29-05-2021, 08:52 PM
![[Image: images-5.jpg]](https://i.ibb.co/nb82fYJ/images-5.jpg)
সারা খান
তাড়াতাড়ি নাস্তা শেষ করে সবাই লেটেস্ট মডেলের
অত্যন্ত এক্সপেন্সিভ মিৎসুবিশি পাজেরোতে ওঠে পড়ল। সামনে ড্রাইভিং সিটে সাদেক খান,তার পাশে শায়লা খান এবং পিচনে সারা ও শাকিল। তারা ৮ টা বিশের মধ্যে এয়ারপোর্টের vvip টার্মিনালে পৌঁছে যায়।
মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে ইমিগ্রেশন চেক আপ কমপ্লিট করে তারা চলে যায় এমিরেটস এয়ারলাইন্স এর business class এর vip লাউঞ্জ এ। আসলে সাদেক খানদের মতো vvip লোকদের ইমিগ্রেশন চেক আপ এ কোনো সমস্যাই হয় না। প্লেন ছাড়ার আরো ৩০ মিনিট বাকি। যায় সাদেক খান ,শায়লা খান ,সারা ও শাকিল পাশাপাশি বসে গল্প করছে। হঠাৎ করে সারা শাকিল খানকে ইশারা করে emirates airlines এর food সার্ভিস এরিয়া যেতে বলল। সেখানে গিয়ে সারা তার অত্যন্ত প্রিয় বিশ্বখ্যাত Le Grand Louis XVI ব্র্যান্ডের দুটি chocolates বার নিল। শাকিল খান দুটি বিদেশি ব্র্যান্ডের অরেঞ্জ জুস নিল। একটা তার জন্য এবং একটা তার আম্মুর জন্য। সাদেক খান বাইরে যাওয়া আসার সময় এসব কখনই টাচ করে না। সাদেক খান হলো emirates airlines এর স্পেশাল কাস্টমার। তাই তার পরিবারের সদস্যরাও স্পেশাল সুবিধা পেয়ে থাকে। বিশেষ করে emirates airlines vip ফুড কর্নার থেকে তারা ইচ্ছে মতো যা খুশী খেতে পারে। আর সারা এই সুযোগটি কখনই হাত ছাড়া করে না। যদিও গুলশান সুপার মার্কেটে এর সবকিছুই পাওয়া যায় তার পরও emirates airlines এর vip লাউঞ্জে বসে তার প্রিয় ব্র্যান্ডের chocolates ফ্রি খেতে তার ভীষণ ভালো লাগে।
শায়লা খান এবং সারা পূর্ণ * পরিহিত অবস্থায় আছে আর শাকিল খান ডিপ blue colour এর জিন্স এবং সাদা রঙের giffini টি shirt পড়েছে। শায়লা খান চুপি চুপি লক্ষ্য করে দেখলো যে আলট্রা মডার্ন অনিন্দ্যসুন্দরী তরুণীদের নজর শাকিল খানের উপর আঠার মতো লেগে আছে। তা দেখে শায়লা খান মনে মনে বেশ উৎফুল্ল বোধ ফিল করছে এবং মনে মনে বলছে,
`` দেখতে হবে না কার গর্ভ থেকে বের হয়েছে। আর তোমাদের মতো এমন আল্ট্রা মডার্ন পোশাক পরা নির্লজ্জ মেয়েরা আমার ছেলের বউ হতে পারবে না। আমার ছেলের বউ হবে আমার মতো পবিত্র, রক্ষণশীল,*ি এবং ধার্মিক মেয়ে। ``
![[Image: 1.jpg]](https://i.ibb.co/yymnS3N/1.jpg)
