07-01-2024, 02:56 PM
পর্ব ৪ - আমার মা যখন আমাকে সেলুনে নিয়ে গেল
দোকানদার আঙ্কেলের কাছে আমার মায়ের ইজ্জত হানির কয়েক দিন পরের কথা। আমি বরাবরের মতোই বাসায় সারাদিন নেংটা থাকছি। এর মধ্যে মা খেয়াল করল আমার মাথার চুল বেশ লম্বা হয়ে গিয়েছে। এর সাথে মা দেখল আমার নুনুর উপরে বাল ও বড় হয়ে গিয়েছে। তখন নাহার বলল বাসায় চুল কামানোর চেয়ে সেলুনে গিয়ে কামানো ভালো। এখন নাহার এর কথা শুনে মা বলল ঠিক ই তো। সেলুনে গেলে একবারে সবাই বাল কামিয়ে আসতে পারবে। যেকথা সেই কাজ।
মায়ের বাইরে শাড়ি পড়া নিষেধ। তাই নাহার মাকে একটা ব্লাউজ আর পেটিগোট দিল। কিন্তু কোনো ব্রা প্যান্টি মাকে দিল না। আর নাহার নিজে তার ফ্রক টা পড়লো। আর আমি নেংটা হয়েই বের হলাম।
আমরা নিচে নেমে রাস্তায় বের হতেই এক ভিক্ষুক মায়ের কাছে ভিক্ষা চাইল। মার কাছে ভিক্ষা নেই বলতেই পাশ দিয়ে নাহার বলে উঠলো ভিক্ষে না থাকলেও মায়ের দুধ টিপে যান। সেটা শুনেই ভিক্ষুক মায়ের দুধ দুটো টিপে চলে গেল। আমার মা কিছুই বলতে পারল না। আমি বুঝলাম নাহার আমাকে কন্ট্রোল করার পাশাপাশি এখন আমার মাকেও কন্ট্রোল করছে।
সে যাই হোক আমি মা আর নাহারে তিনজন মিলে হেটের রাস্তার ধারে সেলুনে গেলাম। সেলুন ওয়ালা আমাকে দেখেই হতবাক হয়ে গেল। আমার মা ছেলেটাকে বুঝিয়ে বলল যে আমাকে শাস্তিস্বরূপ I’এখন থেকে নেংটা রাখা হচ্ছে। আর এখন আমার নুনুর বালটা পরিষ্কার করে দিতে হবে। সেলুনওলা ছেলেটা আমাকে খুবই যত্ন করে বিছানায় শোয়ালো।
ছেলেটা কারণে অকারণে আমার নুনুতে হাত দিলেও মা কিছু বলছে না । ছেলেটার হাতের স্পর্শে আমার নুনুটা আস্তে আস্তে শক্ত হচ্ছে। ছেলেটা এক হাত দিয়ে বাল শেভ করছে আরেক হাত আমার নুনুর মাথায় ঘষছে। আমি উহ আহ করলেও আমার কথায় কর্ণপাত করছে না। শেষ পর্যন্ত আমার নুনুটা শক্ত হয়ে দঁড়িয়ে গেলে তার বাল সেভ করা শেষ হয়। তখন ছেলেটা বলে সেভের পর নুনুতে তেল লাগান উচিত। সাথে সাথে মা বলে উঠে তাই তো। এটা শুনে ছেলেটা হাতে সরিষার তেল নিয়ে আমার নুনুটা আচ্ছা করে ঘষে দেয়। এত ঘষাঘষি করার কারণে আমার মাল আউট হয়ে যায়। সেলুনের ছেলেটার হাত আমার বীর্যে মাখামাখি হয়ে গেলে আমার মা বেশ লজ্জা পায়। তখন নাহার মাকে বললো তার ব্লাউজটা খুলে দিতে। তাহলে ব্লাউজে ছেলেটার হাত মুছবে আর সাথে আমার নুনু টাও মুছে দিতে পারবে।
এটা শুনে নাহার মায়ের ব্লাউজটা তাড়াতাড়ি করে খুলে দিল। খোলার সাথে সাথে মায়ের দুধদুটি উদোম হয়ে গেল। মা তার হাত দিয়ে দুধ ঢাকার ব্যর্থ চেষ্টা করলেও নাহার সেটা করতে দিলো না। ফলে মায়ের বড় বড় দুধ দুটো আমাদের সামনে উদোম হয়ে রইলো।
