Thread Rating:
  • 129 Vote(s) - 2.95 Average
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
Adultery আগুণের পরশমণি;কামদেব
দারুন আপডেট। ঋতিকারও একটা গতি হলো মনে হয়। কিন্তু রনো এ পর্বেও অনুপস্থিত। গল্পের প্রতিটি চরিত্র যেভাবে ক্লোজ হয়ে আসছে তাতে মনে হয় ইলিনা আর রনোর এডভেঞ্চার আর রোমান্সের খুব বেশি দেখা পাওয়া যাবে না।
[+] 1 user Likes skam4555's post
Like Reply
Do not mention / post any under age /rape content. If found Please use REPORT button.
সুন্দর হয়েছে আরো তাড়াতাড়ি বড় আপডেট চাই। লাইক ও রেপু দিলাম
[+] 2 users Like আবাল আবাল's post
Like Reply
দাদা আপডেট কবে আসবে
[+] 1 user Likes আবাল আবাল's post
Like Reply
Waiting for update.
[+] 1 user Likes skam4555's post
Like Reply
আপডেটের অপেক্ষায় রয়েছি।
[+] 2 users Like sexmax's post
Like Reply
আপডেটের অপেক্ষায় রয়েছি।
[+] 2 users Like sexmax's post
Like Reply
Update Pls
[+] 1 user Likes nightangle's post
Like Reply
Update?
[+] 1 user Likes Saj890's post
Like Reply
আপডেট এর অপেক্ষায় রইলাম
[+] 1 user Likes আবাল আবাল's post
Like Reply
Update please.
[+] 1 user Likes skam4555's post
Like Reply
(12-09-2026, 10:05 AM)skam4555 Wrote: Update please.

get tomorrow
[+] 2 users Like kumdev's post
Like Reply
কামদেব দাদা,
অপেক্ষায় আছি, একটি আপডেটের জন্য।
[+] 1 user Likes Mohomoy's post
Like Reply
একসপ্ততিতম পরিচ্ছেদ



বাসুদেব মহান্তি ছিলেন কটক  পুলিশে  একজন এসআই। আইপিএস পরীক্ষা দিয়ে এখন ডিসি (ডিটেকটিভ) ব্যারাকপুর মহকুমা।ট্রেনিং-এর সময় মি.সোমের সঙ্গে আলাপ ক্রমে ঘণিষ্ঠতা।এই বাঙালী ভদ্রলোককে তার খুব ভাল লেগে যায়।বিশেষকরে তার অদ্ভুত কথাবার্তা তাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।ওর মুখে কখনো অন্যের নিন্দা শোনেননি। উনি বলছিলেন দেখুন মহান্তি দোষে গুণে মানুষ।আমরা যদি কেবল দোষ খুঁজে বেড়াই তাহলে কারো গুণ আপনার চোখে পড়বে না।বিপরীতভাবে যদি গুণের সন্ধান করি দেখবেন কোনো মানুষই খারাপ নয়।তরমুজে যেমন বিচি আছে তেমনি আছে সুস্বাদু শাঁস।বিচি বাদ দিয়ে খেলে তরমুজ উপভোগ্য।
বাঃ আপনি কথাটা বেশ বলেছেন,আমি এভাবে কখনো ভাবিনি।
নিজের কথা বলতে চান না।তবু যেটুকু জেনেছি খুব স্ট্রাগলের সঙ্গে কেটেছে প্রথম জীবন।কিছুকাল একটা দোকানে পেটভাতার বিনিময়ে কাজ করেছেন।একবার উগ্রপন্থীদের হাতে মরতে বসেছিলেন।ওদের মধ্যে একজন মহিলা ওর প্রাণ বাচিয়েছিল।ভদ্রলোকের মহিলাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ। ওর সঙ্গে মিশে এখন তিনি বাংলা বলতে পারেন।মি.সোমের মুখে শোনা একজন কিছুকরে শৈবালের মত সোচ্চারে. শৈবাল দিঘীরে কয় উচ্চ করি শির লিখে রাখো একফোটা দিলেম শিশির।নারী যা করে নীরবে।আপনি আপনার মা বোন মেয়ের মধ্যে নারীকে খুজে পাবেন।তারা দেয় বিনিময়ে কোনো প্রতিদান আশা করেনা।বাসুদেবের মনে পড়ল মায়ের কথা।বাবা মারা যাবার পর অসহায় মহিলা প্রাণপাত করে তিনটে সন্তানকে লেখাপড়া শিখিয়ে বড় করেছেন।তারপর তিনি পুলিশে চাকরি পেলে সংসারে একটু স্বচ্ছলতা আসে।দুই বোনের এবং তার বিয়ে দিলেন।চোখে জল এসে যায়।মেয়েদের কথা আগে এভাবে ভাবেন নি।মি.সোমের মুখে শুনেছেন তার বউ না থাকলে তিনি এই জায়গায় পৌছাতে পারতেন না।
মহান্তি আপনি পরশ পাথরের কথা শুনেছেন?
কেন শুনবো না ছোটো বেলায় পড়েছি পরশ পাথর লোহায় ছোয়ালে লোহা সোনা হয়ে যায়।
পরশ পাথরের কথা জানি না।কিন্তু একজন মানুষের সংস্পর্শে একজন মানুষের জীবন বদলে যেতে পারে অভিজ্ঞতা দিয়ে বুঝেছি।আমার জীবনে লীনা আসার পর থেকে অনুভব করি আমার ভিতরের এক শক্তিকে।
সোমের মুখে এসব কথা আগেও শুনেছেন।মনে পড়ল জানকীর কথা।কোনোদিন পরস্পর দেখাও হয়নি।মা পছন্দ করে ছেলের বউ করে ঘরে আনে।গ্রাজুয়েশন করে মাস্টার করার ইচ্ছে ছিল জানকীর, বিয়ের জন্য সে সাধে বাদ সাধতে হয়।কিন্তু তার মনে সেজন্য আক্ষেপ ছিল না।আমার ভাল-মন্দ তার ধ্যান জ্ঞান।অথচ তিনি রাগ হলে তার গায়ে হাত পর্যন্ত তুলেছেন।এক অপরাধবোধ তাকে আচ্ছন্ন করে।
মি,সোমের আগে তিনি ওয়েস্ট বেঙ্গলে আসেন।এখানে বারাকপুরে  তার পোস্টিং হয়েছে।এখানে এসে কটক থেকে পরিবারকেও নিয়ে আসেন।
মি.সোম আসছেন শুনে কাল বিমান বন্দরে গেছিলেন।সেখানে ওর ওয়াইফের সঙ্গে আলাপ হল।সোম বলেননি ওর ওয়াইফ ফরেনার।ভদ্রমহিলা সুন্দর বাংলা বলেন।মিষ্টি ব্যবহার বললেন,একদিন আসুন গল্প করা যাবে।
স্যার আপনার চা নিয়ে আসবো?অফিস পিয়ন জিজ্ঞেস করল।
বাংলোয় গিয়ে চা নিয়ে আসবে।বাসুদেব বললেন,আমি যাচ্ছি তুমি সব বন্ধ করো।
অফিস সংলগ্ন বাংলোর দিকে রওনা হলেন।বাংলোয় ঢুকতেই মেয়ে সানু ছুটে এসে জড়িয়ে ধরল।বাসুদেব নীচু হয়ে মেয়েকে কোলে তুলে নিয়ে বললেন,এথা রে কেমতি লাগুছি মা?
বাবা তুমে বহুৎ বদলি যাইচ্ছ।সানু বলল।
সানুর কথায় অবাক হলেন,কপালে চিন্তার ভাজ।এ্যাম আই  চেঞ্জিং বাই বিইং ইন কনট্যাক্ট উইথ মি.সোম।
জানকী চা নিয়ে ঢুকতে মেয়েকে কোল থেকে নামিয়ে হাত বাড়িয়ে চায়ের কাপ নিয়ে বাসুদেব বললেন,তোমার মেয়ে কি বলছে শুনেছো?
জানকী চলে যেতে গিয়ে ফিরে দাড়িয়ে পড়েন,কোনো কথা বলেন না।
সানু বলছে আমি নাকি বদলে গেছি।তোমারও কি তাই মনে হয়?
