25-09-2021, 12:10 PM
পারল এখন ময়মন্সিংহে
ময়মনসিংহ গিয়েছিলাম বেড়াতে, তখন আমার বয়স ষোল কি সতের হবে, আমি ও আমার ছোটভাই কে নিয়ে আমার বাবা যাত্রা করল, বাবার ইচ্ছে ছিল আমাদের কে ময়মনসিংহে রেখে তার চাকরী স্থলে চলে যাবে। আমরা তিনজন আমাদের নিকট বর্তী রেলষ্টেশনে গাড়ীতে উঠতে গেলাম। এটা আমার জীবনের প্রথম রেলে চড়া। ষ্টেশনে মানুষের প্রচন্ড ভীড়, শয়ে শয়ে মানুষ ট্রেন ধরার জন্য দাঁড়িয়ে আছে, মনে হল কোন মেলায় এসেছি আমরা, কেউ এদিক ওদিক হাটছে, কেউ বসে বসে তামাক সিগারেট ফুকছে, কেউ আত্বীয় পরিজন নিয়ে গোলাকার হয়ে দাঁড়িয়ে গল্প করছে, সবাই ট্রেনের প্রতিক্ষায় , হঠাত কলেজের বেলের মত ঘন্টা বেজে উঠল, বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম কিসের ঘন্টা, জানলাম ট্রেন আসার আগমনী বার্তা, তারপর হতে সবাই বার বার ট্রেনের আগমন পথে তাকাচ্ছে, আর উঠার পুর্ব প্রস্তুতি গ্রহন করছে। বাবা আমাদেরকে একটা জায়গায় নিয়ে দাড় করিয়ে রাখল যাতে উঠতে সুবিধা হয়। অবশেষে প্রতিক্ষার বাধ ভেংগে ট্রেন আসল, আমরা যে কম্পার্টমেন্টে উঠতে গেলাম সেখানে প্রচন্ড ভীড়, ভীড়ের মধ্যে আমাদের কে বাবা সামনে ঠেলে দিয়ে উঠতে লাগলেন, আমি হাতল ধরে উঠতে যাচ্ছি , আমার সামনে ও পিছনে যাত্রী দ্বারা বেষ্টিত হয়ে গেলাম, হঠাত কে যেন আমার একটা দুধ ধরে চিপ দিল, আমি আর্তনাদ করে উঠলাম, সেটা সামলাতে না সামলাতে অন্য দুধে আরেকটা চিপ অনুভব করলাম, আমি সামনেও যেতে পারছিনা পিছনেও সরতে পারছিনা তাদের হাতকে বাধা দিতেও পারছিনা, তারা একজন না দুজন সেটা ও বুঝতে পারছিনা , শধু বুঝতে পারছি আমার দুই দুধে দুটা হাত প্রচন্ড জোরে চিপে যাচ্ছে, অবশেষে বাবা আমাকে জোরে ধাক্কা দিয়ে ভিতরে ঢুকিয়ে দিল, বাবার এক হাতে আমার ছোট ভাই ধরা ছিল, অনেক কষ্টে তিনজনে ট্রেনে উঠতে পারলাম। ট্রেনে কোন সিট নাই, বসার কোন জায়গা নাই।
এমাথা ওমাথা ঘুরে টয়লেটের মুখে দুজনের একটা সিটে শুধুমাত্র আমার জন্য বাবা একটা খালি সিট যোগাড় করে আমাকে বসতে দিল, সিটের এক অংশে একটা পশিচ ত্রিশ বতসরের লোক বসা আছে তাই আমি প্রথমে বস্তে চাইলাম না, বাবার সাথে সাথে লোকটিও আমাকে মোলায়েম সুরে বসার আহবান করলে অগত্যা আমি বসে পরলাম। লোকটি আমার ভাইটাকে কোলে নিয়ে বসল। বাবা কিছুটা নিশ্চিন্ত হলেন এবং আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে রইলেন। অনেক দুরের গন্তব্য কতক্ষন দাঁড়িয়ে থাকা যায়, বাবা এদিক ওদিক হেটে দাঁড়িয়ে থাকার ক্লান্তি ও অবসন্নতা দূর করছে, বাবা যে কোথায় গেল অনেক্ষন আর দেখলাম না।
