<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<rss version="2.0" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/">
	<channel>
		<title><![CDATA[Xossipy - All Forums]]></title>
		<link>https://xossipy.com/</link>
		<description><![CDATA[Xossipy - https://xossipy.com]]></description>
		<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 23:06:35 +0000</pubDate>
		<generator>MyBB</generator>
		<item>
			<title><![CDATA[Accidentally saw sister fb chat]]></title>
			<link>https://xossipy.com/thread-74922.html</link>
			<pubDate>Wed, 12 Aug 2026 01:40:59 +0300</pubDate>
			<guid isPermaLink="false">https://xossipy.com/thread-74922.html</guid>
			<description><![CDATA[Hi All, <br />
<br />
I big fan of this site, following from very long time. <br />
<br />
I want to share an incident or experience like a story. Its mix of real and imagination]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[Hi All, <br />
<br />
I big fan of this site, following from very long time. <br />
<br />
I want to share an incident or experience like a story. Its mix of real and imagination]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[মৌসুমী: আমাদের ব্যক্তিগত মালেনা]]></title>
			<link>https://xossipy.com/thread-74920.html</link>
			<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 23:01:50 +0300</pubDate>
			<guid isPermaLink="false">https://xossipy.com/thread-74920.html</guid>
			<description><![CDATA[<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">অধ্যায় ১: রহস্যের গন্ধ ও </span></span></span><span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">নতুন প্রস্তাব</span></span></span><br />
</div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">এক।</span></span></span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">গুলশানের অভিজাত ফ্ল্যাটের বিশাল ড্রয়িংরুমে তখন এক পিনপতন নীরবতা। নভেম্বর মাসের হালকা শীতে ঢাকার বাতাসে এক ধরনের শীতল আমেজ নেমে এসেছে। সন্ধ্যার মিহি অন্ধকার ধীরপায়ে ঢুকে পড়ছে নগরীতে। জানালার ভারী মখমলের পর্দাগুলো সামান্য সরিয়ে দেওয়া হয়েছে</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">; সেখান দিয়ে আসা বিকেলের ম্লান আলো এসে পড়েছে সোফায় বসে থাকা এক নারীর ওপর।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">তিনি আরিফা পারভিন জামান মৌসুমী।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">বাংলা চলচ্চিত্রের তিন দশকের একচ্ছত্র সম্রাজ্ঞী</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, লাখো ভক্তের আদরের ‘প্রিয়দর্শিনী’। মৌসুমীর সামনে মেহগনি কাঠের তৈরি সুন্দর টিপয়-এর ওপর ধপায়মান এক কাপ গরম ব্ল্যাক কফি রাখা। বাষ্প উঠছে সুবাসিত কফি থেকে। কিন্তু সেদিকে তাঁর কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। তাঁর দৃষ্টি সম্পূর্ণ নিবদ্ধ হাতে ধরা একটি স্পাইরাল বাইন্ডিং করা নতুন স্ক্রিপ্টের ওপর।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">৫২ বছর বয়সেও তাঁর রাজকীয় উপস্থিতি যেন পুরো ঘরকে এক অদ্ভুত আভায় ভরিয়ে রেখেছে। সময়ের নিপুণ তুলির আঁচড়ে তাঁর বাহ্যিক রূপে পরিবর্তন এসেছে সত্য</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, কিন্তু কমেছে কি তাঁর তেজ? একদমই না। ক্যারিয়ারের শুরুর সেই ছিপছিপে, চপল গড়ন আজ আর নেই। সময়ের স্বাভাবিক পরিক্রমায় তা এক পরিণত, ভরাট এবং গম্ভীর রূপ নিয়েছে। ৩০ বছর বয়সে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ বা ‘মেঘলা আকাশ’-এর দিনে যে ৩৬-২৭-৩৬ ইঞ্চির জ্যামিতিক ফিগার নিয়ে তিনি রুপালি পর্দা কাঁপাচ্ছন, আজ সেখানে প্রকৃতির চিরন্তন নিয়মে যোগ হয়েছে মাতৃত্ব, জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং অভিজ্ঞতালব্ধ এক প্রশান্তি।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী নিজের বর্তমান শারীরিক গঠন নিয়ে ভীষণ সচেতন এবং একইসাথে শতভাগ আত্মবিশ্বাসী। ৩৮-৩৬-৪৪ ইঞ্চির (প্রায়) এই ভরাট শরীরে তিনি এখন ধারণ করেন এক রাজকীয় গম্ভীর সৌন্দর্য। ওজন এখন ৭৪ থেকে ৭৮ কেজির মধ্যে ঘোরাফেরা করে। চিকিৎসাবিজ্ঞান বা ফিটনেস বিশেষজ্ঞরা যাকে বলেন </span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">'এ্যান্ডোমরফ ফ্রেম' (Endomorph frame), মৌসুমী স্বয়ং সেটাকে মনে করেন তাঁর জীবনের অর্জিত আভিজাত্য। এই ‘Regal Fuller Frame’ বা রাজকীয় ভরাট গড়নই এখন তাঁকে সমসাময়িক অন্য সবার চেয়ে আলাদা করে তোলে। তিনি ভালো করেই জানেন, দর্শকরা এখন আর তাঁকে স্রেফ গ্ল্যামারাস নায়িকা হিসেবে পর্দায় দেখতে চায় না; তারা দেখতে চায় একজন পরিপক্ক, শক্তিশালী অভিনেত্রী হিসেবে।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">স্ক্রিপ্টের সাদা পাতায় চোখ বুলাতে বুলাতে তিনি মনে মনে অতীত আর বর্তমানকে মেলাচ্ছিলেন। কত কত বসন্ত পার হয়ে গেছে এই সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে! সাফল্যের চূড়ায় উঠেছেন</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, একসময় যা ধরেছিলেন তা-ই সোনা হয়ে ফুটেছে। আবার পর্দার পেছনের রাজনীতির কদর্য রূপও দেখেছেন। বিশেষ করে গত কয়েক বছরে শিল্পী সমিতির নির্বাচন, জায়েদ খান ও স্বামী ওমর সানিকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া অনভিপ্রেত বিতর্ক—এসব তাঁকে মারাত্মকভাবে ক্ষুব্ধ আর ক্লান্ত করেছিল। এফডিসির মেকি কোলাহল আর সস্তা গসিপ থেকে তিনি নিজেকে অনেকটাই গুটিয়ে নিয়েছেন। এখন তিনি চান এমন কাজ, যা তাঁর নাম, ব্যক্তিত্ব এবং অর্জিত সম্মানের সঙ্গে মানানসই হবে।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">তাঁর ঠিক উল্টো দিকের সোফায় সোজা হয়ে বসে আছেন ইফতি। বছর পঁচিশের এক প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ পরিচালক। চোখে তাঁর মোটা ফ্রেমের চশমা</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, গায়ে সাদামাটা সুতি কুর্তা আর জিন্স। ইফতির কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমতে শুরু করেছে, যদিও ঘরে হালকা শীতের পরশ।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">সামনে স্বয়ং ‘প্রিয়দর্শিনী’ বসে আছেন—যিনি একসময় সালমান শাহর বিপরীতে অভিনয় করে কোটি হৃদয়ে ঝড় তুলেছিলেন</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, যিনি ‘মেঘলা আকাশ’ আর ‘দেবদাস’-এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজের ঝোলিতে পুরেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। তাঁর সামনে বসে স্ক্রিপ্ট শোনানো চাট্টিখানি কথা নয়। ইফতি ভালো করেই জানে, মৌসুমী ম্যাডাম গত কয়েক বছরে ডজন ডজন স্ক্রিপ্ট ফিরিয়ে দিয়েছেন। তিনি এখন আর যেমন-তেমন কাজ বা সস্তা বাণিজ্যিক সিনেমায় হাত দেন না। চরিত্রের গভীরতা আর ব্যক্তিত্বের মিল না থাকলে তিনি স্রেফ ‘না’ বলে দেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">কফির বাষ্প কমে এল। মৌসুমী ধীরে ধীরে স্ক্রিপ্টের পাতা উল্টাতে উল্টাতে মুখ তুলে তাকালেন। তাঁর চোখের সেই গভীরতা আজও ঠিক নব্বইয়ের দশকের মতোই মায়াবী আর তীক্ষ্ণ।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“ইফতি, তাই না?” মৌসুমীর কন্ঠে এক অদ্ভুত প্রশান্তি আর গম্ভীরতার মিশ্রণ।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি একটু সোজা হয়ে বসলো</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, কপালে হাত দিয়ে ঘাম মুছে বলল, “জি, ম্যাডাম। আমি ইফতি।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“তুমি লিখেছ, গল্পের প্রধান চরিত্র ‘মিসেস রেহানা’ একজন সাধারণ গৃহিণী। কিন্তু তার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা অসাধারণ। সে আগাথা ক্রিস্টি, স্যার আর্থার কোনান ডয়েল আর ফেলুদা পড়তে ভালোবাসে। তাই তো?”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“জি, ম্যাডাম। একদম ঠিক ধরেছেন।” ইফতি দ্রুত মাথা নাড়ল।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী চশমাটা নাকের ওপর একটু ঠেলে দিয়ে আবার স্ক্রিপ্টে চোখ রাখলেন। “গল্পটা আমাকে সংক্ষেপে তোমার নিজের মুখে শোনাও। আমি দেখতে চাই</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, তুমি এই চরিত্রটাকে কীভাবে ভিজ্যুয়ালাইজ করছ। পরিচালকের ভিশনটা বোঝা আমার জন্য খুব দরকার।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি টিপয়ের পাশে থাকা এক গ্লাস পানি তুলে নিয়ে এক চুমুকে গলাটা ভিজিয়ে নিল। সে জানত</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, এই মুহূর্তটাই তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। সে তার চোখের চশমাটা একটু ঠিক করে নিয়ে বলা শুরু করল।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“ম্যাডাম, গল্পের প্রেক্ষাপট ঢাকার উত্তরার একটা শান্ত, অভিজাত কিন্তু নিঝুম পাড়া। গল্পের মূল কেন্দ্রবিন্দু ‘মিসেস রেহানা’—অর্থাৎ আপনি। সেখানে থাকেন। স্বামী একজন ব্যস্ত ব্যবসায়ী, কাজের সূত্রে প্রায়ই ঢাকার বাইরে কিংবা বিদেশে থাকেন। একমাত্র ছেলে আর মেয়ে—দুজনেই পড়াশোনা আর চাকরির সূত্রে বিদেশে স্থায়ীভাবে সেটলড। বিরাট ডুপ্লেক্স বাড়িতে রেহানা বড় একা। তবে তার একা লাগাটা কোনো বিষাদ নয়, বরং সে তার এই সময়টাকে উপভোগ করে। সে বারান্দায় বসে থাকে, চা খায়, বই পড়ে আর চোখের চশমার ফাঁক দিয়ে পাড়ার মানুষগুলোর আসা-যাওয়া পর্যবেক্ষণ করে।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি একটু থামল। মৌসুমী নীরব</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, তিনি চোখ বন্ধ করে দৃশ্যটি কল্পনা করার চেষ্টা করছেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি সাহস পেয়ে বলে চলল</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, “রেহানা শরীরে এবং মনে একজন পরিপক্ক, অভিজাত নারী। তার বয়স বায়ান্ন। সে তার বয়সের ভারিক্কি চালচলন বা শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে বিন্দুমাত্র লজ্জিত বা অস্বস্তিতে ভোগে না। বরং সে সেটাকেই তার ব্যক্তিত্বের একটা শক্তিশালী অংশ বানিয়ে নিয়েছে। শাড়ির আঁচল, হাতের মোটা চুড়ি আর চোখের চশমার আড়াল থেকে সে পুরো দুনিয়াকে এক অন্য দৃষ্টিতে দেখে।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী মনে মনে মৃদু হাসলেন। চরিত্রটির বর্ণনা যেন হুবহু তাঁর বর্তমান জীবনের সাথে মিলে যাচ্ছে। এই যে তিনি এখন একটু ভারী গড়নের শাড়ি পরেন</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, মার্জিত সাজসজ্জা করেন, চুলে এক ধরনের আভিজাত্যের ছাপ রাখেন—পরিচালক সেটাকেই চমৎকারভাবে গল্পের ক্যানভাসে কাজে লাগাতে চাইছেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“তারপর?” মৌসুমী চোখের ইশারায় ইফতিকে এগিয়ে যেতে বললেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“গল্পের টার্নিং পয়েন্ট আসে যখন পাড়ার মোড়ের সেই বিখ্যাত মিষ্টির দোকান—‘মায়ের দোয়া স্টোর’-এ এক নিঝুম রাতে একটা বড় চুরির ঘটনা ঘটে। দোকানমালিকের সারাজীবনের সঞ্চয়, ক্যাশ বাক্সের টাকা আর পেছনের সিন্দুক ভেঙে মূল্যবান জিনিসপত্র উধাও হয়ে যায়। পরদিন সকালে পুলিশ আসে, গতানুগতিক তদন্ত শুরু করে। তারা পাড়ার এক পুরোনো ছিঁচকে চোরকে সন্দেহ করে ধরে নিয়ে যায়। কিন্তু রেহানার মনে খটকা লাগে। পুলিশের এই থিওরি তার একদম পছন্দ হয় না।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“কেন? খটকা লাগার কারণ কী?” মৌসুমীর কৌতূহল বাড়ল।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“কারণ,” ইফতি হাসল, “রেহানা সে রাতে বারান্দায় বসে বই পড়ছিল। রাত দুইটায় সে যখন বাইরে তাকায়, দেখে টিপ টিপ বৃষ্টি হচ্ছিল। কিন্তু চুরির জায়গা থেকে যে টিনের চালের কথা পুলিশ বলছে, সেখানে বৃষ্টি পড়লে তো একরকম শব্দ হওয়ার কথা। তাছাড়া সে রাতে পাড়ার তিনটা কুকুর একসঙ্গে ডাকছিল না, ডেকেছিল শুধু একটা কুকুরের বিশেষ সুরে। এই ছোট ছোট অসঙ্গতি তাকে গভীরভাবে ভাবায়। রেহানা বুঝতে পারে, পুলিশ ভুল পথে হাঁটছে। আসল অপরাধী অন্য কেউ, এবং সে খুব কাছেরই লোক। তাই রেহানা সিদ্ধান্ত নেয়, সে নিজেই এর গোপন সমাধান খুঁজবে।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী কফির কাপে একটা ছোট চুমুক দিলেন। “আকাঙ্ক্ষনীয় গল্প। কিন্তু একা একজন বায়ান্ন বছর বয়সের নারীর পক্ষে তো আর রাস্তায় নেমে ডিটেকটিভগিরি করা সম্ভব নয়। পুলিশের চোখ এড়িয়ে সে কীভাবে তথ্য জোগাড় করবে</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">? তার তো একজন সহযোগী দরকার। একটা ‘তপসে’ দরকার।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি উৎসাহিত হয়ে উঠল। “একদম পয়েন্টে ধরেছেন ম্যাডাম! এখানেই গল্পের আসল ম্যাজিক। আপনার সহযোগী বা আপনার ‘পার্টনার ইন ক্রাইম’ হলো আপনার পাশের ডুপ্লেক্সের নতুন ভাড়াটে—২১ বছরের এক ছোকরা। নাম ‘আয়ান’।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“২১ বছরের ছেলে?” মৌসুমী একটু ভুরু কোঁচকালেন। “আমার তপসে কি কোনো সমবয়সী বন্ধু হতে পারত না?”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“না ম্যাডাম,” ইফতি দ্রুত ব্যাখ্যা করল। “আয়ান ভার্সিটিতে পড়ে। সারাদিন কানে হেডফোন গুঁজে থাকে, অনলাইন গেমিং, ড্রোন প্রযুক্তি আর সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে মেতে থাকে। বাহ্যিকভাবে সে একদম আজকের জেন-জি (Gen-Z) যুগের প্রতিনিধি। কিন্তু ভেতরে ভেতরে সেও আপনার মতোই চরম রহস্যপিপাসু। সে শার্লক হোমসের ফ্যান, ক্রাইম থ্রিলার সিরিজ দেখে দিনরাত পার করে। শুরুতে আপনাদের মধ্যে জেনারেশন গ্যাপের কারণে চরম খটমট লাগে। আপনি তাকে ‘বেয়াদব, ডিজিটাল প্রজন্মের ছোকরা’ ভাবেন, আর সে আপনাকে ‘ব্যাকডেটেড, খিটখিটে আন্টি’ ভেবে এড়িয়ে চলে।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী শব্দ করে হেসে ফেললেন। সেই হাসিতে যেন পুরো ড্রয়িংরুমের গম্ভীর পরিবেশ এক লহমায় হালকা হয়ে গেল। “তারপর</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">? খটমটটা কীভাবে বন্ধুত্বে রূপ নেয়?”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“তারপর একদিন সিঁড়িতে বা বারান্দায় দেখা,” ইফতি সাবলীলভাবে বলে যেতে লাগল। “আপনি তাকে শার্লক হোমসের একটা লজিক্যাল ভুল নিয়ে খোঁচা দেন। সেও মেজাজ হারিয়ে পাল্টা জবাব দেয় ব্যোমকেশ বক্সীর সাইকোলজি নিয়ে। ব্যস! দুজন রহস্যপ্রেমীর মাথার তার জুড়ে যায়। আপনারা বুঝতে পারেন, আপনারা দুজন দুজনকে সম্পূরক করতে পারেন। আপনি আপনার জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, গভীর মানবিক পর্যবেক্ষণ আর তীক্ষ্ণ মেধা দিয়ে ক্লু বের করেন; আর সে তার তরুণ বয়সের এনার্জি, ড্রোন প্রযুক্তি, হ্যাকিং আর দৌড়ঝাঁপ দিয়ে সেটা প্রুফ করে।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি একটু আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ল। “ম্যাডাম</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, আপনারা দুজনে যখন তদন্তে নামবেন, তখন আপনাদের সম্পর্কটা আর সস্তা ‘আন্টি-ভাতিজা’র জায়গায় থাকবে না। সেটা হয়ে উঠবে চমৎকার এক নিখাদ বন্ধুত্বের। অনেকটা ফেলুদা আর তোপসের সম্পর্কের মতো, কিন্তু একদম নতুন মোড়কে—যেখানে ফেলুদা হলেন একজন বায়ান্ন বছর বয়সী সুতি শাড়ি পরা অভিজাত শৌখিন গৃহিণী, আর তোপসে হলো টি-শার্ট আর ছিঁড়ে যাওয়া জিন্স পরা এক একুশ বছরের জেন-জি তরুণ।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী শান্ত হয়ে চিন্তা করতে লাগলেন। চোখের সামনে যেন একটা সেলুলয়েডের দৃশ্য ভেসে উঠছে।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">দীর্ঘদিন পর এমন একটা স্ক্রিপ্ট তিনি শুনছেন যা তাঁকে সত্যিই দোলা দিচ্ছে। গত কয়েক বছর ধরে তাঁকেও তো একই ধরনের টাইপকাস্ট চরিত্রে প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছিল—হয় নায়ক-নায়িকার মা</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, না হয় কোনো কান্নাকাটি করা দুঃখিনী নারী। কিন্তু এই ‘মিসেস রেহানা’ চরিত্রটির জন্য তাঁকে কোনো মেকআপের প্রলেপ দিয়ে বয়স লুকাতে হবে না। জিম করে জোর করে মেদ ঝরিয়ে ১৮ বছরের কিশোরী সাজতে হবে না। তাঁর বর্তমান ওজন, তাঁর চোখের নিচের হালকা বয়সের ছাপ, তাঁর চিবুকের গাম্ভীর্য, তাঁর ‘Regal Fuller Frame’—সবকিছুই এই রহস্যময়ী অথচ সাধারণ গৃহিণী চরিত্রটির জন্য একদম নিখুঁত। এখানে তাঁর গ্ল্যামার নয়, বরং তাঁর মগজ, উপস্থিতি আর ব্যক্তিত্বই হবে মূল অস্ত্র।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“গল্পের ক্লাইম্যাক্সটা কীভাবে ভেবেছ?” মৌসুমী চশমাটা হাতে নিয়ে জিজ্ঞেস করলেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“ক্লাইম্যাক্সে আপনারা দুজন আবিষ্কার করবেন, এই মিষ্টির দোকানের চুরিটা স্রেফ সামান্য কোনো অর্থচুরি নয়। এর পেছনে জড়িয়ে আছে ওই এলাকার এক প্রভাবশালী পাচারকারী চক্রের বিশাল নেটওয়ার্ক। আর সেটা উন্মোচন করতে গিয়ে আপনারা দুজনেই মুখোমুখি হবেন চরম বিপদের। জীবনের ঝুঁকি তৈরি হবে। তখন একদিকে আপনার ঠান্ডা মাথার অভিজ্ঞতা আর অন্যদিকে আয়ানের ডিজিটাল মেধা—এই দুটোর সমন্বয়ে আপনারা কেসটা সলভ করবেন। তবে মজার ব্যাপার হলো, পুলিশ আসার আগেই আপনারা সমাধানটা পুলিশের হাতে এমনভাবে তুলে দেবেন যেন পুলিশই বাহবা পায়। আপনারা নিজেদের ফোকাসে আনবেন না, বরং বারান্দায় বসে এক কাপ চা আর কোকা-কোলা হাতে দুজনে উদযাপিত করবেন নিজেদের সেই গোপন বিজয়।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি কথা শেষ করে থামল। সে বুক ভরে শ্বাস নিল। তার চোখ জোড়া এখন মৌসুমীর মুখের প্রতিটি অভিব্যক্তি পড়ার চেষ্টা করছে।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ড্রয়িংরুমে আবার কয়েক সেকেন্ডের নিস্তব্ধতা।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী আস্তে করে চশমাটা টিপয়ের ওপর রাখলেন। কফির ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া কাপটার দিকে তাকালেন</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, তারপর ইফতির দিকে সোজা দৃষ্টি পাত করলেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“স্ক্রিপ্টটা আমার সত্যি খুব পছন্দ হয়েছে, ইফতি। অনেক দিন পর সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে এমন একটা খাঁটি আর রিফ্রেশিং আইডিয়া শুনলাম। বিশেষ করে এই অসম বয়সের অদ্ভুত বন্ধুত্বের কনসেপ্টটা। আমাদের চলচ্চিত্রে নারীকে সবসময়ই পুরুষদের অধীনস্ত অথবা স্রেফ রোমান্টিক অবজেক্ট হিসেবে দেখা হয়। বয়স ৫০ পার হলেই অভিনেত্রীদের ঝুলিতে ফেলে দেওয়া হয়। কিন্তু বায়ান্ন বছর বয়সের একজন নারীকে এভাবে বুদ্ধিমান, স্বাধীন আর একটি থ্রিলারের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে উপস্থাপন করার ভাবনাটা সত্যি প্রশংসনীয়।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতির মুখে যেন এক চিলতে রোদ হেসে উঠল। “তার মানে... ম্যাডাম</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, আপনি রাজি?”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“আমি নীতিগতভাবে রাজি,” মৌসুমী একটু বিরতি দিলেন। “আমি ‘খায়রুন সুন্দরী’র মতো গ্রামীণ নারী হয়ে দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছি, ‘এক কাপ চা’-তে অতিথি হয়েছি, নানা সামাজিক ড্রামায় কাজ করেছি। কিন্তু এমন ‘আরবান ডিটেকটিভ’ তো হওয়া হয়নি। তবে...”</span></span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font"><br />
“তবে কী ম্যাডাম?” ইফতি উৎসুক হয়ে উঠে দাঁড়াতে চাইল।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“আমার একটা বড় প্রশ্ন আর শর্ত আছে,” মৌসুমী তাঁর একটি আঙুল তুলে ইফতিকে থামালেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“বলুন ম্যাডাম, আপনার যেকোনো শর্ত আমরা মেনে নেব।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“এই যে ২১ বছরের তরুণ চরিত্রটি—‘আয়ান’,” মৌসুমীর গলায় আবার সেই সতর্ক গাম্ভীর্য। “এই চরিত্রে কে অভিনয় করছে? এটা কিন্তু মোটেও সাধারণ কোনো কাস্টিং নয়। কারণ পুরো সিনেমাটার প্রাণ নির্ভর করছে আমার আর তাঁর রসায়ন বা স্ক্রিন কেমিস্ট্রির ওপর। যদি তার অভিনয়ের গভীরতা না থাকে, আমার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলার সাহস না থাকে, তবে আমি যতই চেষ্টা করি না কেন, সিনেমাটা দর্শকরা গিলবে না। কে সে? ইন্ডাস্ট্রির কোনো পরিচিত মুখ?”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">কথাটি বলতে বলতেই মৌসুমীর চোখের সামনে ভেসে উঠল এফডিসির সাম্প্রতিক কিছু জঘন্য রাজনীতির অভিজ্ঞতা। কাদা ছোঁড়াছুড়ি</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, সস্তা পাবলিসিটি স্টান্ট আর অহংকারের লড়াই। তিনি স্পষ্ট করে নিতে চান, নতুন কোনো অপেশাদার বা বিতর্কিত মানুষের সাথে কাজ করে তিনি তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারের ভাবমূর্তি নষ্ট করবেন না।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি একটু ইতস্তত করল। চশমাটা খুলে কাপড়ে মুছল</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, তারপর বলল, “ম্যাডাম, আমরা এই চরিত্রের জন্য ইন্ডাস্ট্রির কোনো প্রতিষ্ঠিত হিরোকে নিচ্ছি না।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“কেন?” মৌসুমীর ভুরু সামান্য কুঁচকে গেল।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“কারণ আমরা চেয়েছি চরিত্রটা একদম রিয়ালিস্টিক হোক। কোনো প্রতিষ্ঠিত স্টারের ইমেজ যেন ‘আয়ান’ চরিত্রটাকে গিলে না ফেলে। আমরা একদম নতুন একটা ছেলেকে কাস্ট করেছি। যার আসল বয়সই একুশ বছর। সে থিয়োটার ব্যাকগ্রাউন্ডের ছেলে, আবৃত্তি করে, তবে সিনেমায় এটাই তার প্রথম কাজ। আমরা ওর মধ্যে এক ধরনের নিখাদ অকৃত্রিমতা পেয়েছি।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“একেবারে নতুন ছেলে?” মৌসুমী কিছুটা সংশয় প্রকাশ করলেন। “এটা তো বড় একটা রিস্ক হয়ে যাচ্ছে না, ইফতি? আমার মতো এত বছরের অভিজ্ঞ একজন অভিনয়শিল্পীর সামনে দাঁড়িয়ে সে কি সংলাপে স্পন্টেনিটি ধরে রাখতে পারবে? নাকি নার্ভাস হয়ে পুরো সিন মাটি করবে?”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“সেটা আপনি ওকে দেখলেই বুঝতে পারবেন ম্যাডাম,” ইফতি দৃঢ়তার সাথে বলল। “ছেলেটা অসম্ভব ট্যালেন্টেড। আমরা টানা দুই মাস তার অডিশন আর ওয়ার্কশপ নিয়েছি। ওর নাম ‘ইহান’। আমি ভাবছিলাম, আপনি যদি গল্পের প্রাইমারি গ্রিন সিগন্যাল দেন, তবে আমরা একটা আড্ডার আয়োজন করব। আপনি, আমি, আমাদের প্রযোজক আর ইহান এক সাথে বসব। আপনি কথা বলে দেখুন। আপনার যদি ১% মনে হয় যে সে পারবে না, আমরা সাথে সাথে কাস্টিং বদলে ফেলব। সিদ্ধান্ত শতভাগ আপনার।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী তরুণ পরিচালকের এই পেশাদারিত্ব আর আত্মবিশ্বাস দেখে মনে মনে কিছুটা প্রভাবিত হলেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“ঠিক আছে,” মৌসুমী মাথা নেড়ে সায় দিলেন। “তাই হোক। আয়োজন করো। আমি ছেলেটাকে সামনাসামনি দেখতে চাই। মনে রেখো ইফতি, ফেলুদার যেমন তোপসেকে ছাড়া চলে না, আমার ‘মিসেস রেহানা’রও কিন্তু একদম পারফেক্ট তোপসে চাই। ভুল মানানসই লোক হলে কিন্তু আমি প্রথম দিনই প্রজেক্ট প্যাক-আপ করে দেব।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“ধন্যবাদ ম্যাডাম! একদম কথা দিচ্ছি, আপনার নিরাশ হওয়ার সুযোগ নেই,” ইফতি আনন্দে বিগলিত হয়ে বলল।</span></span></div>
<br />