আমার কি মনে হল তাতে কি যায় আসে।নিরুত্তাপ গলায় বললেন জানকী।
অভিমানের সুর গলায়,বাসুদেব এগিয়ে গিয়ে স্ত্রীর দু-কাধ ধরে বললেন,আমার দিকে তাকাও।
জানকী চোখ তুলে তাকাতে বাসুদেব বললেন,তোমার সঙ্গে খুব অন্যায় করেছি।পুলিশে ঢুকে অমানুষ হয়ে গেছিলাম।তোমাকে বুঝতে পারিনি।আর কখনো তোমার গায়ে হাত তুলবো না--।
জানকীর চোখ ঝাপসা হয়ে আসে।বাসুদেব দু-হাতে জড়িয়ে ধরলেন।স্বামীর বুকে মুখ চেপে জানকী বললেন,সত্যি তুমি বদলে গেছো। 
স্ত্রীর কাধে মাথা রেখে সদাশিব সবলে নিজের দিকে টানতে জানকী বললেন, এখন ছাড়ো মেয়ে দেখছে।
বাহুবন্ধন মুক্ত হয়ে আচলে চোখ মুছে চায়ের কাপ হাতে তুলে জানকী বললেন,চা ঠাণ্ডা হয়ে গেছে গরম করে আনছি।সানু আমার সঙ্গে এসো বাবুকে বিশ্রাম করতে দাও।
মা মেয়ে চলে গেলে সদাশিব সোফায় বসে মাথা পিছনে এলিয়ে দিলেন।অনুভূত হয় এক অনাস্বাদিত প্রশান্তি।
কলেজ থেকে ফিরে দেখল আনু ফিরে এসে মনমরা হয়ে বসে আছে।পার্বতী আয়ানকে কোল থেকে নামিয়ে দিতে  সে মাকে জড়িয়ে ধরে জুলজুল চোখে আনুকে দেখতে থাকে।আরণ্যক অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে নিল। ইলিনা বুঝতে পারে ছেলের উপর অভিমান হয়েছে।দুটোই শিশু মনে মনে হাসে ইলিনা।ছেলেকে বলে, যাও পাপা--যাও।

ছেলেটি সবলে জড়িয়ে ধরে মাকে।
পার্বতী ওকে নেও।ইলিনা পোশাক বদলাতে চলে গেল। 
শ্রীরামপুর হতে বারাসাত নিত্য যাতায়াত সম্ভব নয়।দেখা যাক লীনা কি বলে।এখানে থাকলে ছেলেটাকেও রোজ দীর্ঘ জার্ণি করতে হবে।ছেলেটাও হয়েছে মা নেওটা মায়ের সঙ্গে লেগে আছে।অবশ্য পার্বতীকে অপছন্দ নয়।প্রায় একটা বছর কি করে সামাল দিল লীনা ভেবে অবাক লাগে।সব তালগোল পাকিয়ে যায়।আয়ানের কথা ভেবে,লীনার চাকরি ছেড়ে দেওয়া উচিত কিন্তু ওকে বলতে ভরসা হয়না।ছেলেটা তার কাছে আসতে চায়না। প্রথম দেখছে বলে বেচারি ভয় পাচ্ছে আস্তে আস্তে ঠিক হয়ে যাবে। 
ইলিনা ফিরে এসে বলল,তুমি বেরোবে নাকি?
না,কেন?
পোশাক বদলাও নি।
একটা কথা ভাবছি।
কলকাতায় গিয়ে কিছু হয়নি তো?ইলিনা জিজ্ঞেস করে,কলকাতায় যেজন্য গেছিলে তার কি হল?
আমি এখন এস ডি এম--সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট।বারাসতে আমার অফিস বাংলো।বারাসতে গিয়ে দায়িত্ব বুঝে নিয়েছি।
মেঝের দিকে তাকিয়ে ইলিনা কি যেন ভাবছে।আরণ্যক বলল,কি ভাবছো?
তুমি চেঞ্জ করে নেও,আমি চা করে আনছি।ইলিনা উঠে চলে গেল।আরণ্যক পোশাক বদলাতে শোবার ঘরে গেল।
বাজারের মুখে বইয়ের দোকানে আড্ডা জমে উঠেছে।সন্তোষ মাইতির বিরুদ্ধে সমালোচনার জবাবে শ্যামল বলতে শুরু করে,আমি এতক্ষণ কিছু বলিনি।একটা লোক দেখাতে পারবি দাদা যার জন্য কিছু করেনি।এসব হচ্ছে অসীম পালদের প্রচার--কিরে সমু আমি কি ভুল বললাম?
