06-08-2021, 11:15 AM
উত্তর প্রদেশের একটা বাঙালি অধ্যুসিত কলোনি- ডিসেম্বর ১৯৮০।
কুয়াশা ভরা শীতের সকালে, এক পরমা সুন্দরি পাঞ্জাবি মহিলা তার চার বছরের ছেলেকে কলেজ থেকে বাড়িতে নিয়ে আসছে। দামি বিদেশি গাড়ির স্টিয়ারিং মহিলাটির হাতে, বাচ্চাটা বেশ নাদুসনুদুস আর খুব আদুরে পুরো ওর মার মতো দেখতে। মাথায় ওপর বড় বড় চুলগুলো টেনে ছোট্টো খোপা করা, আজ হয়ে ওদের শীতের ছুটি পরবে। ওর মা গাড়ি চালালে হর্ন বাজানো ওর কাজ। মাঝে মাঝেই অকারনে হর্ন বাজিয়ে চলেছে।
ওর মা ওকে ভাঙ্গা ভাঙ্গা বাংলায় বলছে, আজকে তুমি দুষ্টু করেছ কেন?
আমি তো কোন দুষ্টু করিনি।
তুমি না করলে টিচার কেন তোমার নাম বললেন।
মা ওরা কেন আমাকে মোটা মোটা বলে ডাকে?
তুমি টিচারকে বলে দেবে, তুমি টিচারকে বলোনা কেন?
টিচার আমার কথা শোনেনা।
আচ্ছা আমি কলেজ খুলুক টিচারকে ডেকে খূব বকে দেবো।
সত্যি মা, তুমি টিচারকে বকে দেবে?
হ্যা সাথে তোমার বাবাও বকবে।
খুব ভালো হবে, খুব ভালো হবে, আমি ক্ল্যাপ করবো।
নো নো আমার সোনা বাবা। ওরকম করেনা। ধিরে ধিরে ওরা বাড়িতে ঢুকলো।
বিরাট বড় সেই সিংহ দরজার সামনে গাড়ি দাড়াতেই ছেলেটা গাড়ি থেকে নেমে গেল, দরজাটা ঠেলে ছেলেটা তাতে চড়তে চড়তে ভিতরে ঢুকলো। ওর মা দৌড়ে ওর পিছু নিলো, যাতে ও পরে না যায়।
মা আর ছেলের এই চলে সারাদিন, ছেলে সারাদিন দুষ্টুমি করবে আর মা হাসি মুখে সব সয়ে যাবে.
ঘরে ঢুকেই বাচ্চাটা কলেজের ড্রেস খুলে লেংটো হয়ে গেল, "মা আমাকে কার্টুন চালিয়ে দাও"
রাজ যাও গিয়ে আগে ওয়াশ করে নাও, আর প্যাণ্টূ পরে নাও। নাহলে কক্রোচ এসে নুণ্টূটা চেটে দিয়ে যাবে।
মা পরে যাব একটু দেখেনি না.
না সোনা, এখুনি যাও। সবাই দেখলে কি বলবে? এত বড় ছেলে লেংটো।
কোলে করে নিয়ে যাও।
না সোনা যাও না হলে তুমি বিমার হয়ে যাবে, আবার ডাক্তার ডাকতে হবে আর এসে ইনজেকশন দিয়ে দেবে.
মা, কোলে করে নিয়ে যাও না, প্লিজ।
ওকে বেটা, মা ছেলেকে কোলে কোরে ওয়াশ রুমে নিয়ে গেল।
হাত পা ধুইয়ে দিয়ে মা যখন ওকে বের করে আনতে যাচ্ছে তখোন হটাত ছেলেটা শাওয়ার চালিয়ে দিল, আর মা পুরো ভিজে একশা।
মা ওকে তাড়া করলো ধরবে বলে, সে একছুটে টিভি রুমে। মাও পিছন পিছন গিয়ে ওকে ধরলো। ছেলের ওজন সামলাতে না পেরে দুজনেই বিছানার ওপর গিয়ে পড়লো।
রাজ তুমি এত দুষ্টূ হয়ে গেছো?
