Posts: 112
Threads: 0
Likes Received: 43 in 38 posts
Likes Given: 800
Joined: May 2019
Reputation:
1
বিয়ে কি তাহলে ঝর্ণা সাথে হবে??
Posts: 18,118
Threads: 470
Likes Received: 66,660 in 27,881 posts
Likes Given: 23,977
Joined: Feb 2019
Reputation:
3,284
মঞ্জু নেই !! এই কথাটা শুনেই আমার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পরল ! এয়ারপোর্ট এর গেটেই আমি বসে পরলাম ! সিকিউরিটির লোকেরা ছুটে এসে আমাকে তোলার চেষ্টা করল ! আমার হাত রাজুর দিকে বাড়িয়ে সীমাহীন অন্ধকারের অতলে চলে গেলাম !
যখন জ্ঞ্যান ফিরল নিজেকে এয়ারপোর্ট এর প্রাথমিক স্বাস্থ কেন্দ্রে পেলাম ! রাজু সমির হরপ্রিত সুজাতা সবাই ভির করে দাঁড়িয়ে আছে ! উঠে বসার চেষ্টা করলাম ! রাজু আমাকে উঠতে দিতে চাইল না ! তবুও জোর করে উঠে বসলাম ! " চল আমাকে এখুনি যেতে হবে ! তার আগে আমাকে বল কি হয়েছে ! কেনই বা তুই বললি মঞ্জু নেই !"
হবে হবে সব বলব ! আগে তুই নিজেকে একটু সামলে নে ! তারপর তোকে সব বলব !
- না আমাকে এখুনি বল কি হয়েছে মঞ্জুর ?
- বোধগয়ার কাছে ওদের বাস একটা খাদে পরে যায় ! মঞ্জু সমেত আরও পাঁচজন প্রান হারিয়েছে ! এরা সবাই বাসের সামনের দিকে বসে ছিল ! এখনও ওদের দেহ গয়ার জেনারেল হাসপাতালে রাখা আছে ! তোর বাবা আর তোর পিসেমসাই আর লাহিরিবাবু পৌঁছে গেছেন !
আমি বললাম "এখুনি গয়া যাবো ! আমার টিকিট করিয়ে দে ! "
- গয়ার ডাইরেক্ট ফ্লাইট নেই ! আমি পাটনার টিকিট করিয়ে রেখেছি ! তোর শরির ঠিক হলেই আমি টিকিট কনফারম করিয়ে নেবো !
-এখুনি যাবো ! আমার মঞ্জু আমাকে এইভাবে ছেরে যেতে পারেনা ! বুকের ভিতর কান্না গুল দলা পাকিয়ে উঠে আসতে চাইছে !
রাজু সমির আর আমি সেই সন্ধায় পাটনার ফ্লাইট ধরলাম ! রাত দশটায় পাটনা পৌঁছে একটা গারি করে যখন গয়া পৌঁছলাম তখন ভর হতে শুরু করছে ! সোজা হাসপাতালে গিয়ে দেখি বাবা, পিসেমসাই আর লাহিরিদা আরও অনেকে বসে আছেন যাদের আমি চিনি না !
আমাকে দেখেই পিশেমসাই আমাকে জরিয়ে ধরে কেঁদে ফেললেন ! কিন্তু এখন আমি আর কাঁদতে পারছিনা ! কণ্ঠরুদ্ধ স্বরে জিজ্ঞাসা করলাম "মঞ্জু কোথায় ?"
লাহিরিদা আমার পিঠে হাত রেখে বললেন " এখন মর্গে আছে ! কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ আসবে তারপর সমস্ত বডি ছাড়া হবে ! "
আমার আর ত্বর সইছহিলনা ! " আমি এখনি দেখতে চাই ! আমাকে নিয়ে চলো প্লিস !!"
- রাজু আর সমির আমাকে জোর করে ধরে বাইরে নিয়ে এলো ! জলের ধারায় চোখের সামনে সব ঝাপ্সা দেখছি ! হাসপাতালের বাইরে এসে রাজু আমার হাতে একটা সিগারেট ধরিয়ে দিয়ে বলল " নে খা ! আর মনটাকে শক্ত কর !! সিগারেট ধরিয়েছি সেটা খেয়াল ছিলোনা ! হাতের আঙ্গুলে গরম ছাঁকা পেতেই বাস্তবে ফিরে এলাম !
