02-07-2022, 02:24 PM
বিপাকে
বৌ আর ছেলেকে নিয়ে দিঘায় বেড়াতে এসেছে দিনানাথ।এক সপ্তাহ হল দিঘার একটা হোটেলে উঠেছে তারা।বেশ ভালো হোটেল।অন্তত দিনানাথের সামর্থ্যর তুলনায় ভালো হোটেলটা।ছাপোষা লোক দিনানাথ।শিয়ালদার কাছে ছোট একটা মনিহারী দোকান তার।ছ বছরের ছেলে আর স্ত্রী রাধাকে নিয়ে বেশ সুখের সংসার তার।যে সংসারে স্বাধ আছে কিন্তু সাধ্য নেই।মিষ্টি শান্ত সুশীল মেয়ে রাধা গরীবের মেয়ে শ্যামলা মাঝারী উচ্চতা,কিছুটা গোলগাল গড়ন,বাইশ বছরের দেহে পুর্ন যৌবনের জোয়ার।গরীব ঘরের যুবতী গৃহবধূরর স্তন পাছা উরুর গড়ন সহজেই লোভী পুরুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।বেড়ানো প্রায় শেষ এবার বাড়ী ফেরার পালা।ঠিক এসময়ে ঘটে বিপত্তি।দিনানাথের পকেট কাটা যায় বেড়াতে গিয়ে।হোটেলে রুম থেকে চুরী হতে পারে সেজন্য পকেটে টাকা নিয়েই দিঘার সমুদ্রের পারে ঘুরতে গেছিলো বৌ ছেলে নিয়ে।সেখানে একটা লোকের সাথে ধাক্কা লেগেছিলো,তখন বুঝতে পারে নি রুমে এসে পকেটে হাত দিয়ে মুখ শুকিয়ে গেলো তার।রাধা বুদ্ধিমতী স্বামীর দিশে হারা ভাব দেখে কি হয়েছে জিজ্ঞাসা করে।
"আমার সর্বনাশ হয়েছে রাধা, পকেটে টাকা রেখেছিলুম এখন দেখছি পকেট কাটা।"
"কি বলছো কি তুমি,"আৎকে উঠে বলেছিলো রাধা,"এখন উপায়?"
"আমার মাথা কাজ করছে না" বলে ধপ করে বিছানায় বসে পড়েছিলো দিনানাথ।
"হোটেল ভাড়া খাওয়ার টাকা,সব টাকা বাকি আছে"
"তাও কত টাকা হবে?" মুখ শুকনো করে বলে রাধা।
"জানিনা,তাও কম করে হাজার বিশেক টাকা হবে।!
বিইইশ হাজার,তখনই বলেছিলুম এত দামী হোটেলে উঠোনা,এখন কি হবে।
"টাকা তো হিসেব করেই এনেছিলুম,যা ছিল তাতে তো হয়ে যেত এখন কি যে করি,"মাথায় হাত দিয়ে বলে দিনানাথ।
"কারো কাছে চাইলে হয় না?"বলে রাধা
"দিঘাতে কার কাছে চাইবো কাউকেই তো চিনিনা এখানে"
"এখানের কথা বলছি না,শিয়ালদায় তোমার পরিচিত কেউ,নয়ন দা,শিশির দা.."বৌএর কথায় ঝাঁঝিয়ে ওঠে দিনানাথ
"হুঃ ওরা দেবে টাকা, ওদের কি অবস্থা জানোনা তুমি?
"কারো কাছে ধার চাইলে পাবে না?"হাল ছাড়ে না রাধা
"আরে,পাঁচ হাজার টাকা মহাজনের কাছ থেকে ধার নিয়েই তো এসেছিলুম,আহঃহা আর একটা টাকাও পাওয়া যাবে না তার কাছে।"
"কেউ কি নাই?"বড়বড় চোখে আশা নিয়ে স্বামীর হতাশা মাখা কালো হয়ে ওঠা মুখের দিকে চেয়ে বলে রাধা।
ক্লান্ত বিদ্ধস্ত ভঙ্গীতে এদিক ওদিক মাথা নাড়ে দিনানাথ।
"তোমার দোকান?"শেষ চেষ্টা চালায় রাধা
"দোকান তো ব্যাংকে বন্ধক,তোমার সামান্য গহনা গুলোও তো বন্ধক দেয়া আছে।"
"শোনো এক কাজ কর ম্যানেজার বাবুর সাথে দেখা কর,"
"কি বলবো?"
