওরা এমন মশগুল যে আমি যে ঘুরে ওদের একবার দেখলাম ওরা সেটা খেয়ালই করলো না ।
পরের কয়েক দিন বিদ্যালয় ছুটির পর বোনও আমাদের সাথে ছিল , কাকু যথারীতি বোনকে সাইকেলের রডে চাপিয়ে নিয়ে আমাদের সাথে সাথে চলে । কিন্তু এই কদিন একটা ব্যাপারই শুধুই আলাদা হয় , সেটা হল ক্ষেত পেরিয়ে লোকালয়ের ঠিক সামনে এসে, যেখান থেকে কাকু সাইকেলে চেপে আগে এগিয়ে যায়, সেখানে দাঁড়িয়ে প্রায় দশ পনের মিনিট ধরে গল্প করে ওরা । উফ সে কি গল্প রে বাবা, সে যেন গল্প শেষ আর হয়না । এদিকে আমারও খিদে পেয়ে যায় রোজ , সেই সকালে অল্প কিছু খেয়ে বিদ্যালয়ে যাই আমরা । একদিন মাকে বলতেই মা ঝাঁঝিয়ে ওঠে , বলে -এত তাড়া কিসের রে তোর , একটু যে শান্তিতে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গল্প করবো তাতেও তোর আপত্তি । আমি ধমক খেয়ে চুপ করে যাই ।
আবার সপ্তাহ দুয়েক পরে একদিন বোন বিদ্যালয়ে আসেনি , আমি আর মা বাড়ি ফিরছি , দেখি কাকু যথারীতি ওই বট গাছটার নিচে দাঁড়িয়ে আছে । তার আগের এক সপ্তাহ বিদ্যালয় থেকে ফেরার সময় কাকুকে দেখিনি , বোন তো মাকে একদিন জিগ্গেসই করে ফেললো, মা কাকু আসছেনা এখন ? আসলে কাকু এলে বোনের খুব মজা হয় , ও পুরোটা পথ সাইকেলে চেপে যেতে পারে , ওকে হাঁটতেই হয়না প্রায় । মা ওকে বলে -না, তোর কাকু মনে হয় এখন চাষের কাজে একটু ব্যস্ত ।
যাই হোক সেদিন প্রায় এক সপ্তাহ পর কাকুকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে মা হাঁসলো , বললো বাপরে এতদিন কোথায় ছিলে , আমাদের কে তো ভুলেই গেলে একবারে । কাকু হেঁসে বলে -আসলে ফসল বিক্রির ব্যাপারে একটু ব্যস্ত ছিলাম । তাছাড়া আমাদের বাড়ির একটা পুকুরে মাছ ছাড়ার ও ব্যাপার ছিল । মা বলে -তুমি আজকে আমাদের সাথে যাবে না , কাকু বলে -না আজ একটু তাড়া আছে , শুধু তোমার সাথে দেখা করবো বলে এসেছি । মা বলে - ও আচ্ছা | কাকু মাকে বলে -তাহলে এস একটু গাছের পেছন দিকটায় গিয়ে পাঁচ দশ মিনিট বসি , তারপর তুমি চলে যেয়ো । মা বলে -ঠিক আছে । মা আমাকে বলে -যা তুই একটু ওদিকে গিয়ে রাস্তায় দাঁড়া আমি আসছি । আমি বলি -না আমি আজ আর রাস্তায় গিয়ে দাঁড়াতে পারবোনা , রাস্তায় খুব রোদ । কাকু বলে -আচ্ছা আয় , আজ তুই আমাদের সাথে বোস । মা অবাক হয় কাকুর কথা শুনে । আমি মা আর কাকু ওই বট গাছের বিশাল গুঁড়ির ঠিক পেছন দিকটায় গিয়ে বসি । রাস্তা দিয়ে কেউ গেলে সে বুঝতেই পারবে না যে এখানে দু তিন জন বসে আছে । দু একটা কথা বলার পরই কাকু মায়ের দিকে ইশারা করে, মা হাঁসে বলে -ধ্যাৎ ছেলে রয়েছে না সাথে । কাকু বলে -তোমার ছেলেকে বলনা একটু ওই দিকে তাকাতে বা চোখ বুঁজে থাকতে । মা বলে -ধ্যাৎ ওই ভাবে হয় নাকি , কাকু বলে -কেন হবে না । মা তখন আমাকে হেঁসে বলে -এই বাবলু, তুই একটু চোখ বুঁজে থাকতো। আমি বলি -কেন ? মা বলে -যেমন বলছি করনা, সব সময় কেন কেন করিস তুই । আমি বলি -বল না কি করবে ? মা লাজুক হেঁসে বলে -তোর কাকু আমাকে একটু জড়িয়ে ধরবে । আমি হেঁসে ফেলি । মাও হাঁসে , তারপর আমাকে সাবধান করে, বলে -কাউকে বলবিনা কিন্তু , কাউকে বললে কিন্তু আমার খুব বদনাম হয়ে যাবে । আমি বিধবা তো । আর তোর ঠাকুমাকে কিন্তু একেবারেই বলা যাবেনা। বললেই আমাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেবে । আমি বলি -ঠিক আছে , আমি চোখ বুঁজি, কাকু মনে হয় মাকে বুকে জড়িয়ে ধরে। মা আদুরে গলায় বলে -সত্যি তুমিনা তপনদা, ছেলের সামনে এই সব করেছো , তোমার লজ্জা সরম কিছু নেই । কাকু মায়ের কথার উত্তর দেয় না, শুধু বলে -উফ বুকটা আমার জুড়িয়ে গেল একবারে । আঃ তোমাকে বুকে নিয়ে যে কি শান্তি বৌদি । মা আদুরে গলায় বলে -তাই বুঝি । এর পর মাঝে মাঝে ছোট ছোট চুমুর শব্দ হয় । দু মিনিট পরে আমি বলি -মা আর কতক্ষন চোখ বুঁজে বসে থাকবো । মা বলে -ধুর শয়তান , খুব বদমাস তুই , আচ্ছা চোখ খুলবি তো খোল । আমি চোখ খুলে মায়ের দিকে তাকাই , দেখি কাকু মাকে একবারে নিজের বুকে চেপে ধরে বসে আছে । আমি হাঁসি মায়ের দিকে তাকিয়ে, মাও হাঁসে । আমি বলি -তোমরা কি করছো মা ? মা বলে -দেখছিস না তোর কাকু আমাকে আদর করছে । আমি বলি -জড়িয়ে ধরে? মা বলে -কেন? আমি যখন তোকে বা তোর বোনকে আদর করি তখন জড়িয়ে ধরেই তো করি । আমি বলি -বড়দের এই ভাবে আদর করতে কোন দিন দেখিনি ? মা বলে -তো কি আছে আজ দেখলি । আমি মাকে বলি -তোমাকে কাকু আদর করছে কেন মা ? মা বলে -তোর কাকু আর আমি প্রেম করি তো তাই । আমি বলি -তাই নাকি? তোমরা প্রেম কর । মা বলে -কেন দেখিস না তোর কাকু কেমন আমাদের জন্য দাঁড়িয়ে থাকে । আমার সাথে গল্প করে রোজ । আমি বলি -হ্যাঁ ঠিক। আচ্ছা - তোমরা প্রেম কর কেন ? মা বলে -কি করবো বল , তোর বাবাকে তো আর পেলাম না , এখন এই কাকুটাকে পেয়েছি , তাই তোর কাকুর সাথে প্রেম করছি । আমি বলি -তোমরা কি করবে এবার? মা বলে -তোর কাকুকে জিগ্গেস কর আমাকে বিয়ে করবে কিনা ? আমি বলি -কাকু তুমি আমার মাকে বিয়ে করবে? মা কাকুকে বলে -কি গো, ছেলের কথার উত্তর দাও । বিয়ে করবে তো আমাকে , না শুধু শুধু চট্কা চটকি করে ছেড়ে দেবে । কাকু মাকে বুকে জড়িয়ে ধরে মায়ের ঘাড়ে নিজের নাক মুখ ঘষতে ঘষতে জড়ানো গলায় বলে -করবো না কেন ? করবো । কিন্তু তোর মাকে জিগ্গেস কর আমাকে বাচ্চা করতে দেবে কিনা ? মা কাকুর আদর খেতে খেতে বলে -আমাকে বিয়ে করলে বাচ্চা করতে দেব না কেন ? দেব । কাকু বলে -বিয়ে করলে আমি কিন্তু অনেক গুলো নেব তোমার থেকে । মা বলে -তুমি যতগুলো পালতে পারবে ততগুলো দেব । কাকু আদুরে গলায় বলে -সত্যি । মা বলে -সত্যি বলছি , তুমি চাইলে দু বছর অন্তর একটা করে দেব । কাকু বলে -ঠিক আছে আমি রাজি , মনে রেখ আমি কিন্তু বিয়ের পর পেট খালি রাখতে দেবনা তোমার , একটা বেরুলেই আবার একটা ঢোকাবো | মা খিল খিল করে হাঁসে কাকুর কথা শুনে | কাকু বলে -হ্যাঁ, বুকের দুধ শোকাতে দেবনা তোমার, একটা মাই ছাড়বে তো আর একটা মাই ধরবে । মা আবার হি হি করে হাঁসে কাকুর কথা শুনে । মা এবার হাঁসতে হাঁসতে আমাকে বলে -দেখেছিস বাবলু তোর তপনকাকু কি বলছে , বলছে আমাদের বিয়ে হলে তোর নাকি অনেকগুলো ভাই বোন হবে । কাকু এবার আমার সামনেই মায়ের ঠোঁটে পর পর চুমু দিতে শুরু করে । মা চুপ করে নির্লজ্জ্ব ভাবে কাকুর চুমু নেয় । তারপর বলে -নাও , আজ অনেক হল, আবার পরে হবে , এবার আমরা বাড়ি যাব, দেরি হয়ে যাচ্ছে । কাকু আর কিছু বলে না। আমি আর মা হাঁটা দিই বাড়ির দিকে । কাকুও অন্যদিকে সাইকেল চালিয়ে চলে যায় ।
( চলবে )
এর কয়েক দিন পরে একদিন বিদ্যালয় ছুটি হয়ে গেছে, মা আমাকে নিতে এসেছিল , সেদিনও বোন বিদ্যালয়ে আসেনি । ওদের কি একটা কারণে যেন ছুটি চলছিল , খুবই নিচু ক্লাস তো, ওদের পড়াশুনোর কোন চাপ নেই । আমি আর মা যথারীতি একই রাস্তা দিয়ে বাড়ি ফিরছি , একটু এগোনোর পরে নির্জন ওই চাষের ক্ষেত গুলো শুরু হওয়ার সময় হটাৎই দেখলাম সেদিনের সেই বট গাছের নিচে তপন কাকু সাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে । “বৌদি” বলে মাকে ডাকে তপন কাকু । মা বলে -কি তপনদা? তপন কাকু আবার ইশারাতে মাকে কাছে ডাকে । মা শেষে আমাকে বলে -তুই এখানে একটু দাঁড়া, দেখি তপনদা কি বলছে |আমি রাস্তাতেই দাঁড়িয়ে থাকি, মা ওই বট গাছের তলায় যায় । কাকু মাকে বলে - বৌদি তোমার সাথে একটু দেখা করবো বলে তখন থেকে দাঁড়িয়ে আছি । এই বলে মায়ের একটা হাত নিজের হাতে নেয় । মা কিন্তু নিজের হাত ছাড়ায় না, শুধু বলে -বল কি বলবে ?
তপন কাকু বলে -আসলে আমি গত কয়েকদিন ধরে তোমাদের ফেরার সময়টাতে এখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম, ভাবলাম যদি তোমাদের দেখতে পাই । মা হেঁসে বলে -ও তুমি দাঁড়িয়ে ছিলে বুঝি আমাদের জন্য ? কাকু বলে -হ্যাঁ । মা বলে -বল কি বলবে । কাকু মাকে বলে -চল না এই বট গাছের পেছন দিকটাতে যাই, কথা আছে । মা বলে -কি বলছো তপনদা, ছেলে রয়েছে না সাথে । কাকু বলে -ওই জন্যই তো বলছি গাছের পেছন দিকটায় চল , আর তোমার ছেলেকে একটু ওখানেই দাঁড়িয়ে থাকতে বল । মা তাই করে । আমাকে বলে -বাবলু তুই যেখানে দাঁড়িয়ে আছিস ওখানেই একটু দাঁড়া , আমি কাকুর সাথে কয়েকটা দরকরি কথা বলে আসছি । আমি বলি -আচ্ছা মা । কাকু এবার মায়ের হাত ধরে মাকে নিয়ে বট গাছটার ঠিক পেছন দিকে নিয়ে চলে যায় । ওরা গাছের গুঁড়ির আড়ালে এমন একটা জায়গায় গিয়ে দাঁড়ায় যেখান থেকে আমি ওদের দেখতে পাব না । মা ওখান থেকেই আমাকে হাঁক দিয়ে বলে , -বাবলু তুই ওখান থেকে নরিসনা কিন্তু , আমি এখুনি আসছি । আমি বলি -ঠিক আছে মা । গাছের গুঁড়ির পেছনে মা আর কাকু ফিসফিস করে কথা বলতে লাগে , আমি কান খাড়া করে শুনতে চেষ্টা করি ওরা কি বলছে । ওরা যতই ফিসফিস করে বলুক , দু চারটে কথা আমি ঠিকই শুনতে পাই । কাকু বলে -উফ বাবা তিন দিন অপেক্ষা করার পর আজ তোমার দেখা পেলাম । মা হেঁসে বলে -আমার প্রেমে পরেছো নাকি তপনদা । কাকু বলে -তা নাতো কি ? সেদিনের পর থেকে দিনে রাতে সবসসময় খালি তোমার কথা মনে পরছে । মা হেঁসে বলে -প্রেমে পরা তো ভাল কিন্তু তা বলে একবারে দু বাচ্চার মায়ের প্রেমে পরলে ? কাকু হাঁসে , বোঝে মা মজা করছে । কাকু বলে , -অসুবিধে কি , ভালবাসা যে কোন বয়েসেই হতে পারে । মা বলে -সে ঠিক কিন্তু দু বাচ্চার মায়ের সাথে প্রেম করার কিন্তু অনেক ঝামেলা তপনদা । কাকু হেঁসে বলে -ঝামেলার কি আছে ? তোমার তো স্বামী নেই । লাইন ক্লিয়ার । মা হেঁসে ফেলে কাকুর কথা শুনে । এরপর মা আর তপন কাকু আরো দু একটা কি সব কথা ফিসফিস করে বলে, কিন্তু আমি রাস্তা থেকে ঠিক বুঝতে পারি না । কারণ ওই সময়টায় খুব জোরে জোরে হাওয়া দিচ্ছিল ।
এর পর কাকু মাকে বলে -বৌদি একটা হামি দাও না ? মা ফিসফিস করে বলে -না না , ছেলে দাঁড়িয়ে রয়েছে রাস্তায় । কাকু বলে -ও ওখান থেকে আমাদের দেখতে পাবে না , এস টুক করে একটু হামি খাওয়া খায়ি হয়ে যাক । মা বলে -না তপনদা , এসব বোলো না, আমার খুব ভয় করছে , এভাবে খোলা খুলি ঠিক নয় , সেদিন বৃষ্টির মধ্যে যা হয়েছে হয়েছে । কাকু বলে -এখানে এখন জন মানুষ নেই , একটা কুকুর ও দেখ যাচ্ছে না , এত ভয় পেলে চলবে , আমাদের এই ভাবেই লুকিয়ে চুরিয়ে চালাতে হবে । এস তাড়াতাড়ি ।
কাকু সম্ভবত এই বলে মাকে কাছে টানে, কিন্তু আমি রাস্তা থেকে কিছুই দেখতে পাইনা। আর কোন কথাও শুনতে পাইনা ওদের মধ্যে | খুব দেখতে ইচ্ছে করে গাছের পেছনে কি হচ্ছে , কিন্তু সাহস পাইনা । মা আমাকে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে বলেছে, কাছে গিয়ে দেখার সাহস হয় না । শেষে একটা বুদ্ধি বার করি , যেখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম সেখান থেকে একটু হেঁটে এগিয়ে গিয়ে দাঁড়াই । ওখান থেকে গাছের পেছনটা অল্প দেখা যাচ্ছে , আর একটু এগোলেই পুরোটা দেখা যাবে , কিন্তু ভয় হয় যদি মায়ের সাথে চোখাচুখি হয়ে যায় , তাহলে ভীষণ বকা খাব । শেষে একটু সাহস করে আর একটু এগিয়ে গিয়ে ওদের এক পলক দেখেই আবার টুক করে আগের জায়গায় ফিরে আসি । যা ভেবেছি ঠিক তাই, কাকু মাকে বুকে জড়িয়ে ধরে আছে, আর কাকুর মুখের সাথে মায়ের মুখে লাগানো । না চুমু টুমু নয় , একবারে পাগলের মত ঠোঁট চোষাচুষি করছে ওরা । প্রায় মিনিট পাঁচেক পরে মা গাছের আড়াল থেকে হাতে করে ঠোঁট মুছতে মুছতে বেরিয়ে আসে । আমার কাছে এসে বলে -চল হয়ে গেছে এই বলে আমার হাত ধরে হাঁটা দেয় ।
পরের দিন বিদ্যালয় থেকে ফেরার সময় কাকুকে দেখতে পাই না । কাকু মনে হয় আজ আর দাঁড়ায়নি আমাদের জন্য । কিন্তু তার ঠিক পরের দিন আবার ওই একই জায়গায় কাকুকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখি । সেদিন বোনও আমাদের সাথে ছিল । আজ কিন্তু কাকু আর মাকে ডাকে না , উল্টে আমাদের পাশে পাশেই সাইকেল হাঁটিয়ে নিয়ে চলতে থাকে | আর মায়ের সাথে সাথে এটা ওটা গল্প করতে থাকে । ক্ষেত পেরিয়ে লোকালয় শুরু হওয়ার একটু আগেই কাকু সাইকেলে চেপে এগিয়ে যায় ।
পর পর বেশ কয়েক দিন এরকম চলতে থাকে , কিন্তু বোনের খুব মজা হয় , কারণ কাকু ওকে সাইকেলের সামনের রডে বসিয়ে নেয় তারপর দুই হাত দিয়ে সাইকেলের দুই হ্যান্ডেল ধরে সাইকেল হাঁটিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে আমাদের সাথে সাথে চলতে থাকে । ফলে অতটা পথ বোনকে হাটতে হয় না ।মা আর কাকু খুব গল্প করে দেখি এখন ।
এর ঠিক সপ্তাহ দুয়েক পরে , একদিন বোন বিদ্যালয়ে আসে নি , আমি মা আর তপন কাকু বিদ্যালয় ছুটির পর বাড়ি ফিরছি । সেদিন আমি একটু আগে আগে হাঁটছি , মা আর তপন কাকু একটু পেছনে পেছনে আসছে গল্প করতে করতে । কাকু যথারীতি সাইকেল হাঁটিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে মায়ের পাশে পাশে হাটছে আর মায়ের সাথে বক বক করছে । আমি হাঁটতে হাঁটতে একটু পেছন ফিরে তাকাতেই দেখি মা আর কাকু হাত ধরাধরি করে হাঁটছে । কাকুর এক হাতে সাইকেলের হ্যান্ডেল আর অন্য হাতে মায়ের একটা হাত । মা দেখি খুব সহজ ভাবেই কাকুর হাত ধরে হাঁটছে, যেন খুব আপন কেউ । গল্পে ওরা এমন মশগুল যে আমি যে ঘুরে ওদের একবার দেখলাম ওরা সেটা খেয়ালই করলো না ।
পরের কয়েক দিন বিদ্যালয় ছুটির পর বোনও আমাদের সাথে ছিল , কাকু যথারীতি বোনকে সাইকেলের রডে চাপিয়ে নিয়ে আমাদের সাথে সাথে চলে । কিন্তু এই কদিন একটা ব্যাপারই শুধুই আলাদা হয় , সেটা হল ক্ষেত পেরিয়ে লোকালয়ের ঠিক সামনে এসে, যেখান থেকে কাকু সাইকেলে চেপে আগে এগিয়ে যায়, সেখানে দাঁড়িয়ে প্রায় দশ পনের মিনিট ধরে গল্প করে ওরা । উফ সে কি গল্প রে বাবা, সে যেন গল্প শেষ আর হয়না । এদিকে আমারও খিদে পেয়ে যায় রোজ , সেই সকালে অল্প কিছু খেয়ে বিদ্যালয়ে যাই আমরা । একদিন মাকে বলতেই মা ঝাঁঝিয়ে ওঠে , বলে -এত তাড়া কিসের রে তোর , একটু যে শান্তিতে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গল্প করবো তাতেও তোর আপত্তি । আমি ধমক খেয়ে চুপ করে যাই ।
আবার সপ্তাহ দুয়েক পরে একদিন বোন বিদ্যালয়ে আসেনি , আমি আর মা বাড়ি ফিরছি , দেখি কাকু যথারীতি ওই বট গাছটার নিচে দাঁড়িয়ে আছে । তার আগের এক সপ্তাহ বিদ্যালয় থেকে ফেরার সময় কাকুকে দেখিনি , বোন তো মাকে একদিন জিগ্গেসই করে ফেললো, মা কাকু আসছেনা এখন ? আসলে কাকু এলে বোনের খুব মজা হয় , ও পুরোটা পথ সাইকেলে চেপে যেতে পারে , ওকে হাঁটতেই হয়না প্রায় । মা ওকে বলে -না, তোর কাকু মনে হয় এখন চাষের কাজে একটু ব্যস্ত ।
যাই হোক সেদিন প্রায় এক সপ্তাহ পর কাকুকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে মা হাঁসলো , বললো বাপরে এতদিন কোথায় ছিলে , আমাদের কে তো ভুলেই গেলে একবারে । কাকু হেঁসে বলে -আসলে ফসল বিক্রির ব্যাপারে একটু ব্যস্ত ছিলাম । তাছাড়া আমাদের বাড়ির একটা পুকুরে মাছ ছাড়ার ও ব্যাপার ছিল । মা বলে -তুমি আজকে আমাদের সাথে যাবে না , কাকু বলে -না আজ একটু তাড়া আছে , শুধু তোমার সাথে দেখা করবো বলে এসেছি । মা বলে - ও আচ্ছা | কাকু মাকে বলে -তাহলে এস একটু গাছের পেছন দিকটায় গিয়ে পাঁচ দশ মিনিট বসি , তারপর তুমি চলে যেয়ো । মা বলে -ঠিক আছে । মা আমাকে বলে -যা তুই একটু ওদিকে গিয়ে রাস্তায় দাঁড়া আমি আসছি । আমি বলি -না আমি আজ আর রাস্তায় গিয়ে দাঁড়াতে পারবোনা , রাস্তায় খুব রোদ । কাকু বলে -আচ্ছা আয় , আজ তুই আমাদের সাথে বোস । মা অবাক হয় কাকুর কথা শুনে । আমি মা আর কাকু ওই বট গাছের বিশাল গুঁড়ির ঠিক পেছন দিকটায় গিয়ে বসি । রাস্তা দিয়ে কেউ গেলে সে বুঝতেই পারবে না যে এখানে দু তিন জন বসে আছে । দু একটা কথা বলার পরই কাকু মায়ের দিকে ইশারা করে, মা হাঁসে বলে -ধ্যাৎ ছেলে রয়েছে না সাথে । কাকু বলে -তোমার ছেলেকে বলনা একটু ওই দিকে তাকাতে বা চোখ বুঁজে থাকতে । মা বলে -ধ্যাৎ ওই ভাবে হয় নাকি , কাকু বলে -কেন হবে না । মা তখন আমাকে হেঁসে বলে -এই বাবলু, তুই একটু চোখ বুঁজে থাকতো। আমি বলি -কেন ? মা বলে -যেমন বলছি করনা, সব সময় কেন কেন করিস তুই । আমি বলি -বল না কি করবে ? মা লাজুক হেঁসে বলে -তোর কাকু আমাকে একটু জড়িয়ে ধরবে । আমি হেঁসে ফেলি । মাও হাঁসে , তারপর আমাকে সাবধান করে, বলে -কাউকে বলবিনা কিন্তু , কাউকে বললে কিন্তু আমার খুব বদনাম হয়ে যাবে । আমি বিধবা তো । আর তোর ঠাকুমাকে কিন্তু একেবারেই বলা যাবেনা। বললেই আমাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেবে । আমি বলি -ঠিক আছে , আমি চোখ বুঁজি, কাকু মনে হয় মাকে বুকে জড়িয়ে ধরে। মা আদুরে গলায় বলে -সত্যি তুমিনা তপনদা, ছেলের সামনে এই সব করেছো , তোমার লজ্জা সরম কিছু নেই । কাকু মায়ের কথার উত্তর দেয় না, শুধু বলে -উফ বুকটা আমার জুড়িয়ে গেল একবারে । আঃ তোমাকে বুকে নিয়ে যে কি শান্তি বৌদি । মা আদুরে গলায় বলে -তাই বুঝি । এর পর মাঝে মাঝে ছোট ছোট চুমুর শব্দ হয় । দু মিনিট পরে আমি বলি -মা আর কতক্ষন চোখ বুঁজে বসে থাকবো । মা বলে -ধুর শয়তান , খুব বদমাস তুই , আচ্ছা চোখ খুলবি তো খোল । আমি চোখ খুলে মায়ের দিকে তাকাই , দেখি কাকু মাকে একবারে নিজের বুকে চেপে ধরে বসে আছে । আমি হাঁসি মায়ের দিকে তাকিয়ে, মাও হাঁসে । আমি বলি -তোমরা কি করছো মা ? মা বলে -দেখছিস না তোর কাকু আমাকে আদর করছে । আমি বলি -জড়িয়ে ধরে? মা বলে -কেন? আমি যখন তোকে বা তোর বোনকে আদর করি তখন জড়িয়ে ধরেই তো করি । আমি বলি -বড়দের এই ভাবে আদর করতে কোন দিন দেখিনি ? মা বলে -তো কি আছে আজ দেখলি । আমি মাকে বলি -তোমাকে কাকু আদর করছে কেন মা ? মা বলে -তোর কাকু আর আমি প্রেম করি তো তাই । আমি বলি -তাই নাকি? তোমরা প্রেম কর । মা বলে -কেন দেখিস না তোর কাকু কেমন আমাদের জন্য দাঁড়িয়ে থাকে । আমার সাথে গল্প করে রোজ । আমি বলি -হ্যাঁ ঠিক। আচ্ছা - তোমরা প্রেম কর কেন ? মা বলে -কি করবো বল , তোর বাবাকে তো আর পেলাম না , এখন এই কাকুটাকে পেয়েছি , তাই তোর কাকুর সাথে প্রেম করছি । আমি বলি -তোমরা কি করবে এবার? মা বলে -তোর কাকুকে জিগ্গেস কর আমাকে বিয়ে করবে কিনা ? আমি বলি -কাকু তুমি আমার মাকে বিয়ে করবে? মা কাকুকে বলে -কি গো, ছেলের কথার উত্তর দাও । বিয়ে করবে তো আমাকে , না শুধু শুধু চট্কা চটকি করে ছেড়ে দেবে । কাকু মাকে বুকে জড়িয়ে ধরে মায়ের ঘাড়ে নিজের নাক মুখ ঘষতে ঘষতে জড়ানো গলায় বলে -করবো না কেন ? করবো । কিন্তু তোর মাকে জিগ্গেস কর আমাকে বাচ্চা করতে দেবে কিনা ? মা কাকুর আদর খেতে খেতে বলে -আমাকে বিয়ে করলে বাচ্চা করতে দেব না কেন ? দেব । কাকু বলে -বিয়ে করলে আমি কিন্তু অনেক গুলো নেব তোমার থেকে । মা বলে -তুমি যতগুলো পালতে পারবে ততগুলো দেব । কাকু আদুরে গলায় বলে -সত্যি । মা বলে -সত্যি বলছি , তুমি চাইলে দু বছর অন্তর একটা করে দেব । কাকু বলে -ঠিক আছে আমি রাজি , মনে রেখ আমি কিন্তু বিয়ের পর পেট খালি রাখতে দেবনা তোমার , একটা বেরুলেই আবার একটা ঢোকাবো | মা খিল খিল করে হাঁসে কাকুর কথা শুনে | কাকু বলে -হ্যাঁ, বুকের দুধ শোকাতে দেবনা তোমার, একটা মাই ছাড়বে তো আর একটা মাই ধরবে । মা আবার হি হি করে হাঁসে কাকুর কথা শুনে । মা এবার হাঁসতে হাঁসতে আমাকে বলে -দেখেছিস বাবলু তোর তপনকাকু কি বলছে , বলছে আমাদের বিয়ে হলে তোর নাকি অনেকগুলো ভাই বোন হবে । কাকু এবার আমার সামনেই মায়ের ঠোঁটে পর পর চুমু দিতে শুরু করে । মা চুপ করে নির্লজ্জ্ব ভাবে কাকুর চুমু নেয় । তারপর বলে -নাও , আজ অনেক হল, আবার পরে হবে , এবার আমরা বাড়ি যাব, দেরি হয়ে যাচ্ছে । কাকু আর কিছু বলে না। আমি আর মা হাঁটা দিই বাড়ির দিকে । কাকুও অন্যদিকে সাইকেল চালিয়ে চলে যায় ।
( চলবে )


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)