Thread Rating:
  • 18 Vote(s) - 3.06 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
কাজলদীঘি, শ্মশান ও পীরসাহেবের থান by Mamun Jafran
#13
পার্টঃঃ০৭
আমার চাকরিটা মনে হয় যাবে।
কেনো।
সুনিতদা এখন পাওয়ারে।
তাতে কি হয়েছে।
তুই সত্যি একটা গা.....।
হেসে ফেললাম।
হাসিস না। তোর ওই হাসিটা দেখলে গা জলে যায়।
আচ্ছা আচ্ছা হাসবনা।
তোর চাকরিটা থাকবে।
যাক তাহলে রক্ষে।
অমিতাভদা এবং মল্লিকদাকে এখন ছুটিতে যেতে বলা হয়েছে।
তাই। এককেবারে ছুটি।
ন্যাকামো করিস না। অমিতাভদার ঘরে এখন সুনিতদা বসছেন।
ও তাহলে এডিটর।
ওই রকমি বলতে পারিস। এখনো খাতা কলমে নয়। তবে বকলমে কাজ চালাচ্ছে।
ও।
সব নতুন নতুন ছেলে মেয়ে আমদানি করেছে।
বেশ ভালোতো।
সন্দীপ কট কট করে আমার দিকে তাকালো। একজন উর্দিপরা ভদ্রোলোক এসে বললেন, আপনাকে সুনিতবাবু ডাকছেন।
ভদ্রলোকের মুখের দিকে তাকালাম। উনি চলে গেলেন। সন্দীপের দিকে তাকালাম।
এখন অনেক সিকুরিটি গার্ড এসেছে। এরাই এখন অফিসের দেখভাল করে।
হরিদা নেই এখন।
না। অমিতাভদা যেদিন থেকে আসা বন্ধ করেছেন, হরিদাকে প্রেসে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
ওখানে কি করছে।
কাগজ বইছে।
ওই বুড়ো মানুষটা কাগজ বইছে।
হ্যাঁ। না হলে কাজ থেকে ছুটি নিতে বলা হয়েছে। বেচারা।
আমি অবাক হয়ে সন্দীপের কথা শুনছিলাম। বাকিটা নিজে নিজেই আঁচ করে নিচ্ছিলাম। এই অফিসের মালকিন আমার পূর্ব পরিচিত এটা এখানকার কেউ জানে না। একমাত্র অমিতাভদা, মল্লিকদা ছাড়া। তবে মল্লিকদার স্ত্রীই যে আমার ছোটমা আর অমিতাভদার স্ত্রী আমার বড়মা এটা সংঘমিত্রা জানে না। তারমানে অনেক জল এই পনেরো দিনে গড়িয়ে গেছে। এই বয়সে এত লাঞ্ছনা গঞ্জনা সহ্যকরেও ওরা কেউ কোন কথা বলে নি। খালি আমার ফিরে আসার অপেক্ষা করেছে। এই বয়সে এটা ওদের প্রাপ্য ছিল না। আমি নিজে খুব ভালকরে জানি এই কাগজটাকে আজ কলকাতায় শীর্ষে তোলার জন্য ওরা কি না করেছে।
কি ভাবছিস।
না কিছু না। চল ওঠা যাক। নতুন সাহেবের সঙ্গে কোথায় দেখা করবো।
অমিতাভদার ঘরে।
