
আমার নাম অনুপ দাসগুপ্ত, বয়েস ২৬ বছর আর আমার এখনো বিয়ে হয় নি. ডিসেম্বর ২০১৪ আমাকে আমাদের আগের প্রতিবেশির বাড়িতে একটা বিয়েতে যেতে হয়েছিলো.
যার বাড়িতে আমাকে যেতে হয়েছিলো ওনারা আমাদের পাসের বাড়িতে অনেক দিন ভারাটে ছিলেন. ওনারা আবার আমাদের দূরের আত্মীয়ও ছিলেন. আমি এই বিয়েতে যাবার জন্য রাজি ছিলাম না. কিন্তু ওনারা আমাদের আত্মীয় বলে আমাকে যেতে হলো.
আমি সেই জন্য সকালের বাসে করে প্রায় ৮ ঘন্টা জার্নী করার পরে আমি ওনাদের শহরে পৌছে গেলাম. আমি যখন পৌছুলম তখন রাত ১১.০০ বেজে ছিলো.
রাতে কোনো অটো রিক্সা না থাকতে আমি একটা সাইকেল রিক্সা নিয়ে ওনাদের বাড়িতে প্রায় রাত ১২.০০ সময় পৌছালাম. কাকা বাবু আমাকে দেখে আমার গলা জড়িয়ে ধরলেন আর কাকিমা কে ডাকলেন.
কাকিমা ঘুম চোখে উঠে এলেন তবে আমাকে দেখে খুব খুশী হলেন. কাকা আর কাকিমা আমাকে অনেক করে বললেন যে আমি আসাতে ওনারা খুব খুশী হয়ছেন. আমি তার পর কাকা আর কাকিমার সঙ্গে গল্প করতে করতে ডিনার টা সেরে নিলাম.
ডিনার করার পরে আমি আমার প্যান্ট জামা গুলো ছেড়ে একটা লুঙ্গী আর টি-শার্ট পরে কাকা কে জিজ্ঞেস করলাম,
“কাকা আমার শোবার কী ব্যাবস্থা?” কাকা আমাকে ওনাদের সামনের ফ্লাটে নিয়ে গিয়ে বললেন, “তুমি আজকের রাতটা আমার অন্য গেস্টদের সঙ্গে শুয়ে পর আর কালকে আমি তোমাকে অন্য ব্যাবস্থা করে দেবো.” তার আমি আর কাকা আমার শোবার জন্য জায়গা খুঁজতে লাগলাম কিন্তু কোনো জায়গা পেলাম না.
কাকা তখন কাকিমাকে ডেকে আমার শোবার জন্য ব্যাবস্থা করতে বললেন. কাকিমা আমাকে আবার সামনের ফ্লাটে নিয়ে গেলেন. কাকিমা আমাকে এক বেডরূম থেকে অন্য বেডরূমে নিয়ে গিয়ে শেষ মেষ একটা জায়গা বেড় করলেন. এই বেডরূমেতে কোনো খাট বা পালংক ছিলো না তবে মাটিতে ঢালা বিছানা করা ছিলো আর তাতে প্রায় ৮ জন লোক একের পরে এক শুয়ে ছিলো ।
ঘরের হালকা আলোতে আমি আর কাকিমা দেখতে পেলাম যে একেবারে কোণার দিকে একটা ছোট্ট ২ বছরের বাচ্চার পাসে একটু খনি জায়গা আছে, যেখানে আমি শুতে পারি. বাচ্চার পাশে এক মহিলা বা মেয়ে বাচ্চার দিকে মাথা করে শুয়ে আছে.
আমি কাকিমা কে বললাম, “কাকিমা তুমি কোন কিছু চিন্তা কোরো না, আমি আজকের রাতটা ওই বাচ্ছাটার পাশে শুয়ে, ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেবো.
” কাকিমা আমার কথা শুনে আমাকে কম্বল আর বালিস এনে দিলেন আর বললেন যে কম্বলটা গায়ে দিয়ে নাও কারণ মশার জন্য ঘরের দুটো ফ্যান অন করা আছে, ঠান্ডা লেগে যেতে পরে.” আমি কাকিমা কে গুড নাইট বলে আমার জায়গায় শুতে চলে গেলাম.
কাকিমা নিজের ফ্লাটে চলে গেলেন. আমি সবার আগে আমার মোবাইল সকাল ৭.০০ সময় অলার্ম লাগিয়ে ছোট্ট বাচ্চাটাকে একটু সরিয়ে দিয়ে শুয়ে পড়লাম. শোবার সময় আমি দেখলাম যে রাত ১.১৫ বেজেছে.
বেশ ঠান্ডা পড়েছিলো আর আমার পাসের দেওয়ালটা বেশ ঠান্ডা ছিলো. আমি কম্বলটা আমার গলা ওব্দি টেনে নিলাম. কম্বলটা গায়ের উপরে টানতে খানিকটা কম্বল বাচ্চাটার গায়ে উপরে চলে গেল আর আমি আর বাচ্ছাটা এক কম্বলে শুয়ে থাকলাম. বাচ্ছাটার পাশে শুয়ে থাকা মেয়ে বা মহিলা অন্য কম্বল গায়ে দিয়ে শুয়েছিলেন.
যার বাড়িতে আমাকে যেতে হয়েছিলো ওনারা আমাদের পাসের বাড়িতে অনেক দিন ভারাটে ছিলেন. ওনারা আবার আমাদের দূরের আত্মীয়ও ছিলেন. আমি এই বিয়েতে যাবার জন্য রাজি ছিলাম না. কিন্তু ওনারা আমাদের আত্মীয় বলে আমাকে যেতে হলো.
আমি সেই জন্য সকালের বাসে করে প্রায় ৮ ঘন্টা জার্নী করার পরে আমি ওনাদের শহরে পৌছে গেলাম. আমি যখন পৌছুলম তখন রাত ১১.০০ বেজে ছিলো.
রাতে কোনো অটো রিক্সা না থাকতে আমি একটা সাইকেল রিক্সা নিয়ে ওনাদের বাড়িতে প্রায় রাত ১২.০০ সময় পৌছালাম. কাকা বাবু আমাকে দেখে আমার গলা জড়িয়ে ধরলেন আর কাকিমা কে ডাকলেন.
কাকিমা ঘুম চোখে উঠে এলেন তবে আমাকে দেখে খুব খুশী হলেন. কাকা আর কাকিমা আমাকে অনেক করে বললেন যে আমি আসাতে ওনারা খুব খুশী হয়ছেন. আমি তার পর কাকা আর কাকিমার সঙ্গে গল্প করতে করতে ডিনার টা সেরে নিলাম.
ডিনার করার পরে আমি আমার প্যান্ট জামা গুলো ছেড়ে একটা লুঙ্গী আর টি-শার্ট পরে কাকা কে জিজ্ঞেস করলাম,
“কাকা আমার শোবার কী ব্যাবস্থা?” কাকা আমাকে ওনাদের সামনের ফ্লাটে নিয়ে গিয়ে বললেন, “তুমি আজকের রাতটা আমার অন্য গেস্টদের সঙ্গে শুয়ে পর আর কালকে আমি তোমাকে অন্য ব্যাবস্থা করে দেবো.” তার আমি আর কাকা আমার শোবার জন্য জায়গা খুঁজতে লাগলাম কিন্তু কোনো জায়গা পেলাম না.
কাকা তখন কাকিমাকে ডেকে আমার শোবার জন্য ব্যাবস্থা করতে বললেন. কাকিমা আমাকে আবার সামনের ফ্লাটে নিয়ে গেলেন. কাকিমা আমাকে এক বেডরূম থেকে অন্য বেডরূমে নিয়ে গিয়ে শেষ মেষ একটা জায়গা বেড় করলেন. এই বেডরূমেতে কোনো খাট বা পালংক ছিলো না তবে মাটিতে ঢালা বিছানা করা ছিলো আর তাতে প্রায় ৮ জন লোক একের পরে এক শুয়ে ছিলো ।
ঘরের হালকা আলোতে আমি আর কাকিমা দেখতে পেলাম যে একেবারে কোণার দিকে একটা ছোট্ট ২ বছরের বাচ্চার পাসে একটু খনি জায়গা আছে, যেখানে আমি শুতে পারি. বাচ্চার পাশে এক মহিলা বা মেয়ে বাচ্চার দিকে মাথা করে শুয়ে আছে.
আমি কাকিমা কে বললাম, “কাকিমা তুমি কোন কিছু চিন্তা কোরো না, আমি আজকের রাতটা ওই বাচ্ছাটার পাশে শুয়ে, ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেবো.
” কাকিমা আমার কথা শুনে আমাকে কম্বল আর বালিস এনে দিলেন আর বললেন যে কম্বলটা গায়ে দিয়ে নাও কারণ মশার জন্য ঘরের দুটো ফ্যান অন করা আছে, ঠান্ডা লেগে যেতে পরে.” আমি কাকিমা কে গুড নাইট বলে আমার জায়গায় শুতে চলে গেলাম.
কাকিমা নিজের ফ্লাটে চলে গেলেন. আমি সবার আগে আমার মোবাইল সকাল ৭.০০ সময় অলার্ম লাগিয়ে ছোট্ট বাচ্চাটাকে একটু সরিয়ে দিয়ে শুয়ে পড়লাম. শোবার সময় আমি দেখলাম যে রাত ১.১৫ বেজেছে.
বেশ ঠান্ডা পড়েছিলো আর আমার পাসের দেওয়ালটা বেশ ঠান্ডা ছিলো. আমি কম্বলটা আমার গলা ওব্দি টেনে নিলাম. কম্বলটা গায়ের উপরে টানতে খানিকটা কম্বল বাচ্চাটার গায়ে উপরে চলে গেল আর আমি আর বাচ্ছাটা এক কম্বলে শুয়ে থাকলাম. বাচ্ছাটার পাশে শুয়ে থাকা মেয়ে বা মহিলা অন্য কম্বল গায়ে দিয়ে শুয়েছিলেন.