07-01-2022, 08:24 PM
(07-01-2022, 07:50 AM)Ankit Roy Wrote: কৌশিকের দিদার ঠেস মারা কথাগুলো খুব মন দিয়ে পড়েছি আর হেসেওছি।তার ঠাকুরদা বড়ো চাকুরী করেও সাদামাটা থাকতেন কিন্তু মানুষের জন্য কতোটুকু কাজ করেছেন তার কোনো উল্লেখ নাই।কিন্তু তার দাদামশাই বোলপুরের মতো জায়গায় শিক্ষকতা করতেন,ধুতিতে পাঞ্জাবিতে ফিটফাট বাঙালি হয়েও মানুষের পাশে থাকতেন।অমর কথাশিল্পী শরৎচন্দ্রের ১৯১৪ সালের পটভূমিতে লেখা উপন্যাস "পণ্ডিত মশাই" তে আমরা দেখতে পাই সমসাময়িক যুবসমাজ লেখাপড়া শিখে গ্রাম ছেড়ে শহর মুখী হচ্ছে।তখন গ্রামেরই শিক্ষিত ধনী যুবক বৃন্দাবন অধিকারী নিজব্যয়ে কলেজ খুলে অবৈতনিক ভাবে লেখাপড়া শেখাচ্ছে,এবং তাদেরকে দিয়ে শপথ করিয়ে নিচ্ছে তারাও বড়ো হয়ে যেন সেবামূলক ভাবে আরও কয়েকজনকে শিক্ষিত করে।কারণ শিক্ষাই পারে মানুষের প্রকৃত অজ্ঞানতাকে দূর করতে।তাছাড়া তার বন্ধুকে বলা সেই কথাগুলো...."মানুষের জন্য কাজ করতে হলে আগে নিজেকে তাদের পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে,তাদের সাথে মিশতে হবে থাকতে হবে;তবেই তারা তাদের মনের কথা / ব্যথা তোমাকে খুলে বলবে।"আমারও তাই মনেহয় দাদা মানুষের সেবা করার জন্য নাস্তিক হয়ে ছেঁড়া জামা জুতো পড়ে ঘুরেবেড়ানোর দরকার হয়না।৭০-৭১ এর দশকে আমরা দেখেছি চারু মজুমদারের নেতৃত্বে কিছু বাচ্চা ছেলে শ্রেণীশত্রুর নামে সরকারি কর্মচারী নিধন যজ্ঞে মেতে উঠেছিলো,তাদের মধ্যে সাধারণ কলেজ শিক্ষকও ছিলেন।(মাও যে দং বলেছিলেন বন্দুকের নল থেকেই নাকি মানুষের ক্ষমতা বেরিয়ে আসে)এতে সমাজের কি উন্নতি হয়েছে সেটা আমরা আজও জানিনা দাদা।যাইহোক বাম-ডানের তর্জা আজীবন চলবে,চলুক।আমরা আদার ব্যপারী জাহাজের খোঁজে আমাদের কি দরকার?????তবে কৌশিকের দিদামণির একটা জীবন দর্শনের সাথে আমি একমত।আমাদের এই মহা "ভারতে" মুনি ঋষি বা চিন্তাবিদ কিছু কম জন্মাননি! তাদের জীবনাদর্শ ছেড়ে ধারকরা মতাদর্শ গ্রহণ করার পক্ষপাতি আমি নই দাদা।
অসাধারণ লিখেছেন অঙ্কিত ভাই। জ্ঞান মূলক মতামত।
গল্পে কৌশিকের ঠাকুরদার সেরকম প্রসঙ্গ নেই। শুধু পাড়ার একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর মুখে উল্লেখ ছাড়া। সম বেতনে বোলপুরে সেবা মূলক কাজ করা যতটা সম্ভব অতটা কলকাতায় না। মাউবাদী আর মার্কস বাদী আলাদা কিন্তু অনেকেই একই মনে করে। আর মশলা ব্যপারীর প্রসঙ্গ হয়তো গল্পে থাকবে।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)