21-11-2019, 07:14 AM
ডাঃ সুধীর রাও - মায়িল (১৯)
সুধীর হ্যাঁ বলতেই মায়িল গাড়ি এক ধারে
রাস্তা থেকে নামিয়ে দেয়।
সুধীর – কি হয়েছে?
মায়িল – আমার একটু তোকে ভালবাসতে
ইচ্ছা করছে
সুধীর – এখন এখানে?
মায়িল – হ্যাঁ এখানে
সুধীর – অন্য গাড়ি গেলে তারা তো দেখবে
মায়িল – আন্য গাড়ি মানে দু একটা ট্রাক
যাবে, ওরা দেখলে দেখবে
সুধীর – কাল রাতে তো করলাম, এখন আবার
কেন?
মায়িল – তুই আমাকে এতো ভালোবাসিস,
একবার দ্যাখ আমি কেমন
সুধীর – আমি জানি তুই কেমন, তাই তো
তোকে ভালোবাসি
মায়িল – সেই জন্যেই তো ভালবাসতে ইচ্ছা
করছে
সুধীর – ঠিক আছে যা ইচ্ছা কর
তখনও সূর্য ভালো করে ওঠে নি। চারপাশে
আবছা আলো। মায়িল চুমু খায় সুধীরকে। সুধীর
অলস ভাবে বসে থাকে।
মায়িল – চল একটু ঘুরে আসি
সুধীর – কোথায়?
মায়িল – চল না, গাড়ি লক কর ভালো করে।
সুধীর কোন কথা না বলে গাড়ি লক করে।
মায়িল ওর শাড়ি পরে নেয়। আবছা আলোয়
মায়িলকে লাল শাড়িতে দেখে সুধীর হাঁ
করে তাকিয়ে থাকে। মায়িল ওর হাত ধরলে
ওর সম্বিত ফেরে। ওরা রাস্তার ধারে
ঝোপের মধ্যে চলে যায়। মায়িল কিছু খুঁজে
বেড়ায়, সুধীর জিজ্ঞাসা করলে ওকে ধৈর্য
ধরতে বলে। দশ পনেরো মিনিট ইতস্তত ঘোরার
পর মায়িলের মুখ হাসিতে ভরে ওঠে।
মায়িল – পেয়েছি
সুধীর – কি পেলি
মায়িল – যা খুঁজছিলাম
সুধীর – কিন্তু সেটা কি?
মায়িল – দ্যাখ
সুধীর দেখে একটা ঝোপের মধ্যে সাদা আর
নীল রঙ মেশানো ফুলে ভর্তি কোন নাম না
জানা ফুলের লতা। মায়িল বেশ অনেকগুলো
ফুল সুদ্ধ লতা ছিঁড়ে নেয়। সেই লতা জড়িয়ে
দুটো মালার মত বানায়।
মায়িল – চল
সুধীর – কোথায়?
মায়িল – চল না আবার একটু খুঁজতে হবে
সুধীর হ্যাঁ বলতেই মায়িল গাড়ি এক ধারে
রাস্তা থেকে নামিয়ে দেয়।
সুধীর – কি হয়েছে?
মায়িল – আমার একটু তোকে ভালবাসতে
ইচ্ছা করছে
সুধীর – এখন এখানে?
মায়িল – হ্যাঁ এখানে
সুধীর – অন্য গাড়ি গেলে তারা তো দেখবে
মায়িল – আন্য গাড়ি মানে দু একটা ট্রাক
যাবে, ওরা দেখলে দেখবে
সুধীর – কাল রাতে তো করলাম, এখন আবার
কেন?
মায়িল – তুই আমাকে এতো ভালোবাসিস,
একবার দ্যাখ আমি কেমন
সুধীর – আমি জানি তুই কেমন, তাই তো
তোকে ভালোবাসি
মায়িল – সেই জন্যেই তো ভালবাসতে ইচ্ছা
করছে
সুধীর – ঠিক আছে যা ইচ্ছা কর
তখনও সূর্য ভালো করে ওঠে নি। চারপাশে
আবছা আলো। মায়িল চুমু খায় সুধীরকে। সুধীর
অলস ভাবে বসে থাকে।
মায়িল – চল একটু ঘুরে আসি
সুধীর – কোথায়?
মায়িল – চল না, গাড়ি লক কর ভালো করে।
সুধীর কোন কথা না বলে গাড়ি লক করে।
মায়িল ওর শাড়ি পরে নেয়। আবছা আলোয়
মায়িলকে লাল শাড়িতে দেখে সুধীর হাঁ
করে তাকিয়ে থাকে। মায়িল ওর হাত ধরলে
ওর সম্বিত ফেরে। ওরা রাস্তার ধারে
ঝোপের মধ্যে চলে যায়। মায়িল কিছু খুঁজে
বেড়ায়, সুধীর জিজ্ঞাসা করলে ওকে ধৈর্য
ধরতে বলে। দশ পনেরো মিনিট ইতস্তত ঘোরার
পর মায়িলের মুখ হাসিতে ভরে ওঠে।
মায়িল – পেয়েছি
সুধীর – কি পেলি
মায়িল – যা খুঁজছিলাম
সুধীর – কিন্তু সেটা কি?
মায়িল – দ্যাখ
সুধীর দেখে একটা ঝোপের মধ্যে সাদা আর
নীল রঙ মেশানো ফুলে ভর্তি কোন নাম না
জানা ফুলের লতা। মায়িল বেশ অনেকগুলো
ফুল সুদ্ধ লতা ছিঁড়ে নেয়। সেই লতা জড়িয়ে
দুটো মালার মত বানায়।
মায়িল – চল
সুধীর – কোথায়?
মায়িল – চল না আবার একটু খুঁজতে হবে