এদিকে সারা একটা চকোলেট বার অর্ধেক বের করে খেতে শুরু করে দিল। শাকিল অরেঞ্জ জুসের একটা ক্যান খোলে নিজে গিলতে শুরু করল এবং আরেকটা তার আম্মুর দিকে এগিয়ে দিয়ে খেতে বলল। কিন্তু শায়লা শাকিলের হাত থেকে অরেঞ্জের ক্যানটি নিয়ে তার পার্সে রেখে দিল এবং শাকিল খানকে ইশারায় বলল বাসায় গিয়ে খাবে। এখানে এত মানুষের সামনে খেতে লজ্জা করছে। সারা বেশ মজা করে চকোলেট খাচ্ছে। তার পাতলা গোলাপি ঠোটে যখন ডার্ক খয়েরী রঙের চকোলেট লেপ্টে যায় তখন সে তার রসালো গোলাপি জীব বের করে জীবের ডগা দিয়ে তার ঠোটে লেগে থাকা চকোলেট চেটে চেটে খেতে শুরু করল। হঠাৎ শায়লা খান দেখল যে লাউঞ্জে বসে থাকা পুরুষগুলো সারার চকোলেট খাওয়ার এই দৃশ্য অত্যন্ত কামুক নজর দিয়ে দেখছে। সাথে সাথে শায়লা খান চোখের ইশারায় সারাকে চকোলেট খাওয়া বন্ধ করতে বলল। সারা বুঝতে পেরে সাথে সাথে খাওয়া বন্ধ করে টিস্যু দিয়ে মুখ মুছে বাকি চকোলেটটা কাগজ দিয়ে ভালোভাবে মুড়িয়ে তার হ্যান্ড ব্যাগে রেখে দিয়ে আম্মুর দিকে তাকিয়ে একটা মিষ্টি ও নিষ্পাপ হাসি দিয়ে আম্মুর রাগ কমিয়ে দিল।
![[Image: a9b0171461dd99333a4c06c03dd691eb.jpg]](https://i.ibb.co/SXT1BQq/a9b0171461dd99333a4c06c03dd691eb.jpg)
শায়লা খান পরিপূর্ণ * পরিহিত এবং চোখে রয়েছে
বিশ্বখ্যাত PERSOL ব্র্যান্ডের কালো সানগ্লাস। শায়লা খান তার কালো সানগ্লাসের মধ্যে দিয়ে লক্ষ্য করল যে অ্যাশপাশের পুরুষেরা পরিপূর্ণভাবে * পরিহিত অবস্থায় থাকার পরও অত্যন্ত খোলা মেলা পোশাক পরিহিত আল্ট্রা মডার্ন সেক্সি মহিলা বা তরুণীদের বাদ দিয়ে তার দিকে বেশ কামুক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে। এতে করে শায়লা খানের বেশ অস্বস্তি বোধ হচ্ছে আবার সাথে সাথে এই নির্লজ্জ পুরুষগুলোর প্রতি ভীষণ রাগও হচ্ছে।
হঠাৎ করে শায়লা খানের নজর পরে একটু দূরে বসে থাকা একটা লোকের উপর। লোকটার মাথায় বড় আকারের একটা কাউবয় ক্যাপ। ক্যাপটা এমনভাবে সামনের দিকে কাত করে রেখেছে যে লোকটির মুখ দেখা যাচ্ছে না। লোকটির মুখ দেখা না গেলেও শায়লা খানের কেন যেন মনে হচ্ছে লোকটি খুবই ভয়ঙ্কর প্রকৃতির হবে। শায়লা খান আরো গভীরভাবে খেয়াল করে দেখলো যে আশাপাশের পুরুষগুলো তার দিকে তাকিয়ে থাকলেও ঐ লোকটি তার প্রতি কোনো নজর দিচ্ছে না বরং লোকটি তার স্বামীর প্রতি বিশেষ নজর রাখছে। বিষয়টি শায়লা খানের কাছে বেশ সন্দেহজনক মনে হচ্ছে আবার একই সাথে তার বেশ ভয়ও করছে । বিষয়টি তার স্বামীর সাথে শেয়ার করবে কিনা এই নিয়ে তার মনের মধ্যে একটা দ্বিধাদন্দ কাছ করছে। শায়লা খানের এই দ্বিধাদদ্বন্দের মধ্যেই যাত্রীদের বিমানে আরোহন করার জন্য ঘোষণা আসল। ফলে শায়লা খান বিষয়টি আর তার