ক্যান্টিন থেকে সোজা নীচে চলে এলাম। এডিটর রুমে ঢোকার মুখে দেখলাম একজন সিকুরিটি গার্ডের মতোন লোক দাঁড়িয়ে আছে। ঢুকতে যেতেই আমাকে বাধা দিলেন। কি প্রয়োজন জিজ্ঞাসা করলেন। তারপর বললেন, ওই খানে গিয়ে স্লিপ করতে। দেখলাম, নিচে যে রিসেপসনিস্ট ভদ্রমহিলা বসতেন তিনি বসে আছেন। কাদের সঙ্গে যেন কথা বলছেন। আমি বাধ্যে ছেলের মতোন সেখানে গেলাম, আমাকে দেখেই ভদ্র মহিলা মুচকি হেসে বলে উঠলেন আরে অনিবাবু যে, কি দরকার।
এডিটর সাহেবের সঙ্গে দেখা করবো।
ওঃ এই সিকুরিটিটাকে নিয়ে পারা যাবে না। সবাইকে আমার কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছে দেখুন তো।
কি আর করা যাবে, ও তো আর আমাকে চেনে না।
চিনবে না কেনো। আপনি এই হাউসের স্টাফ।
আজ আমাকে প্রথম দেখছে।
ঠিক আছে চলুন আমি বলে দিচ্ছি।
না না আপনি একটা স্লিপ লিখে পাঠিয়ে দিন।
না না এটা হয় না।
কেনো হয়না, যেটা অফিসের ডেকোরাম সেটা তো মানতে হবেই।
ভদ্রমহিলা আমার মুখের দিকে তাকালেন। কি যেন ভাবলেন। হয়তো শেষের কয়টা কথা বেশ কঠিন হয়েগেছিল। খুব খলবলি ভদ্রমহিলা। আমি খুব একটা পাত্তা দিই না। তবে অফিসের অনেকেই ওকে পাত্তা দেয়। দেখতে শুনতেও খারাপ নয়। ভেতরে গিয়ে ইন্টারকমে একটা ফোন করতেই আমার যাবার ডাক এলো।
দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকলাম। দেখলাম সুনীতদা তার দলবল নিয়ে বসে আছেন। আমাকে আসতে দেখেই বললেন , আয় আয়। আমি একটা চেয়ার নিয়ে বসলাম। সুনীতদা বললেন, বল কেমন আছিস।
ভাল।
চা খাবি।
না। ক্যান্টিন থেকেই আসছি।
তোর সঙ্গে একটা জরুরি কথা ছিল।
বলো।
তুই আজ সবে মাত্র ফিরলি।
তাতে কি হয়েছে। এয়ারপোর্টে গাড়ি পাঠালে.....।
না মানে। তোকে আমি চেন্নাই-এর ব্যুরো চিফ করেছি।
কার অনুমতি নিয়ে।
আমিই ঠিক করেছি। তবে ম্যানেজমেন্ট সেটায় সায় দিয়েছে।
আজকাল কি তুমি এসব ঠিক করছ নাকি।
না ম্যানেজমেন্ট গত সপ্তাহে আমাকে দায়িত্ব তুলে দিয়েছে।
আমাকে কেউ এখনো জানায় নি।
এই তো, আমি জানাচ্ছি।
সুনিতদা জানে আমার মতো খারুয়া ছেলে এই হাউসে একটাও নেই। মাঝে মাঝে অমিতাভদা পর্যন্ত ফেল মেরে যেতো। কিন্তু আমি বেঁচে যাই শুধুমাত্র আমার লেখার জন্য।
সুনিতদার দিকে তাকিয়ে বললাম, ম্যানেজমেন্টকে বলো আমার সঙ্গে কথা বলতে।
সেটা কি করে হয়।
কেনো, যাবে কে তুমি না আমি ?