ময়মনসিংহ গিয়েছিলাম বেড়াতে, তখন আমার বয়স ষোল কি সতের হবে, আমি ও আমার ছোটভাই কে নিয়ে আমার বাবা যাত্রা করল, বাবার ইচ্ছে ছিল আমাদের কে ময়মনসিংহে রেখে তার চাকরী স্থলে চলে যাবে। আমরা তিনজন আমাদের নিকট বর্তী রেলষ্টেশনে গাড়ীতে উঠতে গেলাম। এটা আমার জীবনের প্রথম রেলে চড়া। ষ্টেশনে মানুষের প্রচন্ড ভীড়, শয়ে শয়ে মানুষ ট্রেন ধরার জন্য দাঁড়িয়ে আছে, মনে হল কোন মেলায় এসেছি আমরা, কেউ এদিক ওদিক হাটছে, কেউ বসে বসে তামাক সিগারেট ফুকছে, কেউ আত্বীয় পরিজন নিয়ে গোলাকার হয়ে দাঁড়িয়ে গল্প করছে, সবাই ট্রেনের প্রতিক্ষায় , হঠাত কলেজের বেলের মত ঘন্টা বেজে উঠল, বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম কিসের ঘন্টা, জানলাম ট্রেন আসার আগমনী বার্তা, তারপর হতে সবাই বার বার ট্রেনের আগমন পথে তাকাচ্ছে, আর উঠার পুর্ব প্রস্তুতি গ্রহন করছে। বাবা আমাদেরকে একটা জায়গায় নিয়ে দাড় করিয়ে রাখল যাতে উঠতে সুবিধা হয়। অবশেষে প্রতিক্ষার বাধ ভেংগে ট্রেন আসল, আমরা যে কম্পার্টমেন্টে উঠতে গেলাম সেখানে প্রচন্ড ভীড়, ভীড়ের মধ্যে আমাদের কে বাবা সামনে ঠেলে দিয়ে উঠতে লাগলেন, আমি হাতল ধরে উঠতে যাচ্ছি , আমার সামনে ও পিছনে যাত্রী দ্বারা বেষ্টিত হয়ে গেলাম, হঠাত কে যেন আমার একটা দুধ ধরে চিপ দিল, আমি আর্তনাদ করে উঠলাম, সেটা সামলাতে না সামলাতে অন্য দুধে আরেকটা চিপ অনুভব করলাম, আমি সামনেও যেতে পারছিনা পিছনেও সরতে পারছিনা তাদের হাতকে বাধা দিতেও পারছিনা, তারা একজন না দুজন সেটা ও বুঝতে পারছিনা , শধু বুঝতে পারছি আমার দুই দুধে দুটা হাত প্রচন্ড জোরে চিপে যাচ্ছে, অবশেষে বাবা আমাকে জোরে ধাক্কা দিয়ে ভিতরে ঢুকিয়ে দিল, বাবার এক হাতে আমার ছোট ভাই ধরা ছিল, অনেক কষ্টে তিনজনে ট্রেনে উঠতে পারলাম। ট্রেনে কোন সিট নাই, বসার কোন জায়গা নাই।
এমাথা ওমাথা ঘুরে টয়লেটের মুখে দুজনের একটা সিটে শুধুমাত্র আমার জন্য বাবা একটা খালি সিট যোগাড় করে আমাকে বসতে দিল, সিটের এক অংশে একটা পশিচ ত্রিশ বতসরের লোক বসা আছে তাই আমি প্রথমে বস্তে চাইলাম না, বাবার সাথে সাথে লোকটিও আমাকে মোলায়েম সুরে বসার আহবান করলে অগত্যা আমি বসে পরলাম। লোকটি আমার ভাইটাকে কোলে নিয়ে বসল। বাবা কিছুটা নিশ্চিন্ত হলেন এবং আমাদের সামনে দাঁড়িয়ে রইলেন। অনেক দুরের গন্তব্য কতক্ষন দাঁড়িয়ে থাকা যায়, বাবা এদিক ওদিক হেটে দাঁড়িয়ে থাকার ক্লান্তি ও অবসন্নতা দূর করছে, বাবা যে কোথায় গেল অনেক্ষন আর দেখলাম না।