05-12-2021, 05:48 AM
এইভাবেই দিন তিন/চার কেটে যায় ৷ মতির মা রাঁধা বাড়া করে দেয় ৷ শরৎ নাতিকে কলেজে আনা-নেওয়া করতে থাকেন ৷ আর শকুন্তলার দেখভালও করেন ৷
দেবেন প্রায়ই শকুন্তলাকে দেখতে আসে ৷
একদিন স্বাতী রায় শকুন্তলার মা মধ্যমপুর থেকে এসে নাতি অপূর্বকে কদিন তাদের মধ্যমপুরের বাড়িতে নিয়ে যেতে চাইলে শকুন্তলা কিছুটা নিমরাজি হয়ে বলে ..আচ্ছা,শ্বশুরমশাইকে একবার জিজ্ঞাসা করে দেখি ৷
শকুন্তলার শ্বশুর শরৎবাবু মনে মনে খুশি হন এবং বেয়াইন স্বাতীকে বলে..আরে আপনি আপনার নাতির সাথে কয়েকটাদিন কাটাতে চান ৷ এতো আনন্দের কথা ৷ আর ও বেচারাও খালি বাড়ি-কলেজ-বাড়ি করে ৷ মামাবাড়ি গেলে ওরও একটু বেড়ানো হবে ৷
শকুন্তলা শ্বশুরের অনুমতি দেওয়াতে পূর্বাপর কিছু কি হবে সেইবিষয়ে চিন্তা করে না ৷
৭বছরের অপূর্বও বেড়াতে যাবার কথায় প্রচন্ড খুশি হয় ৷ একটা ব্যাগে ওর কিছু খেলনা গোছাতে থাকে ৷
শকুন্তলা ছেলের খুশি দেখে বলেন..খালি,খেলনা ভরলে হবে না সোনা ৷ কয়েকটা খাতা,পেন,আর বইও নিতে হবে ৷ মামাবাড়ি গিয়ে খালি খেলে বেড়ালেই হবে ? ওখানে দাদুর কাছে সকাল-বিকাল পড়ালেখাটাও করতে হবে ৷ তারপর শকুন্তলা ছেলের ব্যাগ গুছিয়ে দেন ৷
একটা রাত কাটিয়ে স্বাতীদেবী নাতি অপূর্বকে নিয়ে মধ্যমপুর রওনা হন ৷ শকুন্তলার শ্বশুর শরৎবাবু ওদের মধ্যমপুরগামী বাসে বসিয়ে দিয়ে আসেন ৷
শকুন্তলার মা নাতিকে নিয়ে চলে যাবার পর বাড়িটা অদ্ভুত রকম নিঃস্তব্ধ লাগে ওর কাছে ৷ ঘরের কাজ সেরে নিজের রুমে ঢুকে শুয়ে তার হঠাৎ বিবাহ ..বৈধব্যের কথা মনে করে একটু কেমন অভিমানী হয়ে ওঠে ৷ কতো স্বপ্ন ছিল ওর মনে ৷ লেখাপড়ায়তো বেশ ভালোই ছিল ৷ দেখনদারিতেও ওকে সকলে সুন্দরীই বলতো ৷ কিন্তু রক্ষণশীল বাবার অবিবেচনা তার সকল স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়েযায় ৷ বিবাহিত জীবনও শুরুতেই শেষ হয়ে ওকে দিনরাত কুঁড়তে থাকে ৷ আত্মঘাতী হতেও পারেনা ছেলের মুখ চেয়ে ৷ এক নিদারুণ অসহায়তায় ডুকরে ওঠে ৷ জীবন-যৌবনের দুঃসহ পরিস্থিতিতে মুক্তির আলো কবে পাবে ৷ এই সব ভাবতে ভাবতে ওর ক্লান্ত চোখে ঘুম নেমে আসে ৷
দেবেন প্রায়ই শকুন্তলাকে দেখতে আসে ৷
একদিন স্বাতী রায় শকুন্তলার মা মধ্যমপুর থেকে এসে নাতি অপূর্বকে কদিন তাদের মধ্যমপুরের বাড়িতে নিয়ে যেতে চাইলে শকুন্তলা কিছুটা নিমরাজি হয়ে বলে ..আচ্ছা,শ্বশুরমশাইকে একবার জিজ্ঞাসা করে দেখি ৷
শকুন্তলার শ্বশুর শরৎবাবু মনে মনে খুশি হন এবং বেয়াইন স্বাতীকে বলে..আরে আপনি আপনার নাতির সাথে কয়েকটাদিন কাটাতে চান ৷ এতো আনন্দের কথা ৷ আর ও বেচারাও খালি বাড়ি-কলেজ-বাড়ি করে ৷ মামাবাড়ি গেলে ওরও একটু বেড়ানো হবে ৷
শকুন্তলা শ্বশুরের অনুমতি দেওয়াতে পূর্বাপর কিছু কি হবে সেইবিষয়ে চিন্তা করে না ৷
৭বছরের অপূর্বও বেড়াতে যাবার কথায় প্রচন্ড খুশি হয় ৷ একটা ব্যাগে ওর কিছু খেলনা গোছাতে থাকে ৷
শকুন্তলা ছেলের খুশি দেখে বলেন..খালি,খেলনা ভরলে হবে না সোনা ৷ কয়েকটা খাতা,পেন,আর বইও নিতে হবে ৷ মামাবাড়ি গিয়ে খালি খেলে বেড়ালেই হবে ? ওখানে দাদুর কাছে সকাল-বিকাল পড়ালেখাটাও করতে হবে ৷ তারপর শকুন্তলা ছেলের ব্যাগ গুছিয়ে দেন ৷
একটা রাত কাটিয়ে স্বাতীদেবী নাতি অপূর্বকে নিয়ে মধ্যমপুর রওনা হন ৷ শকুন্তলার শ্বশুর শরৎবাবু ওদের মধ্যমপুরগামী বাসে বসিয়ে দিয়ে আসেন ৷
শকুন্তলার মা নাতিকে নিয়ে চলে যাবার পর বাড়িটা অদ্ভুত রকম নিঃস্তব্ধ লাগে ওর কাছে ৷ ঘরের কাজ সেরে নিজের রুমে ঢুকে শুয়ে তার হঠাৎ বিবাহ ..বৈধব্যের কথা মনে করে একটু কেমন অভিমানী হয়ে ওঠে ৷ কতো স্বপ্ন ছিল ওর মনে ৷ লেখাপড়ায়তো বেশ ভালোই ছিল ৷ দেখনদারিতেও ওকে সকলে সুন্দরীই বলতো ৷ কিন্তু রক্ষণশীল বাবার অবিবেচনা তার সকল স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়েযায় ৷ বিবাহিত জীবনও শুরুতেই শেষ হয়ে ওকে দিনরাত কুঁড়তে থাকে ৷ আত্মঘাতী হতেও পারেনা ছেলের মুখ চেয়ে ৷ এক নিদারুণ অসহায়তায় ডুকরে ওঠে ৷ জীবন-যৌবনের দুঃসহ পরিস্থিতিতে মুক্তির আলো কবে পাবে ৷ এই সব ভাবতে ভাবতে ওর ক্লান্ত চোখে ঘুম নেমে আসে ৷