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">দুই।</span></span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">তিন দিন পরের কথা। </span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">স্থান: গুলশানেরই একটি অত্যন্ত পরিচিত ও আভিজাত্যপূর্ণ রেস্তোরাঁ—‘দ্য অলিভ গার্ডেন’। </span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">রেস্তোরাঁর ভেতরের পরিবেশটা বেশ শান্ত</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, মধ্যযুগীয় ইউরোপীয় ধাঁচে সাজানো। হালকা মেহগনি আলোর আবহে ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে সফট ক্লাসিক্যাল ভায়োলিনের সুর। রেস্তোরাঁর একদম পেছনের প্রাইভেট লাউঞ্জ রুমটি আজকের সন্ধ্যার জন্য পুরোপুরি বুক করা হয়েছে। সময় তখন রাত পৌনে আটটা।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">রেস্তোরাঁর কাঁচের দরজা ঠেলে যখন মৌসুমী প্রবেশ করলেন</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, তখন পুরো লাউঞ্জে যেন এক অদৃশ্য বিদ্যুতের তরঙ্গ খেলে গেল। সেখানে থাকা ওয়েটার থেকে শুরু করে কোণায় বসে থাকা অতিথিরা—সবার দৃষ্টি এক লহমায় তাঁর দিকে নিবদ্ধ হলো।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">তিনি আজ পরেছেন রাজকীয় গাঢ় নীল রঙের হাতে বোনা খাঁটি জামদানি শাড়ি। আঁচলে আর পাড়ে সূক্ষ্ম রুপালি সুতোর কাজ। গলায় ও কানে হালকা মানানসই হিরের গয়না। চুলগুলো পেছনে একটা মার্জিত খোঁপায় বাঁধা</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, দু-একটা রূপালি চুল যেন তাঁর অভিজ্ঞতার স্মারক হিসেবে সযত্নে রাখা। বায়ান্ন বছর বয়সেও তাঁর ত্বকের স্বাভাবিক সজীবতা আর চোখের অন্তর্ভেদী দীপ্তি পুরো আবহকে থমকে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">৭৬ কেজি ওজনের ভরাট শরীরটা জামদানির আভিজাত্যে আবৃত হয়ে এক অপূর্ব মাতৃত্বপূর্ণ অথচ অদম্য সৌন্দর্যের স্বাক্ষর বহন করছে। তিনি যখন হেঁটে আসেন</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপে এক ধরনের রাজকীয় স্বাচ্ছন্দ্য প্রতিফলিত হয়।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">লাউঞ্জের ভেতরে তিনজন লোক আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল। মৌসুমীকে ভেতরে ঢুকতে দেখে তিনজনই তড়িৎগতিতে নিজের জায়গা থেকে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল। </span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">পরিচালক ইফতি</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, প্রবীণ চলচ্চিত্র প্রযোজক জনাব আজিম চৌধুরী, আর একবারে কোণায় মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকা এক দীর্ঘদেহী তরুণ।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">প্রযোজক আজিম চৌধুরী তড়িঘড়ি করে এগিয়ে এলেন। সালাম দিয়ে বললেন</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, “আসসালামু আলাইকুম ভাবি! কেমন আছেন? কতদিন পর আপনার সাথে দেখা!” আজিম সাহেব নব্বইয়ের দশকের নামকরা প্রযোজক, মৌসুমীর স্বামী অভিনেতা ওমর সানির অত্যন্ত পুরোনো এবং বিশ্বস্ত বন্ধু।</span></span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী মার্জিত হাসিতে উত্তর দিলেন</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, “ওয়ালাইকুম আসসালাম আজিম ভাই। ভালো আছি। আপনি তো আজকাল সিনেমা থেকে অনেক দূরে, হঠাৎ এই নতুন প্রজেক্টে প্রযোজক হয়ে ফিরে এলেন যে?”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">আজিম চৌধুরী একটু হেসে জবাব দিলেন</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, “কী করব বলুন ভাবি? এই তরুণ ছেলে ইফতি যখন গল্পটা নিয়ে আমার কাছে এল, শুনে মনটা এক মুহূর্তে কেড়ে নিল। আর যখন শুনলাম প্রধান চরিত্রে আপনি ছাড়া অন্য কাউকে চিন্তা করা যাচ্ছে না এবং আপনি প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছেন—তখন ভাবলাম এমন একটা ভালো কাজের অংশ না হয়ে থাকাটা ভুল হবে। আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে এখন ভালো গল্পের বড্ড অভাব।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি পাশ থেকে এগিয়ে এসে বলল</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, “ম্যাডাম, আসুন। বসুন প্লিজ।” মৌসুমী নির্ধারিত সোফায় গিয়ে বসলেন। তাঁর হাতের দামী ব্যাগটি পাশে রেখে তিনি সোজা তাকালেন কোণায় দাঁড়িয়ে থাকা তরুণটির দিকে।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ছেলেটি লম্বায় প্রায় ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি। ছিপছিপে শক্ত শরীর। ত্বকের রং ফর্সা</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, পরিচ্ছন্ন ক্লিন শেভ করা মুখমণ্ডল, চুলগুলো আধুনিক কিন্তু রুচিশীল কায়দায় ছাঁটা। তার পরনে একটা নেভি ব্লু কালারের ফুল হাতা টি-শার্ট আর বেইজ কালারের ট্রাউজার। ছেলেটির চোখেমুখে স্পষ্ট নার্ভাসনেস বা এক ধরনের কম্পন কাজ করছে। সে তার দুই হাত পেছনে মুড়ে দাঁড়িয়ে আছে।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি ছেলেটির দিকে তাকিয়ে ইশারা করল। “ম্যাডাম</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, ও-ই ইহান। আমাদের গল্পের ‘আয়ান’।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইহানের বুকটা যেন এক মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেল। সে ধীরে ধীরে এগিয়ে এল। এতকাল যাকে সে টিভির পর্দায়</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, বড় ক্যানভাসে আর সিনেমা হলে দেখে এসেছে, সেই জীবন্ত কিংবদন্তি ‘প্রিয়দর্শিনী’ মৌসুমী আজ তাঁর মাত্র তিন ফুট দূরত্বে বসে আছেন!</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইহান অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে হাঁটু গেড়ে মৌসুমীর পায়ের কাছে হাত রেখে সালাম করতে গেল। মৌসুমী সাধারণত এভাবে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করার সংস্কৃতি ব্যক্তিগত জীবনে খুব একটা পছন্দ করেন না</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, কিন্তু এই তরুণটির ভঙ্গি এত সাবলীল, শালীন আর শ্রদ্ধাপূর্ণ ছিল যে তিনি বাধা দিলেন না।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“আসসালামু আলাইকুম, ম্যাম,” ইহানের গলার স্বর সামান্য কাঁপছিল। “আমি ইহান। ম্যাম, আমি আপনার কতটা বড় ভক্ত তা হয়তো মুখে বলে বোঝাতে পারব না। ছোটবেলায় আম্মুর সাথে বসে ড্রয়িংরুমে ভি সি আর-এ আপনার সিনেমা দেখতাম। আজ আপনার সামনে দাঁড়াতে পেরে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছি না।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে ছেলেটিকে কয়েক সেকেন্ড পর্যবেক্ষণ করলেন। ২১ বছর বয়স। মুখমণ্ডলে এক ধরনের সরলতা আছে</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, তবে চোখের কোণে বুদ্ধিমত্তা আর স্পর্ধার একটা মিষ্টি ছাপ দৃশ্যমান। আর এই দ্বৈত ভাবটাই ‘আয়ান’ চরিত্রের মূল প্রাণ।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“বসো, ইহান,” মৌসুমী পাশের খালি চেয়ারটি দেখিয়ে শান্ত স্বরে বললেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইহান বসল</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, তবে সোফার একদম এক কোণে শরীর সংকুচিত করে।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী নিজের ভেতরে জমে থাকা কঠোর ভাবটা একটু আলগা করলেন। ঠোঁটে হালকা হাসি ফুটিয়ে বললেন</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, “এত নার্ভাস হওয়ার কিছু নেই, ইহান। আমরা এখানে কোনো তারকার ইন্টারভিউ নিতে আসিনি। আমরা এখানে সহকর্মী হিসেবে গল্প করতে এসেছি। তুমি কি সিনেমাটির মূল প্লট আর তোমার চরিত্রটা সম্পর্কে জেনেছ?”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইহান একটু শক্ত হয়ে বসল</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, নিজেকে সামলে নিয়ে বলল, “জি, ম্যাম। ইফতি ভাই আমাকে পুরো স্ক্রিপ্টটা পড়িয়েছেন। আমি চারবার পড়েছি।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“তাহলে তো তুমি জানো, তোমার ক্যারেক্টারটা কতটা ট্রিকি,” মৌসুমীর চোখ দুটি হঠাৎ গম্ভীর হয়ে উঠল। “তুমি এখানে স্রেফ একটা মিষ্টি তরুণ নও। তুমি এই যুগের জেন-জি প্রজন্যের রিপ্রেজেন্টেটিভ। তোমাকে আমার চরিত্রের সাথে পর্দায় রীতিমতো টেক্কা দিতে হবে। আমার যুক্তিগুলোকে নস্যাৎ করতে হবে, আমার সনাতন পর্যবেক্ষণকে ‘পুরোনো আমলের’ বলে খোঁচা দিতে হবে। তুমি কি আমার চোখের দিকে সরাসরি তাকিয়ে সেই সংলাপগুলো বলতে পারবে? নাকি আমার ইমেজের সামনে তুমি জড়সড় হয়ে থাকবে?”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ঘরজুড়ে এক মুহূর্তের নিস্তব্ধতা ছেয়ে গেল। আজিম চৌধুরী আর ইফতি উদ্বেগের সাথে ইহানের দিকে তাকালেন। </span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইহান কয়েক মুহূর্ত স্তব্ধ হয়ে রইল। সে অনুভব করল</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, এটা স্রেফ কোনো সাধারণ প্রশ্ন নয়—এটা একজন কিংবদন্তি অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে তার অভিনয়ের যোগ্যতা পরীক্ষার প্রথম টেস্ট।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইহান একটা গভীর শ্বাস নিল। সে তার ভেতরের ভীতি আর ফ্যান বয় ভাবমূর্তিকে জোর করে দূরে ঠেলে দিল। তার চোখের পলক স্থির হয়ে গেল। নার্ভাস ভাবটা যেন এক লহমায় ভেল্কির মতো উবে গেল। তার অবয়বে ফুটে উঠল গল্পের সেই অবাধ্য অথচ তীক্ষ্ণ তরুণ ‘আয়ান’।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">সে মৌসুমীর চোখের দিকে সরাসরি তাকাল। একদম নির্ভীক</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, কিন্তু চরম মার্জিত গলায় বলল:</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“ম্যাম, যদি স্ক্রিপ্ট আর পরিস্থিতির খাতিরে আয়ান মনে করে যে মিসেস রেহানা ভুল আর আয়ান নিজে ডিজিটাল লজিক দিয়ে ঠিক—তবে আয়ান হিসেবে আপনার চোখের দিকে তাকিয়ে যুক্তি তুলে ধরতে আমার এক সেকেন্ডও ইতস্তত হবে না। কারণ আয়ান তো তার ড্রোন, স্মার্টফোন আর অ্যালগরিদম ছাড়া কিছু বোঝে না। তার কাছে তো আপনার এনালগ মেথড আর অনুমানের ওপর ভিত্তি করে গোয়েন্দাগিরি কিছুটা হাস্যকর লাগবেই! আর আমি যদি আয়ান হতে না পারি, তবে আপনার সামনে দাঁড়িয়ে অভিনয় করার কোনো যোগ্যতা আমার নেই।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">শব্দগুলো লাউঞ্জের বাতাসে প্রতিধ্বনিত হলো।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল। আজিম সাহেবের মুখে মুচকি হাসি।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী কয়েক সেকেন্ড ইহানের চোখের দিকে তাকিয়ে রইলেন। তারপর তাঁর পুরো মুখে এক বিচ্ছুরিত হাসি ছড়িয়ে পড়ল। তিনি দু-হাত তুলে আলতো হাততালি দিলেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“ব্রিলিয়ান্ট! ভেরি গুড!” মৌসুমীর কণ্ঠে আন্তরিক প্রশংসার সুর। “এই কনফিডেন্সটাই আমি দেখতে চাইছিলাম, ইহান! একজন অভিনেতার আসল শক্তি হলো সে ক্যামেরা বা তার সহশিল্পীর তারকাখ্যাতি দেখে দমে যাবে না, সে চরিত্রের ভেতর ঢুকে যাবে। তুমি সেটা কয়েক সেকেন্ডে করে দেখালে।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইহানের কাধের ভারী বোঝাটা যেন নেমে গেল। সে কৃতজ্ঞতায় মাথা নোয়াল। “থ্যাঙ্ক ইউ</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, ম্যাম।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ওয়েটার এসে কফি</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, চিকেন স্যাটে আর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই দিয়ে গেল। পরিবেশটা এখন অনেক বেশি সহজ আর উষ্ণ হয়ে উঠেছে। মৌসুমী কফির কাপ তুলে নিয়ে কফিতে সামান্য চুমুক দিলেন। তারপর টেবিলের সবার দিকে তাকিয়ে অত্যন্ত স্পষ্ট আর গম্ভীর গলায় বললেন: </span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“শোনো ইফতি, আজিম ভাই এবং ইহান—কাজটা শুরু করার আগে আমার কিছু নীতিগত স্পষ্ট শর্ত আছে। এগুলো মানলে তবেই আমরা শুটিং ফ্লোরে যাব।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“বলুন ভাবি, আমরা শুনছি,” আজিম চৌধুরী মনোযোগ দিলেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“প্রথমত,” মৌসুমী কফির কাপটা রাখলেন। “শুটিংয়ের সময় সেটে কোনো ধরনের নোংরা পলিটিক্স, দলাদলি বা কাদা ছোঁড়াছুড়ি আমি এক চুলও সহ্য করব না। এফডিসির ভেতরের ওই সস্তা ট্র্যাশ রাজনীতি আর ব্যক্তিগত কাদা ছোঁড়াছুড়ি থেকে আমি নিজেকে অনেক দূরে সরিয়ে নিয়েছি। আমি শান্তিতে কাজ করতে চাই। সেটে শুধু আর্ট আর কাজের আলোচনা হবে।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">তিনি ইহানের দিকে তাকালেন। “দ্বিতীয়ত</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, ইহান, তুমি একদম নতুন। তোমার সামনে অনেক পথ। খবরের কাগজ বা সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাকে নিয়ে, আমার অতীত নিয়ে, কিংবা জায়েদ-ওমর সানি ইস্যুর মতো পুরোনো অনভিপ্রেত বিতর্ক নিয়ে অনেক গসিপ দেখবে। শুটিং সেটে বা বাইরে সংবাদমাধ্যমের সামনে এসব ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কোনো কথা বা গসিপ আমি একদম পছন্দ করি না। তোমার ফোকাস থাকবে শতভাগ অভিনয়ে। তুমি কাজ দিয়ে চিনাবে নিজেকে, সস্তা পাবলিসিটি দিয়ে নয়।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইহান গভীর শ্রদ্ধার সাথে উত্তর দিল</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, “ম্যাম, আমি আপনাকে নিশ্চিত করছি, আমি এখানে কোনো গসিপ বা সস্তা নাম কামাতে আসিনি। আমি থিয়েটার থেকে এসেছি, অভিনয়ের ব্যাকরণকে সম্মান করতে শিখেছি। আপনার মতো একজন আন্তর্জাতিক মানের অভিনেত্রীর সাথে স্ক্রিন শেয়ার করার সুযোগ পাওয়াটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় লার্নিং প্রসেস। আমি আমার কাজের প্রতি শতভাগ সৎ থাকব।”</span></span></div>
<br />
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী হাসলেন। ছেলেটির সুশিক্ষিত আর শালীন কথোপকথন তাঁর বেশ মনঃপূত হলো। বর্তমান যুগের অনেক নতুন অভিনেতার মধ্যে যে ধরনের উদ্ধত আর বেপরোয়া ভাব দেখা যায়</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, ইহানের মধ্যে তার ছিটেফোঁটাও নেই। থিয়েটারের সুশৃঙ্খল চর্চা হয়তো তাকে এই ব্যক্তিত্ব দিয়েছে।</span></span></div>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">অধ্যায় ১: রহস্যের গন্ধ ও </span></span></span><span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">নতুন প্রস্তাব</span></span></span><br />
</div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">এক।</span></span></span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">গুলশানের অভিজাত ফ্ল্যাটের বিশাল ড্রয়িংরুমে তখন এক পিনপতন নীরবতা। নভেম্বর মাসের হালকা শীতে ঢাকার বাতাসে এক ধরনের শীতল আমেজ নেমে এসেছে। সন্ধ্যার মিহি অন্ধকার ধীরপায়ে ঢুকে পড়ছে নগরীতে। জানালার ভারী মখমলের পর্দাগুলো সামান্য সরিয়ে দেওয়া হয়েছে</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">; সেখান দিয়ে আসা বিকেলের ম্লান আলো এসে পড়েছে সোফায় বসে থাকা এক নারীর ওপর।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">তিনি আরিফা পারভিন জামান মৌসুমী।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">বাংলা চলচ্চিত্রের তিন দশকের একচ্ছত্র সম্রাজ্ঞী</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, লাখো ভক্তের আদরের ‘প্রিয়দর্শিনী’। মৌসুমীর সামনে মেহগনি কাঠের তৈরি সুন্দর টিপয়-এর ওপর ধপায়মান এক কাপ গরম ব্ল্যাক কফি রাখা। বাষ্প উঠছে সুবাসিত কফি থেকে। কিন্তু সেদিকে তাঁর কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। তাঁর দৃষ্টি সম্পূর্ণ নিবদ্ধ হাতে ধরা একটি স্পাইরাল বাইন্ডিং করা নতুন স্ক্রিপ্টের ওপর।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">৫২ বছর বয়সেও তাঁর রাজকীয় উপস্থিতি যেন পুরো ঘরকে এক অদ্ভুত আভায় ভরিয়ে রেখেছে। সময়ের নিপুণ তুলির আঁচড়ে তাঁর বাহ্যিক রূপে পরিবর্তন এসেছে সত্য</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, কিন্তু কমেছে কি তাঁর তেজ? একদমই না। ক্যারিয়ারের শুরুর সেই ছিপছিপে, চপল গড়ন আজ আর নেই। সময়ের স্বাভাবিক পরিক্রমায় তা এক পরিণত, ভরাট এবং গম্ভীর রূপ নিয়েছে। ৩০ বছর বয়সে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ বা ‘মেঘলা আকাশ’-এর দিনে যে ৩৬-২৭-৩৬ ইঞ্চির জ্যামিতিক ফিগার নিয়ে তিনি রুপালি পর্দা কাঁপাচ্ছন, আজ সেখানে প্রকৃতির চিরন্তন নিয়মে যোগ হয়েছে মাতৃত্ব, জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা এবং অভিজ্ঞতালব্ধ এক প্রশান্তি।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী নিজের বর্তমান শারীরিক গঠন নিয়ে ভীষণ সচেতন এবং একইসাথে শতভাগ আত্মবিশ্বাসী। ৩৮-৩৬-৪৪ ইঞ্চির (প্রায়) এই ভরাট শরীরে তিনি এখন ধারণ করেন এক রাজকীয় গম্ভীর সৌন্দর্য। ওজন এখন ৭৪ থেকে ৭৮ কেজির মধ্যে ঘোরাফেরা করে। চিকিৎসাবিজ্ঞান বা ফিটনেস বিশেষজ্ঞরা যাকে বলেন </span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">'এ্যান্ডোমরফ ফ্রেম' (Endomorph frame), মৌসুমী স্বয়ং সেটাকে মনে করেন তাঁর জীবনের অর্জিত আভিজাত্য। এই ‘Regal Fuller Frame’ বা রাজকীয় ভরাট গড়নই এখন তাঁকে সমসাময়িক অন্য সবার চেয়ে আলাদা করে তোলে। তিনি ভালো করেই জানেন, দর্শকরা এখন আর তাঁকে স্রেফ গ্ল্যামারাস নায়িকা হিসেবে পর্দায় দেখতে চায় না; তারা দেখতে চায় একজন পরিপক্ক, শক্তিশালী অভিনেত্রী হিসেবে।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">স্ক্রিপ্টের সাদা পাতায় চোখ বুলাতে বুলাতে তিনি মনে মনে অতীত আর বর্তমানকে মেলাচ্ছিলেন। কত কত বসন্ত পার হয়ে গেছে এই সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে! সাফল্যের চূড়ায় উঠেছেন</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, একসময় যা ধরেছিলেন তা-ই সোনা হয়ে ফুটেছে। আবার পর্দার পেছনের রাজনীতির কদর্য রূপও দেখেছেন। বিশেষ করে গত কয়েক বছরে শিল্পী সমিতির নির্বাচন, জায়েদ খান ও স্বামী ওমর সানিকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া অনভিপ্রেত বিতর্ক—এসব তাঁকে মারাত্মকভাবে ক্ষুব্ধ আর ক্লান্ত করেছিল। এফডিসির মেকি কোলাহল আর সস্তা গসিপ থেকে তিনি নিজেকে অনেকটাই গুটিয়ে নিয়েছেন। এখন তিনি চান এমন কাজ, যা তাঁর নাম, ব্যক্তিত্ব এবং অর্জিত সম্মানের সঙ্গে মানানসই হবে।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">তাঁর ঠিক উল্টো দিকের সোফায় সোজা হয়ে বসে আছেন ইফতি। বছর পঁচিশের এক প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ পরিচালক। চোখে তাঁর মোটা ফ্রেমের চশমা</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, গায়ে সাদামাটা সুতি কুর্তা আর জিন্স। ইফতির কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমতে শুরু করেছে, যদিও ঘরে হালকা শীতের পরশ।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">সামনে স্বয়ং ‘প্রিয়দর্শিনী’ বসে আছেন—যিনি একসময় সালমান শাহর বিপরীতে অভিনয় করে কোটি হৃদয়ে ঝড় তুলেছিলেন</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, যিনি ‘মেঘলা আকাশ’ আর ‘দেবদাস’-এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করে নিজের ঝোলিতে পুরেছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। তাঁর সামনে বসে স্ক্রিপ্ট শোনানো চাট্টিখানি কথা নয়। ইফতি ভালো করেই জানে, মৌসুমী ম্যাডাম গত কয়েক বছরে ডজন ডজন স্ক্রিপ্ট ফিরিয়ে দিয়েছেন। তিনি এখন আর যেমন-তেমন কাজ বা সস্তা বাণিজ্যিক সিনেমায় হাত দেন না। চরিত্রের গভীরতা আর ব্যক্তিত্বের মিল না থাকলে তিনি স্রেফ ‘না’ বলে দেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">কফির বাষ্প কমে এল। মৌসুমী ধীরে ধীরে স্ক্রিপ্টের পাতা উল্টাতে উল্টাতে মুখ তুলে তাকালেন। তাঁর চোখের সেই গভীরতা আজও ঠিক নব্বইয়ের দশকের মতোই মায়াবী আর তীক্ষ্ণ।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“ইফতি, তাই না?” মৌসুমীর কন্ঠে এক অদ্ভুত প্রশান্তি আর গম্ভীরতার মিশ্রণ।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি একটু সোজা হয়ে বসলো</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, কপালে হাত দিয়ে ঘাম মুছে বলল, “জি, ম্যাডাম। আমি ইফতি।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“তুমি লিখেছ, গল্পের প্রধান চরিত্র ‘মিসেস রেহানা’ একজন সাধারণ গৃহিণী। কিন্তু তার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা অসাধারণ। সে আগাথা ক্রিস্টি, স্যার আর্থার কোনান ডয়েল আর ফেলুদা পড়তে ভালোবাসে। তাই তো?”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“জি, ম্যাডাম। একদম ঠিক ধরেছেন।” ইফতি দ্রুত মাথা নাড়ল।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী চশমাটা নাকের ওপর একটু ঠেলে দিয়ে আবার স্ক্রিপ্টে চোখ রাখলেন। “গল্পটা আমাকে সংক্ষেপে তোমার নিজের মুখে শোনাও। আমি দেখতে চাই</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, তুমি এই চরিত্রটাকে কীভাবে ভিজ্যুয়ালাইজ করছ। পরিচালকের ভিশনটা বোঝা আমার জন্য খুব দরকার।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি টিপয়ের পাশে থাকা এক গ্লাস পানি তুলে নিয়ে এক চুমুকে গলাটা ভিজিয়ে নিল। সে জানত</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, এই মুহূর্তটাই তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। সে তার চোখের চশমাটা একটু ঠিক করে নিয়ে বলা শুরু করল।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“ম্যাডাম, গল্পের প্রেক্ষাপট ঢাকার উত্তরার একটা শান্ত, অভিজাত কিন্তু নিঝুম পাড়া। গল্পের মূল কেন্দ্রবিন্দু ‘মিসেস রেহানা’—অর্থাৎ আপনি। সেখানে থাকেন। স্বামী একজন ব্যস্ত ব্যবসায়ী, কাজের সূত্রে প্রায়ই ঢাকার বাইরে কিংবা বিদেশে থাকেন। একমাত্র ছেলে আর মেয়ে—দুজনেই পড়াশোনা আর চাকরির সূত্রে বিদেশে স্থায়ীভাবে সেটলড। বিরাট ডুপ্লেক্স বাড়িতে রেহানা বড় একা। তবে তার একা লাগাটা কোনো বিষাদ নয়, বরং সে তার এই সময়টাকে উপভোগ করে। সে বারান্দায় বসে থাকে, চা খায়, বই পড়ে আর চোখের চশমার ফাঁক দিয়ে পাড়ার মানুষগুলোর আসা-যাওয়া পর্যবেক্ষণ করে।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি একটু থামল। মৌসুমী নীরব</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, তিনি চোখ বন্ধ করে দৃশ্যটি কল্পনা করার চেষ্টা করছেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি সাহস পেয়ে বলে চলল</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, “রেহানা শরীরে এবং মনে একজন পরিপক্ক, অভিজাত নারী। তার বয়স বায়ান্ন। সে তার বয়সের ভারিক্কি চালচলন বা শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে বিন্দুমাত্র লজ্জিত বা অস্বস্তিতে ভোগে না। বরং সে সেটাকেই তার ব্যক্তিত্বের একটা শক্তিশালী অংশ বানিয়ে নিয়েছে। শাড়ির আঁচল, হাতের মোটা চুড়ি আর চোখের চশমার আড়াল থেকে সে পুরো দুনিয়াকে এক অন্য দৃষ্টিতে দেখে।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী মনে মনে মৃদু হাসলেন। চরিত্রটির বর্ণনা যেন হুবহু তাঁর বর্তমান জীবনের সাথে মিলে যাচ্ছে। এই যে তিনি এখন একটু ভারী গড়নের শাড়ি পরেন</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, মার্জিত সাজসজ্জা করেন, চুলে এক ধরনের আভিজাত্যের ছাপ রাখেন—পরিচালক সেটাকেই চমৎকারভাবে গল্পের ক্যানভাসে কাজে লাগাতে চাইছেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“তারপর?” মৌসুমী চোখের ইশারায় ইফতিকে এগিয়ে যেতে বললেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“গল্পের টার্নিং পয়েন্ট আসে যখন পাড়ার মোড়ের সেই বিখ্যাত মিষ্টির দোকান—‘মায়ের দোয়া স্টোর’-এ এক নিঝুম রাতে একটা বড় চুরির ঘটনা ঘটে। দোকানমালিকের সারাজীবনের সঞ্চয়, ক্যাশ বাক্সের টাকা আর পেছনের সিন্দুক ভেঙে মূল্যবান জিনিসপত্র উধাও হয়ে যায়। পরদিন সকালে পুলিশ আসে, গতানুগতিক তদন্ত শুরু করে। তারা পাড়ার এক পুরোনো ছিঁচকে চোরকে সন্দেহ করে ধরে নিয়ে যায়। কিন্তু রেহানার মনে খটকা লাগে। পুলিশের এই থিওরি তার একদম পছন্দ হয় না।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“কেন? খটকা লাগার কারণ কী?” মৌসুমীর কৌতূহল বাড়ল।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“কারণ,” ইফতি হাসল, “রেহানা সে রাতে বারান্দায় বসে বই পড়ছিল। রাত দুইটায় সে যখন বাইরে তাকায়, দেখে টিপ টিপ বৃষ্টি হচ্ছিল। কিন্তু চুরির জায়গা থেকে যে টিনের চালের কথা পুলিশ বলছে, সেখানে বৃষ্টি পড়লে তো একরকম শব্দ হওয়ার কথা। তাছাড়া সে রাতে পাড়ার তিনটা কুকুর একসঙ্গে ডাকছিল না, ডেকেছিল শুধু একটা কুকুরের বিশেষ সুরে। এই ছোট ছোট অসঙ্গতি তাকে গভীরভাবে ভাবায়। রেহানা বুঝতে পারে, পুলিশ ভুল পথে হাঁটছে। আসল অপরাধী অন্য কেউ, এবং সে খুব কাছেরই লোক। তাই রেহানা সিদ্ধান্ত নেয়, সে নিজেই এর গোপন সমাধান খুঁজবে।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী কফির কাপে একটা ছোট চুমুক দিলেন। “আকাঙ্ক্ষনীয় গল্প। কিন্তু একা একজন বায়ান্ন বছর বয়সের নারীর পক্ষে তো আর রাস্তায় নেমে ডিটেকটিভগিরি করা সম্ভব নয়। পুলিশের চোখ এড়িয়ে সে কীভাবে তথ্য জোগাড় করবে</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">? তার তো একজন সহযোগী দরকার। একটা ‘তপসে’ দরকার।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি উৎসাহিত হয়ে উঠল। “একদম পয়েন্টে ধরেছেন ম্যাডাম! এখানেই গল্পের আসল ম্যাজিক। আপনার সহযোগী বা আপনার ‘পার্টনার ইন ক্রাইম’ হলো আপনার পাশের ডুপ্লেক্সের নতুন ভাড়াটে—২১ বছরের এক ছোকরা। নাম ‘আয়ান’।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“২১ বছরের ছেলে?” মৌসুমী একটু ভুরু কোঁচকালেন। “আমার তপসে কি কোনো সমবয়সী বন্ধু হতে পারত না?”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“না ম্যাডাম,” ইফতি দ্রুত ব্যাখ্যা করল। “আয়ান ভার্সিটিতে পড়ে। সারাদিন কানে হেডফোন গুঁজে থাকে, অনলাইন গেমিং, ড্রোন প্রযুক্তি আর সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে মেতে থাকে। বাহ্যিকভাবে সে একদম আজকের জেন-জি (Gen-Z) যুগের প্রতিনিধি। কিন্তু ভেতরে ভেতরে সেও আপনার মতোই চরম রহস্যপিপাসু। সে শার্লক হোমসের ফ্যান, ক্রাইম থ্রিলার সিরিজ দেখে দিনরাত পার করে। শুরুতে আপনাদের মধ্যে জেনারেশন গ্যাপের কারণে চরম খটমট লাগে। আপনি তাকে ‘বেয়াদব, ডিজিটাল প্রজন্মের ছোকরা’ ভাবেন, আর সে আপনাকে ‘ব্যাকডেটেড, খিটখিটে আন্টি’ ভেবে এড়িয়ে চলে।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী শব্দ করে হেসে ফেললেন। সেই হাসিতে যেন পুরো ড্রয়িংরুমের গম্ভীর পরিবেশ এক লহমায় হালকা হয়ে গেল। “তারপর</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">? খটমটটা কীভাবে বন্ধুত্বে রূপ নেয়?”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“তারপর একদিন সিঁড়িতে বা বারান্দায় দেখা,” ইফতি সাবলীলভাবে বলে যেতে লাগল। “আপনি তাকে শার্লক হোমসের একটা লজিক্যাল ভুল নিয়ে খোঁচা দেন। সেও মেজাজ হারিয়ে পাল্টা জবাব দেয় ব্যোমকেশ বক্সীর সাইকোলজি নিয়ে। ব্যস! দুজন রহস্যপ্রেমীর মাথার তার জুড়ে যায়। আপনারা বুঝতে পারেন, আপনারা দুজন দুজনকে সম্পূরক করতে পারেন। আপনি আপনার জীবনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, গভীর মানবিক পর্যবেক্ষণ আর তীক্ষ্ণ মেধা দিয়ে ক্লু বের করেন; আর সে তার তরুণ বয়সের এনার্জি, ড্রোন প্রযুক্তি, হ্যাকিং আর দৌড়ঝাঁপ দিয়ে সেটা প্রুফ করে।