তুই।
তাহলে আমার সঙ্গে একবার আলোচনা করা উচিত ছিল।
সেটা ঠিক, তবে আমি জানি তুই......।
সরি। আমি যেতে পারছি না। তাছাড়া আমি এতো বেশি অভিজ্ঞ নই যে একটা অফিস চালাব। তার চেয়ে বরং তুমি চলে যাও। তা না হলে আমার থেকেও অনেক সিনিয়ার জার্নালিস্ট এ হাউসে আছে। তাদের পাঠাবার ব্যবস্থা করো।
তাহলে তুই যাচ্ছিস না।
না।
সবাই আমার মুখের দিকে হাঁ করে তাকিয়েছিল। ঘরটা নিস্তব্ধ। সুনিতদা আমার মুখের দিকে তাকালেন। কিছু হয়তো বলবেন ঠিক করছিলেন তার আগেই আমি উঠে দাঁড়ালাম। তাহলে এবার আসি।
তুই একবার ভেবে দেখতে পারিস।
সরি।
তাহলে আমার কিছু করার নেই।
হাসলাম। তোমার ম্যানেজমেন্ট আমারও ম্যানেজমেন্ট তাদের সঙ্গে আমি বসবো। তাতে তোমার আপত্তি কোথায় ? তোমার ব্যাক্তিগত আপত্তি থাকলে আলাদা কথা ?
না, তুই হয়তো সব জানিস না।
সেতো হতেই পারে। আমি পনেরো দিন পরে ফিরলাম। আমার সমস্ত ব্যাপার না জানারই কথা।
ঠিক আছে তুই যা।
আমি বেরিয়ে এলাম। এটুকু জানি আমাকে এই হাউস থেকে সরান খুব মুস্কিল। তাহলে অনেক ঝড় উঠবে। সেটা সুনীতদা ভালকরে জানে। চম্পকদা আঁচ করে, তাছাড়া মিত্রা এসব কি করলো। কার কথায় ও উঠছে বসছে! সুনিতদার কথায়! মুখে থেকে একটা খিস্তি বেরিয়ে এলো, কালকা জোগী....বোলতা হ্যায় জটা।
নিউজরুমে চলে এলাম।
নিজের টেবিলে এসে বসলাম।
সন্দীপ এলো। কিরে কি বললো ?
চেন্নাইয়ের ব্যুরো চিফ বানিয়েছে।
আমি জানি ডি এইচ এ এম এন এ নিশ্চই একটা প্ল্যান ভেঁজেছ।
সেটা আবার কিরে।
বউ বলেছে কাউকে গালাগালি দিতে হলে বানান করে দেবে।
আমি মনে মনে উচ্চারণ করে হেসেফেললাম।
শালা অমিতাভদার সবকটা হ্যান্ডসকে একসপ্তাহের মধ্যে এখানে ওখানে সরিয়ে দিয়েছে। তুই কি বললি।
যাবনা বলে দিয়েছি।
ব্যাস হয়ে গেলো। তোর চাকরি নট।
তো।
এরপর কি করবি।
কোন কাগজের এডিটর হবো।
হ্যাঁ, তোর সেই দম আছে।
হাসলাম।
অনি আমার একটা চাকরির ব্যবস্থা করিস।
কেনো ? তোর চাকরি চলে গেছে।
যায় নি, তবে চলে যাবে।
কি করে বুঝলি।
খবর নিয়েছি কাগজপত্র তৈরি।
পিটিআই, ইউএনআই সামলাবে কে।
লোক এসে গেছে। আমি সাতদিন ধরে আসছি আর চলে যাচ্ছি।
কোন নিউজ করিস নি।
না।
ও।
অনিববু কে আছেন। একজন সিকুরিটি এসে পাশে দাঁড়াল। আমি ভদ্রলোকের দিকে তাকালাম, ভালকরে মাপলাম, ভদ্রলোক নয় একটা বাচ্চা ছেলে। সন্দীপ আমাকে দেখিয়ে বললো, উনি।
আপনাকে একবার মেমসাহেব ডাকছেন।
কে।
খিঁচিয় উঠলাম। বলাটা একটু জোড়ে হয়েগেছিলো। নিউজরুমের সবাই আমার দিকে তাকাচ্ছে।
মেমসাহেব।
সে আবার কে। বসতে বলো।