স্বামীর সাথে শেয়ার করতে পারেনি। সাদেক খান সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে Jet Bridge ওঠে পড়ল এবং বিমানের দিকে এগিয়ে যেতে থাকল। শায়লা খান দেখল যে ঐ ভয়ঙ্কর লোকটিও তার স্বামীকে ফলো করে তার পিছনে পিছনে এগিয়ে যাচ্ছে। শায়লা খানের বেশ ভয় হতে লাগল। আবার সে নিজেকে এই বলে সান্তনা দিল যে লোকটি হয়তো সবার মতই একজন সাধারণ যাত্রী। সুতরাং এটি নিছকই তার মনের সন্দেহ ছাড়া আর কিছুই নয়।
সাদেক খান Emirates Airlines এর সবচাইতে luxurious plane Airbus A380 ওঠে তার জন্য নির্ধারিত বিলাসবহুল business suit এ গিয়ে বসলেন। অন্যদিকে তাকে অনুকরণকারী লোকটি সাধারণ business ক্লাসে গিয়ে বসল। বিমান take off করে আকাশে ওঠে গেলো। শায়লা খান,সারা ও শাকিল vip টার্মিনালের স্বচ্ছ গ্লাসের মধ্য দিয়ে সাদেক খানকে বহনকারী বিমানের দিকে তাকিয়ে রইল। কিছুক্ষণের মধ্যেই বিমানটি পশ্চিম আকাশে অদৃশ্য হয়ে গেল এবং শায়লা খান তার দুই সন্তানকে নিয়ে টার্মিনাল থেকে বেরিয়ে পার্কিং এরিয়ায় এসে তাদের পাজেরোর সামনে দাঁড়ালো।
![[Image: images.jpg]](https://i.ibb.co/VxPTStF/images.jpg)
দাঁড়ালো। এবার শায়লা খান মিৎসুবিশির বিলাসবহুল পাজেরো ড্রাইভ করে বাসায় ফিরবে। কিন্তু সামনের সিটে আম্মুর সাথে বসা নিয়ে দুই ভাই বোনের মাঝে ঝগড়া বেঁধে গেল। সারা চাইছে সে তার আম্মুর সাথে সামনের সিটে বসবে। তার যুক্তি হল সে তার আম্মুর অত্যন্ত আদরের ডার্লিং মেয়ে এবং সবসময়ই লেডিস ফার্স্ট।আর শাকিলরে যুক্তি হলো:-পারিবারিক বচসায় সারা সবসময় আব্বুর পক্ষ নেয় এবং সে আম্মুর পক্ষ নেয় সতরাং সেই তার আম্মুর সাথে সামনের সিটে বসার একমাত্র অধিকারী। শায়লা খান তার অত্যন্ত স্নেহ ও আদরের কলিজার টুকরা দুই সন্তানের মধ্যে চলা দুষ্ট মিষ্টি ঝগড়া কিছুক্ষণ উপভোগ করলেন এবং দুজনের প্রতি কৃত্রিম রাগ দেখিয়ে তাদের দুই জনকেই পিছনের সিটে গিয়ে বসতে বলল। আম্মুর আদেশ শিরোধার্য। সুতরাং দুজনেই পিছনের সিটে গিয়ে বসে পড়ল এবং শায়লা খান গাড়ী ড্রাইভ করে ২০ মিনিটের মধ্যে বাসায় পৌঁছে গেল।আর ইতিমধ্যে শায়লা খান ঐ ভয়ঙ্কর লোকটির কথাও ভুলে গেল।বাসায় পৌঁছে শায়লা খান নিজের রুমে গিয়ে * খুলে বাথরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে হালকা সবুজ রঙের স্যুট পরে হলরুমে এসে টিভির সামনে বসল।
![[Image: Kavya-Madhavan-laksyah-photo-shoot-july-2017-7.jpg]](https://i.ibb.co/TBLq3zj/Kavya-Madhavan-laksyah-photo-shoot-july-2017-7.jpg)