08-06-2019, 05:53 AM
অসহায় প্রজাপতি - A story against Marriage racket and Human trafficking
আজ বহুদিন পর দিদির বিয়ের ফোল্ডারটা খোলে শুভম। প্রথমেই দিদির হাসি হাসি মুখের বড় করে ক্লোজআপ। মুখের প্রতিটা অংশে খুশির ছোঁঁওয়া, চোখ দুটোয় লজ্জা মেশানো এক সুন্দর অভিব্যক্তি ফুটে উঠেছে। এখনো শুভমের মনের মধ্যে জ্বলজ্বল করছে দিনটা । দিদির বিয়েটা যে অমন হুট করে হয়ে যাবে কেউ ভাবে নি। আর ঐ আনন্দের দিনটাই যে ওদের জীবনটা এভাবে বদলে দেবে তাও বোঝে নি কেউ।
পর পর দিদির আইবুড়ো ভাত, অধিবাস, বিদ্ধির ছবি। এরপর বর এসেছে। মা বরণ করছেন, বর আসনে জিজু, শুভদৃষ্টি মালাবদল বিয়ের সব দৃশ্য পর পর সাজানো।
দিদি বিয়ের পর দ্বিরাগমনে এসে নিজের হাতে ফটো গুলো সাজিয়েছিল এই ল্যাপটপে। কি খুশি খুশি লাগছিল দিদিকে সেই দিন। একটা সুন্দর ভাললাগার আবেশ সারা গায়ে মেখে রেখেছিল দিদি। একটা মিষ্টি গন্ধ ছড়িয়ে পরছিল যেন। নতুন শাড়ি গহনায়, টুকটুকে লাল সিঁদুরে তার কুড়ি বছরের চেনা দিদিকে অচেনা লাগছিল মাঝে মাঝে। সেদিন বিয়ের সব উপহার দিদির সাথে বসে খুলেছিল শুভম।একদিনের জন্য দ্বিরাগমনে এসে সব আত্মীয়র মাঝে দিদির মুখে শুধু শ্বশুর বাড়ির প্রশংসা আর গল্প। হঠাৎ করে দিদির বিয়েটা হওয়ায় শুভমের মনে যে ভয়টা দানা বেঁধেছিল সেটা সেদিন পালিয়ে গেছিল। জিজু র ছুটি কম তাই একদিন থেকেই ওরা চলে গেছিল। কত গল্প করেছিল সবাই মিলে।খুব আনন্দে কেটেছিল সন্ধ্যাটা। পরদিন ওদের মধুচন্দ্রিমায় মালদীপ যাওয়ার কথা।
ওটাই যে দিদির সাথে কাটানো শেষ সন্ধ্যা হতে চলেছে শুভম জানতো না তখনো। প্রায় সাতদিন কুর্চির ফোন না পেয়ে প্রথমে ওর শ্বশুর শাশুরী কে ফোন করেছিল ওর বাবা তরুণ বাবু। নম্বর না লাগায় অবাক হয়েছিল। শুভম বারবার জিজুর নম্বর, দিদির নম্বর ট্রাই করে গেছে। তার সেলফি স্পেশালিষ্ট দিদি একটা হানিমুনের ছবিও যখন ফেসবুকে বা হোয়াটস আপে দেয় নি তখন সন্দেহটা ভয়ে পরিনত হয়েছিল শুভমের। ....continued in blog
annododhara.blogspot
আজ বহুদিন পর দিদির বিয়ের ফোল্ডারটা খোলে শুভম। প্রথমেই দিদির হাসি হাসি মুখের বড় করে ক্লোজআপ। মুখের প্রতিটা অংশে খুশির ছোঁঁওয়া, চোখ দুটোয় লজ্জা মেশানো এক সুন্দর অভিব্যক্তি ফুটে উঠেছে। এখনো শুভমের মনের মধ্যে জ্বলজ্বল করছে দিনটা । দিদির বিয়েটা যে অমন হুট করে হয়ে যাবে কেউ ভাবে নি। আর ঐ আনন্দের দিনটাই যে ওদের জীবনটা এভাবে বদলে দেবে তাও বোঝে নি কেউ।
পর পর দিদির আইবুড়ো ভাত, অধিবাস, বিদ্ধির ছবি। এরপর বর এসেছে। মা বরণ করছেন, বর আসনে জিজু, শুভদৃষ্টি মালাবদল বিয়ের সব দৃশ্য পর পর সাজানো।
দিদি বিয়ের পর দ্বিরাগমনে এসে নিজের হাতে ফটো গুলো সাজিয়েছিল এই ল্যাপটপে। কি খুশি খুশি লাগছিল দিদিকে সেই দিন। একটা সুন্দর ভাললাগার আবেশ সারা গায়ে মেখে রেখেছিল দিদি। একটা মিষ্টি গন্ধ ছড়িয়ে পরছিল যেন। নতুন শাড়ি গহনায়, টুকটুকে লাল সিঁদুরে তার কুড়ি বছরের চেনা দিদিকে অচেনা লাগছিল মাঝে মাঝে। সেদিন বিয়ের সব উপহার দিদির সাথে বসে খুলেছিল শুভম।একদিনের জন্য দ্বিরাগমনে এসে সব আত্মীয়র মাঝে দিদির মুখে শুধু শ্বশুর বাড়ির প্রশংসা আর গল্প। হঠাৎ করে দিদির বিয়েটা হওয়ায় শুভমের মনে যে ভয়টা দানা বেঁধেছিল সেটা সেদিন পালিয়ে গেছিল। জিজু র ছুটি কম তাই একদিন থেকেই ওরা চলে গেছিল। কত গল্প করেছিল সবাই মিলে।খুব আনন্দে কেটেছিল সন্ধ্যাটা। পরদিন ওদের মধুচন্দ্রিমায় মালদীপ যাওয়ার কথা।
ওটাই যে দিদির সাথে কাটানো শেষ সন্ধ্যা হতে চলেছে শুভম জানতো না তখনো। প্রায় সাতদিন কুর্চির ফোন না পেয়ে প্রথমে ওর শ্বশুর শাশুরী কে ফোন করেছিল ওর বাবা তরুণ বাবু। নম্বর না লাগায় অবাক হয়েছিল। শুভম বারবার জিজুর নম্বর, দিদির নম্বর ট্রাই করে গেছে। তার সেলফি স্পেশালিষ্ট দিদি একটা হানিমুনের ছবিও যখন ফেসবুকে বা হোয়াটস আপে দেয় নি তখন সন্দেহটা ভয়ে পরিনত হয়েছিল শুভমের। ....continued in blog
annododhara.blogspot
annododhara.blogspot