দেখ বললেই তো হবে না।অনেকেই অনেক কথা বলে।তথ্য প্রমাণ না থাকলে সব অর্থহীন।
রাইট আমি এই কথাটাই বলছিলাম।
এমন সময় হাপাতে হাপাতে মান্তু এসে বলল,এ্যাই রনোকে দেখলাম।
কে রনো?পুলক বলল।
শালা রনোকে ভুলে গেলি?
পিকলুর মনে ঝিলিক দিয়ে যায়।সময়ের ধুলোয় চাপা পড়ে গেছে অতীতের সেই দিনগুলো।সেও প্রথমে বুঝতে পারেনি।কিন্তু এখানে কোথায় আসবে,কেইবা আছে তার এখানে।রনোর কথা মনে পড়তে সবার মধ্যে চাঞ্চল্য।
কোথায় দেখলি?শ্যামল জিজ্ঞেস করে।
সামন্ত জুয়েলার্সের গলি দিয়ে ঢুকলো।মান্তু বলল।
তোকে দেখেনি?
আমি পিছনে ছিলাম।
তুই ডাকবি তো।শ্যামল বিরক্ত।
একবার ভাবলাম ডাকি আবার মনে হল যদি রনো না হয়।
বোকাচোদা এবার গাড়ে এক লাথি দেব।
ছাড়তো ওর কথা-- শালা কাকে দেখতে কাকে দেখেছে।আসার হলে অনেক আগেই আসতো।বাচ্চু বলল।
আমি রনোকে চিনিনা--কাকে দেখতে কাকে দেখেছে?মান্তু ফুসে উঠল।
পিকলু চুপ থাকতে পারে না বাচ্চুকে থামিয়ে দিয়ে বলল,মান্তু তুই সিয়োর রনোকে দেখেছিস?
না দেখিনি--হল তো?মান্তুর গলায় বিরক্তি।
তুই এভাবে কেন বলছিস,আমি কি করলাম?
নিজের ভুল বুঝতে পেরে লজ্জিত হয় মান্তু বলে,স্যরি স্যরি পিকলু।কিছু মনে করিস না-- শালা মেজাজটা এমন বিগড়ে দিল--।
আমি কিছু মনে করিনি,তুই মেজাজটা ঠাণ্ডা কর।
মেজাজ আমার ঠাণ্ডা আছে।গলা নামিয়ে বলে,জানিস পিকলু তুইও দেখলে চিনতে পারবি না।চেহারা পোশাক-আশাক এমন বদলে গেছে,কে বলবে দোকানে কাজ করে।মনে হবে কোনো অফিসার--
এইটাই তোর দোষ।
মানে?
দোকানে কাজ করে তুই জানলি কি করে?কোনো অফিসেও তো কাজ করতে পারে।
উম--হু।তুই ঠিক বলেছিস।আসলে শুনেছিলাম কাজের জন্য দোকানে-দোকানে ঘুরছিল।সত্যি রনোটা অনেক বদলে গেছে।তুই চাকরি পেয়েছিস আমাদের একবার বলবি না?
শোন মান্তু আমি রনোকে যতদূর চিনি ও ওরকম ছেলে নয়।সবটা না জেনে কোনো সিদ্ধান্তে আসা ঠিক হবেনা।
মান্তুকে একথা বললেও পিকলুর মনে কতকগুলো প্রশ্ন উকিঝুকি দিতে থাকে। সত্যিই কি মান্তু দেখেছে।এত বছর কোথায় ছিল আর এখনই বা এপাড়ায় কেন এল?এতকাল পরে এসে একবার দেখা করার কথা মনে হল না?
সমাগমের সতীনাথবাবুকে ঘোরাঘুরি করতে দেখে গোবিন্দ জিজ্ঞেস করে,কিছু বলবেন?
সন্তোষবাবুকে এখন কোথায় পাবো?
পার্টি অফিসে দেখেছেন?
ওখানে নেই।
হ্যরে রত্না দাদা কিছু বলেছে?
