14-06-2021, 04:17 PM
রাতে সময় কাটানোর নানা উপায় আমি আবিষ্কার করেছি। ইন্সমনিয়াক রুগির সবচে বড় বন্ধু হল টেলিভিশন। ইদানিং নতুন অনেকগুলো এফ এম রেডিও চ্যনেল বের হয়েছে। সারা রাত গান চলে। এ ছাড়া চাইলে বই পরার অভ্যাস করা যায়। তবে সমস্যা হল এই সব উপায়ের কোনটাই খুব বেশিক্ষন কাজে দেয় না। টানা আধঘণ্টা টিভি দেখার পর হঠাৎ আপনি আবিষ্কার করবেন আপনি আসলে টিভির দিকে শুধু তাকিয়ে আছেন। টিভিতে কি চলছে আপনি জানেন না। একই সমস্যা গান শোনা বা বই পরার ক্ষেত্রেও। ইন্সমনিয়ার রুগির জন্য কোন কাজে দীর্ঘ সময় মনোনিবেশ করা প্রায় অসম্ভব।
আমি অস্থির হয়ে বিছানায় উঠে বসি। দেয়াল ঘড়িটা সময় বলছে রাত দুটা। টিভি চলছে। এইচবিও তে একটা রগরগে মুভি দেখাচ্ছে। দেখতে ভাল লাগছে না। আমি টিভি বন্ধ করে দিলাম। ঘরটা নিরব হয়ে গেল। শুধু দেয়ালে বসানো ঘড়িটার টক টক শব্দ ছাড়া আর কোন আওয়াজ নেই। আমার ভীষণ পিপাসা পাচ্ছে। আবার বমি বমি লাগছে। নীরবতার মাঝে ঘড়িটার টকটক শব্দ বড় বেশী কানে বাজছে। টকটক টকটক । অসহ্য হয়ে আমি ঘড়িটা দেয়াল থেকে নামিয়ে আনলাম। অফ করার সুইচটা খুজে পাচ্ছি না। ইচ্ছে করছে ঘড়িটা তুলে একটা আছাড় মারি। অবশেষে সুইচটা খুজে পেলাম। ঘড়ি বন্ধ করতেই ঘরে সত্যিকারের নিরবতা নেমে এল। বোধ হয় দেয়ালের উপর দিয়ে পিঁপড়া হেটে গেলেও শুনতে পাব। আমার দম বন্ধ হয়ে এল।মনে হচ্ছে কবরের ভেতর ঢুকে গেছি। পাগলের মত আমি আবার ঘড়ি চালু করলাম। আহ শান্তি। মনে হচ্ছে, আমি এখনো বেঁচে আছি।
আমি অস্থির হয়ে বিছানায় উঠে বসি। দেয়াল ঘড়িটা সময় বলছে রাত দুটা। টিভি চলছে। এইচবিও তে একটা রগরগে মুভি দেখাচ্ছে। দেখতে ভাল লাগছে না। আমি টিভি বন্ধ করে দিলাম। ঘরটা নিরব হয়ে গেল। শুধু দেয়ালে বসানো ঘড়িটার টক টক শব্দ ছাড়া আর কোন আওয়াজ নেই। আমার ভীষণ পিপাসা পাচ্ছে। আবার বমি বমি লাগছে। নীরবতার মাঝে ঘড়িটার টকটক শব্দ বড় বেশী কানে বাজছে। টকটক টকটক । অসহ্য হয়ে আমি ঘড়িটা দেয়াল থেকে নামিয়ে আনলাম। অফ করার সুইচটা খুজে পাচ্ছি না। ইচ্ছে করছে ঘড়িটা তুলে একটা আছাড় মারি। অবশেষে সুইচটা খুজে পেলাম। ঘড়ি বন্ধ করতেই ঘরে সত্যিকারের নিরবতা নেমে এল। বোধ হয় দেয়ালের উপর দিয়ে পিঁপড়া হেটে গেলেও শুনতে পাব। আমার দম বন্ধ হয়ে এল।মনে হচ্ছে কবরের ভেতর ঢুকে গেছি। পাগলের মত আমি আবার ঘড়ি চালু করলাম। আহ শান্তি। মনে হচ্ছে, আমি এখনো বেঁচে আছি।