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি একটু আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ল। “ম্যাডাম</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, আপনারা দুজনে যখন তদন্তে নামবেন, তখন আপনাদের সম্পর্কটা আর সস্তা ‘আন্টি-ভাতিজা’র জায়গায় থাকবে না। সেটা হয়ে উঠবে চমৎকার এক নিখাদ বন্ধুত্বের। অনেকটা ফেলুদা আর তোপসের সম্পর্কের মতো, কিন্তু একদম নতুন মোড়কে—যেখানে ফেলুদা হলেন একজন বায়ান্ন বছর বয়সী সুতি শাড়ি পরা অভিজাত শৌখিন গৃহিণী, আর তোপসে হলো টি-শার্ট আর ছিঁড়ে যাওয়া জিন্স পরা এক একুশ বছরের জেন-জি তরুণ।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী শান্ত হয়ে চিন্তা করতে লাগলেন। চোখের সামনে যেন একটা সেলুলয়েডের দৃশ্য ভেসে উঠছে।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">দীর্ঘদিন পর এমন একটা স্ক্রিপ্ট তিনি শুনছেন যা তাঁকে সত্যিই দোলা দিচ্ছে। গত কয়েক বছর ধরে তাঁকেও তো একই ধরনের টাইপকাস্ট চরিত্রে প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছিল—হয় নায়ক-নায়িকার মা</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, না হয় কোনো কান্নাকাটি করা দুঃখিনী নারী। কিন্তু এই ‘মিসেস রেহানা’ চরিত্রটির জন্য তাঁকে কোনো মেকআপের প্রলেপ দিয়ে বয়স লুকাতে হবে না। জিম করে জোর করে মেদ ঝরিয়ে ১৮ বছরের কিশোরী সাজতে হবে না। তাঁর বর্তমান ওজন, তাঁর চোখের নিচের হালকা বয়সের ছাপ, তাঁর চিবুকের গাম্ভীর্য, তাঁর ‘Regal Fuller Frame’—সবকিছুই এই রহস্যময়ী অথচ সাধারণ গৃহিণী চরিত্রটির জন্য একদম নিখুঁত। এখানে তাঁর গ্ল্যামার নয়, বরং তাঁর মগজ, উপস্থিতি আর ব্যক্তিত্বই হবে মূল অস্ত্র।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“গল্পের ক্লাইম্যাক্সটা কীভাবে ভেবেছ?” মৌসুমী চশমাটা হাতে নিয়ে জিজ্ঞেস করলেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“ক্লাইম্যাক্সে আপনারা দুজন আবিষ্কার করবেন, এই মিষ্টির দোকানের চুরিটা স্রেফ সামান্য কোনো অর্থচুরি নয়। এর পেছনে জড়িয়ে আছে ওই এলাকার এক প্রভাবশালী পাচারকারী চক্রের বিশাল নেটওয়ার্ক। আর সেটা উন্মোচন করতে গিয়ে আপনারা দুজনেই মুখোমুখি হবেন চরম বিপদের। জীবনের ঝুঁকি তৈরি হবে। তখন একদিকে আপনার ঠান্ডা মাথার অভিজ্ঞতা আর অন্যদিকে আয়ানের ডিজিটাল মেধা—এই দুটোর সমন্বয়ে আপনারা কেসটা সলভ করবেন। তবে মজার ব্যাপার হলো, পুলিশ আসার আগেই আপনারা সমাধানটা পুলিশের হাতে এমনভাবে তুলে দেবেন যেন পুলিশই বাহবা পায়। আপনারা নিজেদের ফোকাসে আনবেন না, বরং বারান্দায় বসে এক কাপ চা আর কোকা-কোলা হাতে দুজনে উদযাপিত করবেন নিজেদের সেই গোপন বিজয়।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি কথা শেষ করে থামল। সে বুক ভরে শ্বাস নিল। তার চোখ জোড়া এখন মৌসুমীর মুখের প্রতিটি অভিব্যক্তি পড়ার চেষ্টা করছে।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ড্রয়িংরুমে আবার কয়েক সেকেন্ডের নিস্তব্ধতা।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী আস্তে করে চশমাটা টিপয়ের ওপর রাখলেন। কফির ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া কাপটার দিকে তাকালেন</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, তারপর ইফতির দিকে সোজা দৃষ্টি পাত করলেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“স্ক্রিপ্টটা আমার সত্যি খুব পছন্দ হয়েছে, ইফতি। অনেক দিন পর সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে এমন একটা খাঁটি আর রিফ্রেশিং আইডিয়া শুনলাম। বিশেষ করে এই অসম বয়সের অদ্ভুত বন্ধুত্বের কনসেপ্টটা। আমাদের চলচ্চিত্রে নারীকে সবসময়ই পুরুষদের অধীনস্ত অথবা স্রেফ রোমান্টিক অবজেক্ট হিসেবে দেখা হয়। বয়স ৫০ পার হলেই অভিনেত্রীদের ঝুলিতে ফেলে দেওয়া হয়। কিন্তু বায়ান্ন বছর বয়সের একজন নারীকে এভাবে বুদ্ধিমান, স্বাধীন আর একটি থ্রিলারের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে উপস্থাপন করার ভাবনাটা সত্যি প্রশংসনীয়।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতির মুখে যেন এক চিলতে রোদ হেসে উঠল। “তার মানে... ম্যাডাম</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, আপনি রাজি?”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“আমি নীতিগতভাবে রাজি,” মৌসুমী একটু বিরতি দিলেন। “আমি ‘খায়রুন সুন্দরী’র মতো গ্রামীণ নারী হয়ে দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছি, ‘এক কাপ চা’-তে অতিথি হয়েছি, নানা সামাজিক ড্রামায় কাজ করেছি। কিন্তু এমন ‘আরবান ডিটেকটিভ’ তো হওয়া হয়নি। তবে...”</span></span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font"><br />
“তবে কী ম্যাডাম?” ইফতি উৎসুক হয়ে উঠে দাঁড়াতে চাইল।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“আমার একটা বড় প্রশ্ন আর শর্ত আছে,” মৌসুমী তাঁর একটি আঙুল তুলে ইফতিকে থামালেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“বলুন ম্যাডাম, আপনার যেকোনো শর্ত আমরা মেনে নেব।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“এই যে ২১ বছরের তরুণ চরিত্রটি—‘আয়ান’,” মৌসুমীর গলায় আবার সেই সতর্ক গাম্ভীর্য। “এই চরিত্রে কে অভিনয় করছে? এটা কিন্তু মোটেও সাধারণ কোনো কাস্টিং নয়। কারণ পুরো সিনেমাটার প্রাণ নির্ভর করছে আমার আর তাঁর রসায়ন বা স্ক্রিন কেমিস্ট্রির ওপর। যদি তার অভিনয়ের গভীরতা না থাকে, আমার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলার সাহস না থাকে, তবে আমি যতই চেষ্টা করি না কেন, সিনেমাটা দর্শকরা গিলবে না। কে সে? ইন্ডাস্ট্রির কোনো পরিচিত মুখ?”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">কথাটি বলতে বলতেই মৌসুমীর চোখের সামনে ভেসে উঠল এফডিসির সাম্প্রতিক কিছু জঘন্য রাজনীতির অভিজ্ঞতা। কাদা ছোঁড়াছুড়ি</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, সস্তা পাবলিসিটি স্টান্ট আর অহংকারের লড়াই। তিনি স্পষ্ট করে নিতে চান, নতুন কোনো অপেশাদার বা বিতর্কিত মানুষের সাথে কাজ করে তিনি তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারের ভাবমূর্তি নষ্ট করবেন না।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি একটু ইতস্তত করল। চশমাটা খুলে কাপড়ে মুছল</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, তারপর বলল, “ম্যাডাম, আমরা এই চরিত্রের জন্য ইন্ডাস্ট্রির কোনো প্রতিষ্ঠিত হিরোকে নিচ্ছি না।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“কেন?” মৌসুমীর ভুরু সামান্য কুঁচকে গেল।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“কারণ আমরা চেয়েছি চরিত্রটা একদম রিয়ালিস্টিক হোক। কোনো প্রতিষ্ঠিত স্টারের ইমেজ যেন ‘আয়ান’ চরিত্রটাকে গিলে না ফেলে। আমরা একদম নতুন একটা ছেলেকে কাস্ট করেছি। যার আসল বয়সই একুশ বছর। সে থিয়োটার ব্যাকগ্রাউন্ডের ছেলে, আবৃত্তি করে, তবে সিনেমায় এটাই তার প্রথম কাজ। আমরা ওর মধ্যে এক ধরনের নিখাদ অকৃত্রিমতা পেয়েছি।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“একেবারে নতুন ছেলে?” মৌসুমী কিছুটা সংশয় প্রকাশ করলেন। “এটা তো বড় একটা রিস্ক হয়ে যাচ্ছে না, ইফতি? আমার মতো এত বছরের অভিজ্ঞ একজন অভিনয়শিল্পীর সামনে দাঁড়িয়ে সে কি সংলাপে স্পন্টেনিটি ধরে রাখতে পারবে? নাকি নার্ভাস হয়ে পুরো সিন মাটি করবে?”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“সেটা আপনি ওকে দেখলেই বুঝতে পারবেন ম্যাডাম,” ইফতি দৃঢ়তার সাথে বলল। “ছেলেটা অসম্ভব ট্যালেন্টেড। আমরা টানা দুই মাস তার অডিশন আর ওয়ার্কশপ নিয়েছি। ওর নাম ‘ইহান’। আমি ভাবছিলাম, আপনি যদি গল্পের প্রাইমারি গ্রিন সিগন্যাল দেন, তবে আমরা একটা আড্ডার আয়োজন করব। আপনি, আমি, আমাদের প্রযোজক আর ইহান এক সাথে বসব। আপনি কথা বলে দেখুন। আপনার যদি ১% মনে হয় যে সে পারবে না, আমরা সাথে সাথে কাস্টিং বদলে ফেলব। সিদ্ধান্ত শতভাগ আপনার।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী তরুণ পরিচালকের এই পেশাদারিত্ব আর আত্মবিশ্বাস দেখে মনে মনে কিছুটা প্রভাবিত হলেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“ঠিক আছে,” মৌসুমী মাথা নেড়ে সায় দিলেন। “তাই হোক। আয়োজন করো। আমি ছেলেটাকে সামনাসামনি দেখতে চাই। মনে রেখো ইফতি, ফেলুদার যেমন তোপসেকে ছাড়া চলে না, আমার ‘মিসেস রেহানা’রও কিন্তু একদম পারফেক্ট তোপসে চাই। ভুল মানানসই লোক হলে কিন্তু আমি প্রথম দিনই প্রজেক্ট প্যাক-আপ করে দেব।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“ধন্যবাদ ম্যাডাম! একদম কথা দিচ্ছি, আপনার নিরাশ হওয়ার সুযোগ নেই,” ইফতি আনন্দে বিগলিত হয়ে বলল।</span></span></div>
<br />
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">দুই।</span></span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">তিন দিন পরের কথা। </span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">স্থান: গুলশানেরই একটি অত্যন্ত পরিচিত ও আভিজাত্যপূর্ণ রেস্তোরাঁ—‘দ্য অলিভ গার্ডেন’। </span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">রেস্তোরাঁর ভেতরের পরিবেশটা বেশ শান্ত</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, মধ্যযুগীয় ইউরোপীয় ধাঁচে সাজানো। হালকা মেহগনি আলোর আবহে ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে সফট ক্লাসিক্যাল ভায়োলিনের সুর। রেস্তোরাঁর একদম পেছনের প্রাইভেট লাউঞ্জ রুমটি আজকের সন্ধ্যার জন্য পুরোপুরি বুক করা হয়েছে। সময় তখন রাত পৌনে আটটা।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">রেস্তোরাঁর কাঁচের দরজা ঠেলে যখন মৌসুমী প্রবেশ করলেন</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, তখন পুরো লাউঞ্জে যেন এক অদৃশ্য বিদ্যুতের তরঙ্গ খেলে গেল। সেখানে থাকা ওয়েটার থেকে শুরু করে কোণায় বসে থাকা অতিথিরা—সবার দৃষ্টি এক লহমায় তাঁর দিকে নিবদ্ধ হলো।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">তিনি আজ পরেছেন রাজকীয় গাঢ় নীল রঙের হাতে বোনা খাঁটি জামদানি শাড়ি। আঁচলে আর পাড়ে সূক্ষ্ম রুপালি সুতোর কাজ। গলায় ও কানে হালকা মানানসই হিরের গয়না। চুলগুলো পেছনে একটা মার্জিত খোঁপায় বাঁধা</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, দু-একটা রূপালি চুল যেন তাঁর অভিজ্ঞতার স্মারক হিসেবে সযত্নে রাখা। বায়ান্ন বছর বয়সেও তাঁর ত্বকের স্বাভাবিক সজীবতা আর চোখের অন্তর্ভেদী দীপ্তি পুরো আবহকে থমকে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">৭৬ কেজি ওজনের ভরাট শরীরটা জামদানির আভিজাত্যে আবৃত হয়ে এক অপূর্ব মাতৃত্বপূর্ণ অথচ অদম্য সৌন্দর্যের স্বাক্ষর বহন করছে। তিনি যখন হেঁটে আসেন</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপে এক ধরনের রাজকীয় স্বাচ্ছন্দ্য প্রতিফলিত হয়।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">লাউঞ্জের ভেতরে তিনজন লোক আগে থেকেই অপেক্ষা করছিল। মৌসুমীকে ভেতরে ঢুকতে দেখে তিনজনই তড়িৎগতিতে নিজের জায়গা থেকে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল। </span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">পরিচালক ইফতি</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, প্রবীণ চলচ্চিত্র প্রযোজক জনাব আজিম চৌধুরী, আর একবারে কোণায় মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকা এক দীর্ঘদেহী তরুণ।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">প্রযোজক আজিম চৌধুরী তড়িঘড়ি করে এগিয়ে এলেন। সালাম দিয়ে বললেন</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, “আসসালামু আলাইকুম ভাবি! কেমন আছেন? কতদিন পর আপনার সাথে দেখা!” আজিম সাহেব নব্বইয়ের দশকের নামকরা প্রযোজক, মৌসুমীর স্বামী অভিনেতা ওমর সানির অত্যন্ত পুরোনো এবং বিশ্বস্ত বন্ধু।</span></span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী মার্জিত হাসিতে উত্তর দিলেন</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, “ওয়ালাইকুম আসসালাম আজিম ভাই। ভালো আছি। আপনি তো আজকাল সিনেমা থেকে অনেক দূরে, হঠাৎ এই নতুন প্রজেক্টে প্রযোজক হয়ে ফিরে এলেন যে?”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">আজিম চৌধুরী একটু হেসে জবাব দিলেন</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, “কী করব বলুন ভাবি? এই তরুণ ছেলে ইফতি যখন গল্পটা নিয়ে আমার কাছে এল, শুনে মনটা এক মুহূর্তে কেড়ে নিল। আর যখন শুনলাম প্রধান চরিত্রে আপনি ছাড়া অন্য কাউকে চিন্তা করা যাচ্ছে না এবং আপনি প্রাথমিক সম্মতি দিয়েছেন—তখন ভাবলাম এমন একটা ভালো কাজের অংশ না হয়ে থাকাটা ভুল হবে। আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে এখন ভালো গল্পের বড্ড অভাব।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি পাশ থেকে এগিয়ে এসে বলল</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, “ম্যাডাম, আসুন। বসুন প্লিজ।” মৌসুমী নির্ধারিত সোফায় গিয়ে বসলেন। তাঁর হাতের দামী ব্যাগটি পাশে রেখে তিনি সোজা তাকালেন কোণায় দাঁড়িয়ে থাকা তরুণটির দিকে।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ছেলেটি লম্বায় প্রায় ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি। ছিপছিপে শক্ত শরীর। ত্বকের রং ফর্সা</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, পরিচ্ছন্ন ক্লিন শেভ করা মুখমণ্ডল, চুলগুলো আধুনিক কিন্তু রুচিশীল কায়দায় ছাঁটা। তার পরনে একটা নেভি ব্লু কালারের ফুল হাতা টি-শার্ট আর বেইজ কালারের ট্রাউজার। ছেলেটির চোখেমুখে স্পষ্ট নার্ভাসনেস বা এক ধরনের কম্পন কাজ করছে। সে তার দুই হাত পেছনে মুড়ে দাঁড়িয়ে আছে।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি ছেলেটির দিকে তাকিয়ে ইশারা করল। “ম্যাডাম</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, ও-ই ইহান। আমাদের গল্পের ‘আয়ান’।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইহানের বুকটা যেন এক মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ হয়ে গেল। সে ধীরে ধীরে এগিয়ে এল। এতকাল যাকে সে টিভির পর্দায়</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, বড় ক্যানভাসে আর সিনেমা হলে দেখে এসেছে, সেই জীবন্ত কিংবদন্তি ‘প্রিয়দর্শিনী’ মৌসুমী আজ তাঁর মাত্র তিন ফুট দূরত্বে বসে আছেন!</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইহান অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে হাঁটু গেড়ে মৌসুমীর পায়ের কাছে হাত রেখে সালাম করতে গেল। মৌসুমী সাধারণত এভাবে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করার সংস্কৃতি ব্যক্তিগত জীবনে খুব একটা পছন্দ করেন না</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, কিন্তু এই তরুণটির ভঙ্গি এত সাবলীল, শালীন আর শ্রদ্ধাপূর্ণ ছিল যে তিনি বাধা দিলেন না।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“আসসালামু আলাইকুম, ম্যাম,” ইহানের গলার স্বর সামান্য কাঁপছিল। “আমি ইহান। ম্যাম, আমি আপনার কতটা বড় ভক্ত তা হয়তো মুখে বলে বোঝাতে পারব না। ছোটবেলায় আম্মুর সাথে বসে ড্রয়িংরুমে ভি সি আর-এ আপনার সিনেমা দেখতাম। আজ আপনার সামনে দাঁড়াতে পেরে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছি না।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে ছেলেটিকে কয়েক সেকেন্ড পর্যবেক্ষণ করলেন। ২১ বছর বয়স। মুখমণ্ডলে এক ধরনের সরলতা আছে</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, তবে চোখের কোণে বুদ্ধিমত্তা আর স্পর্ধার একটা মিষ্টি ছাপ দৃশ্যমান। আর এই দ্বৈত ভাবটাই ‘আয়ান’ চরিত্রের মূল প্রাণ।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“বসো, ইহান,” মৌসুমী পাশের খালি চেয়ারটি দেখিয়ে শান্ত স্বরে বললেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইহান বসল</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, তবে সোফার একদম এক কোণে শরীর সংকুচিত করে।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী নিজের ভেতরে জমে থাকা কঠোর ভাবটা একটু আলগা করলেন। ঠোঁটে হালকা হাসি ফুটিয়ে বললেন</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, “এত নার্ভাস হওয়ার কিছু নেই, ইহান। আমরা এখানে কোনো তারকার ইন্টারভিউ নিতে আসিনি। আমরা এখানে সহকর্মী হিসেবে গল্প করতে এসেছি। তুমি কি সিনেমাটির মূল প্লট আর তোমার চরিত্রটা সম্পর্কে জেনেছ?”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইহান একটু শক্ত হয়ে বসল</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, নিজেকে সামলে নিয়ে বলল, “জি, ম্যাম। ইফতি ভাই আমাকে পুরো স্ক্রিপ্টটা পড়িয়েছেন। আমি চারবার পড়েছি।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“তাহলে তো তুমি জানো, তোমার ক্যারেক্টারটা কতটা ট্রিকি,” মৌসুমীর চোখ দুটি হঠাৎ গম্ভীর হয়ে উঠল। “তুমি এখানে স্রেফ একটা মিষ্টি তরুণ নও। তুমি এই যুগের জেন-জি প্রজন্যের রিপ্রেজেন্টেটিভ। তোমাকে আমার চরিত্রের সাথে পর্দায় রীতিমতো টেক্কা দিতে হবে। আমার যুক্তিগুলোকে নস্যাৎ করতে হবে, আমার সনাতন পর্যবেক্ষণকে ‘পুরোনো আমলের’ বলে খোঁচা দিতে হবে। তুমি কি আমার চোখের দিকে সরাসরি তাকিয়ে সেই সংলাপগুলো বলতে পারবে? নাকি আমার ইমেজের সামনে তুমি জড়সড় হয়ে থাকবে?”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ঘরজুড়ে এক মুহূর্তের নিস্তব্ধতা ছেয়ে গেল। আজিম চৌধুরী আর ইফতি উদ্বেগের সাথে ইহানের দিকে তাকালেন। </span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইহান কয়েক মুহূর্ত স্তব্ধ হয়ে রইল। সে অনুভব করল</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, এটা স্রেফ কোনো সাধারণ প্রশ্ন নয়—এটা একজন কিংবদন্তি অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে তার অভিনয়ের যোগ্যতা পরীক্ষার প্রথম টেস্ট।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইহান একটা গভীর শ্বাস নিল। সে তার ভেতরের ভীতি আর ফ্যান বয় ভাবমূর্তিকে জোর করে দূরে ঠেলে দিল। তার চোখের পলক স্থির হয়ে গেল। নার্ভাস ভাবটা যেন এক লহমায় ভেল্কির মতো উবে গেল। তার অবয়বে ফুটে উঠল গল্পের সেই অবাধ্য অথচ তীক্ষ্ণ তরুণ ‘আয়ান’।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">সে মৌসুমীর চোখের দিকে সরাসরি তাকাল। একদম নির্ভীক</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, কিন্তু চরম মার্জিত গলায় বলল:</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“ম্যাম, যদি স্ক্রিপ্ট আর পরিস্থিতির খাতিরে আয়ান মনে করে যে মিসেস রেহানা ভুল আর আয়ান নিজে ডিজিটাল লজিক দিয়ে ঠিক—তবে আয়ান হিসেবে আপনার চোখের দিকে তাকিয়ে যুক্তি তুলে ধরতে আমার এক সেকেন্ডও ইতস্তত হবে না। কারণ আয়ান তো তার ড্রোন, স্মার্টফোন আর অ্যালগরিদম ছাড়া কিছু বোঝে না। তার কাছে তো আপনার এনালগ মেথড আর অনুমানের ওপর ভিত্তি করে গোয়েন্দাগিরি কিছুটা হাস্যকর লাগবেই! আর আমি যদি আয়ান হতে না পারি, তবে আপনার সামনে দাঁড়িয়ে অভিনয় করার কোনো যোগ্যতা আমার নেই।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">শব্দগুলো লাউঞ্জের বাতাসে প্রতিধ্বনিত হলো।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইফতি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল। আজিম সাহেবের মুখে মুচকি হাসি।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী কয়েক সেকেন্ড ইহানের চোখের দিকে তাকিয়ে রইলেন। তারপর তাঁর পুরো মুখে এক বিচ্ছুরিত হাসি ছড়িয়ে পড়ল। তিনি দু-হাত তুলে আলতো হাততালি দিলেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“ব্রিলিয়ান্ট! ভেরি গুড!” মৌসুমীর কণ্ঠে আন্তরিক প্রশংসার সুর। “এই কনফিডেন্সটাই আমি দেখতে চাইছিলাম, ইহান! একজন অভিনেতার আসল শক্তি হলো সে ক্যামেরা বা তার সহশিল্পীর তারকাখ্যাতি দেখে দমে যাবে না, সে চরিত্রের ভেতর ঢুকে যাবে। তুমি সেটা কয়েক সেকেন্ডে করে দেখালে।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইহানের কাধের ভারী বোঝাটা যেন নেমে গেল। সে কৃতজ্ঞতায় মাথা নোয়াল। “থ্যাঙ্ক ইউ</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, ম্যাম।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ওয়েটার এসে কফি</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, চিকেন স্যাটে আর ফ্রেঞ্চ ফ্রাই দিয়ে গেল। পরিবেশটা এখন অনেক বেশি সহজ আর উষ্ণ হয়ে উঠেছে। মৌসুমী কফির কাপ তুলে নিয়ে কফিতে সামান্য চুমুক দিলেন। তারপর টেবিলের সবার দিকে তাকিয়ে অত্যন্ত স্পষ্ট আর গম্ভীর গলায় বললেন: </span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“শোনো ইফতি, আজিম ভাই এবং ইহান—কাজটা শুরু করার আগে আমার কিছু নীতিগত স্পষ্ট শর্ত আছে। এগুলো মানলে তবেই আমরা শুটিং ফ্লোরে যাব।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“বলুন ভাবি, আমরা শুনছি,” আজিম চৌধুরী মনোযোগ দিলেন।</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">“প্রথমত,” মৌসুমী কফির কাপটা রাখলেন। “শুটিংয়ের সময় সেটে কোনো ধরনের নোংরা পলিটিক্স, দলাদলি বা কাদা ছোঁড়াছুড়ি আমি এক চুলও সহ্য করব না। এফডিসির ভেতরের ওই সস্তা ট্র্যাশ রাজনীতি আর ব্যক্তিগত কাদা ছোঁড়াছুড়ি থেকে আমি নিজেকে অনেক দূরে সরিয়ে নিয়েছি। আমি শান্তিতে কাজ করতে চাই। সেটে শুধু আর্ট আর কাজের আলোচনা হবে।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">তিনি ইহানের দিকে তাকালেন। “দ্বিতীয়ত</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, ইহান, তুমি একদম নতুন। তোমার সামনে অনেক পথ। খবরের কাগজ বা সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাকে নিয়ে, আমার অতীত নিয়ে, কিংবা জায়েদ-ওমর সানি ইস্যুর মতো পুরোনো অনভিপ্রেত বিতর্ক নিয়ে অনেক গসিপ দেখবে। শুটিং সেটে বা বাইরে সংবাদমাধ্যমের সামনে এসব ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কোনো কথা বা গসিপ আমি একদম পছন্দ করি না। তোমার ফোকাস থাকবে শতভাগ অভিনয়ে। তুমি কাজ দিয়ে চিনাবে নিজেকে, সস্তা পাবলিসিটি দিয়ে নয়।”</span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">ইহান গভীর শ্রদ্ধার সাথে উত্তর দিল</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, “ম্যাম, আমি আপনাকে নিশ্চিত করছি, আমি এখানে কোনো গসিপ বা সস্তা নাম কামাতে আসিনি। আমি থিয়েটার থেকে এসেছি, অভিনয়ের ব্যাকরণকে সম্মান করতে শিখেছি। আপনার মতো একজন আন্তর্জাতিক মানের অভিনেত্রীর সাথে স্ক্রিন শেয়ার করার সুযোগ পাওয়াটাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় লার্নিং প্রসেস। আমি আমার কাজের প্রতি শতভাগ সৎ থাকব।”</span></span></div>
<br />
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">মৌসুমী হাসলেন। ছেলেটির সুশিক্ষিত আর শালীন কথোপকথন তাঁর বেশ মনঃপূত হলো। বর্তমান যুগের অনেক নতুন অভিনেতার মধ্যে যে ধরনের উদ্ধত আর বেপরোয়া ভাব দেখা যায়</span></span><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Impact;" class="mycode_font">, ইহানের মধ্যে তার ছিটেফোঁটাও নেই। থিয়েটারের সুশৃঙ্খল চর্চা হয়তো তাকে এই ব্যক্তিত্ব দিয়েছে।</span></span></div>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[बेटे के दोस्त ने आंटी को सम्मोहित(hypnotize) कर लिया... फिर क्या हुआ?]]></title>
			<link>https://xossipy.com/thread-74919.html</link>
			<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 20:43:36 +0300</pubDate>
			<guid isPermaLink="false">https://xossipy.com/thread-74919.html</guid>
			<description><![CDATA[<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="color: #cc3333;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">यह एक काल्पनिक कहानी है और इसका किसी भी जीवित या मृत व्यक्ति से कोई संबंध नहीं है।</span></span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="color: #cc3333;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">इस कहानी के सभी पात्र 18 वर्ष से अधिक आयु के हैं।</span></span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">---</span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">चैताली घोष - लगभग 40 साल की बंगाली महिला, जो विधवा हैं। उसका फ़िगर 38D-32-40 है। वह गुड़गांव में वाटिका रियल एस्टेट में एग्जीक्यूटिव के तौर पर काम करती हैं।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">आदित्य घोष – 21 साल का कॉलेज स्टूडेंट और चैताली का बेटा। </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">हरीश – आदित्य के कॉलेज का दोस्त।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">मिस्टर और मिसेज चटर्जी - चैताली के माता-पिता और आदित्य के नाना-नानी।</span></div>
<br />
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">---</span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">गुड़गांव की उमस भरी शाम हवा में भारीपन लेकर आई थी। आदित्य के अपार्टमेंट के लिविंग रूम में एयर कंडीशनर की गूँज के बीच हरीश सोफे पर पसरा हुआ था। उसकी उंगलियों के बीच एक चांदी का पेंडेंट धीरे-धीरे झूल रहा था। हरीश के चेहरे पर एक अजीब सी चमक थी, एक ऐसी भूख जो किताबों और इंटरनेट पर पढ़े गए हिप्नोसिस के प्रयोगों से जन्मी थी। वह अब केवल सिद्धांतों से संतुष्ट नहीं था; उसे एक जीवित, सांस लेते हुए शिकार की तलाश थी।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">"अबे देख, ये सिर्फ एक खिलौना नहीं है, आदित्य," हरीश ने पेंडेंट को हवा में लहराते हुए कहा। उसकी आवाज़ में एक किस्म का सम्मोहन था। "ये दिमाग के उन दरवाजों को खोल देता है जिन्हें समाज और नैतिकता ने बंद कर रखा है। एक बार जब कोई इस लय में खो जाता है, तो वह वही करता है जो मैं चाहता हूँ।"</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">आदित्य, जो अपने दोस्त की बातों को केवल एक मज़ाक समझ रहा था, हंसा। "तू पागल हो गया है, हरीश। असली दुनिया फिल्मों जैसी नहीं होती। कोई बस एक पेंडेंट देखकर अपना होश नहीं खो देता।"</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">हरीश ने एक कुटिल मुस्कान के साथ पेंडेंट को अपनी हथेली में बंद कर लिया। "चुनौती स्वीकार है। बस सही मौके और सही इंसान का इंतज़ार है।"</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">तभी मुख्य दरवाज़ा खुलने की आवाज़ आई। चैताली घोष अंदर दाखिल हुईं। बयालीस साल की उम्र में भी उसकी खूबसूरती किसी युवा लड़की को मात दे सकती थी। वैटिका रियल एस्टेट की एग्जीक्यूटिव होने के नाते उसके पहनावे में एक पेशेवर सख्ती थी, लेकिन उसकी रेशमी साड़ी उसके उभारों को पूरी तरह छुपा नहीं पा रही थी। 38D के भारी मम्मे ब्लाउज के कपड़ों को फाड़ने को बेताब लग रहे थे, और उसकी 40 इंच की चौड़ी गांड और भारी कूल्हे हर कदम के साथ एक मदहोश कर देने वाली लय में हिल रहे थे। विधवा होने के बाद उसके जीवन में काम और बेटा ही सब कुछ था, लेकिन उसकी आँखों में एक दबी हुई, अनकही प्यास थी जिसे उसने सालों से दबा रखा था।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">"आदित्य, मैं आ गई," चैताली ने अपना बैग मेज़ पर रखते हुए थकान भरी आवाज़ में कहा, ।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">"मम्मी, आप आ गईं? देखिए, हरीश आया है," आदित्य ने उठते हुए कहा।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">चैताली ने एक हल्की मुस्कान के साथ हरीश की ओर देखा। "नमस्ते हरीश, कैसे हो? बहुत दिनों बाद आए।"</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">हरीश खड़ा हुआ, उसकी नज़रें चैताली के चेहरे से फिसलकर उसके गहरे गले वाले ब्लाउज के बीच की घाटी में जा टिकीं। "नमस्ते आंटी। बस आदित्य के साथ कुछ प्रोजेक्ट्स पर बात करनी थी। वैसे, चड्डेर्जी अंकल और आंटी कहाँ हैं?"</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">"वो एक दोस्त के यहाँ डिनर पर गए हैं, शायद देर से आएंगे," चैताली ने अपनी साड़ी का पल्लू ठीक करते हुए जवाब दिया।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">हरीश के दिमाग में बिजली कौंधी। घर खाली था, केवल वह, आदित्य और यह कामुक महिला। उसने धीरे से पेंडेंट अपनी जेब से निकाला।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">"आंटी, आप बहुत थकी हुई लग रही हैं। क्या मैं आपको एक छोटी सी रिलैक्सेशन तकनीक दिखाऊं? मैं ने हाल ही में एक कोर्स किया है, तनाव दूर करने के लिए बहुत कारगर है," हरीश ने अपनी आवाज़ को मखमली और धीमा बनाते हुए कहा।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">चैताली ने संदेह से उसे देखा। "रिलैक्सेशन? मुझे इसकी ज़रूरत तो है, ऑफिस में आज बहुत काम था।"</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">"बस दो मिनट, आंटी। आप बस यहाँ सोफे पर आराम से बैठ जाइए और मेरी आँखों में देखिए," हरीश ने उन्हें निर्देशित किया।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">चैताली सोफे पर बैठ गईं। हरीश उसके ठीक सामने खड़ा हो गया। उसने पेंडेंट को उसकी आँखों के ठीक सामने लटका दिया और उसे धीरे-धीरे आगे-पीछे झुलाने लगा।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">"मेरी आवाज़ पर ध्यान दें, आंटी... सिर्फ मेरी आवाज़। इस चमकते हुए पेंडेंट को देखें। यह आपकी पलकों को भारी कर रहा है। आपकी सारी थकान, सारी चिंताएं इस पेंडेंट के साथ नीचे गिर रही हैं," हरीश ने एक लयबद्ध स्वर में बोलना शुरू किया।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">चैताली की नज़रें पेंडेंट के साथ घूमने लगीं। उसका दिमाग, जो ऑफिस की फाइलों और डेडलाइन्स से भरा था, धीरे-धीरे खाली होने लगा। हरीश की आवाज़ उसके कानों में शहद की तरह घुल रही थी।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">"आपकी आँखें बंद हो रही हैं... आप गहरी नींद में जा रही हैं... जब मैं चुटकी बजाऊंगा, आप पूरी तरह से मेरी गुलाम होंगी। आप वही करेंगी जो मैं कहूंगा, और आपको इसमें असीम आनंद मिलेगा," हरीश ने फुसफुसाते हुए कहा।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">उसने अपनी उंगलियों से एक तेज़ चुटकी बजाई। 'चटाक!'</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">चैताली का शरीर अचानक ढीला पड़ गया। उसकी आँखें खुली थीं, लेकिन उनमें कोई चेतना नहीं थी। वे एक खाली बर्तन की तरह थीं, जो अब हरीश के आदेशों से भरने के लिए तैयार था।</span></div>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="color: #cc3333;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">यह एक काल्पनिक कहानी है और इसका किसी भी जीवित या मृत व्यक्ति से कोई संबंध नहीं है।</span></span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="color: #cc3333;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">इस कहानी के सभी पात्र 18 वर्ष से अधिक आयु के हैं।</span></span></span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">---</span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">चैताली घोष - लगभग 40 साल की बंगाली महिला, जो विधवा हैं। उसका फ़िगर 38D-32-40 है। वह गुड़गांव में वाटिका रियल एस्टेट में एग्जीक्यूटिव के तौर पर काम करती हैं।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">आदित्य घोष – 21 साल का कॉलेज स्टूडेंट और चैताली का बेटा। </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">हरीश – आदित्य के कॉलेज का दोस्त।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">मिस्टर और मिसेज चटर्जी - चैताली के माता-पिता और आदित्य के नाना-नानी।</span></div>
<br />
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">---</span></div>
<br />
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">गुड़गांव की उमस भरी शाम हवा में भारीपन लेकर आई थी। आदित्य के अपार्टमेंट के लिविंग रूम में एयर कंडीशनर की गूँज के बीच हरीश सोफे पर पसरा हुआ था। उसकी उंगलियों के बीच एक चांदी का पेंडेंट धीरे-धीरे झूल रहा था। हरीश के चेहरे पर एक अजीब सी चमक थी, एक ऐसी भूख जो किताबों और इंटरनेट पर पढ़े गए हिप्नोसिस के प्रयोगों से जन्मी थी। वह अब केवल सिद्धांतों से संतुष्ट नहीं था; उसे एक जीवित, सांस लेते हुए शिकार की तलाश थी।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">"अबे देख, ये सिर्फ एक खिलौना नहीं है, आदित्य," हरीश ने पेंडेंट को हवा में लहराते हुए कहा। उसकी आवाज़ में एक किस्म का सम्मोहन था। "ये दिमाग के उन दरवाजों को खोल देता है जिन्हें समाज और नैतिकता ने बंद कर रखा है। एक बार जब कोई इस लय में खो जाता है, तो वह वही करता है जो मैं चाहता हूँ।"</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">आदित्य, जो अपने दोस्त की बातों को केवल एक मज़ाक समझ रहा था, हंसा। "तू पागल हो गया है, हरीश। असली दुनिया फिल्मों जैसी नहीं होती। कोई बस एक पेंडेंट देखकर अपना होश नहीं खो देता।"</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">हरीश ने एक कुटिल मुस्कान के साथ पेंडेंट को अपनी हथेली में बंद कर लिया। "चुनौती स्वीकार है। बस सही मौके और सही इंसान का इंतज़ार है।"</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">तभी मुख्य दरवाज़ा खुलने की आवाज़ आई। चैताली घोष अंदर दाखिल हुईं। बयालीस साल की उम्र में भी उसकी खूबसूरती किसी युवा लड़की को मात दे सकती थी। वैटिका रियल एस्टेट की एग्जीक्यूटिव होने के नाते उसके पहनावे में एक पेशेवर सख्ती थी, लेकिन उसकी रेशमी साड़ी उसके उभारों को पूरी तरह छुपा नहीं पा रही थी। 38D के भारी मम्मे ब्लाउज के कपड़ों को फाड़ने को बेताब लग रहे थे, और उसकी 40 इंच की चौड़ी गांड और भारी कूल्हे हर कदम के साथ एक मदहोश कर देने वाली लय में हिल रहे थे। विधवा होने के बाद उसके जीवन में काम और बेटा ही सब कुछ था, लेकिन उसकी आँखों में एक दबी हुई, अनकही प्यास थी जिसे उसने सालों से दबा रखा था।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">"आदित्य, मैं आ गई," चैताली ने अपना बैग मेज़ पर रखते हुए थकान भरी आवाज़ में कहा, ।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">"मम्मी, आप आ गईं? देखिए, हरीश आया है," आदित्य ने उठते हुए कहा।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">चैताली ने एक हल्की मुस्कान के साथ हरीश की ओर देखा। "नमस्ते हरीश, कैसे हो? बहुत दिनों बाद आए।"</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">हरीश खड़ा हुआ, उसकी नज़रें चैताली के चेहरे से फिसलकर उसके गहरे गले वाले ब्लाउज के बीच की घाटी में जा टिकीं। "नमस्ते आंटी। बस आदित्य के साथ कुछ प्रोजेक्ट्स पर बात करनी थी। वैसे, चड्डेर्जी अंकल और आंटी कहाँ हैं?"</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">"वो एक दोस्त के यहाँ डिनर पर गए हैं, शायद देर से आएंगे," चैताली ने अपनी साड़ी का पल्लू ठीक करते हुए जवाब दिया।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">हरीश के दिमाग में बिजली कौंधी। घर खाली था, केवल वह, आदित्य और यह कामुक महिला। उसने धीरे से पेंडेंट अपनी जेब से निकाला।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">"आंटी, आप बहुत थकी हुई लग रही हैं। क्या मैं आपको एक छोटी सी रिलैक्सेशन तकनीक दिखाऊं? मैं ने हाल ही में एक कोर्स किया है, तनाव दूर करने के लिए बहुत कारगर है," हरीश ने अपनी आवाज़ को मखमली और धीमा बनाते हुए कहा।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">चैताली ने संदेह से उसे देखा। "रिलैक्सेशन? मुझे इसकी ज़रूरत तो है, ऑफिस में आज बहुत काम था।"</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">"बस दो मिनट, आंटी। आप बस यहाँ सोफे पर आराम से बैठ जाइए और मेरी आँखों में देखिए," हरीश ने उन्हें निर्देशित किया।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">चैताली सोफे पर बैठ गईं। हरीश उसके ठीक सामने खड़ा हो गया। उसने पेंडेंट को उसकी आँखों के ठीक सामने लटका दिया और उसे धीरे-धीरे आगे-पीछे झुलाने लगा।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">"मेरी आवाज़ पर ध्यान दें, आंटी... सिर्फ मेरी आवाज़। इस चमकते हुए पेंडेंट को देखें। यह आपकी पलकों को भारी कर रहा है। आपकी सारी थकान, सारी चिंताएं इस पेंडेंट के साथ नीचे गिर रही हैं," हरीश ने एक लयबद्ध स्वर में बोलना शुरू किया।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">चैताली की नज़रें पेंडेंट के साथ घूमने लगीं। उसका दिमाग, जो ऑफिस की फाइलों और डेडलाइन्स से भरा था, धीरे-धीरे खाली होने लगा। हरीश की आवाज़ उसके कानों में शहद की तरह घुल रही थी।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">"आपकी आँखें बंद हो रही हैं... आप गहरी नींद में जा रही हैं... जब मैं चुटकी बजाऊंगा, आप पूरी तरह से मेरी गुलाम होंगी। आप वही करेंगी जो मैं कहूंगा, और आपको इसमें असीम आनंद मिलेगा," हरीश ने फुसफुसाते हुए कहा।</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">उसने अपनी उंगलियों से एक तेज़ चुटकी बजाई। 'चटाक!'</span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"> </span></div>
<div style="text-align: justify;" class="mycode_align"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">चैताली का शरीर अचानक ढीला पड़ गया। उसकी आँखें खुली थीं, लेकिन उनमें कोई चेतना नहीं थी। वे एक खाली बर्तन की तरह थीं, जो अब हरीश के आदेशों से भरने के लिए तैयार था।</span></div>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[My mother and the landlord (Slow burn, long read)]]></title>
			<link>https://xossipy.com/thread-74918.html</link>
			<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 19:59:21 +0300</pubDate>
			<guid isPermaLink="false">https://xossipy.com/thread-74918.html</guid>
			<description><![CDATA[<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">Author’s Note</span><br />
<br />
This story is written as a series of dated journal entries from the point of view of Sunny, a 21-year-old living with his mother in a small one-room flat in Andheri.<br />
<br />
Everything is told through his eyes — the ordinary details of the flat, the changing clothes, the later returns, the neighbours’ comments, and the slow shift in the air between them. I have tried to keep it as close to everyday reality as possible. The pace is deliberately slow. Nothing jumps ahead for the sake of drama.<br />
<br />
The events are inspired by true situations I became aware of, though names, places, and certain details have been changed.<br />
<br />
If you prefer fast-moving, heavily explicit stories from the first page, this may not be for you. If you like watching a relationship and a household change gradually, through small observations and quiet tension, then stay with it.<br />
<br />
The entries begin in June 2025.<br />
<br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">Chapter 1 – The first month of my job</span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">12 June 2025 – Thursday</span><br />
<br />
I came home a little after seven-thirty. The lift in our building was broken again, so I climbed the three floors with my bag digging into my shoulder. The corridor still smelled of the same mix of cooking oil, damp concrete and someone else’s incense. Our door was unlocked. It always is when Ma is home.<br />
<br />
She was sitting on the single wooden chair near the window, the one with the loose leg that we keep meaning to fix. The evening light was coming in through the half-open grill, falling across her face. She looked up when I entered and smiled the way she has smiled at me since I was small.<br />
<br />
“Arre, you’re early today.”<br />
<br />
“Traffic was less.” I dropped the bag near the wall and went straight to the kitchen sink to wash my hands. The kitchen is not really a separate room. It is just the corner with the two-burner stove, the small fridge that makes a loud noise at night, and the steel rack where we keep the plates. From there I could see the whole flat: the double bed pushed against one wall, the folding table we eat on, the steel almirah, the thin curtain that hides the toilet door.<br />
<br />
Ma had already made tea. Two cups were waiting on the table. She got up, moved a little slower than she used to, and brought them over.<br />
<br />
“How was office?”<br />
<br />
“Same. Meetings. Code. My manager talks too much.” I sat on the edge of the bed and took the cup. The tea was exactly the way I like it — strong, less sugar. She still remembers.<br />
<br />
We drank in silence for a while. Outside, someone was shouting at a vegetable vendor. A scooter horn. The usual Andheri evening noise.<br />
<br />
After a few minutes she said, “I spoke to the landlord today. Rent is the same. Twelve thousand. He said he won’t increase this year.”<br />
<br />
I nodded. “Good. I got my first full salary credit yesterday. We can manage easily now.”<br />
<br />
She looked at me for a longer moment. “You don’t have to carry everything alone, Sunny. I can still work part-time if needed.”<br />
<br />
“No.” I said it quickly. “We already decided. You worked enough. Hotel reception, that parlour, all those years after Papa. It’s enough. Now you rest.”<br />
<br />
She didn’t argue. She just smiled again, a smaller smile this time, and looked down at her own cup.<br />
<br />
That night we ate simple dal and rice. She had made extra ghee for me. After dinner she sat on the bed and started watching some serial on her phone at low volume while I opened my laptop on the folding table. The flat is so small that when I type, she can hear every key. When she shifts on the bed, the wooden frame creaks. We have lived like this for years. It never felt strange until the last few weeks, when the quiet started becoming noticeable.<br />
<br />
---<br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">18 June 2025 – Wednesday</span><br />
<br />
Today Ma washed her hair in the morning. I left for office while it was still wet, tied in a loose towel. When I came back at eight, the towel was gone and her hair was open, falling past her shoulders. It has more grey than before, but the black is still thick. She was standing near the small mirror above the washbasin, looking at herself while applying some cream on her face.<br />
<br />
I had never seen her do that so carefully before.<br />
<br />
“New cream?” I asked, putting my bag down.<br />
<br />
“Someone in the building gave a sample. Said it’s good for dryness.” She didn’t turn around. “Your dinner is in the fridge. Just heat it.”<br />
<br />
I heated the sabzi and roti and ate while she finished at the mirror. Then she came and sat opposite me on the other side of the folding table. The light from the single tube light made the room look yellowish.<br />
<br />
“I was thinking,” she said after a while, “maybe I should start going for walks in the evening. The doctor had said once that walking is good after forty-five.”<br />
<br />
“Of course. You should.”<br />
<br />
“And maybe once in a while a movie. Alone is also fine. I used to like films.”<br />
<br />
I looked up. She was peeling an orange, the skin coming off in one long piece the way she always does it.<br />
<br />
“You never used to go alone,” I said.<br />
<br />
“Because there was never time. Now there is.” She smiled and offered me a piece of orange. “Don’t make that face. I’m not running away. Just a little change.”<br />
<br />
I took the orange. It was sweet. I didn’t say anything more.<br />
<br />
That night she slept before me. I stayed up finishing some office work. When I finally switched off the laptop, I could hear her breathing, steady and deep. The same sound I have heard for twenty-one years in this room. For the first time it felt slightly different, as if the quiet around her had grown thicker.<br />
<br />
---<br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">22 June 2025 – Sunday</span><br />
<br />
Sunday is the only day we both stay home properly. I woke up late. Ma was already up, sweeping the floor with the soft broom. She was wearing an old cotton nighty, the light blue one with small flowers. It is loose, but even in that I could see the shape of her body — the full hips, the heavy chest that has always been there, the way her waist still dips a little before spreading again. She has always been like that. Papa used to say she had a figure that made other women jealous. After he died she stopped caring about any of it. Clothes became only for covering. Hair was always tied. No cream, no oil that smelled nice.<br />
<br />
Today she had oiled her hair properly. The smell was in the whole flat.<br />
<br />
We had breakfast together — poha and tea. Then she said she wanted to go to the market to buy some new blouses. The old ones had become tight.<br />
<br />
“I’ll come with you,” I offered.<br />
<br />
“No need. You rest. You work the whole week.” She was already changing behind the thin curtain. I heard the rustle of cloth. When she came out she was wearing a simple peach-coloured salwar kameez, the dupatta pinned neatly. It was one of her older ones, but she had ironed it carefully.<br />
<br />
She left around eleven. I stayed home, tried to study some technical things for office, but kept looking at the door. She came back after two hours with a small plastic bag. Three new blouses, slightly more fitted than what she used to wear. She showed them to me without any shyness.<br />
<br />
“These are better, no? The old ones were looking shabby.”<br />
<br />
I nodded. They were nicer. The neck was a little lower, the sleeves shorter. Nothing dramatic. Just different.<br />
<br />
In the evening she sat on the bed and started stitching a button on one of my shirts. The television was off. Only the sound of the needle and her soft humming. I watched her hands — still smooth, the veins a little more visible now, the gold bangles she never removes making a small sound every time she moved.<br />
<br />
“Ma,” I said.<br />
<br />
“Hmm?”<br />
<br />
“You look… lighter these days. Happier.”<br />
<br />
She looked up and laughed once, a short real laugh. “I feel lighter. For the first time in years I don’t have to wake up and think about reaching the hotel on time or standing in the parlour for eight hours. You gave me that. Don’t forget.”<br />
<br />
I felt a strange mix of pride and something else I could not name.<br />
<br />
---<br />
<br />
**28 June 2025 – Saturday**<br />
<br />
She went for a movie today. Alone.<br />
<br />
She told me in the morning while making tea. “There’s an afternoon show of that new film. I thought I’ll go. You have office work to finish anyway.”<br />
<br />
I didn’t stop her. I only asked, “Which theatre?”<br />
<br />
“The one near the station. I’ll take auto.”<br />
<br />
She left at one-thirty. She had changed into a darker salwar kameez, a deep maroon one I don’t remember seeing her wear in a long time. Her hair was open. She had put a small bindi and a thin chain. When she stood near the door adjusting her dupatta, I noticed how the cloth sat on her chest and how the curve of her hip showed when she turned.<br />
<br />
“I’ll be back by six-seven,” she said.<br />
<br />
“Okay. Call if you need anything.”<br />
<br />
After she left, the flat felt larger and emptier at the same time. I tried to work. I made tea for myself. I stood at the window and looked down at the narrow lane. Around six-forty the doorbell rang. She was back. Her face looked fresher, a little pink from the heat or from sitting in the air-conditioned theatre.<br />
<br />
“How was the film?”<br />
<br />
“Okay-okay. Some parts were good. The seats were comfortable.” She laughed. “I had popcorn. Felt strange eating alone, but nice also.”<br />
<br />
She went to change. When she came out in her nighty, she sat on the bed and started telling me about the story of the film in detail. I listened. I kept looking at her face. There was a small liveliness that had not been there three months ago.<br />
<br />
That night, after we both lay down, she spoke into the dark.<br />
<br />
“Sunny.”<br />
<br />
“Yes.”<br />
<br />
“Thank you for letting me go. Some sons would have made faces.”<br />
<br />
“Why would I make faces? You should go if you want.”<br />
<br />
She was quiet for a few seconds. Then she said, “Papa and I also used to watch films when we first came to Mumbai. Before you were born. We had no money, but somehow we managed. After he left, I stopped. It feels strange to start again.”<br />
<br />
I didn’t know what to say, so I only made a small sound of agreement. After some time her breathing became even. I stayed awake longer, listening to the ceiling fan and the distant traffic.<br />
<br />
---<br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">3 July 2025 – Thursday</span><br />
<br />
Something small changed this week.<br />
<br />
Ma has started putting oil in her hair every alternate day. She has started wearing the new blouses even at home sometimes. One evening when I came back she was standing near the window talking on the phone with someone from the old parlour. Her voice was lighter, almost playful. When she saw me she ended the call quickly and smiled.<br />
<br />
“Just an old colleague. She was asking how I am.”<br />
<br />
We had dinner. Afterwards she sat with her phone and scrolled for a long time. I noticed she was looking at clothes. Not the cheap ones from the local market. Slightly better ones.<br />
<br />
I cleared my throat. “Ma, if you want to buy something, just tell me. We can manage.”<br />
<br />
She looked up. “I know. But not necessary right now. I’m only looking.”<br />
<br />
Then she put the phone down and came and sat next to me on the bed. The mattress dipped with her weight. She put her hand on my head the way she used to when I was in college.<br />
<br />
“You have become thin,” she said softly. “Office is stressful?”<br />
<br />
“A little.”<br />
<br />
“Eat properly. I will make whatever you like.”<br />
<br />
Her hand stayed on my head for a while. I could smell the coconut oil in her hair and the faint soap smell from her skin. For a moment everything felt exactly as it had for years — safe, ordinary, complete.<br />
<br />
Then she removed her hand and went to fold some clothes. The ordinary moment passed.<br />
<br />
---<br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">8 July 2025 – Tuesday</span><br />
<br />
Today when I came home the flat was empty.<br />
<br />
I checked the time. Seven-forty-five. Usually she is back by now if she has gone out. I called her. She picked up after four rings.<br />
<br />
“Yes, Sunny?”<br />
<br />
“Where are you?”<br />
<br />
“Just near the building. Coming in five minutes. I went to buy some vegetables and then sat for a while at the juice centre. Felt like having sugarcane.”<br />
<br />
Her voice was calm. I heard street noise behind her.<br />
<br />
She came exactly seven minutes later. She was carrying a small bag of vegetables and a half-finished glass of juice. Her forehead had a light shine of sweat. The maroon salwar kameez was slightly stuck to her back because of the humidity.<br />
<br />
“You sat alone at the juice centre?” I asked while taking the bag from her.<br />
<br />
“Yes. Why?” She raised her eyebrows, half-smiling. “Is there a rule I can’t?”<br />
<br />
“No. Just asking.”<br />
<br />
She went to wash her face. When she came back she said, “People look, that’s all. Some men always look. It doesn’t mean anything. I’m forty-seven, not twenty.”<br />
<br />
She said it lightly, but I felt a small tightness in my chest that I could not explain.<br />
<br />
We cooked together that night. She made my favourite aloo paratha. While rolling the dough she started humming an old song. I watched her hands, her arms, the way her blouse tightened when she leaned forward. I looked away.<br />
<br />
After dinner she sat on the chair near the window and looked out at the lane for a long time. I was on the bed with my laptop. The only sound was the fan and occasional typing.<br />
<br />
At one point she spoke without turning.<br />
<br />
“Sunny, do you ever think I wasted my years?”<br />
<br />
I stopped typing. “What do you mean?”<br />
<br />
“After Papa. Working, cooking, worrying about your fees, the rent, everything. Sometimes I wonder if I forgot I was also a person.”<br />
<br />
I closed the laptop slowly. “You didn’t waste anything. You kept us going.”<br />
<br />
She turned then and looked at me. Her eyes were soft, but there was something else behind them — a restlessness I had not seen before.<br />
<br />
“I know. But still. Now that you are settled, I want to feel like a person again. Is that wrong?”<br />
<br />
“No,” I said. “It’s not wrong.”<br />
<br />
She smiled, stood up, and came and kissed the top of my head the way she used to when I scored well in exams.<br />
<br />
“Good. Then don’t worry so much when I go out a little. I’m not going anywhere far.”<br />
<br />
That night I lay awake longer than usual. The room was the same. The bed was the same. Her breathing was the same. But somewhere in the quiet I could feel that the month of silence was already ending, and something else — slower, quieter, harder to name — had started moving underneath it.<br />
<br />
I didn’t know then how far it would go.  <br />
I only knew that for the first time in years, my mother looked like she was waiting for something.]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">Author’s Note</span><br />
<br />
This story is written as a series of dated journal entries from the point of view of Sunny, a 21-year-old living with his mother in a small one-room flat in Andheri.<br />
<br />
Everything is told through his eyes — the ordinary details of the flat, the changing clothes, the later returns, the neighbours’ comments, and the slow shift in the air between them. I have tried to keep it as close to everyday reality as possible. The pace is deliberately slow. Nothing jumps ahead for the sake of drama.<br />
<br />
The events are inspired by true situations I became aware of, though names, places, and certain details have been changed.<br />
<br />
If you prefer fast-moving, heavily explicit stories from the first page, this may not be for you. If you like watching a relationship and a household change gradually, through small observations and quiet tension, then stay with it.<br />
<br />
The entries begin in June 2025.<br />
<br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">Chapter 1 – The first month of my job</span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">12 June 2025 – Thursday</span><br />
<br />
I came home a little after seven-thirty. The lift in our building was broken again, so I climbed the three floors with my bag digging into my shoulder. The corridor still smelled of the same mix of cooking oil, damp concrete and someone else’s incense. Our door was unlocked. It always is when Ma is home.<br />
<br />
She was sitting on the single wooden chair near the window, the one with the loose leg that we keep meaning to fix. The evening light was coming in through the half-open grill, falling across her face. She looked up when I entered and smiled the way she has smiled at me since I was small.<br />
<br />
“Arre, you’re early today.”<br />
<br />
“Traffic was less.” I dropped the bag near the wall and went straight to the kitchen sink to wash my hands. The kitchen is not really a separate room. It is just the corner with the two-burner stove, the small fridge that makes a loud noise at night, and the steel rack where we keep the plates. From there I could see the whole flat: the double bed pushed against one wall, the folding table we eat on, the steel almirah, the thin curtain that hides the toilet door.<br />
<br />
Ma had already made tea. Two cups were waiting on the table. She got up, moved a little slower than she used to, and brought them over.<br />
<br />
“How was office?”<br />
<br />
“Same. Meetings. Code. My manager talks too much.” I sat on the edge of the bed and took the cup. The tea was exactly the way I like it — strong, less sugar. She still remembers.<br />
<br />
We drank in silence for a while. Outside, someone was shouting at a vegetable vendor. A scooter horn. The usual Andheri evening noise.<br />
<br />
After a few minutes she said, “I spoke to the landlord today. Rent is the same. Twelve thousand. He said he won’t increase this year.”<br />
<br />
I nodded. “Good. I got my first full salary credit yesterday. We can manage easily now.”<br />
<br />
She looked at me for a longer moment. “You don’t have to carry everything alone, Sunny. I can still work part-time if needed.”<br />
<br />
“No.” I said it quickly. “We already decided. You worked enough. Hotel reception, that parlour, all those years after Papa. It’s enough. Now you rest.”<br />
<br />
She didn’t argue. She just smiled again, a smaller smile this time, and looked down at her own cup.<br />
<br />
That night we ate simple dal and rice. She had made extra ghee for me. After dinner she sat on the bed and started watching some serial on her phone at low volume while I opened my laptop on the folding table. The flat is so small that when I type, she can hear every key. When she shifts on the bed, the wooden frame creaks. We have lived like this for years. It never felt strange until the last few weeks, when the quiet started becoming noticeable.<br />
<br />
---<br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">18 June 2025 – Wednesday</span><br />
<br />
Today Ma washed her hair in the morning. I left for office while it was still wet, tied in a loose towel. When I came back at eight, the towel was gone and her hair was open, falling past her shoulders. It has more grey than before, but the black is still thick. She was standing near the small mirror above the washbasin, looking at herself while applying some cream on her face.<br />
<br />
I had never seen her do that so carefully before.<br />
<br />
“New cream?” I asked, putting my bag down.<br />
<br />
“Someone in the building gave a sample. Said it’s good for dryness.” She didn’t turn around. “Your dinner is in the fridge. Just heat it.”<br />
<br />
I heated the sabzi and roti and ate while she finished at the mirror. Then she came and sat opposite me on the other side of the folding table. The light from the single tube light made the room look yellowish.<br />
<br />
“I was thinking,” she said after a while, “maybe I should start going for walks in the evening. The doctor had said once that walking is good after forty-five.”<br />
<br />
“Of course. You should.”<br />
<br />
“And maybe once in a while a movie. Alone is also fine. I used to like films.”<br />
<br />
I looked up. She was peeling an orange, the skin coming off in one long piece the way she always does it.<br />
<br />
“You never used to go alone,” I said.<br />
<br />
“Because there was never time. Now there is.” She smiled and offered me a piece of orange. “Don’t make that face. I’m not running away. Just a little change.”<br />
<br />
I took the orange. It was sweet. I didn’t say anything more.<br />
<br />
That night she slept before me. I stayed up finishing some office work. When I finally switched off the laptop, I could hear her breathing, steady and deep. The same sound I have heard for twenty-one years in this room. For the first time it felt slightly different, as if the quiet around her had grown thicker.<br />
<br />
---<br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">22 June 2025 – Sunday</span><br />
<br />
Sunday is the only day we both stay home properly. I woke up late. Ma was already up, sweeping the floor with the soft broom. She was wearing an old cotton nighty, the light blue one with small flowers. It is loose, but even in that I could see the shape of her body — the full hips, the heavy chest that has always been there, the way her waist still dips a little before spreading again. She has always been like that. Papa used to say she had a figure that made other women jealous. After he died she stopped caring about any of it. Clothes became only for covering. Hair was always tied. No cream, no oil that smelled nice.<br />
<br />
Today she had oiled her hair properly. The smell was in the whole flat.<br />
<br />
We had breakfast together — poha and tea. Then she said she wanted to go to the market to buy some new blouses. The old ones had become tight.<br />
<br />
“I’ll come with you,” I offered.<br />
<br />
“No need. You rest. You work the whole week.” She was already changing behind the thin curtain. I heard the rustle of cloth. When she came out she was wearing a simple peach-coloured salwar kameez, the dupatta pinned neatly. It was one of her older ones, but she had ironed it carefully.<br />
<br />
She left around eleven. I stayed home, tried to study some technical things for office, but kept looking at the door. She came back after two hours with a small plastic bag. Three new blouses, slightly more fitted than what she used to wear. She showed them to me without any shyness.<br />
<br />
“These are better, no? The old ones were looking shabby.”<br />
<br />
I nodded. They were nicer. The neck was a little lower, the sleeves shorter. Nothing dramatic. Just different.<br />
<br />
In the evening she sat on the bed and started stitching a button on one of my shirts. The television was off. Only the sound of the needle and her soft humming. I watched her hands — still smooth, the veins a little more visible now, the gold bangles she never removes making a small sound every time she moved.<br />
<br />
“Ma,” I said.<br />
<br />
“Hmm?”<br />
<br />
“You look… lighter these days. Happier.”<br />
<br />
She looked up and laughed once, a short real laugh. “I feel lighter. For the first time in years I don’t have to wake up and think about reaching the hotel on time or standing in the parlour for eight hours. You gave me that. Don’t forget.”<br />
<br />
I felt a strange mix of pride and something else I could not name.<br />
<br />
---<br />
<br />
**28 June 2025 – Saturday**<br />
<br />
She went for a movie today. Alone.<br />
<br />
She told me in the morning while making tea. “There’s an afternoon show of that new film. I thought I’ll go. You have office work to finish anyway.”<br />
<br />
I didn’t stop her. I only asked, “Which theatre?”<br />
<br />
“The one near the station. I’ll take auto.”<br />
<br />
She left at one-thirty. She had changed into a darker salwar kameez, a deep maroon one I don’t remember seeing her wear in a long time. Her hair was open. She had put a small bindi and a thin chain. When she stood near the door adjusting her dupatta, I noticed how the cloth sat on her chest and how the curve of her hip showed when she turned.<br />
<br />
“I’ll be back by six-seven,” she said.<br />
<br />
“Okay. Call if you need anything.”<br />
<br />
After she left, the flat felt larger and emptier at the same time. I tried to work. I made tea for myself. I stood at the window and looked down at the narrow lane. Around six-forty the doorbell rang. She was back. Her face looked fresher, a little pink from the heat or from sitting in the air-conditioned theatre.<br />
<br />
“How was the film?”<br />
<br />
“Okay-okay. Some parts were good. The seats were comfortable.” She laughed. “I had popcorn. Felt strange eating alone, but nice also.”<br />
<br />
She went to change. When she came out in her nighty, she sat on the bed and started telling me about the story of the film in detail. I listened. I kept looking at her face. There was a small liveliness that had not been there three months ago.<br />
<br />
That night, after we both lay down, she spoke into the dark.<br />
<br />
“Sunny.”<br />
<br />
“Yes.”<br />
<br />
“Thank you for letting me go. Some sons would have made faces.”<br />
<br />
“Why would I make faces? You should go if you want.”<br />
<br />
She was quiet for a few seconds. Then she said, “Papa and I also used to watch films when we first came to Mumbai. Before you were born. We had no money, but somehow we managed. After he left, I stopped. It feels strange to start again.”<br />
<br />
I didn’t know what to say, so I only made a small sound of agreement. After some time her breathing became even. I stayed awake longer, listening to the ceiling fan and the distant traffic.<br />
<br />
---<br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">3 July 2025 – Thursday</span><br />
<br />
Something small changed this week.<br />
<br />
Ma has started putting oil in her hair every alternate day. She has started wearing the new blouses even at home sometimes. One evening when I came back she was standing near the window talking on the phone with someone from the old parlour. Her voice was lighter, almost playful. When she saw me she ended the call quickly and smiled.<br />
<br />
“Just an old colleague. She was asking how I am.”<br />
<br />
We had dinner. Afterwards she sat with her phone and scrolled for a long time. I noticed she was looking at clothes. Not the cheap ones from the local market. Slightly better ones.<br />
<br />
I cleared my throat. “Ma, if you want to buy something, just tell me. We can manage.”<br />
<br />
She looked up. “I know. But not necessary right now. I’m only looking.”<br />
<br />
Then she put the phone down and came and sat next to me on the bed. The mattress dipped with her weight. She put her hand on my head the way she used to when I was in college.<br />
<br />
“You have become thin,” she said softly. “Office is stressful?”<br />
<br />
“A little.”<br />
<br />
“Eat properly. I will make whatever you like.”<br />
<br />
Her hand stayed on my head for a while. I could smell the coconut oil in her hair and the faint soap smell from her skin. For a moment everything felt exactly as it had for years — safe, ordinary, complete.<br />
<br />
Then she removed her hand and went to fold some clothes. The ordinary moment passed.<br />
<br />
---<br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">8 July 2025 – Tuesday</span><br />
<br />
Today when I came home the flat was empty.<br />
<br />
I checked the time. Seven-forty-five. Usually she is back by now if she has gone out. I called her. She picked up after four rings.<br />
<br />
“Yes, Sunny?”<br />
<br />
“Where are you?”<br />
<br />
“Just near the building. Coming in five minutes. I went to buy some vegetables and then sat for a while at the juice centre. Felt like having sugarcane.”<br />
<br />
Her voice was calm. I heard street noise behind her.<br />
<br />
She came exactly seven minutes later. She was carrying a small bag of vegetables and a half-finished glass of juice. Her forehead had a light shine of sweat. The maroon salwar kameez was slightly stuck to her back because of the humidity.<br />
<br />
“You sat alone at the juice centre?” I asked while taking the bag from her.<br />
<br />
“Yes. Why?” She raised her eyebrows, half-smiling. “Is there a rule I can’t?”<br />
<br />
“No. Just asking.”<br />
<br />
She went to wash her face. When she came back she said, “People look, that’s all. Some men always look. It doesn’t mean anything. I’m forty-seven, not twenty.”<br />
<br />
She said it lightly, but I felt a small tightness in my chest that I could not explain.<br />
<br />
We cooked together that night. She made my favourite aloo paratha. While rolling the dough she started humming an old song. I watched her hands, her arms, the way her blouse tightened when she leaned forward. I looked away.<br />
<br />
After dinner she sat on the chair near the window and looked out at the lane for a long time. I was on the bed with my laptop. The only sound was the fan and occasional typing.<br />
<br />
At one point she spoke without turning.<br />
<br />
“Sunny, do you ever think I wasted my years?”<br />
<br />
I stopped typing. “What do you mean?”<br />
<br />
“After Papa. Working, cooking, worrying about your fees, the rent, everything. Sometimes I wonder if I forgot I was also a person.”<br />
<br />
I closed the laptop slowly. “You didn’t waste anything. You kept us going.”<br />
<br />
She turned then and looked at me. Her eyes were soft, but there was something else behind them — a restlessness I had not seen before.<br />
<br />
“I know. But still. Now that you are settled, I want to feel like a person again. Is that wrong?”<br />
<br />
“No,” I said. “It’s not wrong.”<br />
<br />
She smiled, stood up, and came and kissed the top of my head the way she used to when I scored well in exams.<br />
<br />
“Good. Then don’t worry so much when I go out a little. I’m not going anywhere far.”<br />
<br />
That night I lay awake longer than usual. The room was the same. The bed was the same. Her breathing was the same. But somewhere in the quiet I could feel that the month of silence was already ending, and something else — slower, quieter, harder to name — had started moving underneath it.<br />
<br />
I didn’t know then how far it would go.  <br />
I only knew that for the first time in years, my mother looked like she was waiting for something.]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[நடிகைகளை ஓக்க கிடைத்த சந்தர்ப்பங்கள்]]></title>
			<link>https://xossipy.com/thread-74914.html</link>
			<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 13:42:57 +0300</pubDate>
			<guid isPermaLink="false">https://xossipy.com/thread-74914.html</guid>
			<description><![CDATA[<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">நடிகைகளை ஓக்க கிடைத்த சந்தர்ப்பங்கள் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">எனக்கு திடீர்ன்னு ஒரு சூப்பர் பவர் வந்தது </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">நான் யூ டியூப் ல எந்த படம் பார்த்தாலும் அந்த படத்துக்குள்ள போய் அதுல நடிக்கிற எந்த நடிகையா இருந்தாலும் என்னால அவங்களை ஓக்க முடியும் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அப்படி ஒரு சூப்பர் பவர் எனக்கு கிடைத்தது </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அந்த பவர் கிடைத்ததுமே முதல்ல நான் ஓக்க நினைச்சது பாகுபலி ல நடிச்ச நம்ம ராஜமாதா ரம்யா கிருஷ்ணனை தான் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">உடனே யூ டியூப் ல பாகுபலி படம் சர்ச் பண்ணி பார்க்க ஆரம்பிச்சேன் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">ஸீன்ஸ் எல்லாம் வேகமா ஓட்டி பார்வர்ட் பண்ணி ராஜமாதா அரசவைல இருக்க ஸீன் க்கு போனேன் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அப்படியே சர்ர்ன்னு ஸீன் உள்ள போய்ட்டேன் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அரசவைல ராஜமாதா ஏதோ வழக்கை விசாரித்து இதுவே என் கட்டளை இதுவே என் சாசனம் என்று கர்ஜித்து கொண்டு இருந்தாள் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">நான் சல்ன்னு ஸீன் உள்ளே போனேன் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அப்படியே ராஜமாதா புடவை பாவாடையை வழிச்சி தூக்கி அவ புண்டைய விரிச்சி என் சுன்னிய சரக்க்க்க் ன்னு இறக்கி சக் சக் சக் ன்னு ரம்யா கிருஷ்ணனை ஓக்க ஆரம்பிச்சேன் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">ஏய் ஏய் யார் நீ ??? இங்க வந்து என்ன பண்ணுகிறாய் ??? என்று என்னை அங்கே சற்றும் எதிர் பாராத ராஜமாதா கோபமாக கத்தினாள் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அவ ஜட்டியும் போடல ஒன்னும் போடல (அந்த காலத்துல ஏது ஜட்டி???)</span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அதனால அவ பாவாடையை தூக்கியதுமே அவ கொழுத்த புண்டை ரெடியா இருந்தது </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">நான் எதை பத்தியும் கண்டுக்காம ரம்யா கிருஷ்ணன் புண்டைல ஓத்து கிட்டே இருந்தேன் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அவ்ளோ பெரிய மகிழ்மதி அரசவைல 1000 க்கணக்கான மக்கள் மந்திரிகள் கோணக்கை புருஷன் நாசர் அத்தனை பேர் முன்னாடியும் ராஜமாதாவை அவ உக்காந்து இருந்த ராஜ சிம்மாசனத்துலயே தள்ளி சாய்ச்சி படுக்க வச்சி ஓத்துட்டு இருந்தேன் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">என் சுன்னி சரக்க்க்க் சரக்க்க்க் ன்னு ரம்யா சூடான புண்டைக்குள்ள போய் போய் வந்துட்டு இருந்தது </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அவளும் என் ஒவ்வொரு குத்துக்கும் ஆஆஆ என்று அலறி கொண்டே என்னங்க எவனோ வந்து என்னை எல்லோர் முன்னிலையிலும் புணர்ந்து கொண்டு இருக்கிறான் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">கட்டிய கணவனாக இருந்தும் இப்படி கல் தூண் போல பார்த்துட்டு சும்மா இருக்கீங்களே ன்னு கோணக்கை நாசரை பார்த்து கோபமாக கத்தினாள் ராஜமாதா </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">நான் என்ன செய்வது சிவகாமி ??? எனக்கும் ஒன்றும் புரியவில்லை </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">யார் இவன் ??? எங்கிருந்து நம் அவைக்குள் வந்தான் ??? உன்னை ஓக்க இவனுக்கு எப்படி துணிவு வந்தது ???</span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">எனக்கும் குழப்பமாக இருக்கிறது சிவகாமி என்று நாசரும் குழப்பத்துடன் நான் ராஜமாதாவை ஓப்பதை ஆச்சரியமாக பார்த்து கொண்டு இருந்தார்  </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">ஆஹா என்ன ஒரு லக்கு எனக்கு </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அங்கே அவ்ளோ போர் வீரர்கள் சேனைகள் இருந்தும் அவர்கள் நாட்டு மகாராணியை நான் இவ்ளோ வெறித்தனமா ஓக்கிறதை யாராலும் தடுக்க முடியவில்லை </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">போர் வீரர்களே ! அவன் நம் மகாராணியை ஓப்பதை தடுத்து நிறுத்துங்கள் ன்னு நாசர் வீரர்களை பார்த்து கட்டளையிட்டார் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">மன்னிக்கவும் மன்னா !!! எங்களால் ஒரு அடி கூட எடுத்து வைக்க முடியவில்லை</span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">நாங்கள் எல்லோரும் ஏதோ ஒரு கட்டுப்பாட்டில் செயல் இழந்து இருக்கிறோம் என்று வீரர்கள் நாசரை பார்த்து வெட்கி தலை குனிந்தபடி சொன்னார்கள் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அதை பார்த்ததும் எனக்கு இன்னும் வெறி ஏறியது </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">ரம்யா கிருஷ்ணன் புடைக்குள் இன்னும் ஆழமாக என் சுண்ணியை இறக்கி இறக்கி குத்தினேன் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">சுமார் 20-30 நிமிடங்களுக்கு மேல் ரம்யா கிருஷ்ணனை ஆசை தீர வெறி தீர ஓத்தேன் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">என் சுன்னியில் இருந்து புளுக் புளுக் என்று கஞ்சி பொங்கி ராஜமாதா புண்டைக்குள் வெதுவெதுப்பாக இறங்கியது </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">தொடரும் 1</span></span>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">நடிகைகளை ஓக்க கிடைத்த சந்தர்ப்பங்கள் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">எனக்கு திடீர்ன்னு ஒரு சூப்பர் பவர் வந்தது </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">நான் யூ டியூப் ல எந்த படம் பார்த்தாலும் அந்த படத்துக்குள்ள போய் அதுல நடிக்கிற எந்த நடிகையா இருந்தாலும் என்னால அவங்களை ஓக்க முடியும் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அப்படி ஒரு சூப்பர் பவர் எனக்கு கிடைத்தது </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அந்த பவர் கிடைத்ததுமே முதல்ல நான் ஓக்க நினைச்சது பாகுபலி ல நடிச்ச நம்ம ராஜமாதா ரம்யா கிருஷ்ணனை தான் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">உடனே யூ டியூப் ல பாகுபலி படம் சர்ச் பண்ணி பார்க்க ஆரம்பிச்சேன் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">ஸீன்ஸ் எல்லாம் வேகமா ஓட்டி பார்வர்ட் பண்ணி ராஜமாதா அரசவைல இருக்க ஸீன் க்கு போனேன் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அப்படியே சர்ர்ன்னு ஸீன் உள்ள போய்ட்டேன் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அரசவைல ராஜமாதா ஏதோ வழக்கை விசாரித்து இதுவே என் கட்டளை இதுவே என் சாசனம் என்று கர்ஜித்து கொண்டு இருந்தாள் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">நான் சல்ன்னு ஸீன் உள்ளே போனேன் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அப்படியே ராஜமாதா புடவை பாவாடையை வழிச்சி தூக்கி அவ புண்டைய விரிச்சி என் சுன்னிய சரக்க்க்க் ன்னு இறக்கி சக் சக் சக் ன்னு ரம்யா கிருஷ்ணனை ஓக்க ஆரம்பிச்சேன் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">ஏய் ஏய் யார் நீ ??? இங்க வந்து என்ன பண்ணுகிறாய் ??? என்று என்னை அங்கே சற்றும் எதிர் பாராத ராஜமாதா கோபமாக கத்தினாள் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அவ ஜட்டியும் போடல ஒன்னும் போடல (அந்த காலத்துல ஏது ஜட்டி???)</span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அதனால அவ பாவாடையை தூக்கியதுமே அவ கொழுத்த புண்டை ரெடியா இருந்தது </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">நான் எதை பத்தியும் கண்டுக்காம ரம்யா கிருஷ்ணன் புண்டைல ஓத்து கிட்டே இருந்தேன் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அவ்ளோ பெரிய மகிழ்மதி அரசவைல 1000 க்கணக்கான மக்கள் மந்திரிகள் கோணக்கை புருஷன் நாசர் அத்தனை பேர் முன்னாடியும் ராஜமாதாவை அவ உக்காந்து இருந்த ராஜ சிம்மாசனத்துலயே தள்ளி சாய்ச்சி படுக்க வச்சி ஓத்துட்டு இருந்தேன் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">என் சுன்னி சரக்க்க்க் சரக்க்க்க் ன்னு ரம்யா சூடான புண்டைக்குள்ள போய் போய் வந்துட்டு இருந்தது </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அவளும் என் ஒவ்வொரு குத்துக்கும் ஆஆஆ என்று அலறி கொண்டே என்னங்க எவனோ வந்து என்னை எல்லோர் முன்னிலையிலும் புணர்ந்து கொண்டு இருக்கிறான் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">கட்டிய கணவனாக இருந்தும் இப்படி கல் தூண் போல பார்த்துட்டு சும்மா இருக்கீங்களே ன்னு கோணக்கை நாசரை பார்த்து கோபமாக கத்தினாள் ராஜமாதா </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">நான் என்ன செய்வது சிவகாமி ??? எனக்கும் ஒன்றும் புரியவில்லை </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">யார் இவன் ??? எங்கிருந்து நம் அவைக்குள் வந்தான் ??? உன்னை ஓக்க இவனுக்கு எப்படி துணிவு வந்தது ???</span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">எனக்கும் குழப்பமாக இருக்கிறது சிவகாமி என்று நாசரும் குழப்பத்துடன் நான் ராஜமாதாவை ஓப்பதை ஆச்சரியமாக பார்த்து கொண்டு இருந்தார்  </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">ஆஹா என்ன ஒரு லக்கு எனக்கு </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அங்கே அவ்ளோ போர் வீரர்கள் சேனைகள் இருந்தும் அவர்கள் நாட்டு மகாராணியை நான் இவ்ளோ வெறித்தனமா ஓக்கிறதை யாராலும் தடுக்க முடியவில்லை </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">போர் வீரர்களே ! அவன் நம் மகாராணியை ஓப்பதை தடுத்து நிறுத்துங்கள் ன்னு நாசர் வீரர்களை பார்த்து கட்டளையிட்டார் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">மன்னிக்கவும் மன்னா !!! எங்களால் ஒரு அடி கூட எடுத்து வைக்க முடியவில்லை</span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">நாங்கள் எல்லோரும் ஏதோ ஒரு கட்டுப்பாட்டில் செயல் இழந்து இருக்கிறோம் என்று வீரர்கள் நாசரை பார்த்து வெட்கி தலை குனிந்தபடி சொன்னார்கள் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">அதை பார்த்ததும் எனக்கு இன்னும் வெறி ஏறியது </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">ரம்யா கிருஷ்ணன் புடைக்குள் இன்னும் ஆழமாக என் சுண்ணியை இறக்கி இறக்கி குத்தினேன் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">சுமார் 20-30 நிமிடங்களுக்கு மேல் ரம்யா கிருஷ்ணனை ஆசை தீர வெறி தீர ஓத்தேன் </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">என் சுன்னியில் இருந்து புளுக் புளுக் என்று கஞ்சி பொங்கி ராஜமாதா புண்டைக்குள் வெதுவெதுப்பாக இறங்கியது </span></span><br />
<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size"><span style="font-family: NotoSansTamil-Regular;" class="mycode_font">தொடரும் 1</span></span>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[The Forbidden Island]]></title>
			<link>https://xossipy.com/thread-74909.html</link>
			<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 09:27:05 +0300</pubDate>
			<guid isPermaLink="false">https://xossipy.com/thread-74909.html</guid>
			<description><![CDATA[<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Hi all! <br />
</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">I’m here with another story. Ye story mujhe ek reader ne share ki thi. I’m not really sure about the original author, but original story kaafi short aur rushed thi. Mujhe iska basic theme kaafi interesting laga, so I decided to completely rewrite it in my own way.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Original story se sirf <span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">characters aur basic setting</span> li gayi hai. Baaki story ke saare <span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">aspects, twists, turns, threats aur developments meri imagination se hain.</span> Basically, maine ise apne style mein ek completely different story bana diya hai.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">I had actually written this story quite some time ago, but kabhi post nahi kiya. </span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">And don’t worry, main apni old stories abandon nahi kar raha hoon. Instead, main abhi un sabko complete kar raha hoon. Stories kaafi long hain, isliye sabko finish karne mein kuch months lagenge. Once they’re completely finished from my end, I’ll be able to give you <span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">continuous updates</span> without making you wait for every chapter.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">So please thoda patience rakho. </span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Lekin ye story already mere laptop par completely finished hai, so I thought, why not post this one in the meantime? Iski updates bhi hopefully ek month ke andar complete ho jayengi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">So, enjoy the story! ❤️</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">And as always, hope you guys like it.</span><br />
<br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Story Begins....</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Mumbai ki shaam hamesha ek ajeeb si behaya raftaar ke saath aati thi—bhaagti hui gaadiyon ka shor, door samundar se aati namkeen hawa, aur un unchi emaraton ke shishen jo dhalati dhoop mein sone ki tarah chamakte the. Marine Drive ke paas bane us aalishan residential tower ke barahwein maale par, 3BHK ke us luxurious flat mein bhi dhoop ki aakhri narangi kiranen aakar phail gayi thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Lekin us chaar hazar square feet ke ghar ke andar ek aisi khamoshi thahri hui thi, jo kisi dharati ke andar hone wale zalzale se pehle hoti hai. Bahar se dekhne par Sharma family parfect lagti thi—ek behad kamyaab businessman pati, ek behad khoobsurat aur sambhalti hui biwi, aur ek shaant, padhaaku beta. Lekin us mehangay Italian marble aur designer lights ke peeche, rishte dheere-dheere ret ki tarah phisal rahe the.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj Sharma, 45 saal ke, apne hi khade kiye hue textile empire ke bojhtale itne dabe hue the ki unke liye unka ghar sirf ek aisi jagah ban chuka tha jahan woh nahaane, kapde badalne aur paanch ghante ki adhi-adhuri neend lene aate the. Unka chahra hamesha ek ajeeb se tanav mein rehta, aankhon ke neeche kaale ghere aur mathe par waqt se pehle aayi shrikant. Subah saat baje unka briefcase band hota aur raat ke baarah baje unke jooton ki aawaaz hallway mein gunjti.</span><br />
<br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Ghar ke baaki do logon ke liye woh ek saaya ban chuke the.</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya Sharma ne dining table par rakhe hue crystal vase ko ek baar phir se adjust kiya. Unki umar baalis saal ki ho chuki thi, lekin unhe dekh kar koi bhi yeh kehne ki jurrat nahi kar sakta tha. Priya ki kaaya mein ek aisa raw, mature aakarshan tha jo umar ke saath aur gahra ho gaya tha. Resham jaise kaale baal jo kamar tak lehraate the, aur unka jism—ek aisi tanaav aur soft curves ka milan jo yoga ki saalon ki tapasya se bana tha. Pet bilkul flat, kamar patli, aur unke bhari-bhari D-cup breasts jo har saree ya kurta ke andar apni ek ba-asar mojoodgi darz karwate the.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne balcony ki taraf dekha. Unke chahre par ek halki, udas muskaan aayi. Woh mirror ke samne khadi hui. Aam tor par log is umar mein dhalne lagte hain, lekin Priya ka jism jaise apne sabse madhosh daor se guzar raha tha. Unki gori rangat, chodhvi ke chaand jaisa gol chahra, aur badi, bolti hui aankhen. Lekin us khoobsurati ko sarahne wala ghar mein koi nahi tha. Raj ke paas unhe dekhne ka waqt nahi tha, aur Priya ke dil ke andar ek aisi pyas janam le rahi thi jo jism se zyada rooh ki akelapan thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Ab bhi itni sundar hoon... lekin kis ke liye?" unhone khud se aahista se kaha, aur apni saree ke pallu ko sahi karte hue kitchen ki taraf badh gayi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Kitchen mein jab poha pakne ki khushbu phailne lagi, tabhi Arjun wahan aaya. Unka unnis saal ka beta. Arjun thoda introvert tha, kitabon aur apni hi duniya mein gum rehne wala. Lekin apni maa ke liye uske dil mein ek behad azeeb, shiddat bhari waftadari thi. Woh apni maa ka sabse bada sahara tha, aur shayad Priya bhi yeh baat jaanti thin.</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><a href="https://imgbb.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url"><img src="https://i.ibb.co/PGV5K1Ds/1786428702629.png" alt="[Image: 1786428702629.png]" class="mycode_img" /></a></span><br />
<br />
<br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><a href="https://imgbb.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url"><img src="https://i.ibb.co/k62DhHcN/1786428708565.png" alt="[Image: 1786428708565.png]" class="mycode_img" /></a></span><br />
<br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ne fridge khola aur cold water ki bottle nikalte hue maa ko dekha. Priya us waqt gas ke paas jhuki hui thin. Unhone ek light yellow rang ki mulmul ki saree pehni hui thi, blouse thoda tight tha jo unki peeth aur waist ke deep curves ko ubhar raha tha. Jab woh poha chalaane ke liye aage jhuk thin, unka saree ka pallu thoda sa sarak gaya tha, jis se unka gehra cleavage aur breasts ka uper ka hissa saaf jhalak raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ki nazar ek microsecond ke liye wahan atki. Uske dil ki dhadkan achanak tez hui. Usne turant apni nazar hata li, ek ajeeb sa guilt uske seene mein daud gaya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Mumma... aaj phir se poha?" Arjun ne apni aawaaz ko jitna ho sake normal rakhne ki koshish karte hue poochha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne peeche mud kar dekha, unke chahre par wahi mithi, aanchal jaisi muskaan thi jo Arjun ke saare tanav ko pigments mein baant deti thi. "Haan beta. Tumhe pasand hai na? Chalo, baitho, main abhi garam-garam lagati hoon."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Woh plate mein poha nikalne lagin. Unki choodiyon ki khanak kitchen ke sannate ko tod rahi thi. "Papa aaj ghar pe hain," Priya ne aahista se kaha, unki aawaaz mein ek dabaye hue intezar ka dard tha. "Thoda time nikaal ke baat kar lena unse, Arjun. Tum dono ke beech ki doori mujhe achhi nahi lagti."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ne dining chair khainchi aur baith gaya. "Main try karta hoon Mumma... lekin Papa toh hamesha phone ya laptop mein hi rehte hain. Unke paas mere liye time kahan hai?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne plate uske samne rakhi aur uske sar par haath phiraaya. Unke haath ki garmaahat aur unke jism se aati jasmine aur chandan ki halki khushbu Arjun ke sanson mein utar gayi. "Koshish karo, beta. Rishte sambhalne padte hain."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Tabhi Raj Sharma kitchen ki taraf aaye. Haath mein iPad, doosre haath mein Bluetooth earpiece. Unhone ek baar bhi Priya ki taraf nahi dekha, na hi Arjun ki taraf koi baap wali warm look di.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Raj... aaj Sunday hai," Priya ne aage badhte hue behad soft voice mein kaha, unki aankhon mein ek aakhri umeed thi. "Thoda family time nikaalo na. Aaj hum sab saath mein breakfast karte hain."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne iPad se nazar hataye bina hi jawab diya, aawaaz mein koi jazbaat nahi the. "Meeting hai mere video call pe. Dubai ke client hain. Main study room mein khana mangwa lunga. Tum log khao."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Woh palat kar apne study room ki taraf badh gaye. Unke qadmon ki aawaaz ke saath hi Priya ka chahra ek baar phir bujh gaya. Unka pallu niche gir gaya tha, lekin unhe sambhalne ka hosh nahi raha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ne apni maa ke un dhale hue shandhon ko dekha. Uska dil chah raha tha ki woh uthe aur Papa par chillaaye, lekin woh chup raha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne apne aansuon ko andar hi ghoont liya aur Arjun ki taraf dekh kar ek nakli muskaan bikhri. "Chalo beta... hum dono kha lete hain."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Do-pahar ke waqt, jab Raj apne study room mein kisi international deal par chilla rahe the, Priya balcony mein khadi thin. Unke baal hawa mein ud rahe the. Pata nahi kyun, aaj unhe apna hi ghar ek pinjra lag raha tha. Unki umar ka woh mod jahan ek aurat ko sabse zyada muhabbat, izzat aur sahare ki zaroorat hoti hai, wahan woh bilkul akeli thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun dhere se balcony ke darwaze par aaya. Usne dekha ki uski maa ki aankhen nam thin. Uska pair aage badha aur usne dhere se Priya ke shoulder par apna haath rakh diya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne chounk kar peeche dekha, lekin Arjun ko dekh kar unka tanaav kam ho gaya. Unhone Arjun ka haath apne gaal par lagaaya aur uske baal sehlaaye. "Haan beta? Tumne padhai kar li?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Mumma... aap theek ho?" Arjun ne uski aankhon mein jhankte hue poochha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ki aankhon se ek aansu phisalke Arjun ki ungliyon par gira. "Haan beta. Bas... kabhi-kabhi lagta hai ki main is ghar mein ek shringaar ki cheez ban ke reh gayi hoon. Papa bahut door nikal gaye hain humse."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ke andar ka beta jaag utha. Usne aage badh kar Priya ko apne gale se laga liya. "Aap aisa mat socho, Mumma. Main hoon na aapke saath. Main aapko kabhi akela nahi chhodunga."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne bhi Arjun ko kas ke pakad liya. Us pal mein, do bhatke hue dil ek doosre se lipat gaye the. Priya ke bhari aur soft breasts Arjun ke seene par tight press hue. Priya ke jism ki woh warmth, uski body scent, aur uski saanson ki garmi Arjun ki neck par mehsoos hui. Arjun ke jism mein ek ajeeb sa current daud gaya. Ek aisi aanch jo betepan ki sarhad ko chhute hue bhi kuch aur mehsoos karwa rahi thi. Arjun ko achanak ahasas hua ki uski maa ek behad khoobsurat aur jawan aurat bhi hain.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Guilt ke ek jhatke ke saath, Arjun dhere se alag hua. Unka chahra halka sa laal tha. Priya ne shayad is baat par dhyan nahi diya, unhe bas apne bete ka sahara mehsoos hua tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Shaam ko, ghar ka mahool aur bhari ho gaya tha. Priya ne living room mein apna yoga mat bichhaya. Yeh unka roz ka routine tha—jism ko fit rakhne aur dimaag ke shor ko shaant karne ka ek zariya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Living room ka darwaza adha khula tha. Arjun apne kamre se kitchen ki taraf paani lene ja raha tha ki uski nazar pad gayi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya us waqt *Downward-Facing Dog* aur *Cobra Pose* kar rahi thin. Unhone ek tight black gym leggings aur ek low-cut sports bra pehna hua tha. Saree utar chuki thi. Unki kamar ka arc, unki bhari hips jo hawa mein thin, aur jab woh aage jhuk thin toh unke heavy D-cup breasts sports bra ke andar se bahar aane ko beqaraar dikh rahe the. Unka pet ekdum flat tha, aur perspiration ki boonden unke gale aur chest par chamak rahi thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ke qadam wahin jam gaye. Uski saans atak gayi. Uske dimaag mein ek taraf apni maa ke liye izzat thi, aur doosri taraf ek 19 saal ke ladke ka jawan jism jo is bemisaal khoobsurati ko dekh kar machal utha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne ek gehri saans li, unki chest ooper-neeche hui. Unki aankhen band thin.</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><a href="https://imgbb.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url"><img src="https://i.ibb.co/GQxs8t1Q/1786428712008.png" alt="[Image: 1786428712008.png]" class="mycode_img" /></a></span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ne zor se apni aankhen band ki. "Nahi... nahi Arjun, yeh teri maa hain. Tu yeh kya soch raha hai!" usne khud ko andar hi andar gusse mein daanta aur bina koi aawaaz kiye dhere se apne kamre mein wapas chala gaya, uska dil seene mein kisi janglee janwar ki tarah dhadak raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raat ke do baje.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Ghar ke saare lights bujh chuke the. Master bedroom mein, king-size bed ke ek kone par Raj Sharma so rahe the—apni peeth Priya ki taraf kiye hue, unki saanson mein sirf thakan thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Doosre kone par Priya leti hui thi. Unki aankhen chhat par tiki thin. Unka haath dhere se apne hi pet par aur phir apni chest par gaya. Ek ajeeb si khalish thin. Ek khwahish ki koi unhe chhue, koi unhe bataye ki woh zinda hain, woh khoobsurat hain. Unka jism garmi se sulag raha tha, lekin paas leta hua pati ek barf ki deewar ban chuka tha. Unhone ek gehri aah bhari aur aankhen band kar li.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Wahin, doosre kamre mein, Arjun bhi jaag raha tha. Uski nazar ceiling par thi, lekin uski dimaag mein baar-baar maa ka woh roop, woh khushbu, aur unka woh soft touch ghoom raha tha. Woh guilt mein jal raha tha, lekin sath hi ek ajeeb si bekudi us par haawi ho rahi thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Sharma family bahar se ek aalishan mahel ki tarah khadi thi. Lekin andar se, uski buniyaad mein gehre cracks aa chuke the.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Aur un teeno mein se kisi ko yeh andaza nahi tha ki kuch hi hafton mein, ek luxury cruise ship par unki zindagi ka yeh naazuk shisha hamesha ke liye tootne wala tha—ek aisa toofan aane wala tha jo unke saare rishton ko hamesh ke liye badal kar rakh dega.</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">## Chapter 2: A Flicker of Hope</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Agle hi hafte, Sharma family ke us shaant flat mein kuch aisa hua jiski kisi ne umeed nahi ki thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ek raat office se thoda jaldi ghar aa gaye—raat ke kareeb saade nau baje. Puraane dino ki tarah unke chehre par wahi ghamand aur thakan thi, lekin unke qadmon mein ek alag si tezi thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Us waqt Priya kitchen mein khadi kal ke nashte ki taiyari kar rahi thi. Unhone ek halki pink rang ki silk nighty pehni hui thi. Us nighty ka fabric kaafi soft aur patla tha, jo unke jism ke curves se chipka hua tha. Light ke neeche unke bhari-bhari D-cup breasts ka shape bilkul saaf dikh raha tha, aur nighty ke neeche se unki toned thighs aur kamar ka curve jhalak raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Jab Priya chawal ke dibbe ko counter par rakh rahi thin, tabhi Raj ne peeche se aakar dhere se unki kamar par apna haath rakh diya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ek pal ke liye chaunk gayi. Unhone pichle kai mahinon se Raj ka aisa touch mehsoos nahi kiya tha. Unhone ghum kar Raj ki taraf dekha, unki badi aankhon mein hairani thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Aaj itni jaldi? Sab theek toh hai na, Raj?" Priya ne dhere se poochha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ke chehre par ek halki si muskaan aayi—ek aisi smile jo shayad saal bhar se missing thi. "Haan... sab theek hai. Main bas raste mein soch raha tha. Hum teeno ko ek break ki zaroorat hai, Priya. Main... main kaam mein itna doob gaya tha ki tum par aur Arjun par dhyan hi nahi de paaya."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne unki taraf dekha. Unke dil ke kisi kone mein ek soyi hui umeed phir se jaag uthi. "Matlab? Aap kya kehna chahte ho?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne fridge khol kar paani ki bottle nikali aur ek ghoont bhar kar bole, "Maine ek luxury cruise book ki hai. Agle mahine. Teen raat aur chaar din ka trip hai. Maldives ke paas ka route hai. Sirf hum teen honge. Koi client calls nahi, koi office ka pressure nahi. Bas humari family."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ka chehra pehle toh ekdum blank hua, phir unke honton par ek khoobsurat, chamakti hui muskaan phail gayi. "Sach mein, Raj? Yeh... yeh toh bohot pyaara surprise hai!"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Unhone ek step aage badh kar Raj ke chest par apna haath rakha. Pink nighty ke andar se unki saansen thodi tez chalne lagi thin. "Mera kabse mann tha ki hum teeno kahin door chalein. Saath mein thoda waqt bitayein."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne unka haath pakda aur halka sa dabaya. Unka touch abhi bhi thoda formal aur mechanical tha, lekin Priya ke liye yeh bhi bohot bada badlaav tha. "Haan, Priya. Main is baar poori koshish karunga. Main promise karta hoon."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Tabhi Arjun apne kamre se paani lene ke liye bahar nikla. Kitchen mein Mom aur Dad ko itne paas khade aur baat karte dekh kar woh wahin ruk gaya. Uske chehre par surprise saaf dikh raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Kya hua, Mumma? Sab khairiyat?" Arjun ne poochha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya turant ghoomi, unka chehra khushi se khil utha tha. Unki gaalon par halki red rangat aa gayi thi. "Arjun! Beta, idhar aao. Tumhare Papa ne hum sabke liye ek cruise trip book kiya hai! Hum teeno saath ja rahe hain... khula samundar, bada sa ship, sab kuch!"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ki aankhen badi ho gayi. "Really, Papa? Khula samundar? Kab nikalna hai?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Agle mahine ki bees tareek ko," Raj ne muskura kar kaha. "Apni packing abhi se shuru kar do. Thode formal kapde bhi rakh lena, ek-do raaton ko main deck par dinner ke liye chalenge."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Us raat ghar ke mahol mein ek aisi warm energy aa gayi thi, jo shayad pichle do saalon se kahin kho gayi thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Agle kuch din ghar mein sirf packing aur shopping ki baatein hoti rahin. Flat mein jo sannaata rehta tha, woh ab kapdon ki shor aur travel bags ki chain kholne-band karne ki aawaazon se bhar gaya tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne apne wardrobe ke saare darwaze khol diye the. Sarees, evening gowns, beach dresses... aur naye khareede hue swimsuits.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Ek dopahar, Arjun apne kamre se nikal kar hall ki taraf ja raha tha. Master bedroom ka darwaza adha khula tha. Uski nazar andar gayi aur woh wahin freeze ho gaya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya mirror ke samne khadi thi. Unhone ek black color ka one-piece swimsuit pehna hua tha, jo unhone specially cruise ke pool ke liye mangwaya tha. Fabric unke jism par ekdum tight chipka hua tha. Unke bhari breasts ko woh swimsuit tightly hold kiye hue tha, jis se deep neck ke upar unka cleavage bohot gehra dikh raha tha. Neeche unki kamar ka patla curve aur unki bhari thighs ekdum clear dikh rahi thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya side angle se mirror mein apna reflection dekh rahi thin. Unhone apna haath apne flat pet par rakha, jo yoga ki wajah se 42 ki umar mein bhi ekdum tight tha, aur phir apne shoulders ko peeche karke apni posture check ki.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ki saans us pal ke liye gusse aur ajeeb si aanch se atak gayi. Uska dil seene mein zor-zor se dhadakne laga. *'Maa itni... itni hot aur attractive kaise lag sakti hain?'*</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Usne jaldi se apni nazar palti aur bina koi aawaaz kiye dhere se apne kamre mein chala gaya. Uska dimaag sunn ho raha tha. Usne apne chehre par paani ke chhinak maare aur khud ko daanta, *'Tu kya soch raha hai Arjun? Woh teri Maa hain... unhe is nazar se mat dekh!'* Lekin woh image uske dimaag mein aag ki tarah chhap chuki thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Thodi der baad, Priya ne living room mein sofa par kapde fold karte hue Arjun ko aawaaz di. "Arjun! Beta, ek minute idhar aana toh."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun thoda sa hichkichate hue bahar aaya. Priya ke haath mein ek deep maroon rang ki silk saree thi jismein heavy golden border tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Unhone woh saree apne jism par rakh kar hold ki aur Arjun ko dikhate hue poocha, "Yeh wali saree dekh beta. Kya yeh cruise ke final dinner night ke liye sahi rahegi?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Matching blouse ka design kaafi deep neck tha. Arjun ne apni nazar saree par rakhi, Priya ke chehre aur unki chest se bachte hue. Usne apni aawaaz ko jitna ho sake normal rakhne ki koshish ki. "Haan... Mumma. Bohot achhi lag rahi hai. Aap par bohot suit karegi."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya khilkhila kar muskura di. "Chalo phir yeh lock hui. Tum bhi apne formal shirts aur blazers nikaal kar rakh lo. Papa ke saath matching karna."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ab bhi mostly apne phone aur emails par busy rehte the, lekin ab woh shaam ko thoda waqt nikaal kar packing mein help kar dete the. Ek shaam unhone Priya ke suitcase mein sunscreen, sunglasses aur beach hats rakhte hue kaha, "Priya, maine team ko bol diya hai. Is chaar din mein koi emergency call hi attend karunga. No laptop."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne unki taraf dekha. Unki aankhon mein ek ajeeb sa sukoon tha. "Bas itna hi chahiye, Raj. Thoda sa humare saath present rehna. Hum teeno ko iski bohot zaroorat hai."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Us raat dinner table ka scene pehle jaisa thanda nahi tha. Baatein ho rahi thin, khane ki mehak ke saath hansi ki aawaazein mil rahi thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun excitement mein pooch raha tha, "Mumma, ship par sach mein itna bada pool hota hai? Aur buffet mein international food bhi milta hai kya?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne uske liye roti paros te hue kaha, "Haan beta, sab kuch hota hai. Aur sabse khoobsurat toh woh raat ka samundar hota hai... jab charo taraf sirf paani ho aur upar taare chamak rahe hon."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne bhi halki si smile di. "Tum dono jitna ho sake enjoy karna. Main bhi poori koshish karunga free rehne ki."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne Arjun ke baalon mein haath phiraaya. "Tumhe toh swimming achhi tarah aati hai na? Last year hi toh seekhi thi."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Haan Mumma, ekdum perfect. Aur aapko?" Arjun ne poocha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Mujhe bhi aati thi... pehle. Ab toh bohot saal ho gaye paani mein utre hue. Dekhte hain wahan ja kar," Priya ne hante hue kaha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raat ko jab Arjun apne kamre mein chala gaya, tab Priya balcony mein khadi shaant hawa ko feel kar rahi thin. Unke lambe kaale baal hawa mein halka-halka ud rahe the.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj peeche se aaye aur unhone Priya ke shoulder par apna haath rakha. "Excited ho?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne peeche mud kar Raj ki aankhon mein dekha. "Haan... bohot time baad aisa feel ho raha hai. Mujhe poori ummeed hai ki yeh trip humari family ko phir se pehle jaisa close le aayega."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne zyada kuch nahi kaha, bas unke shoulder ko lightly press kiya. Unke touch mein abhi bhi woh purani passionate intimacy toh nahi thi, lekin ek sachhi koshish zaroor jhalak rahi thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne dhere se apni aankhen band kar lin aur dimaag mein ek dua mangi. *'Bhagwan kare sab theek ho jaaye. Yeh cruise humari family ka naya start bane.'*</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Unke andar ek soft hope jag chuki thi. Yeh trip unke liye sirf ek ghumne ki jagah nahi thi, balki unki toot ti hui shaadi aur bikharte hue ghar ko bachane ka ek aakhri mauka tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Aur doosre kamre mein, Arjun apne bed par leta hua chhat ko ghoor raha tha. Uske dimaag mein baar-baar apni Maa ka woh swimsuit wala roop, unki pyari smile aur unka excited chehra ghoom raha tha. Uske andar apni Maa ko protect karne ki ek gehre waftadari thi... lekin us feeling ke neeche ek aisa guilty aakarshan bhi dab raha tha, jise woh accept karne se darta tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Sharma family ab poori tarah se apni journey ke liye ready thi. Unhein zara bhi andaza nahi tha ki samundar ki lehron ke beech unki zindagi aisi karwat lene wali thi, jo unke wajood ko hamesha ke liye bikher kar rakh degi.</span><br />
<br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Cruise ka din aakhir kaar aa hi gaya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Subah aath baje ke kareeb Sharma family Mumbai ke Chhatrapati Shivaji Maharaj International Airport se seedha international cruise terminal par pahunch gayi. Dhoop mein chamakta hua, paani par tairta ek vishalkay safed mehal jaisa luxury ship khada tha—<span style="font-style: italic;" class="mycode_i">Ocean Pearl</span>. Port par logon ki zabardast bheed thi, trolley par ghoomte hue mehangay suitcases, bachon ki hansi, aur cameras ki flashes har taraf chamak rahi thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne us din ek light blue rang ki floral print vali chiffon maxi dress pehni thi. Unke lambe kaale baal khule the jo samundari hawa mein aazaadi se lehra rahe the, aur shoulders par unhone ek patla sa matching stole daala hua tha. Dress ka fabric behad soft tha, jo chalte waqt unke jism kecurves ko ek bohot hi graceful tarike se hug kar raha tha. Raj ek simple formal shirt aur trousers mein standard corporate executive lag rahe the, jabki Arjun white t-shirt aur beige shorts mein ek seedha-saadha college student lag raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Jab woh teeno wooden gangway se hote hue ship ke upper deck ki taraf chadh rahe the, Arjun ne ek pal ke liye peeche mud kar apni maa ko dekha. Priya ke chehre par bikhri hui woh behad pak, masoom aur sachhi khushi dekh kar Arjun ke dil mein ek ajeeb si narmi aur garmaahat phail gayi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Mumma, dekho toh sahi... yeh kitna bada hai!" Arjun ne excited aawaaz mein kaha, uski aankhen ship ki unchi balconies ko dekh kar phati ki phati reh gayi thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne aage badh kar Arjun ke kandhe par apna haath rakha. Unki ungliyon ki soft touch se Arjun ko ek ajeeb sa sukoon mila. "Haan beta... pehli baar hum itne bade ship par aa rahe hain. Pura saher lag raha hai paani ke upar."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Unka suite upper deck par book tha. Yeh do rooms wala ek interconnected luxury suite tha—ek master bedroom Raj aur Priya ke liye, aur uske saath lagta hua ek chhota room Arjun ke liye. Suite ke living area se seedha ek private balcony khulti thi, jahan se endless neela samundar aur aasmaan ka milan saaf dikhta tha. Priya room mein aate hi seedha balcony ki railing ke paas ja kar khadi ho gayi. Thandi, namkeen hawa ne unke baalon ko unke chehre par bikher diya. Unhone apni aankhen band ki, ek gehri saans li, aur samundar ke sannate ko apne andar utarne diya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne bags ek kone mein rakhte hue poocha, "Kaisa hai, Priya? Sab theek hai na?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne peeche mud kar dekha, unke honton par ek mithi muskaan thi. "Bohot achha hai, Raj. Bohot hi zyada pyara."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Pehle din ki dopahar pool deck par guzri.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun cabin se hi apne swimming trunks pehan kar nikal aaya tha aur bina kisi deri ke pool ke thande paani mein kud chuka tha. Raj deck chair par baith kar apne iPad par kuch emails check kar rahe the—unka phone off toh tha, lekin business mind ki purani aadat abhi poori tarah se gayi nahi thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Thodi der baad Priya pool side ke changing room se bahar niklin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Unhone wahi black color ka one-piece swimsuit pehna tha jo unhone ghar par try kiya tha. Fabric unke jism par kisi doosri skin ki tarah chipka hua tha. Deep neck design hone ki wajah se unke heavy D-cup breasts ka ek gehra cleavage saaf dikh raha tha. Wet look mein unki patli kamar, unki rounded hips aur unki goree, toned thighs ekdum prominent lag rahi thin. Unki 42 saal ki umar ke bawajood unka jism kisi bhi jawan ladki se kahin zyada aakarshak aur bharpoor dikh raha tha.</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><a href="https://imgbb.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url"><img src="https://i.ibb.co/qMtYhJGb/1786428714684.png" alt="[Image: 1786428714684.png]" class="mycode_img" /></a></span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Deck par baithe kuch doosre male tourists ki nazrein ek pal ke liye Priya par aakar atakk gayin. Lekin Priya ne unn sabhi nazron ko poori tarah ignore kiya aur seedha pool ke kinare khade Arjun ki taraf badh gayin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Arjun! Beta, dheere kudo... paani bahar uchhal raha hai!" Priya ne hante hue kaha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ne paani se apna chehra bahar nikala aur jaise hi uski nazar apni maa par padi... woh ek second ke liye bilkul freeze ho gaya. Uski saans atak gayi. Ghar par toh woh hamesha maa ko saree, salwar-suit ya ek dhili nighty mein hi dekhta aaya tha. Yahan khule aasmaan ke neeche, is swimsuit mein... Priya ekdum alag, ekdum aazaad aur behad khoobsurat dikh rahi thin. Arjun ke andar ek ajeeb si aanch daud gayi. Usne jhatke se apni nazar palti, apne gaalon ki garmi ko chupane ke liye paani se chehra dhoya aur bola, "Aap bhi aao na Mumma! Paani bohot mast hai!"</span><br />