আপনাকে এখুনি ডাকছেন।
সন্দীপের মুখের দিকে তাকালাম। সন্দীপ ইশারায় বললো মালকিন।
তোমার মেমসাহেবকে বলো, আমি একটু পরে যাচ্ছি।
জরুরি দরকার আছে।
আরি বাবা এতো ঘোরায় জিন দিয়ে এসেছে। চেঁচিয়ে উঠলাম, নিউজরুমের সবাই আমার দিকে হাঁ করে দেখছে।
আমি উঠে পরলাম। গট গট করে ওর পেছন পেছন গেলাম। এই চেম্বারটা আগে ছিল না নতুন হয়েছে। এই পনেরো দিনে অফিসের হাল-হকিকত একেবারে বদলে গেছে। দোষ আমার। কেননা আমি অফিসে খুব বেশিক্ষণ থাকতাম নয়। বেশির ভাগটাই বাইরে বাইরে কাটাতাম। তাছাড়া মাথার ওপর ভাববার অনেক লোক ছিল। তাই নিজের লেখালিখি নিয়েই থাকতাম।
আসতে পারি বলে দরজাটা খুলতেই অবাক হয়ে গেলাম, যারা কয়েকদিন আগেও অমিতাভদাকে তেল দিত, তারা এখন ম্যানেজমেন্টের কাছের লোক। ঘর ভর্তি। সবাই আমার দিকে তাকিয়ে আছেন। মিত্রা একটা চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে আছে। আমাকে দেখে ও একটু অবাক হলো। কিন্তু কাউকে বুঝতে দিল না। আমার পায়ের নোখ থেকে মাথার চুল পর্যন্ত ভালকরে মাপলো। দেখলাম সুনিতদা ম্যাডামের পাশেই একটা চেয়ারে বসে আছেন। আমাকে দেখেই মুখে একটা পরিতৃপ্তির হাসি। ব্যাপারটা এরকম কেমন মজা দেখ।
আসুন।
ভেতরে এসে বসলাম।
সুনিতদা আমার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন, ম্যাডাম এই হচ্ছে অনি।
আমি মিত্রার চোখে চোখ রেখই বুকের সামনে হাত তুললাম।
চম্পকদা বললেন আরে অনিবাবু, ভাইজ্যাক কেমন কাটালে।
ভাল।
তোমার আর্টিকেল গুলো কিন্তু এবার খুব একটা জমে নি।
আমি চম্পকদার দিকে একবার তাকালাম। সামান্য হেসে বললাম, চম্পকদা আমি জানতাম আপনি এ্যাডের লোক সাংবাদিকতা নিয়ে কবে থেকে মাথা ঘামাতে শুরু করলেন।
আমার কথায় ঘরটা একেবারে নিস্তব্ধ হয়ে গেলো। মিত্রা আমার দিকে তাকিয়ে কিছু বলার চেষ্টা করলো। বললো না। হেলান দিয়ে চুপচাপ বসেছিল। আর একদৃষ্টে আমাকে দেখে যাচ্ছিল।
আমি মিত্রার দিকে তাকিয়, হ্যাঁ ম্যাডাম বলুন আমাকে কেন ডেকেছিলেন।
সুনিতদা আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, ওই ব্যাপারটা।
আমি বেশ গম্ভীর হয়ে বললাম, আপনাকে ডিসিসন জানিয়ে দিয়েছি। নতুন কিছু থাকলে বলতে পারেন।
সেটা আমরা মানতে পারছি না।
সুনিতদা, আপনি এখন এই হাউসের কোন পজিসনে আছেন আমি জানি না। তবে আমার যিনি রিসেন্ট বস কাম এডিটর ছিলেন তাঁকে আমি এই হাউসে যখন ঢুকি তখন বলেই ঢুকেছিলাম, আমার একটা পা হাউসের বাইরে থাকবে সব সময়। প্রয়োজন পরলে, যে পাটা ভেতরে আছে, সেটাও বাইরে বার করে নেবো।