রতন বলল,না আজ দোকানে আসেনি।
গোবিন্দ ভাবে কোথায় যেতে পারে?কাউকে তো বলে যাবে।সতীনাথবাবুকে বলল,কিছু বলতে হবে?
না মানে উনি নজর রাখতে বলেছিলেন--
দাদাকে কিছু বলতে হবে?
ঐ ফরেনার ম্যাডাম এসেছে--এসব ব্যাপারে আমার থাকা,আচ্ছা আমি পরে আসব।সতীনাথবাবু দ্রুত স্থান ত্যাগ করলেন।
একটা ট্রেতে দু-কাপ চা নিয়ে ইলিনা এল।তাকে খুব চিন্তিত মনে হচ্ছে।দুজনে নীরবে চায়ে চুমুক দিতে থাকে।
কিছুক্ষণ পর আরণ্যক বলল,আমি ভাবছি আয়ানের কথা।এত দীর্ঘপথ--।
আমি শ্রীরামপুরে চলে যাব।দরকার হলে স্বেচ্ছাবসর নেব।
আরণ্যক স্বস্তির শ্বাস ফেলে বলল,যা ভাল মনে হয় করবে।চাকরি তো অনেকদিন হল।
ফোন বাজতে ইলিনা জিজ্ঞেস করে,কে?
মহান্তি এয়ারপোর্টে দেখা হল।কানে লাগিয়ে বলল,হ্যা বলুন....বারাসাত....কোথায় অফিসে..ঠিক আছে অপেক্ষা করব।ফোন রেখে বলল,মহান্তি অফিসে আসবে--কি দরকার আছে।
তোমার সঙ্গে কি দরকার?
কি মুষ্কিল আমি কি করে বলব?
নতুন জয়েন করেছো ভাল করে সবদিক বুঝে নেও।এখনই কোনো ঝামেলায় জড়াতে যেও না।
Like Reply
খুব সুন্দর আপডেটের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ। 
রনোর দেখা পাওয়া গেল। 
এখন সতীনাথের সতীত্বের পরীক্ষা।
লাইক ও রেপু দিলাম। 
সাথে আছি।
[+] 2 users Like buddy12's post
Like Reply
Darun
[+] 1 user Likes Saj890's post
Like Reply
অবশেষে রনোর দেখা পাওয়া গেলো।
তবে মনে হচ্ছে গল্পটা শেষের দিকে.......
নায়কের একশান ছাড়াই গল্পটা শেষ করে দিয়েন না প্লিজ.....
[+] 1 user Likes Maleficio's post
Like Reply
অনেক সুন্দর আপডেট। দীর্ঘদিন পর গল্পে রনোর পুনঃ উপস্থিতি খুব ভালো লাগলো। রনোর এই পুনঃ উপস্থিতি যেন স্বল্পকালীন না হয়। গল্পে রনোর একটা ভালো ভূমিকা রেখে যেন গল্পটা শেষ হয় এই অনুরোধ রাখছি। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।
[+] 1 user Likes skam4555's post
Like Reply
চমৎকার আপডেট প্রত্যাশামাফিক রণ ফিরে এসেছে প্রশাসনের কর্তা হয়ে। আশা করি গল্প অনেক দূর যাবে পেশাগত জীবনে ব্যক্তিত্বের পরিচয় আরো প্রকট হবে, সমাজে রণর ভূমিকা আপনার কলমের মাধ্যমে ফিরে আসবে। সেই সময়ের বাংলা সেই সময়ের কলকাতা বারাসাত প্রশাসন মানুষ সবকিছুই আপনার কলম দিয়ে দেখতে চাই।
ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ভালোবাসা নিবেন।
[+] 1 user Likes Rancon's post
Like Reply
পরবর্তী পর্বের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।
রনো - সন্তোষ, রনো - সতীনাথ, 
ইলিনা - সতীনাথ সাক্ষাতের অপেক্ষায় আছি।
Like Reply
যাক এতদিনে মন শান্ত হলো রনোর খোজ পেয়ে।
এবার বিস্তারিত জানার পালা।
পরবর্তী আপডেট এর অপেক্ষায়।
লাইক ও রেপু।


-------------অধম
Like Reply




Users browsing this thread: 4 Guest(s)