সরি মা, মার ওপরে ন্যাংটো হয়ে শুয়ে বললো। অবোধ সেই শিশুর চোখের দিকে তাকিয়ে মা যেন নিজেকে হারিয়ে ফেললো।
মাও ওকে জড়িয়ে ধরলো বুকের সাথে।
সারাদিন দুজনের এই রকম খুনশুটি করে কাটে।
কুয়াশা ভরা শীতের সকালে, এক পরমা সুন্দরি পাঞ্জাবি মহিলা তার চার বছরের ছেলেকে কলেজ থেকে বাড়িতে নিয়ে আসছে। দামি বিদেশি গাড়ির স্টিয়ারিং মহিলাটির হাতে, বাচ্চাটা বেশ নাদুসনুদুস আর খুব আদুরে পুরো ওর মার মতো দেখতে। মাথায় ওপর বড় বড় চুলগুলো টেনে ছোট্টো খোপা করা, আজ হয়ে ওদের শীতের ছুটি পরবে। ওর মা গাড়ি চালালে হর্ন বাজানো ওর কাজ। মাঝে মাঝেই অকারনে হর্ন বাজিয়ে চলেছে।
ওর মা ওকে ভাঙ্গা ভাঙ্গা বাংলায় বলছে, আজকে তুমি দুষ্টু করেছ কেন?
আমি তো কোন দুষ্টু করিনি।
তুমি না করলে টিচার কেন তোমার নাম বললেন।
মা ওরা কেন আমাকে মোটা মোটা বলে ডাকে?
তুমি টিচারকে বলে দেবে, তুমি টিচারকে বলোনা কেন?
টিচার আমার কথা শোনেনা।
আচ্ছা আমি কলেজ খুলুক টিচারকে ডেকে খূব বকে দেবো।
সত্যি মা, তুমি টিচারকে বকে দেবে?
হ্যা সাথে তোমার বাবাও বকবে।
খুব ভালো হবে, খুব ভালো হবে, আমি ক্ল্যাপ করবো।
নো নো আমার সোনা বাবা। ওরকম করেনা। ধিরে ধিরে ওরা বাড়িতে ঢুকলো।
বিরাট বড় সেই সিংহ দরজার সামনে গাড়ি দাড়াতেই ছেলেটা গাড়ি থেকে নেমে গেল, দরজাটা ঠেলে ছেলেটা তাতে চড়তে চড়তে ভিতরে ঢুকলো। ওর মা দৌড়ে ওর পিছু নিলো, যাতে ও পরে না যায়।
মা আর ছেলের এই চলে সারাদিন, ছেলে সারাদিন দুষ্টুমি করবে আর মা হাসি মুখে সব সয়ে যাবে.
ঘরে ঢুকেই বাচ্চাটা কলেজের ড্রেস খুলে লেংটো হয়ে গেল, "মা আমাকে কার্টুন চালিয়ে দাও"
রাজ যাও গিয়ে আগে ওয়াশ করে নাও, আর প্যাণ্টূ পরে নাও। নাহলে কক্রোচ এসে নুণ্টূটা চেটে দিয়ে যাবে।
মা পরে যাব একটু দেখেনি না.
না সোনা, এখুনি যাও। সবাই দেখলে কি বলবে? এত বড় ছেলে লেংটো।
কোলে করে নিয়ে যাও।
না সোনা যাও না হলে তুমি বিমার হয়ে যাবে, আবার ডাক্তার ডাকতে হবে আর এসে ইনজেকশন দিয়ে দেবে.
মা, কোলে করে নিয়ে যাও না, প্লিজ।
ওকে বেটা, মা ছেলেকে কোলে কোরে ওয়াশ রুমে নিয়ে গেল।
হাত পা ধুইয়ে দিয়ে মা যখন ওকে বের করে আনতে যাচ্ছে তখোন হটাত ছেলেটা শাওয়ার চালিয়ে দিল, আর মা পুরো ভিজে একশা।
মা ওকে তাড়া করলো ধরবে বলে, সে একছুটে টিভি রুমে। মাও পিছন পিছন গিয়ে ওকে ধরলো। ছেলের ওজন সামলাতে না পেরে দুজনেই বিছানার ওপর গিয়ে পড়লো।
রাজ তুমি এত দুষ্টূ হয়ে গেছো?
সরি মা, মার ওপরে ন্যাংটো হয়ে শুয়ে বললো। অবোধ সেই শিশুর চোখের দিকে তাকিয়ে মা যেন নিজেকে হারিয়ে ফেললো।
মাও ওকে জড়িয়ে ধরলো বুকের সাথে।
সারাদিন দুজনের এই রকম খুনশুটি করে কাটে।