সেলুনের ছেলেটি তাড়াতাড়ি মায়ের ব্লাউজ দিয়ে আমার নুনুটা পরিষ্কার করে তার নিজের হাত ও মুছে নিল। ফলে মায়ের ব্লাউজটা আমার বীর্যে মাখামাখি হয়ে গেল। আর মা টপলেস হয়ে দাঁড়িয়ে সব দেখলো।
আমার নুনু মোছা শেষ হলে মা তার বগলের চুল ছেঁটে নিতে চাইলো। সেলুনের ছেলেটা তাড়াতাড়ি আমার নুনুতে চড় মেরে উঠিয়ে দিল। এরপর মাকে বসিয়ে মায়ের বগল তলা ভালোভাবে পরিষ্কার করে দিল। এরমধ্যে মা একবারও দুধ দুটো ঢাকতে পারেনি। ফলে মায়ের বাদামি নিপল দুটো শক্ত হয়ে থাকলো। সেলুনের ছেলেটা মাঝে মাঝেই মায়ের নিপলে আলতো ভাবে ছুয়ে দিলেও মা কিছু বলছে না। আমিও মায়ের কান্ডকারখানা দেখছিলাম। দোকানদার ছেলেটা মায়ের বগলের বাল ছাটা শেষ করলে আমি মাকে তার ব্লাউজটা ফেরত দিলাম। যদিওবা সেটা আমার বীর্যে মাখামাখি হয়ে ছিল। মা তার ব্লাউজটা পড়ে নিলো। আর আমি সম্পূর্ণ ন্যাংটা অবস্থায় দাড়িয়ে রইলাম। নাহার তখন দোকানদার ছেলেটাকে টাকা দিতে চাইলেও ছেলেটা নিতে চাইলো না। তার বদলে মায়ের স্তনযুগল টিপে দিতে চাইলো। নাহার সাথে সাথে হা বললো। তখন সেলুনের ছেলেটা মায়ের দুধে আচ্ছা করে টেপাটেপি করলো।
মা লজ্জায় লাল হয়ে আমাকে আর নাহারকে নিয়ে বেরিয়ে আসলো।
দোকানদার আঙ্কেলের কাছে আমার মায়ের ইজ্জত হানির কয়েক দিন পরের কথা। আমি বরাবরের মতোই বাসায় সারাদিন নেংটা থাকছি। এর মধ্যে মা খেয়াল করল আমার মাথার চুল বেশ লম্বা হয়ে গিয়েছে। এর সাথে মা দেখল আমার নুনুর উপরে বাল ও বড় হয়ে গিয়েছে। তখন নাহার বলল বাসায় চুল কামানোর চেয়ে সেলুনে গিয়ে কামানো ভালো। এখন নাহার এর কথা শুনে মা বলল ঠিক ই তো। সেলুনে গেলে একবারে সবাই বাল কামিয়ে আসতে পারবে। যেকথা সেই কাজ।
মায়ের বাইরে শাড়ি পড়া নিষেধ। তাই নাহার মাকে একটা ব্লাউজ আর পেটিগোট দিল। কিন্তু কোনো ব্রা প্যান্টি মাকে দিল না। আর নাহার নিজে তার ফ্রক টা পড়লো। আর আমি নেংটা হয়েই বের হলাম।
আমরা নিচে নেমে রাস্তায় বের হতেই এক ভিক্ষুক মায়ের কাছে ভিক্ষা চাইল। মার কাছে ভিক্ষা নেই বলতেই পাশ দিয়ে নাহার বলে উঠলো ভিক্ষে না থাকলেও মায়ের দুধ টিপে যান। সেটা শুনেই ভিক্ষুক মায়ের দুধ দুটো টিপে চলে গেল। আমার মা কিছুই বলতে পারল না। আমি বুঝলাম নাহার আমাকে কন্ট্রোল করার পাশাপাশি এখন আমার মাকেও কন্ট্রোল করছে।
সে যাই হোক আমি মা আর নাহারে তিনজন মিলে হেটের রাস্তার ধারে সেলুনে গেলাম। সেলুন ওয়ালা আমাকে দেখেই হতবাক হয়ে গেল। আমার মা ছেলেটাকে বুঝিয়ে বলল যে আমাকে শাস্তিস্বরূপ I’এখন থেকে নেংটা রাখা হচ্ছে। আর এখন আমার নুনুর বালটা পরিষ্কার করে দিতে হবে। সেলুনওলা ছেলেটা আমাকে খুবই যত্ন করে বিছানায় শোয়ালো।
ছেলেটা কারণে অকারণে আমার নুনুতে হাত দিলেও মা কিছু বলছে না । ছেলেটার হাতের স্পর্শে আমার নুনুটা আস্তে আস্তে শক্ত হচ্ছে। ছেলেটা এক হাত দিয়ে বাল শেভ করছে আরেক হাত আমার নুনুর মাথায় ঘষছে। আমি উহ আহ করলেও আমার কথায় কর্ণপাত করছে না। শেষ পর্যন্ত আমার নুনুটা শক্ত হয়ে দঁড়িয়ে গেলে তার বাল সেভ করা শেষ হয়। তখন ছেলেটা বলে সেভের পর নুনুতে তেল লাগান উচিত। সাথে সাথে মা বলে উঠে তাই তো। এটা শুনে ছেলেটা হাতে সরিষার তেল নিয়ে আমার নুনুটা আচ্ছা করে ঘষে দেয়। এত ঘষাঘষি করার কারণে আমার মাল আউট হয়ে যায়। সেলুনের ছেলেটার হাত আমার বীর্যে মাখামাখি হয়ে গেলে আমার মা বেশ লজ্জা পায়। তখন নাহার মাকে বললো তার ব্লাউজটা খুলে দিতে। তাহলে ব্লাউজে ছেলেটার হাত মুছবে আর সাথে আমার নুনু টাও মুছে দিতে পারবে।
এটা শুনে নাহার মায়ের ব্লাউজটা তাড়াতাড়ি করে খুলে দিল। খোলার সাথে সাথে মায়ের দুধদুটি উদোম হয়ে গেল। মা তার হাত দিয়ে দুধ ঢাকার ব্যর্থ চেষ্টা করলেও নাহার সেটা করতে দিলো না। ফলে মায়ের বড় বড় দুধ দুটো আমাদের সামনে উদোম হয়ে রইলো।
সেলুনের ছেলেটি তাড়াতাড়ি মায়ের ব্লাউজ দিয়ে আমার নুনুটা পরিষ্কার করে তার নিজের হাত ও মুছে নিল। ফলে মায়ের ব্লাউজটা আমার বীর্যে মাখামাখি হয়ে গেল। আর মা টপলেস হয়ে দাঁড়িয়ে সব দেখলো।
আমার নুনু মোছা শেষ হলে মা তার বগলের চুল ছেঁটে নিতে চাইলো। সেলুনের ছেলেটা তাড়াতাড়ি আমার নুনুতে চড় মেরে উঠিয়ে দিল। এরপর মাকে বসিয়ে মায়ের বগল তলা ভালোভাবে পরিষ্কার করে দিল। এরমধ্যে মা একবারও দুধ দুটো ঢাকতে পারেনি। ফলে মায়ের বাদামি নিপল দুটো শক্ত হয়ে থাকলো। সেলুনের ছেলেটা মাঝে মাঝেই মায়ের নিপলে আলতো ভাবে ছুয়ে দিলেও মা কিছু বলছে না। আমিও মায়ের কান্ডকারখানা দেখছিলাম। দোকানদার ছেলেটা মায়ের বগলের বাল ছাটা শেষ করলে আমি মাকে তার ব্লাউজটা ফেরত দিলাম। যদিওবা সেটা আমার বীর্যে মাখামাখি হয়ে ছিল। মা তার ব্লাউজটা পড়ে নিলো। আর আমি সম্পূর্ণ ন্যাংটা অবস্থায় দাড়িয়ে রইলাম। নাহার তখন দোকানদার ছেলেটাকে টাকা দিতে চাইলেও ছেলেটা নিতে চাইলো না। তার বদলে মায়ের স্তনযুগল টিপে দিতে চাইলো। নাহার সাথে সাথে হা বললো। তখন সেলুনের ছেলেটা মায়ের দুধে আচ্ছা করে টেপাটেপি করলো।
মা লজ্জায় লাল হয়ে আমাকে আর নাহারকে নিয়ে বেরিয়ে আসলো।