পুলিশ এসে গেছে ! সবাই মর্গের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম ! দরজা খুলে একে একে সমস্ত ডেড বডি বের করে সবার আত্মীয় দের তুলে দেওয়া হোল ! মঞ্জুর শরির বেড়িয়ে এলো পুরো সাদা কাপরে ঢাকা !আমি তারাতারি মুখের কাপর শরিয়ে মঞ্জুর মুখটাকে জরিয়ে ধরে কান্নায় ভেঙ্গে পরলাম ! সবাই আমাকে সামলানোর চেষ্টা করতে লাগলো ! মাঞ্জুর মুখ যন্ত্রণায় বেঁকে আছে ! যে মঞ্জুকে আমি হাসি মুখে ছাড়া কোনোদিন কল্পনা করিনি আজ সেই মুখে যন্ত্রণার চিহ্ন আমাকে পাগল করে দিল ! ওর দেহকে জরিয়ে ধরলাম ! ওর মুখে চুমু দিয়ে ওর যন্ত্রণা লাঘব করার চেষ্টা করলাম ! সবাই আমাকে জোর করে ধরে মঞ্জুর দেহের থেকে আমাকে সরিয়ে দিল ! সমীর আর রাজু জোর করে আমাকে ধরে বাইরে নিয়ে যাবার চেষ্টা করতে লাগলো ! আমি তখন কাঠা পাঁঠার মতো ছহতফত করছিলাম আমার মঞ্জুর কাছে যাবার জন্য ! ! বাবা এসে আমাকে শক্ত হাতে ধরে গম্ভির গলায় বললেন " আর না ! অনেক হয়েছে ! আমাদের মান সম্মান মাটিতে মিশিয়ে দিও না ! নিজেকে শক্ত করো ! "
বাবার গলার স্বরে এমন এক অমোঘ বানি ছিল আমাকে বেশ কিছুটা নিভিয়ে দিল !
যে পাঁচ জন মেয়ে মারা গেছিলো তাদের পরিবার তাদের গয়াতেই চিতা সাজানোর কথাবার্তা বলছিল ! পিসেমসাই এবং লাহিরিদাও সেইরকম চিন্তা করে ওদের সাথে ওখানেই মঞ্জুকে শেষ বিদায় দিতে !
আমি বেঁকে বসলাম ! " না এখানে আমি মঞ্জুকে ছেরে যাবো না ! যা হবে আমাদের ত্রিবেনিতে হবে " বাবা লাহিরিদা পিসেমসাই সবাই আমাকে বোঝাতে চেষ্টা করল ! কিন্তু আমি নাছরবান্দা ! আমি কিছুতেই মঞ্জুকে এখানে ছেরে যাবনা !
আসলে আমি মঞ্জুকে ছাড়তে ছাইছিলাম না ! আরও যতক্ষণ সম্ভব হয় মঞ্জুকে আমার কাছেই রাখতে চাইছিলাম !
শেষে লাহিরিদা পুলিশকে জিজ্ঞাসা করলেন "যদি এখান থেকে এম্বুলেন্স করা যায় তাহলে কতক্ষনে আমরা কলকাতা পৌঁছে যাবো ?
পুলিশের লোকটি বললেন " কম করে ২০ থেকে ২২ ঘণ্টা !! কিন্তু রাস্তায় যেতে যেতে বডিতে পচন ধরে যেতে পারে !"
ঠিক হোল একটা কফিনে বরফ রেখে মঞ্জুকে রাখা হবে ! একটা এম্বুলেন্স আর একটা গারি ভারা করে আমরা মঞ্জুকে নিয়ে বেড়িয়ে যাবো !
পুলিশের লোকটিই সমস্ত ব্যবস্থা করলেন ! " যতক্ষণ এই সমস্ত ব্যবস্থা চলছে তার মধ্যেই বাবা সবাইকে বললেন কিছু খেয়ে নিতে ! কাল রাত থেকেই কারুর কিছু খাওয়া হয়নি ! ওনারা বাবার কথায় সায় দিলেন ! বাবা আমার হাত শক্ত করে টেনে নিয়ে চললেন হাসপাতালের সামনের হোটেলে ! খাবার ইচ্ছা একেবারেই ছিলোনা ! কিন্তু জোর করে ঘুগনি আর পাউরুটি খেতে বাধ্য হলাম ! সকাল ১০ টা বেজে গেছে ! বাইরে এসে আমি সমিরকে বললাম "একটা মালের বোতল জগার করতে পারবি?"
সমির কোন কথা না বোলে চলে গেলো !
ঠিক হোল আমি রাজু আর সমির আম্বুলেন্সের পিছনে বসব ! লাহিরিদা সামনে ! অন্য গাড়িতে বাবা আর পিসেমসাই !
লাহিরিদা বাবাকে বললেন "আপনারা আগে বেড়িয়ে যান ! ওখানে গিয়ে সমস্ত জোগাড় যন্ত্র করে রাখুন ! এখনও এখান থেকে বডি নিয়ে বেরুতে দুই তিন ঘণ্টা সময় লাগবে ! যতক্ষণে আমরা স্টার্ট করব ততক্ষনে আপনারা অনেক দূর চলে যেতে পারবেন ! বাবা শুধু বললেন "একটু দেখবেন ! সুনন্দ যেন ছেলেমানুষি বা পাগলামি না করে ! "
- সেটা আমি দেখে নেবো !
১২ টা নাগাদ এম্বুলেন্স ছাড়ল ! আমার সামনে কফিনে ঢাকা দেওয়া মঞ্জুর দেহ ! কফিনের উপরেই মাথা রেখে কফিনটাকে জরিয়ে ধরে কেঁদে উঠলাম ! রাজু আর সমির আমাকে জোর করে কফিন থেকে সরিয়ে দিল ! গারি চলছে আর সমানে ঝরে যাচ্ছে আমার চোখের জল !
আমাকে বসিয়ে সমির আমার হাতে মদের বোতল ধরিয়ে দিল ! রাজু তিনটে প্লাস্টিকের গ্লাস নিয়ে এসেছিলো ! তার একটায় আমার গ্লাসে মাল ধেলে জল মিশিয়ে দিল ! এক চুমুকেই সবটা শেষ করে দিলাম ! বুক জ্বলে যাচ্ছিলো ! কিন্তু মনের জ্বলনের কাছে সেই জ্বলন কিছুই নয় ! গ্লাস খালি করেই রাজুর দিকে গ্লাস বাড়িয়ে দিলাম ! রাজু চুপচাপ আমার গ্লাসে মাল ঢালতেই সঙ্গে সঙ্গে শেষ করে দিচ্ছিলাম ! কফিনের উপর মাথা রেখে কখন ঘুমিয়ে পরেছি জানতে পারিনি !
Posts: 1,882
Threads: 6
Likes Received: 6,585 in 1,870 posts
Likes Given: 2,644
Joined: Jun 2019
Reputation:
747
ভীষণ হৃদয় বিদারক দৃশ্য ! মঞ্জুর আত্মার শান্তি কামনা করি !!!!!!
Posts: 64
Threads: 0
Likes Received: 120 in 57 posts
Likes Given: 28
Joined: May 2019
Reputation:
5
Somoy to theme thakbe na. Thik egie jabe... Aar Sunanda keo tar sathe egie jete hobe... Hoito Jharnar jonno...
Posts: 18,118
Threads: 470
Likes Received: 66,660 in 27,881 posts
Likes Given: 23,977
Joined: Feb 2019
Reputation:
3,284
যখন পিসির বাড়ির দুয়ারে গারি পৌঁছালো তখন ভোর চারতে ! আমি সারা রাস্তা মাঞ্জুর কফিন ধরে ঘুমিয়ে গেছি ! স্বপ্ন দেখে গেছি আমি মঞ্জুকে জরিয়ে ধরে শুয়ে আছি ! সমীর আমাকে ঠেলে তুলে দিল ! ঘুম ভাঙতেই চোখের সামনে মঞ্জুর কফিন দেখে আমার মন হু হু করে উঠল ! ধীরে ধীরে সবাই ধরে কফিন বাইরে নামাল ! ভোরের আল ধীরে ধীরে সমস্ত অন্ধকার মুছে দিচ্ছে ! ওত ভোরেও মঞ্জুর বাড়ির উঠানে লোকের ভিড় ! রাজু আমাকে ধরে নামাল ! আমি কোন কথা না বোলে কোনোদিকে না তাকিয়ে সোজা টয়লেটে চলে গেলাম ! খুব জোড়েই পাইখানা পেয়েছিলো ! কমোডে বসে পরলাম ! আমার চোখ থেকে জলের ধারা ঝরে যাচ্ছে ! ঠিক তখনই মনের ভিতর থেকে কেউ যেন বোলে উঠল " মঞ্জুকে হারিয়ে তোমার সব কি শেষ হয়ে গেছে ? যদি শেষ হয়ে যায় তাহলে তুমি এখনও কি করে বেঁচে আছো ? কি করেই বা শরিরের তাগিদে টয়লেটে এসে বসেছ ? জীবন কোনোদিন থেমে থাকে না ! তুমি রাস্তায় খেয়েওছ ড্রিঙ্ক ও করছ ! সব কিছুই করেছ ! তার মানে মঞ্জু মরে যাওয়াতে তোমার কোন কিছুই বন্ধ হয়নি ! আর যখন বন্ধ হয়নি তখন নিজেকে শোকের সাগরে ডুবিয়ে দিয়ে লাভ কি ? যে যাবার সে চলে গেছে ! তাকে নিজের স্মৃতিতে রেখে দিয়ে ভবিষ্যতের দিকে তাকাও ! " মনে হোল যেন মঞ্জুই আমার মনের ভিতর থেকে আমাকে বলল !
মনের আওয়াজ শোনার পরেই আমার চোখ থেকে জলের ধারা উধাও হয়ে গেলো ! মনে মনে নিজেকে সামলাতে চেষ্টা করলাম ! মুখে চোখে জল দিয়ে বাইরে বেড়িয়ে এলাম ! দেখি বাঁশের মাচা বানাচ্ছে লোকেরা ! আমি কিছুই বললাম না ! স্থবির চোখে সব কিছুই দেখতে থাকলাম ! সমির, রাজু লাহিরিদা কমলদা সবাই একটু দূরে দারিয়ে কথা বলছে ! বুঝতে পারছি যে আমাকে নিয়েই ওদের কথা ! আমি ওদের দিকে গেলাম না ! আমাকে বাইরে দেখে আমার পিসি আর মা ডুকরে কেঁদে আমাকে জরিয়ে ধরলেন ! আমি শক্ত হাতে দুজনের বাঁধন ছেরে বাড়ির বাইরে চলে এলাম ! সমির রাজু কমলদা আমাকে দেখে এগিয়ে এলেন ! ওদের উপেখ্যা করে মোড়ের মাথার চায়ের দোকানে বসে পাঁচটা চায়ের অর্ডার দিলাম ! ততক্ষনে ওরাও এসে আমার পাশে বসে পরেছে ! আমার দাবনাতে চাপ দিয়ে কমলদা কিছু বলতে গেলেন ! কিন্তু সেই সুযোগ কমলদাকে না দিয়ে বোলে উঠলাম " না কমলদা আমাকে স্বান্তনা দিওনা ! এটাই বেশ ভালো হোল ! আমাদের সম্পর্ক নিয়ে খুব চিন্তায় ছিলাম ! আজ মঞ্জু সমস্ত সম্পর্ককে, সমস্ত দ্বিধাকে সব দূর করে দিয়ে চলে গেলো ! এটাই ভালো হোল ! আর আমাদের ভাবতে হবে না.........। দোকানদারের হাত থেকে চায়ের ভাঁড় নিয়ে খেয়ে নিলাম ! একটা সিগারেট ধরিয়ে বিরাট জোরে একটা টান দিয়ে বুকের ভিতরে জ্বলন্ত ধোঁয়া ঢুকিয়ে দিলাম ! এখন আর বুক জ্বলছে না ! সমস্ত জলুনি মাথার চুলের রন্ধ্র দিয়ে বেড়িয়ে যাচ্ছে ! কমলদার দাবনায় একটু চাপ দিয়ে বললাম " সবে তো শুরু হোল ! প্রথমে ত্রিপ্তিদি ! তারপর মঞ্জু...... চলতেই থাকবে ! কতো আর কাঁদবো ! না আর কাঁদবো না ! চলো যাওয়া যাক ! ওরা আমার হটাত পরিবর্তনে অবাক হয়ে গেলো !
মাচা বাঁধা হয়ে গেছে ! সবাই কফিন খুলে ফেলেছে !
পলিথেনে ঢাকা মঞ্জুর পার্থিব শরীরটাকে ওরা কফিন থেকে বের করল ! আমি এগিয়ে গিয়ে ওদের সরিয়ে দিয়ে মঞ্জুর শরিরের উপর থেকে পলিথিন সরাতে থাকলাম ! পলিথিনের পরেই সাদা কাপড়ে মঞ্জুর শরির আমার সামনে ! নিজেকে ঠিক রাখতে পারলাম না ! মঞ্জুর শরীরটাকে দুই হাতে তুলে নিজের বুকের সাথে জরিয়ে ধরে সবার সামনেই " কেন আমাকে ছেরে গেলে এ এ এ এ এ" বোলে জোড়েই কেঁদে ফেললাম ! সবাই আমাকে শরিয়ে দিল ! আমি মঞ্জুর মুখ দেখতে চাই ই ই ই ই ... সবাইকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিয়ে মঞ্জুর মুখের থেকে ঢাকনা সরিয়ে ওর মুখটাকে দুই হাতের করতলে ধরে ওর যন্ত্রণা কৃষ্ট কপালে চুমু দিলাম ! রাজু আর সমির আমাকে জোর করেই মঞ্জুর থেকে আমাকে সরাতে চেষ্টা করল ! হটাত আমার কাঁধে একটা নরম হাতের চাপ আর সাথে গম্ভির গলার একটা আদেশ ! " ওকে ছেরে দাও দাদা ! " মঞ্জু কে ছেরে আমি ঝর্নাকে জরিয়ে ধরে কেঁদে ফেললাম ! ঝর্না আমাকে আস্তে আস্তে ঘরের ভিতরে নিয়ে গেলো ! যে ভাবে আমাকে ও জরিয়ে ধরে নিয়ে গেলো সেই জড়ানোতে আমি মঞ্জুর ছোঁয়া খুঁজে পেয়েছিলাম ! পাগলের মতো ঝর্নাকে জরিয়ে ধরে থাকলাম ! ঝর্না আমাকে বিছানায় শুইয়ে দিল ! আমার কপালে একটা চুমু খেয়ে বলল " এখন তুমি একটু আরাম করো ! যখন সময় হবে আমি তোমাকে ডেকে নিয়ে যাবো ! দরজার বাইরে সমির রাজু কমলদা সবাই দাঁড়িয়ে ! ঝর্না সবাইকে বলল " ওকে এখন একটু একা থাকতে দিন ! সব ঠিক হয়ে যাবে ! "
(This post was last modified: 17-12-2020, 08:28 PM by
ddey333. Edited 1 time in total.)
Posts: 18,118
Threads: 470
Likes Received: 66,660 in 27,881 posts
Likes Given: 23,977
Joined: Feb 2019
Reputation:
3,284
লিখতে ভালো লাগছে না !... এই ভাবেই লিখে লিখে শেষ করব !
Posts: 5,175
Threads: 21
Likes Received: 7,125 in 3,736 posts
Likes Given: 12,108
Joined: Feb 2020
Reputation:
242
আমারও এ কষ্ট সহ্য হচ্ছে না। পুরোনো কথা মনে করে তুমি আবার বেশি মদ খেয়ে ফেলো না, দেখো !
Posts: 1,882
Threads: 6
Likes Received: 6,585 in 1,870 posts
Likes Given: 2,644
Joined: Jun 2019
Reputation:
747
পড়তে ভীষণ খারাপ লাগছে তার চেয়ে বেশি খারাপ লাগছে তোমার কথা ভেবে! মদ খাওয়া কখন কোন সমস্যার সমাধান নয়! আর লেখা বন্ধ করো না, লিখে যাও, হয়ত এই কথা গুলো কাউকে কোনদিন বলতে পারোনি আর তাই আজকে লেখা হয়েই বের হচ্ছে তোমার বুক থেকে! আমরা রেগে গেলে সামনের মানুষকে গালাগালি দেই অনেক সময়ে দেয়ালে ঘুসি মারি, গালাগালি দিয়ে অথবা ঘুসি মারার পরে কিন্তু রাগটা কমে যায়, এটাই মানুষের চরিত্র। মনের মধ্যে যতক্ষণ সেই ব্যাথা বেদনা জমে থাকবে ততক্ষন সে তোমাকে তাড়িয়ে বেড়াবে! মদ খেয়ে সেই ব্যাথাটাকে আরো বেশি কর চাগিয়ে তুলছো তা ছাড়া আর কিছুই করছ না কিন্তু! লিখলে বা বললে সেই ব্যাথা একবার বেড়িয়ে গেলে মন হাল্কা হয়ে যাবে, তাই বলছি তুমি লিখে যাও, যত কষ্ট হোক লেখো! তারপরে দেখবে অনেক ভালো লাগবে! এই যে মানুষের কত ধরনের রোগ ব্যাধি হয়, সেই রোগ ব্যাধি যতক্ষণ সেই মানুষের সাথে থাকে ততক্ষন ব্যাথাও থাকে, একবার সেই মানুষের রোগ শরীর থেকে বাদ দিয়ে দিলে ব্যাথা কমে যায় অথবা নির্মূল হয়ে যায়! হ্যাঁ সেই দাগ কোনদিন মিলিয়ে যায় না, দাগ থেকে যায়! থাক দাগ, ক্ষতি নেই ব্যাথা তো কমবে !!!!!!
Posts: 388
Threads: 3
Likes Received: 900 in 319 posts
Likes Given: 115
Joined: Jan 2019
Reputation:
119
সুনন্দ যে ধীরে ধীরে নিজেকে ফিরে পাচ্ছে এটাই শুধু ভালো।