তুমি কি বলতে চাইছো।
আপনি একজন চিফ রিপোর্টার বাংলা ভাষাটাও ঠিক মতো বুঝতে পারছেন না। আবার বাংলা কাগজে কাজ করছেন।
হেয়ালী রাখ।
আমি উঠে দাঁড়ালাম। বুকের কাছে হাতজোড় করে বললাম, ম্যাডাম আমি আসছি।
মিত্রা আমার দিকে তাকাল। ওর চোখে অনেক না বলা কথা। কিন্তু বুঝতে পারছি এদের সামনে কিছুতেই বলতে পারছে না। আমাকে চেয়ার দেখিয়ে বললেন, বসুন। সুনিতবাবু আপনারা এখন যান। আমি ওনার সঙ্গে কথা বলে নিচ্ছি।
এক ঘর ভর্তি লোক সবাই এই কথায় কেমন যেন অবাক হয়ে গেলো। একে অপরের মুখের দিকে তাকালো। আমি বসলাম। একে একে সবাই ঘরের বাইরে চলে গেলো। মিত্রা বেলবাজাতেই সেই ছেলেটিকে দেখলাম। যে আমায় ডাকতে গিয়েছিল। চোখ দু’টো ভীষন জ্বালা জ্বালা করছে। মাথা নীচু করে বসে ছিলাম।
কেউ যেন আমাকে বিরক্ত না করে। বেল বাজালে একমাত্র তুমি আসবে।
ঠিক আছে ম্যাডাম। ছেলেটি বেরিয়ে গেলো।
আমি মাথা নীচু করে বসেছিলাম। অনেক দিন পর কারুর সঙ্গে এইরকম রাফ ব্যবহার করলাম। নিজেরি খুব খারাপ লাগছিলো। এসির হাওয়াটা ভীষণ ঠান্ডা ঠান্ডা লাগছে।
কিরে আমার সঙ্গে কথা বলবি না।
বলুন।
বাবাঃ, এখনো রাগ পরে নি।
রাগের কি আছে, চাকরি করতে এসেছি তা বলে নিজের সত্বাকে বিক্রি করতে আসি নি।
মিত্রা নিজের চেয়ার ছেরে উঠে এলো। আমার গলা জড়িয়ে ধরে বললো।
তুই রাগ করলে আমি যাবো কোথায়, আমি এখন বড় একা।
আমি ওর দিকে তাকালাম, ওর চোখ দু’টো ছল ছল করছে।
তুই আমার পাসে থাকবি না।
ওর চোখের ভাষা পরার চেষ্টা করলাম। না আমার কলেজ লাইফের মিত্রাই। ওর চোখের মধ্যে কোন দৈত সত্বা নেই। এক দৃষ্টে আমার দিকে তাকিয়ে আছে।
তুই এসব কি করলি।
আমি করিনি। আমাকে দিয়ে করান হয়েছে।
তার মানে! ব্যবসা করতে বসেছিস, মালকিন হয়েছিস।
সে অনেক কথা। আর ভাল লাগছে না। তোর সঙ্গে আটমাস আগে দেখা হয়েছিল। তোকে আমার ওখানে যেতে বলেছিলাম। তুই যাস নি।
চুপ করে থাকলাম।
আমার থুতনিতে হাত দিয়ে মাথাটা ঘুরিয়ে বললো, বল কেন যাস নি।
আমার চোখ দুটো ভারি হয়ে এসেছিল। নিজেকে সামলে নিলাম।
ও আমার পাশে একটা চেয়ার নিয়ে মুখোমুখি বসলো।
কখন ফিরলি।
সকালে।
বাড়ি গেছিলি।
না।
একটু কফি খা।
না।
ফোনটা বেজে উঠলো, বড়মার ফোন। ফোন ধরতেই বড়মার গলায় অভিমানের সুর। কিরে কখন আসবি, আমরা না খেয়ে বসে আছি।
Like Reply


Messages In This Thread
RE: কাজলদীঘি, শ্মশান ও পীরসাহেবের থান by Mamun Jafran - by sagor69 - 25-06-2019, 04:08 PM



Users browsing this thread: