Thread Rating:
  • 2 Vote(s) - 3 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
Amar Bon Mira
#11

 
“ কিরে তোকে এইরকম দেখাইতাসে ক্যান? কি হইসে?” নীলয় অফিসের ডাইনিং হলে প্রবেশ করতেই ঈশান অবাক হয়ে জিজ্ঞাস করলো । নীলয় ভেবেছিলো বাথরুমে গিয়ে মুখে পানি টানি দিয়ে এলে ওর রাগান্বিত ভাবটা হয়তো কিছুটা কেটে যাবে । কিন্তু সেটা যে হয়নি তা ঈশানের প্রশ্ন শুনেই বুঝতে পারলো।
 
নীলয় চায়নি ঈশান কে এই ব্যাপারে জানাতে । ও জানে ঈশান জানতে পারলে নিশ্চিত ভাবেই বাবার পক্ষ নেবে এবং চাপাচাপি করবে যেন নীলয় এই ব্যাপারে বাবাকে সাহায্য করে ।
 
“ আরে কিরকম আবার দেখায় , কিছুই হয় নাই” হেঁসে উড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করে নীলয় । কিন্তু সফল হয় না । ঈশান বার বার খুঁটিয়ে জিজ্ঞাস করে । প্রথমে ঈশান ভাবে হয়তো অফিসের কাজ নিয়ে কিছু হয়েছে।  নীলয় ঈশান কে মিথ্যা কোন টেনশন দিতে চায় না , তাই বলে দেয় যে অফিস সম্পূর্ণ ঠিক আছে ।
এর পর ঈশান আরো বেশি করে ওকে জেরা করা শুরু করে । জেরার মুখে নীলয় মনে মনে ভাবে , যাহ শালা অফিসের সমস্যা বলে দিলেই ভালো হতো । শেষ পর্যন্ত নীলয় হার মানে , মিরার চরিত্র বাঁচিয়ে যতটুকু বলা সম্ভব ঈশান কে খুলে বলে ।
 
“ আর বলিস না ভাই , আমার বাবা আমার সাথে যা করেছে সেই একই  কাজ মিরার সাথেও করতেসে, কোন জায়গার কোন  পোলা  মিরার পেছনে লাগসে  তার জন্য আমারে বলতেসে মিরা কে আমার কাছে আইনা রাখতে, আমার বাপটাই এমন সমস্যা দেখেলে পিছটান দেয়ার অভ্যাস”
 
যদিও নীলয় ব্যাপারটা অনেক হলকা করে বলার চেষ্টা করেছে , কিন্তু ঈশান বেশ সিরিয়াস ভাবেই নিয়েছে । ঈশান কে দেখে খুব চিন্তিত মনে হচ্ছে । তবে কিছু বলছে না । নীলয় জানে ঈশান মনে মনে কি ভাবছে। ঈশান যে এই কথা নিজের মায়ের কাছে বলবে এবং জোবায়দা বেগম কে দিয়ে ওকে চাপ দেয়াবে সেটা বুঝতে ওর বাকি নেই । তাই সমস্যা টাকে  আরো হালকা করার জন্য নীলয় বলল ,
 
“ দেখে আমি ওদের কাছ থেকে এতো দূরে আসছি কি ওদের সাথে আবার জোড়ানর জন্য ? এইসব ছোট খাটো সমস্যা যদি হান্ডেল করতে না পারে তাহইলে সে কিসের বাপ? বাদ দে এরক ছেলে পেলে দুই একটা পেছনে পরলেই কি ভয় পাইতে হইবো নাকি ? আসলে দেখবি কোন সমসসাই হয় নাই বাবা খালি খালি প্যাচাইতাসে” 
 
“ তারপরও মিরা তোর ছোট বোন হয় , যদি কিছু হইয়া যায় , আজকাল কত ঘটনা ঘটতাসে দেখস না?”
 
নীলয়ের রাগ আবার ফিরে আসে , একটু ঝাঁজের সাথেই বলে “ হইলে হবে , আমার কি ? আমি অনেক আগেই ঐ পরিবারের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করসি, আজাইরা ঝামেলা আমি আর নিতে পারবো না, আমি যখন ঐ বয়সে বাড়ি ছাইড়া চইলা আসছিলাম আমারে কে হেল্প করসিলো?”
 
এর পর ঈশান যা বলল সেটার জন্য নীলয় প্রস্তুত ছিলো না । ঈশান যে এমন ক্ষেপে যাবে নীলয় বুঝতে পারেনি , আর ঈশানের এমন ক্ষেপে যাওয়ার কারন ও বা কি ? আশ্চর্য হয়ে নীলয় দেখলো ঈশান ও সমান ঝাঁজের সাথে বলল “ আমি হেল্প করসিলাম , মানুষ ই মানুষ কে হেল্প করে , তুই যে এমন সেলফিস আগে জানলে………”  বাকিটুকু ঈশান আর বলে না ।
 
হতবাক নীলয়ের ঘোড় কেটে যেতেই বুঝতে পারে ঈশানের না বলা কথা গুলো কি ছিলো , অপমানে আর রাগে ওর মুখ লাল হয়ে যায় । ঈশান যে বলতে চেয়েছে যে ওর এমন সেলফিস আচরনের কথা আগে জানলে ওকে হেল্প করতো না সেটা নীলয়ের বুঝতে বাকি রইলো না । খাওয়া রেখেই নীলয় উঠে দাড়ায় , কোন কথা না বলেই হন হন করে ঘর থেকে বেড়িয়ে যায় । লজ্জায় অপমানে নীলয়ের কান থেকে গরম হাওয়া বের হতে থাকে ।
 
পারকিং লটে নিজের গাড়িতে উঠে বড় করে নিঃশ্বাস ফেলে নীলয় । ভেবে পায় না ঈশান কেন এমন একটা ছোট ব্যাপার নিয়ে ওর সাথে এমন আচরন করলো । হয়তো ঈশানের মাঝে অহঙ্কার চলে এসেছে। ওকে যে হেল্প করেছে সেটা এখন ওকে মনে করিয়ে দিতে চায় । নয়তো যাদের ঠিক মত চেনেও না তাদের জন্য ওকে এমন করে কেনো অপমান করবে ।
 
দ্রুত বেগে পারকিং লট থেকে বেড়িয়ে এদিক সেদিক গাড়ি ভাগায় নীলয় । এই শহরে ওর তেমন কোন বন্ধুও নেই যার কাছে যেতে পারে ও । বাসায় যেতেও ইচ্ছা হচ্ছে না । তাই এমনি এমনি শহরের রাস্তা ধরে চক্কর দিতে থাকে । ঘন্টা দের পর নীলয়ের মোবাইল বেজে ওঠে ,ঈশান কল করেছে । রিসিভ করার কোন ইচ্ছে হয় না ওর ।
 
এদিকে ঈশান ও নিজের আচরনে অবাক হয় । ভেবে পায় না হঠাত কেনো এমন করলো ও । এটা ঠিক নীলয় ওর বাবার সাথে যেটা করেছে সেটা খারাপ , খুব খারাপ করেছে । কিন্তু তাই বলে ওর নিজের এতটা কঠোর কথা বলা উচিৎ হয়নি । এমন কি নীলয়ের বাবা বা বোন কে ও চেনেও না ঠিক মত । বছর দুয়েক আগে নীলয়ের মায়ের মৃত্যুর সময় দেখছিলো ।
 
নাহ এমন কথা ঠিক হয়নি কিছুতেই , মনে মনে ভাবে ঈশান । তারপর নীলয় কে কল করে । ওর কল রিসিভ হয়নি দেখে বেশ হতাশ হয় ঈশান । মনে মনে নিজেকে একশো গালি দেয় । আর ঠিক করে এই ব্যাপারটা মা কেই হেন্ডেল করতে দেবে ।
 
<><><>
 
নীলয় ঘরে ফেরে প্রায় রাত দশটার সময় । রান্না করার ইচ্ছা হয় না বলে খাবার অর্ডার করে দেয় । ফ্রেস হয়ে বিছানায় এসে সোয় । এতো লম্বা সময় একা একা গাড়ি চালানোর সময় রাগটা প্রায় মিলয়েই গিয়েছে। ঈশান ওকে আপন ভাবে বলেই হয়তো ওর আচরনে নারাজ হয়েছে । ঈশান হয়তো ভাবতে পারেনি যে পরিবারের বিপদে ও এমন নিজেকে গুটিয়ে নেবে । আর নিজের আপনজনের এমন আচরনে যে কেউ রাগ করতে পারে । ঈশান ও তাই করেছে ।
 
আসলে ঈশানের কি দোষ , ও তো আর সবটা জানে না । সেদিন সুধু বাবার সাথে রাগ করেই তো ঘর থেকে বের হয়নি নীলয় । এর পেছনে আরো কারন ছিলো । নীলয়ের বাবা ওর পড়াশুনা নিয়ে কথা বলতো ঠিক , কিন্তু ঘর থেকে বের হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি কখনো হয়নি । আসলে ওর বাবা নীলয়ের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলো নীলয় বাড়ি ছেড়ে বেড়িয়ে যাওয়ার পর । এক মাত্র ছেলে লেখাপড়া ছেড়ে চাকরি করবে সেটা উনি কিছুতেই মেনে নিতে পারেনি । কিন্তু অন্য সবাই কে নীলয় এটা ভাবতে বাধ্য করেছে যে ওর বাবার আচরনেই ও বাড়ি ছেড়ে বেড়িয়ে এসেছিলো । এমনকি নীলয়ের বাবাও সেটাই বিশ্বাস করে । কিন্তু এর পেছনে যে অন্য একটা কারন আছে সেটা সুধু নীলয় ই জানে ।  
 
আর বাবার প্রস্তাব টা শোনার পর থেকে ঐ ঘটনাই ওকে তাড়া করে ফিরছে । না পারছে কাউকে বলতে না পারছে নিজে কোন সমাধান বের করতে । সমাধান বের করা সহজ হতো যদি ঐ ঘটনার জন্য অন্য কাউকে আংশিক হলেও দায়ী করতে পারতো কিন্তু নীলয় জানে যে ঐ ঘটনার জন্য ও একাই দায়ী , আর কোন অংশীদার নেই ।
 
শুয়ে শুয়ে নীলয় আগের দিন গুলোর কথা চিন্তা করে , চিন্তা করে আজকে ইশানের সাথে কথপকথনের। যতই চিন্তা করে ততই ইশানের উপর রাগ কমে । নীলয় বুঝতে পারে ঈশান কেন এমন রিয়েক্ট করেছে । ইশানের নিজের ও একটা ছোট বোন আছে । হয়তো কোন ছেলে ওর বোন কে উত্তক্ত করছে এই কথা জানতে পারলে ঈশান ওর মত এমন নির্লিপ্ত থাকতে পারতো না , বেশিরভাগ ভাই ই পারে না । ঈশান হয়তো নিজেকে দিয়ে ওকে মেপেছে । তাই অমন ক্ষেপে গিয়েছিলো ।
 
কিন্তু ঈশান কে তো সব বলা সম্ভব না । হ্যাঁ নীলয় নিজেও চায় মিরার ভালো । কিন্তু চাইলে কি হবে একটা কালো অধ্যায় যে ওকে তাড়া করে ফেরে । বড্ড ভয় হয় নীলয়ের , হ্যাঁ ভয় হয় কারন এখনো ঐ ভুতটা নীলয়ের কাঁধে আছে । বাবার সাথে কথা বলার সময় ই টের পেয়েছে নীলয় , একি সাথে রাগ আর আনন্দের একটা সিহরন টের পেয়েছিলো নীলয় ।  আর তখনি ওঁত করে রাগ উঠে যায় ।
 
রাগ হয় কারন যে জিনিস কে পেছনে ফেলে আসার জন্য জীবনে এতো বড় রিস্ক নিয়েছিলো । সে জিনিস আবার ফিরে আসতে পারে ভেবে কেন মনটা আনন্দে নেচে উঠেছিলো , হউক না তা ন্যানো সেকেন্ডের জন্য ।
 
এসব ভাবতে ভাবতে রাত্রি গভির হয় কিন্তু ঘুম আসে না নীলয়ের । সুধু ভাবে এখন কি করা উচিৎ , যত কিছুই হোক মিরা ওর ছোট বোন । মিরা কে সাহায্য করা ওর কর্তব্য । সেই সাথে আরো একটা প্রশ্নের উদয় হয় , সেটা হচ্ছে মিরা কি আদৌ সাহায্য চায় নাকি বাবা নিজের ঘাড় থেকে ঝামেলা সরাতে চাচ্ছে।
<><><>
 
