05-01-2022, 09:03 PM
(05-01-2022, 07:22 AM)Ankit Roy Wrote: জুপিটারদা আপনার লেখার অনবদ্যতা সর্বসময়েই স্বীকৃত।দিদামনির মুখথেকে গীতার বাণীটা একটা অন্যরকম মাত্রা এনে দিয়েছে গল্পে।শুধুমাত্র ইরোটিকার জন্য যে এখানে আমরা আসিনা তার অনেক প্রমাণ এর আগেও আপনার লেখায় পেয়েছি।সঞ্জয় আর তার মায়ের বিষ্ণুপুর ভ্রমণের যে বর্ণনা দিয়েছিলেন আর আজকে কোলকাতা থেকে বোলপুরের রাস্তার যা খুঁটিনাটি বর্ণনা দিলেন তা একজন রাইডার ব্লগারের পক্ষেই সম্ভব।বাবাকে হারিয়ে দেবো শোকে আত্মহারা হয়ে পড়েছিলো কিন্তু তার মায়ের সংযম সত্যিই প্রশংসার দাবী রাখে।মনের ভিতর যাই চলুক বাইরে স্থীর।আর দেবোর একটা কথা আমার ব্যক্তিগত জীবনে খুব মিলে যাচ্ছে...আমরা ছোটো থেকে যাদের ছত্রছায়াতে বড়ো হই বিশেষ করে বাবা মা তাদের চলে যাওয়াটা অপূরনীয় ক্ষতি, কোনো নতুন সদস্য এর আগমনই তাদের অভাবকে পূর্ণ করতে পারে না।সবশেষে একটা ব্যক্তিগত মতামত দিতে চাই দাদা,কৌশিকের ভার্জিনিটি দেবোর জন্য তোলা থাকলে ভালো হতো না???সঞ্জয়ের মধ্যে সেই পবিত্রতা দেখেছি আমরা।যাইহোক সেটা আপনার ব্যপার তবে একটাই অনুরোধ কৌশিককে বহুগামী করবেন না দয়া করে,বিশেষ করে তার দিদামণির সাথে।আর একটা অনুরোধ দেবো যেন কৌশিকের এই দ্বিচারিতার কথা জানতে না পারে।পরবর্তী আপডেটে শুধুমাত্র "দেবো-শিকের" আদিরসাত্মক খুঁনসুটির অপেক্ষায় থাকলাম।ধন্যবাদ দাদা এতোবড়ো একটা আপডেটের জন্য।
যাক এতো সুন্দর বিশ্লেষণ কেউ করেনি দেখলাম। আপনি নিখুঁত ভাবে গল্পটা পড়েছেন তাহলে। কৌশিকের ভারজিনিটি দেখতে গেলে তিন্নি নিয়েছে।
"দেবো-শিক" নাম টা দারুণ তো!
এই পর্বটাকে খুব সুন্দর করে বিশ্লেষণ করার জন্য ধন্যবাদ অঙ্কিত ভাই।
*আরও একটা ক্ষুদ্র জিনিস দেওয়া হয়েছে। আগে কলকাতার প্রতি তৃতীয় ব্যক্তি জড়িত। থাকতেন। দেখি সেটা কেউ ধরতে পারেন কি না।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)