21-05-2022, 07:34 PM
(This post was last modified: 21-05-2022, 07:44 PM by Baban. Edited 3 times in total. Edited 3 times in total.)
এই পর্বটা ইটসেলফ একটা ছোট গল্প হিসেবে পোস্ট করার যোগ্যতা রাখে। একেতো সেই গান, সেই গানের টানে দুই বাচ্চার হারিয়ে যাওয়া, খোলা আকাশের নিচে এই পৃথিবী আর তাতে হেঁটে চলা চন্দ্রর মুখে ওই গান উফফফফফ! আর বাকি অংশে অদ্ভুত এডভেঞ্চার!
আমি তাহলে শুরুতে ঠিকই ভেবেছিলাম। মানে ওই ওতো দ্রুত এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় গেলো কিকরে লোকটা। চন্দ্রর মতো আমিও অবাক হই। আর বাকি বর্ণনা নিয়ে কি আর বলবো। অশরীরী এক সুখ যা ব্যাখাহীন যা সত্যিই ও কল্পনার মাঝের এক গোলমেলে প্রশ্ন, যা ভয়ের আবার দারুন সুখের। অজানা অচেনা নর নারীর হটাৎ মিলনের মধ্যে একটা উত্তেজক ব্যাপার সর্বদাই থাকে।
তবে আমি এই পর্বের অন্য একটা দিক তুলে ধরতে চাই। সেটা হলো নিজের প্রতি বিশ্বাস ও ওভারকনফিডেন্স এর তফাৎ বোঝা উচিত। এটা মোটেও পৌরুষ দম্ভ থেকে বলছিনা আমি। চন্দ্র যদি ভাবে তার তেজের সামনে সব পুরুষ কাহিল আর এক ক্যারাটের চালে সব পুরুষ কুপোকাত। তাকে তার বিরুদ্ধে ছোয়ার মতো শক্তি কারো নেই এটা বোধহয় ভেবে ফেলা ভুল যেটা আমি আজকের পর্বে লক্ষ করেছি যেখানে চন্দ্র ভাবছে আমাকে আমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে ছুঁতে গেলে পার্কর এর হাত পা ভাঙবে, ওকে ডিল করা কোনো ব্যাপারই না। গল্পের নায়িকার এই বিশ্বাসটাকে পার্কর যে শেষে একেবারে চুরমার করে দিয়ে তাকে ভয় পাওয়াতে বাধ্য হলো সেটা কোথাও যেন ভালো লাগলো। না আবারো বলছি এটা পুরুষের পক্ষ নিয়ে বলছিনা, বলছি চন্দ্রর জন্যই। বিশ্বাস আর সাথে সতর্কতার মিশ্রণ ও শক্তির প্রতি শ্রদ্ধা (তা সে নারী হোক বা পুরুষের) চন্দ্র বা যেকোনো নারীর সবচেয়ে বড়ো হাতিয়ার। হাত বা গায়ের জোরের বা ক্যারাটের থেকেও বড়ো অস্ত্র সেটি।
আমি তাহলে শুরুতে ঠিকই ভেবেছিলাম। মানে ওই ওতো দ্রুত এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় গেলো কিকরে লোকটা। চন্দ্রর মতো আমিও অবাক হই। আর বাকি বর্ণনা নিয়ে কি আর বলবো। অশরীরী এক সুখ যা ব্যাখাহীন যা সত্যিই ও কল্পনার মাঝের এক গোলমেলে প্রশ্ন, যা ভয়ের আবার দারুন সুখের। অজানা অচেনা নর নারীর হটাৎ মিলনের মধ্যে একটা উত্তেজক ব্যাপার সর্বদাই থাকে।
তবে আমি এই পর্বের অন্য একটা দিক তুলে ধরতে চাই। সেটা হলো নিজের প্রতি বিশ্বাস ও ওভারকনফিডেন্স এর তফাৎ বোঝা উচিত। এটা মোটেও পৌরুষ দম্ভ থেকে বলছিনা আমি। চন্দ্র যদি ভাবে তার তেজের সামনে সব পুরুষ কাহিল আর এক ক্যারাটের চালে সব পুরুষ কুপোকাত। তাকে তার বিরুদ্ধে ছোয়ার মতো শক্তি কারো নেই এটা বোধহয় ভেবে ফেলা ভুল যেটা আমি আজকের পর্বে লক্ষ করেছি যেখানে চন্দ্র ভাবছে আমাকে আমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে ছুঁতে গেলে পার্কর এর হাত পা ভাঙবে, ওকে ডিল করা কোনো ব্যাপারই না। গল্পের নায়িকার এই বিশ্বাসটাকে পার্কর যে শেষে একেবারে চুরমার করে দিয়ে তাকে ভয় পাওয়াতে বাধ্য হলো সেটা কোথাও যেন ভালো লাগলো। না আবারো বলছি এটা পুরুষের পক্ষ নিয়ে বলছিনা, বলছি চন্দ্রর জন্যই। বিশ্বাস আর সাথে সতর্কতার মিশ্রণ ও শক্তির প্রতি শ্রদ্ধা (তা সে নারী হোক বা পুরুষের) চন্দ্র বা যেকোনো নারীর সবচেয়ে বড়ো হাতিয়ার। হাত বা গায়ের জোরের বা ক্যারাটের থেকেও বড়ো অস্ত্র সেটি।