"কি বলবে আবার,আসল ঘটনাটা খুলে বলবে।"স্ত্রী র কথামত নিচে ম্যানেজারের সাথে দেখা করে দিনানাথ।পঞ্চাশ পঞ্চান্ন বছর বয়ষ ম্যানেজারের পাতলা সিড়িঙ্গে চেহারা,মুখে একটা ক্ষুধার্ত ভাব।দিনা নাথের কথা শুনে গম্ভীর মুখটা আরো গম্ভীর হয়ে যায় লোকটার।
"টাকা পয়সা সাবধানে রাখবেন না,হোটেলে ঘরে রাখলে সেখান থেকে চুরী গেলে সেই দায়ীত্ব আমরা নিতাম।যদিও সেরকম ঘটনা ঘটেনি কোনোদিন। যাক টাকা হারিয়ে গেছে টাকা আনানোর ব্যাবস্থা করুন।"
"দেখুন ম্যানেজার বাবু,করুন মুখে বলে দিনানাথ,"আমি ছাপোষা মানুষ,বৌএর স্বাদ মেটাতে জমানো টাকা আর সামান্য কিছু ধার করা টাকায় দিঘায় বেড়াতে এসেছিলুম,আমার কাছে যে টাকা ছিলো তা দিয়ে সব হয়েও যেত কিন্তু...আসলে কারো কাছে টাকা চেয়ে এখন পাওয়ার কোনো উপায় নেই আমার।"
"একথা বললে তো হবেনা,খাতা খুলে হিসাব দেখে,"এ পর্যন্ত ভাড়া,খাওয়া বাবদ পাওনা হয়েছে আঠারো হাজার চারশো পঁচাত্তর টাকা এই টাকা গুলো যে দিতে হবে আপনার"
"আমি যদি পরে মানে শিয়ালদায় গিয়ে পাঠাই মানে আস্তে আস্তে আরকি।"
"সেটা তো নিয়ম না,এটা তো ব্যাবসা, এতগুলো টাকা ছেড়ে দেবার কোনো সুযোগ তো নাই আমার।"
"ছেড়ে দিতে বলছি না.."হাত তুলে দিনানাথ কে থামিয়ে দেয় ম্যানেজার গলা স্বর সম্ভাষণ দুটোই পরিবর্তন করে
"দেখ বাছাএটা দাতব্য প্রতিষ্ঠান না,পাই পাই করে সব টাকা পরিশোধ করে দিয়ে এখান থেকে বেরুতে হবে,নইলে আমি কিন্তু পুলিশ ডাকবো।"
বৌ আর ছেলেকে নিয়ে দিঘায় বেড়াতে এসেছে দিনানাথ।এক সপ্তাহ হল দিঘার একটা হোটেলে উঠেছে তারা।বেশ ভালো হোটেল।অন্তত দিনানাথের সামর্থ্যর তুলনায় ভালো হোটেলটা।ছাপোষা লোক দিনানাথ।শিয়ালদার কাছে ছোট একটা মনিহারী দোকান তার।ছ বছরের ছেলে আর স্ত্রী রাধাকে নিয়ে বেশ সুখের সংসার তার।যে সংসারে স্বাধ আছে কিন্তু সাধ্য নেই।মিষ্টি শান্ত সুশীল মেয়ে রাধা গরীবের মেয়ে শ্যামলা মাঝারী উচ্চতা,কিছুটা গোলগাল গড়ন,বাইশ বছরের দেহে পুর্ন যৌবনের জোয়ার।গরীব ঘরের যুবতী গৃহবধূরর স্তন পাছা উরুর গড়ন সহজেই লোভী পুরুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।বেড়ানো প্রায় শেষ এবার বাড়ী ফেরার পালা।ঠিক এসময়ে ঘটে বিপত্তি।দিনানাথের পকেট কাটা যায় বেড়াতে গিয়ে।হোটেলে রুম থেকে চুরী হতে পারে সেজন্য পকেটে টাকা নিয়েই দিঘার সমুদ্রের পারে ঘুরতে গেছিলো বৌ ছেলে নিয়ে।সেখানে একটা লোকের সাথে ধাক্কা লেগেছিলো,তখন বুঝতে পারে নি রুমে এসে পকেটে হাত দিয়ে মুখ শুকিয়ে গেলো তার।রাধা বুদ্ধিমতী স্বামীর দিশে হারা ভাব দেখে কি হয়েছে জিজ্ঞাসা করে।
"আমার সর্বনাশ হয়েছে রাধা, পকেটে টাকা রেখেছিলুম এখন দেখছি পকেট কাটা।"
"কি বলছো কি তুমি,"আৎকে উঠে বলেছিলো রাধা,"এখন উপায়?"
"আমার মাথা কাজ করছে না" বলে ধপ করে বিছানায় বসে পড়েছিলো দিনানাথ।
"হোটেল ভাড়া খাওয়ার টাকা,সব টাকা বাকি আছে"
"তাও কত টাকা হবে?" মুখ শুকনো করে বলে রাধা।
"জানিনা,তাও কম করে হাজার বিশেক টাকা হবে।!
বিইইশ হাজার,তখনই বলেছিলুম এত দামী হোটেলে উঠোনা,এখন কি হবে।
"টাকা তো হিসেব করেই এনেছিলুম,যা ছিল তাতে তো হয়ে যেত এখন কি যে করি,"মাথায় হাত দিয়ে বলে দিনানাথ।
"কারো কাছে চাইলে হয় না?"বলে রাধা
"দিঘাতে কার কাছে চাইবো কাউকেই তো চিনিনা এখানে"
"এখানের কথা বলছি না,শিয়ালদায় তোমার পরিচিত কেউ,নয়ন দা,শিশির দা.."বৌএর কথায় ঝাঁঝিয়ে ওঠে দিনানাথ
"হুঃ ওরা দেবে টাকা, ওদের কি অবস্থা জানোনা তুমি?
"কারো কাছে ধার চাইলে পাবে না?"হাল ছাড়ে না রাধা
"আরে,পাঁচ হাজার টাকা মহাজনের কাছ থেকে ধার নিয়েই তো এসেছিলুম,আহঃহা আর একটা টাকাও পাওয়া যাবে না তার কাছে।"
"কেউ কি নাই?"বড়বড় চোখে আশা নিয়ে স্বামীর হতাশা মাখা কালো হয়ে ওঠা মুখের দিকে চেয়ে বলে রাধা।
ক্লান্ত বিদ্ধস্ত ভঙ্গীতে এদিক ওদিক মাথা নাড়ে দিনানাথ।
"তোমার দোকান?"শেষ চেষ্টা চালায় রাধা
"দোকান তো ব্যাংকে বন্ধক,তোমার সামান্য গহনা গুলোও তো বন্ধক দেয়া আছে।"
"শোনো এক কাজ কর ম্যানেজার বাবুর সাথে দেখা কর,"
"কি বলবো?"
"কি বলবে আবার,আসল ঘটনাটা খুলে বলবে।"স্ত্রী র কথামত নিচে ম্যানেজারের সাথে দেখা করে দিনানাথ।পঞ্চাশ পঞ্চান্ন বছর বয়ষ ম্যানেজারের পাতলা সিড়িঙ্গে চেহারা,মুখে একটা ক্ষুধার্ত ভাব।দিনা নাথের কথা শুনে গম্ভীর মুখটা আরো গম্ভীর হয়ে যায় লোকটার।
"টাকা পয়সা সাবধানে রাখবেন না,হোটেলে ঘরে রাখলে সেখান থেকে চুরী গেলে সেই দায়ীত্ব আমরা নিতাম।যদিও সেরকম ঘটনা ঘটেনি কোনোদিন। যাক টাকা হারিয়ে গেছে টাকা আনানোর ব্যাবস্থা করুন।"
"দেখুন ম্যানেজার বাবু,করুন মুখে বলে দিনানাথ,"আমি ছাপোষা মানুষ,বৌএর স্বাদ মেটাতে জমানো টাকা আর সামান্য কিছু ধার করা টাকায় দিঘায় বেড়াতে এসেছিলুম,আমার কাছে যে টাকা ছিলো তা দিয়ে সব হয়েও যেত কিন্তু...আসলে কারো কাছে টাকা চেয়ে এখন পাওয়ার কোনো উপায় নেই আমার।"
"একথা বললে তো হবেনা,খাতা খুলে হিসাব দেখে,"এ পর্যন্ত ভাড়া,খাওয়া বাবদ পাওনা হয়েছে আঠারো হাজার চারশো পঁচাত্তর টাকা এই টাকা গুলো যে দিতে হবে আপনার"
"আমি যদি পরে মানে শিয়ালদায় গিয়ে পাঠাই মানে আস্তে আস্তে আরকি।"
"সেটা তো নিয়ম না,এটা তো ব্যাবসা, এতগুলো টাকা ছেড়ে দেবার কোনো সুযোগ তো নাই আমার।"
"ছেড়ে দিতে বলছি না.."হাত তুলে দিনানাথ কে থামিয়ে দেয় ম্যানেজার গলা স্বর সম্ভাষণ দুটোই পরিবর্তন করে
"দেখ বাছাএটা দাতব্য প্রতিষ্ঠান না,পাই পাই করে সব টাকা পরিশোধ করে দিয়ে এখান থেকে বেরুতে হবে,নইলে আমি কিন্তু পুলিশ ডাকবো।"