ঈশান বাড়ি ফিরে সোজা মায়ের কাছে যায় । আজকে বেশ কয়েকবার নীলয় কে মোবাইলে ট্রাই করেও পায়নি ও । ঈশান জানে কোথায় গেলে কাজ হবে । জোবায়দা বেগমের কথা যে নীলয় ফেলতে পারে না সেটা ঈশানের ভালো করেই জানা ।
 
সব কথা শুনে জোবায়দা বেগম বেশ ক্ষুণ্ণ হয় ঈশানের উপর । বলে “ ঈশান সব কিছু ভালো ভাবে না জেনে একটা মানুষ রে এইভাবে বলা তোর ঠিক হয় নাই বাবা”
 
তারপর বেশ কিছুক্ষণ ভাবে জোবায়দা বেগম তারপর বলে “ শোন , তাড়াহুড়ার দরকার নাই , সময় দে , তারপর আমি গিয়া কথা বলবো ওর সাথে বুঝলি”
 
মায়ের কথা মেনে নেয় ঈশান ।
 
<><><>
 
আজ প্রায় তিনদিন হতে চলল নীলয় অফিস যায় না । যদিও ঈশানের উপর রাগ সেই রাতেই কমে গেছে কিন্তু নিজের তো একটা মান সম্মান আছে । ঈশান আর ঐ দিনের পর নীলয় কে কল করেনি । তাই পরে যাওয়া রাগ অভিমান হয়ে ফিরে এসেছে । তাই আর অফিস যাওয়া হয়নি । তবে নিজের অধিন যারা আছে তাদের কে ফোনে সর্বক্ষণ কন্ট্রাক্ট করছে । সবাইকে কে বলেছে ওর ফ্লু হয়েছে তাই আসতে পারছে না । যত কিছুই হোক অফিসে কাউকে বুঝতে দেয়া যাবে না যে ওদের মনমালিন্য হয়েছে । এই বিজনেসকে নীলয় ঈশানের চেয়ে কম ভালোবাসে না ।
 
তবে একটা উপকার হয়েছে , এই তিনদিন অনেকটা সময় পেয়েছে ও বাবার প্রস্তাবের কথা ভাবার । এবং ভেবেছেও , কিন্তু কোন কুল কিনারা করতে পারছে না । যতবার ই একটা  সিদ্ধান্তে পৌছায় ততবার ই একটা সংকোচ ওকে টেনে ধরে ।
 
আজো এই নিয়েই ভাবছিলো , যদিও সামনে টিভি ছাড়া কিন্তু তাতে নীলয়ের মন নেই । আর ঠিক ঐ সময় কলিং বেল বেজে ওঠে । নীলয় ভাবে হয়তো ঈশান এসেছে । তাই একটু সময় নিয়েই দরজা খুলতে যায় । তবে দরজা খুলে বেশ বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পরে যায় নীলয় । একটা শর্টস আর ট্যান টপ পরা ছিলো ও । আর দরজার সামনে দাড়িয়ে আছে জোবায়দা বেগম , হাতে খাবারের বক্স।
 
“ কিরে কি করতেসিলি ? দরজা খুলতে এতো দেরি হইলো ক্যান?”  পর পর দুটো পরস্ন দাগলেন জোবায়দা বেগম , কণ্ঠে মাতৃত্ব সুলভ শাসনের ঝাঁজ । এতে নীলয় আরো ভড়কে গেলো ।
 
“ না মানে আন্টি টিভি দেখেতাসিলাম”
 
নীলয় কে প্রায় ঠেলেই ঘরে ঢুকলেন জোবায়দা , তারপর নাক শিটকে বললেন “ ছি ঘরের কি হাল”
 
টেবিলের উপর গত দুই দিনের অর্ডার করা খাবারের প্যাকেট গুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে । নীলয় বুঝতে পারে যা হওয়ার হয়ে গেছে , এখন আর কিছুই করার নেই । তাই পাথার পেছন চুলকে হাঁসতে থাকে ।
 
জোবায়দা বেগম প্রথমে খাবার টেবিল পরিস্কারের কাজে হাত দেয় । অবশ্য এর ফাঁকে ফাঁকে নীলয় এমন কি অনুপুস্থিত ঈশান কে নিয়ে নিজের একশো একটা অভিযোগ গুলো করতে থাকে । সব কিছু পরিস্কার শেষে , জোবায়দা বেগম নীলয় কে গোসল করতে পাঠায় । নীলয় গোসল করে ভদ্রস্থ হয়ে এলে দুজনে মিলে খেতে বসে ।
 
খেতে বসেও নীলয় কে রেহাই দেয় না জোবায়দা বেগম । অফিস কামাই করার কারনে ভীষণ বকুনি দেয়। এবং ভবিষ্যতের জন্য ও হুমকি দিয়ে রাখে বলে , এর পর বিনা কারনে অফিসে না গেলে মুখে আর কিছু বলবে না , একদম লাঠি হাতে মাঠে নামবেন উনি ।
 
জোবায়দা বেগমের এমন মাতৃত্ব সুলভ শাসন গুলো নীলয় বেশ এঞ্জয় করছিলো । নিজের মায়ের কাছ থেকে ওকে দূরে থাকতে হয়ছে । বা মা যখন জীবিত ছিলো তখন মায়ের গুরুত্ব ঠিক মতো বুঝতে পারেনি। তাই মায়ের সাথে এমন সম্পর্ক ওর ছিলো না । জোবায়দা বেগমের কথা গুলো শুনতে শুনতে নীলয় একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে ।
 
ব্যাপারটা জোবায়দার কাছে গোপন থাকে না । ছেলেটা যে ওনার সাথে কথা বলার সময় প্রায় এমন করে সেটা উনি খেয়াল করেন । এবং কেনো এমন করে সেটাও জানেন । এই কারনেই ছেলেটার প্রতি ওনার বিশেষ দুর্বলতা আছে । বিশেষ করে ওর মা মারা যাওয়ার পর থেকে ।
 
খাওয়া দাওয়া শেষে জোবায়দা বেগম আসল কথা তুল্লেন । মিনার কথা নিয়ে বেশ অনেকক্ষণ সময় নিয়ে নীলয় কে বুঝিয়ে বল্লনে । প্রায় ঘণ্টা খানেক সময় নিয়ে দুজনের মাঝে কথা চালাচলি হলো । জোবায়দা বেগমের একটি বৈশিষ্ট্য হলো উনি কখনো কাউকে সরাসরি উপদেশ দেন না । নানা ভাবে পরিস্থিতি তুলে ধরেন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহনে সাহায্য করেন । নীলয়ের ক্ষেত্রেও তাই করলেন । অতীতেও তিনি নীলয় কে এসম পরস্থিতিতে হেন্ডেল করেছেন , তাই তিনি জানেন নীলয়ের কোন কোন বাটন চাপ দিলে কাজ হবে। এবং চলে যাওয়ার সময় উনি উনার কাজে সন্তুষ্ট ।
 
জোবায়দা চলে যাওয়ার পর নীলয় বেশ কিছুক্ষণ স্থির হয়ে বসে রইলো । ঈশানের মায়ের একটি কথাই বার বার বাজতে লাগলো ওর কানে । “ অনেক সময় অতীত কে ভুলে সামনে এগিয়ে যেতে হয় , নইলে ভবিষ্যতে দীর্ঘশ্বাস ফেলা ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না”
[+] 2 users Like KK001's post
Like Reply


Messages In This Thread
Amar Bon Mira - by KK001 - 22-03-2025, 03:16 AM
RE: Amar Bon Mira - by KK001 - 23-03-2025, 11:36 PM
RE: Amar Bon Mira - by buddy12 - 24-03-2025, 09:38 PM
RE: Amar Bon Mira - by KK001 - 25-03-2025, 11:55 PM
RE: Amar Bon Mira - by Raj Pal - 26-03-2025, 12:36 AM
RE: Amar Bon Mira - by KK001 - 27-03-2025, 01:54 AM
RE: Amar Bon Mira - by KK001 - 28-03-2025, 12:45 AM
RE: Amar Bon Mira - by shafiqmd - 29-03-2025, 09:15 PM
RE: Amar Bon Mira - by KK001 - 30-03-2025, 12:19 AM
RE: Amar Bon Mira - by KK001 - 01-04-2025, 04:04 AM



Users browsing this thread: