26-10-2020, 12:02 PM
(25-10-2020, 04:09 AM)bigassgirllover Wrote: memories of murder মুভিটা দেখেছিলাম লাস্টের কিছু দৃশ্য রেললাইনে হয়েছিল। ছবিটা দেখে মনের অজানা বসত কেঁদেছিলেন কিছুক্ষণ কিন্তু কেন কাদলাম ভেবে পাচ্ছিলাম না তখন। আসলে মানুষের ফিলসফি বড়ই আশ্চর্যজনক। আমি অনেক হিউমেন বিহেডিং দেখেছি আমার তখন মনে হয়েছিল মানুষ আর পিপড়ার মধ্যে কোন তফাৎ নেই।একটা পিঁপড়াকে যেমন ইচ্ছা হলেই অঙ্গুষ্ঠ দিয়ে পিশে দেয়া যায় আর তখন যেমন কোন অনুভূতি কাজ করে না ঠিক তখন আমার তেমনি মনে হয়েছিল। একটা ভিডিও এমন ছিল যেখানে একদল লোককে একজন একজন করে জবাই করছিল একজন জবাই শেষ হলে আরেক জন এভাবে করে সবাইকে একটা গর্তে ফেলছিল কেউকেউ দেখেছিলাম জীবনের আশা ত্যাগ করে মাথা নিচের দিক দিয়ে বসেছিল তখনি একটা লোক হাসতে হাসতে এসে মুরগি যেভাবে জবাই করে ঠিক তেমনি এসে লোকটাকে জবাই করল। একটা জিনিস দেখে অনেক আশ্চর্য হলাম একটা লোক নিজে থেকে এসে ছুরির নিচে এসে বসে গেল। মনে হল বলছে আমার আর বেচে থাকার ইচ্ছা নেই মৃত্যু যখন নিশ্চিত তখন আর জীবন নিয়ে মায়া করে লাভ নেই। বেশির ভাগ লোকই ধরে নিয়েছিল ওরা আর বাচবেনা। তারপর দেখলাম অর্ধেক গলা কাটা যাওয়ার পর লোকগুলির তখন প্রান আছে কিন্তু যেহেতু ঐ অবস্থান থেকে কোন ডাক্তারো আর বাচাতে পরবেনা এটা বুজতে পেরে পুরো মাথাটা যাতে কাটা যায় সেজন্য যে কাটছে সেজন্য হেল্প করছিল। এই রকম আরও অনেক ভিডিও দেখেছি। আরেকটা ভিডিও এমন দেখেছিলাম যে এক লোকের গলা ভিষন আস্তে কষ্ট দিয়ে কাটছিল আর লোকটা ভিষন কাদছিল ছুরির ঘসায় আ আ শব্দ করছিল। সত্যি কথা বলতেকি আপনার হয়ত ভাবতে পরেন আমার অনুভূতি বলতে কিছু নেই নাকি আসলে তখনও আমার ওদের দেখে খারাপ লাগে নি। কারন আমি বা আমরা সব সময় প্রানীদের খাওয়ার জন্য বলেন আর অন্যায়ভাবে মনে আসল আর মেরে দিলাম করে অনেক প্রানী মেরেছি কখন কষ্ট বোধ করিনি আশ্চর্য জনক হলেও সত্যি আমার কাছে ঐ ভিডিও গুলিও ঐরকম মনে হয়েছে। কিন্তু এতকিছু দেখার পরও memories of murder ছবি টা দেখে যদি বলেন কেন কাদলাম।কারন ডিরেক্টর এই ছবিতে এমন কিছু কি এলিমেন্ট ইউজ করেছে যে এগুলির সাথে মানুষের কান্না পাবে বা হিউমেন ব্রেইনের ঐ অংশগুলি স্টিমুলেট করবে এমন কিছু এলিমেন্ট যোগ করেছেন তার মধ্যে অন্যতম হল মুভির সাউন্ড।
এখন আশি মূল কথায় আমি এক কিছু বলে আপানার গল্পকে কোন দিক থেকেই ছোট করছি না কিন্তু আপনার গল্পটা থেকে ঐ মুভির মত সেইম ফিলিং পাচ্ছি। মানে আপনার ইমাজিনেশর মধ্যদিয়ে একটা গল্পের সিন ক্রিকেট করার মত কাজ কেউ আপনার থেকে শিখুক। পরিশেষে অসাধারণ স্টরি টেলিং দক্ষতা যেন নিজের সামনেই ঘটে চলেছে সব নিজের মত করে। আর এখানে অনেক স্টুপিড লোক আছে যারা আপডেট আপডেট বলে চিৎকার দেয় কিন্তু লেখকের কষ্টকে এপ্রেশিয়েট করে না ঈ ধরনের লোকের জন্য মন খারাপ করবেনা। আফটার অল আপনি তো ওদের জন্য লিখছেন না আমি বলল শুধু নিজের জন্য লিখুন আর কারো জন্য নয় ডিসকভার ইউর সেল্ফ। আমার আজগুবি গাজাখুরি কথায় কিছু মনে করবেনা।
খুবই সুন্দর বিশ্লেষণের মাধ্যমে নিজের মনের অভিজ্ঞতা এবং অনুভূতি রেখেছেন। আমার বার বার পড়তে ইছা করছে। হ্যাঁ দৃশ্য গুলো কে ওই ভাবেই রাখার চেষ্টা করি যাতে পাঠকের চোখের সামনে সবকিছু ভাসে। যেন ওদের মনে হয় চোখের সামনে সবকিছু ঘটছে। তবে সত্যি কথা বলতে আমি নিজে খুবই ভিতু প্রক্রতির, মারামারি খুন খুনি একদম পছন্দ করি না। আর ওই দৃশ্যটা জাস্ট একটা প্রয়োগ মাত্র। দেখি আমি ফোটাতে পারি কি না।
দৃশ্য টা দুপুর বারটায় লেখা শুরু করে ছিলাম। শেষ করলাম তিন তেই। অনেকবার মা ডেকে ছিলেন কিন্তু উঠে যেতে পারিনি, দুপুরের খাওয়া বন্ধ করে লিখে ছিলাম। যদিও আমি সেক্স শিন গুলো গভীর রাতে লিখি। শেষ হয় ভোর বেলায়।
suicide এর দৃশ্যটা লেখার সময় অনেক হাত কেঁপে ছিল। এমন একটা নারীকে মেরে ফেলছি যার প্রতি আমার নিজের দুর্বলতা আছে। মন অস্থির হয়ে উথেছিল।খাবার খেতে পারছিলাম না। যাইহোক আপনার মন্তব্য আমাকে অনেক খানি উৎসাহ করেছে আমার গল্প লেখার প্রতি আঘ্রহ বাড়িয়েছে।


![[+]](https://xossipy.com/themes/sharepoint/collapse_collapsed.png)