<br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><a href="https://imgbb.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url"><img src="https://i.ibb.co/zTCw45fg/1786428717020.png" alt="[Image: 1786428717020.png]" class="mycode_img" /></a></span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne slowly stairs se pool ke thande paani mein entry li. Jaise hi thanda paani unke jism se takraya, unke honton se ek halki, soft sarsarahat jaisi aawaaz nikli. Unhone dhere-dheere paani mein aage badhte hue Arjun ke paas aakar uske geele baalon ko bigad diya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Kitna maza aa raha hai na?" Priya ne khilkhila kar poochha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Haan Mumma... bohot! Par Papa ko bhi bulao na," Arjun ne deck chair ki taraf ishara kiya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne deck ki taraf dekha. Raj abhi bhi iPad par apni ungliyan chala rahe the. Priya ke chehre par ek halki si nirasha aayi, par unhone ek gehri saans lekar us feeling ko dabaya aur Arjun ke saath paani mein khelne lagin. Unhone Arjun par paani ke chhinak maare, fir jab Arjun unhe pakadne aage badha toh woh peeche hat kar bachon ki tarah hansi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Khel-khel mein ek baar Arjun ka paanv phisla aur usne khud ko sambhalne ke liye Priya ke shoulder par apna haath rakh diya. Paani ke andar Priya ki wet, garam skin ka touch Arjun ke haath mein aate hi dono ek second ke liye bilkul silent ho gaye. Unki nazrein mili. Priya ne ek behad soft aur pyari smile di aur dhere se alag ho gayi. Arjun ka dil seene mein kisi dhol ki tarah pitne laga tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Shaam ko ship ke main banquet hall mein formal dinner rakha gaya tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne woh deep maroon rang ki silk saree pehni jismein heavy golden border tha. Blouse ka deep-neck design unke shoulders aur necklines ko behad khoobsurati se highlight kar raha tha. Unhone apne lambe baalon ko loosely ek bun mein baandha hua tha aur kaanon mein halki jhumkiyan pehni thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Jab woh apne room se nikal kar living room mein aayin, toh Arjun unhe dekhte hi wahin ruk gaya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Mumma... aap... aap bohot hi zyada sundar lag rahi ho," Arjun ke mukh se yeh alfaz bina kisi rukawat ke nikal gaye.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ke chehre par ek halki si blushing aayi. Unhone aage badh kar Arjun ke gaal par apna haath rakha. "Thank you mera bacha. Tum bhi kam smart nahi lag rahe ho is shirt mein."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Banquet hall ka mahol behad aalishan tha. Live violin ki dhun baj rahi thi. Dinner table par Raj aaj sach mein thode present lage. Unhone apne phone ko suit ke pocket mein daal diya tha. Unhone apne liye aur Priya ke liye fine red wine order ki, aur Arjun ke liye ek mocktail.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Dinner ke waqt pehli baar mahino baad ek normal family conversation ho rahi thi. Raj ne apne purane dino ke kisse sunaye, Priya purani baaton par khilkhila kar hansi, aur Arjun excitement mein ship ke alag-alag decks ke baare mein batata raha. Raj ke chehre par bhi ek waqt baad sachhi muskuraahat dekhi ja sakti thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Dinner khatam hone ke baad teeno apne suite ki private balcony mein aa gaye.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raat ka waqt tha. Charo taraf sirf gehra neela samundar, door tak koi zameen nahi, aur upar taaron se bhara hua khula aasmaan. Cold sea breeze unke chehron se takra rahi thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya balcony ki wooden railing se lag kar khadi ho gayi. Hawa unke saree ke pallu ko udha rahi thi. Arjun unke bilkul bagal mein aakar khada ho gaya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Mumma... aaj ka din kitna achha tha na?" Arjun ne dhere se kaha, samundar ki lehron ko ghoorte hue.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne Arjun ke shoulder par apna sar thoda sa tika diya. Unke jism ki warmth aur unke baalon ki jasmine khushbu Arjun ki saanson mein bhar gayi. "Haan beta... mujhe toh aisa lag raha hai jaise kaafi saalon baad humari family ek saath aayi hai. Sab kitna shaant aur pyara hai."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj thoda door khade hokar in dono ko dekh rahe the. Unhone apni pocket se phone nikalne ka socha, par phir rokk liya. Unke dimaag mein ek ajeeb sa sukoon aaya—shayad yeh trip unki shaadi aur unke parivaar ko ek naya janam de sakta tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raat ko jab Arjun apne room mein chala gaya, Priya master bedroom mein aayi. Raj bed par baith kar ek kitaab padh rahe the.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne bed par baithte hue Raj ka haath pakda. "Aaj... aaj mujhe bohot achha laga, Raj. Tumne aaj hume waqt diya."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne Priya ke haath ko apne dono haath mein liya aur use dhere se chuma. "Main try kar raha hoon, Priya. Tum sab mere liye bohot important ho."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Us raat unke beech koi jismanya intimacy nahi hui, lekin ek bohot hi pyari, emoshnal closeness zaroor qayim ho gayi thi. Ek aisi closeness jiski Priya ko saalon se pyaas thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Aur doosre kamre mein, Arjun apne bed par leta hua chhat ko ghoor raha tha. Uske dimaag mein baar-baar chal raha tha—Maa ka woh pool mein swimsuit wala roop, unki saree mein khoobsurati, unki soft aawaaz, aur unka woh shoulder par sar tikana. Usne apni aankhen kas ke band ki aur khud ko zor se samjhaaya, <span style="font-style: italic;" class="mycode_i">"Yeh normal hai... woh teri Mumma hain, aur woh tujhe bohot pyar karti hain."</span></span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Lekin uske dil aur jism ke kisi aisi kone mein ek ajeeb si feeling jag chuki thi, jise daba pana ab uske liye din-ba-din mushkil hota ja raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Pehla din umeedon, mithas aur ek naye aagaz ke saath guzar gaya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><span style="font-style: italic;" class="mycode_i">Ocean Pearl</span> dheere-dheere gahre samundar ki taraf badh raha tha... anjaan toofanon se bekhabar.</span><br />
<br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Doosre din ki subah thodi dheemi aur bohot shant thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Sooraj abhi poori tarah se nahi nikla tha, aasmaan par halki gulabi aur narangi rangat bikhri hui thi. Ocean Pearl ke upper deck ke suite mein, Priya balcony ki wooden railing se lag kar khadi thi. Unhone ek behad patli, safed rang ki cotton nighty pehni hui thi jo unke pairon ke takhno tak ja rahi thi. Subah ki mulayam dhoop jab us patle fabric par pad rahi thi, toh unka body outline bilkul saaf jhalak raha tha—unke bhari D-cup breasts ka vazan, unke pet ka soft curve, unki choudee hips aur unki goree thighs ka aakaar.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Unke lambe kaale baal peeth par bikhre hue the. Raj abhi bhi bed par gahri neend mein so rahe the.</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><a href="https://imgbb.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url"><img src="https://i.ibb.co/2fJLnPL/1786428719733.png" alt="[Image: 1786428719733.png]" class="mycode_img" /></a></span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Tabhi Arjun apne kamre ka glass door khol kar living area se hota hua balcony par aaya. Jaise hi uski nazar apni maa par padi, uske qadam wahin ruk gaye. Subah ki thandi hawa mein Priya ki nighty unke jism se chipak rahi thi, aur unka roop kisi chitrkari jaisa haseen lag raha tha. Arjun ke dil ki dhadkan achanak tez ho gayi. Usne apne dimaag ko zor se jhatka aur apni aawaaz ko sambhalne ki koshish ki.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Good morning, Mumma..." Arjun ne dhere se kaha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne chounk kar peeche mud kar dekha. Unke honton par ek behad pyari, mithi subah ki muskaan aayi. "Good morning mera beta. Neend achhi aayi?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Haan Mumma... ekdum mast. Aur aap?" Arjun ne unke paas aakar railing par haath rakhte hue poocha. Unke jism se aati subah ki taazgi aur jasmine ki khushbu Arjun ki saanson mein bhar gayi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Haan, mujhe bhi. Aaj bohot time baad itna relax feel ho raha hai," Priya ne samundar ki taraf dekhte hue kaha. Unki aankhon mein abhi bhi ek halki si umeed ki chamak thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Thodi der baad teeno ne suite ke dining area mein breakfast kiya. Raj late uthe the, aur jab woh table par aaye toh unke haath mein pehle se hi unka phone tha. Priya ne ek baar unke haath mein chamakne wali screen ko dekha, unke chehre ka noor thoda sa kam hua, lekin unhone kitchen se coffee nikalte hue kuch nahi kaha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Din bhar ship ke alag-alag decks par activity chalti rahi. Hawa mein garmi badhne lagi thi. Mid-day mein jab sab deck pool par gaye, toh Priya par male attention kal se kahin zyada tha. Unhone ek light yellow floral swimsuit pehna tha. Jab woh pool chair par let kar sunbathing kar rahi thin, toh aas-paas se guzarne wale kai foreign aur Indian men ki nazrein unki choudee hips, unki tight waist aur unke unche breasts par aakar atak jati thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ek taraf baith kar kisi international client se phone par behas kar rahe the. Unka dhyan apni biwi par bilkul nahi tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun pool ke paas khada tha. Usne dekha ki do young ladke Priya ko ghoor rahe the aur aapas mein kuch whispering kar rahe the. Arjun ke andar achanak ek ajeeb sa gussa aur possessiveness jaag uthi. Uska dil chah raha tha ki woh un ladkon ke paas ja kar unhe dhakka de de. Usne turant ek towel uthaya aur Priya ke paas ja kar unke shoulders par daal diya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne apni sunglasses thodi neeche karke Arjun ko dekha aur halki si hansi. "Kya hua beta?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Kuch nahi Mumma... bas dhoop bohot tez hai. Aapki skin jal jayegi," Arjun ne nazrein churaate hue kaha. Uska dimaag abhi bhi is baat par atka tha ki uski maa kitni zyada attractive aur desire-able hain.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne uske haath par thapthapaaya. "Mera khayal rakhne ke liye thank you, beta."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raat ka waqt aaya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Grand formal dinner ke baad teeno wapas apne suite mein laute. Arjun ne dono ko good night kaha aur apne room mein chala gaya. Uska room interconnected tha, lekin door halka sa ajar (adha khula) reh gaya tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne bathroom mein ja kar apna makeup saaf kiya, apne baalon ko khola aur ek behad khubsoorat, light pink color ki silk-satin nighty pehen li. Yeh nighty behad patli thi aur body par ek paani ki tarah phisal rahi thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Jab woh master bedroom mein aayin, toh Raj balcony se andar aa rahe the.</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Light ke samne khadi Priya ko dekhte hi Raj ke qadam ruk gaye. Nighty ke translucent fabric ke peeche se Priya ke jism ki har ek detail dikh rahi thi—unke bhari-bhari D-cup breasts ka ubhar, unke nipples ka dark outline jo kapde ke upar se saaf ubhar raha tha, unki patli kamar, aur unki goree thighs. Kaafi mahinon baad Raj ke andar ka mard jaag utha tha. Unhone door band kiya aur dhere-dheere Priya ki taraf badhe.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Priya..." Raj ne behad gehri aawaaz mein kaha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne thoda chaunk kar unki taraf dekha. Unki aankhon mein ek ajeeb sa tanaav aur umeed ka milan tha. "Haan, Raj?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne unke bilkul paas aakar unke gaal par haath rakha aur unke baalon ko peeche kiya. "Aaj... aaj main tumhare paas aana chahta hoon, Priya. Bohot din ho gaye hain humare beech is doori ko. I missed you."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ke hont halka sa kaampe. Unki aankhon mein nami aa gayi. Unhone dhere se apne sar ko haan mein hilaaya. "Main bhi, Raj... bohot miss kiya maine."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne aage badh kar Priya ke honton par apne hont rakh diye. Pehle ek bohot hi soft aur pyari kiss thi, lekin jaise-jaise Priya ne respond karna shuru kiya, kiss gehri aur hungry hoti gayi. Unki saansen ek doosre se takraane lagin. Kaafi arse baad Priya ko mehsoos hua ki woh kisi ke liye desire-able hain.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ke haath Priya ki nighty ke andar gaye, unki smooth back aur unki waist ko sehlane lage. Unhone dhere se nighty ke patle straps ko Priya ke shoulders se neeche saraka diya. Silk ki nighty phisal kar neeche floor par gir gayi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ab bilkul nangi, kamre ke dim yellow light mein Raj ke samne khadi thin. Unka 42 saal ka mature jism kisi ajeeb hi nasha bikhher raha tha—unke bhari, aakarshak breasts, unka soft aur halka sa rounded pet, unki choudee hips, aur unke dono thighs ke beech unka saaf, soft secret area.</span><br />
<br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><a href="https://imgbb.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url"><img src="https://i.ibb.co/0yn9dPSJ/1786428722641.png" alt="[Image: 1786428722641.png]" class="mycode_img" /></a></span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne ek gehri saans li aur unke breasts ko ghoorte hue kaha, "Tum abhi bhi... bilkul wahi ho, Priya. Itni hi khoobsurat."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne unhe bed par litaya aur unke upar aa gaye. Unhone apne kapde utar kar phaink diye. Raj ne sabse pehle Priya ke gale aur collarbone par apne hont rakhe, aur phir dhere-dheere neeche aate hue unke left breast ko apne haath mein bhar liya. Unka haath poori tarah se us heavy breast ko cover nahi kar pa raha tha. Unhone use soft squeeze kiya, aur phir unke nipple ko apne muh mein bhar kar suck karne lage.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Ahhh... Raj..." Priya ke honton se ek gehri, aah bhari moan nikli. Unhone apne dono haath Raj ke baalon mein daal diye aur unhe apne jism par aur kas liya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne ek-ek karke dono breasts ko behad shiddat se choosa aur dabaaya. Unki tongue jab Priya ke nipples par ghoomti, toh Priya ki kamar bed se halki si upar uth jaati.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Isi beech, interconnected room ke adhe khule darwaze ke paas... Arjun khada tha. Woh paani lene ke liye utha tha, lekin kamre se aati un halki moans aur jismon ke takraane ki aawaaz ne uske qadmon ko wahin rok diya tha. Unkscious state mein, uski nazar door ke gap se andar gayi. Usne dekha ki uski maa bed par bilkul nangi leti hui hain, aur unke heavy breasts uske baap ke haath aur muh mein hain. Arjun ka poora jism aag ki tarah sulag utha. Uski saans atak gayi, uska dil seene ko tod kar bahar aane ko beqaraar tha. Ek taraf behad khaufnak guilt tha, aur doosri taraf ek aisa jismanya nasha jo use wahin jamaye rakh raha tha. Usne kas kar apni aakhne band ki, apna hont kaata aur dhere-dheere peeche hat kar apne bed par ja kar dher ho gaya, uska poora jism kaamp raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Bed par, Raj ab neeche ki taraf slide ho rahe the. Unhone Priya ke flat pet par kisses diye, unki thighs ko alag kiya aur apna chehra Priya ke legs ke beech daal diya. Unki tongue ne Priya ke wet, sensitive part ko touch kiya. Priya ne apni aankhen kas ke band kar lin, uski kamar mein ek zordar jhatka laga.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Ah... ahh... Raj... wait..." Priya ke honton se shiddat bhari aawaaz nikli, unki ungliyan bedsheet ko kas ke pakad chuki thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne thodi der tak oral pleasure dene ke baad apna chehra upar uthaya. Woh poori tarah se arous ho chuke the. Unhone apna erection Priya ki entrance par set kiya aur ek dhieme lekin firm push ke saath unke andar enter kar gaye.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ke muh se ek gehri saans nikli. Saalon baad unhe apne andar woh bharne ka ehsaas mila tha. Unhone Raj ke gale mein apne haath daal diye.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne slowly aur deeply strokes lagana shuru kiya. Har thrust ke saath Priya ke heavy breasts rhythmic way mein upar-neeche hil rahe the. Kamre mein unke jismon ke takraane ki aur wet friction ki aawaazein gunjne lagin. Raj ki speed dhere-dheere badhne lagi. Unhone Priya ki ek taang ko apne shoulder par rakha aur deeper thrusts maarne lage.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Priya... tum abhi bhi kitni tight ho..." Raj ne haafte hue kaha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ki moans ab thodi tez ho rahi thin. "Aah... Raj... faster... thoda aur..."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne apni speed aur badha di. Bed halka-halka hila raha tha. Priya ne apne legs ko Raj ke kamar ke gird lock kar liya, unke nails Raj ki back par scratch kar rahe the. Kuch hi minutes mein Priya ka poora jism tight hua, unki thighs kaampne lagin aur unhone ek bohot hi gehri moan ke saath apna orgasm release kiya. Unka jism thar-thar kaamp raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ke orgasm ke contract hote hi Raj bhi apna control khosh bathe. Unhone teen-chaar behad deep aur hard thrusts maare aur apna pura garam load Priya ke jism ke andar hi khali kar diya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Dono ek doosre ke upar gire hue haafte rahe. Raj ne Priya ke baalon ko chuma. "I missed this, Priya..."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne unke chest par apna sar rakhte hue behad soft aawaaz mein kaha, "Main bhi, Raj... bohot miss kiya."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Us raat, dono ek doosre ke jism ki garmi se lipat kar so gaye. Sab kuch perfect lag raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Lekin agli subah, khwaab toot gaya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Jab Priya ki aankh khuli, toh bed ka doosra hissa thanda pad chuka tha. Raj bed par nahi the. Priya ne nighty pehni aur bahar aayi. Raj balcony mein khade the, phone kaan par laga hua tha, aur unki aawaaz mein wahi purana corporate gussa aur tanaav tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ko dekh kar Raj ne bas haath se "busy" ka signal diya aur apni conversation continue rakhi, ek baar bhi Priya ki taraf dekh kar muskuraye nahi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Breakfast table par bhi wahi mahol tha. Raj ne khana kam aur apne phone par type zyada kiya. Kal raat ki saari garmi, saari closeness jaise ek raat ke saath hi hawa mein uadh gayi thi. Priya ne unki taraf do-teen baar dekha, unki aankhon mein ek ajeeb sa dard tha, lekin unhone kuch nahi bola.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ne bhi notice kiya ki uski maa ka chehra bujha hua hai. Usne breakfast ke waqt chup-chap apni maa ko dekha. Kal raat jo scene usne galti se dekh liya tha, uski wajah se woh maa ke samne nazrein nahi mila pa raha tha, lekin unki udasi usse bardasht nahi ho rahi thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Dopahar ko jab woh pool side gaye, Priya ne ek simple aur poora cover-up robe daal rakha tha. Kal wala enthusiasm bilkul khatam ho chuka tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ne unke paas aakar dhere se poochha, "Mumma... aap theek ho na? Tabiyat kharab hai kya?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne Arjun ko dekha aur ek behad thaki hui, nakli muskaan di. "Haan beta... main theek hoon. Bas thoda sa thakan lag rahi hai."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Din bhar Raj beech-beech mein cabin wapas jaate rahe, international calls attend karte rahe. Priya aur Arjun saath rahe, lekin Priya ke chehre par woh pehle din wali umeed ab poori tarah se toot chuki thi. Unhe samajh aa gaya tha ki ek raat ki physical intimacy unki toot ti hui shaadi ko nahi bachha sakti.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raat ko jab Arjun apne kamre mein so gaya, Priya akeli balcony mein railing ke sahare khadi thi. Dark sea breeze unke baalon ko uda rahi thi. Unki aankhon se ek khamosh aansu nikal kar unke gaal par phisal gaya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Ek raat se kuch nahi badalta... sab pehle jaisa hi hai," unhone aahista se khud se kaha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Unke andar ki emptiness ab aur behad gehari aur zaharili ho chuki thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><span style="font-style: italic;" class="mycode_i">Ocean Pearl</span> ab samundar ke sabse gahre aur alag-thalag ilaqe mein pahunch chuka tha. Aasmaan par kaale badal ghirne lage the... aur kal jo toofan aane wala tha, woh unki zindagi ko aisi jagah phenkne wala tha jahan se wapsi ka koi rasta nahi tha.</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Teesre din ki subah behad aam aur haseen tareeqe se shuru hui thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Samundar bilkul shaant tha, paani ki satah par sooraj ki shuaayein hiraa bankar chamak rahi thin. Khula, saaf aasmaan aur thandi samundari hawa.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Breakfast ke baad, Priya aur Arjun upper promenade deck par tahl rahe the. Priya ne ek behad pyari, light yellow color ki cotton sundress pehni hui thi jiske waist par ek halka sa tie-up tha. Unke lambe kaale baal hawa mein khule lehra rahe the. Unke chehre par kal raat ki udasi ke bawajood ek aisi mamta bhari muskaan thi jo Arjun ke dil ko sukoon de rahi thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun unke sath-sath chal raha tha, kabhi unki baat par hansta, toh kabhi samundar ke door kinaare ki taraf ishara karta. Raj thoda peeche chal rahe the. Aaj pehli baar unke haath mein phone nahi tha. Woh chup-chap apni biwi aur bete ko dekh rahe the. Unke andar ek chhoti si hope abhi bhi baaqi thi ki yeh chhutti unke bikharte hue parivaar ko jod sakti hai.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Dopahar ke kareeb do baje, mausam ne achanak apna mazaaj badalna shuru kiya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Pehle hawa ki raftaar tez hui. Khula neela aasmaan minute-on mein kaale, khaufnak badalon se ghir gaya. Samundar ki shant lehrin achanak unchi hone lagin. Ship ka heavy iron frame lehron ke thapedon se gungunane laga.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Tabhi ship ke loud speakers par emergency announcement ki sound gunji:</span><br />
<blockquote class="mycode_quote"><cite>Quote:</cite><span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><span style="font-style: italic;" class="mycode_i">"Attention all passengers. We are encountering an unexpected high-pressure storm. All guests are strictly advised to return to their cabins immediately. I repeat, return to your cabins."</span></span></blockquote>
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne ghabra kar Arjun ka haath kas ke pakad liya. "Chalo beta, jaldi andar chalte hain. Mausam kharab ho raha hai."</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><a href="https://imgbb.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url"><img src="https://i.ibb.co/G4NxCQ9Z/1786428725828.png" alt="[Image: 1786428725828.png]" class="mycode_img" /></a></span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Lekin toofaan itni tezi aur khaufnak roop se aaya ki kisi ko sambhalne ka mauka tak nahi mila.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Pehle hi ek achanak aayi vishalkay lehr ne <span style="font-style: italic;" class="mycode_i">Ocean Pearl</span> ko ek zordar jhatka diya. Ship ek taraf ko jhuk gaya. Deewaron par lage glass, tables, chairs sab toot kar girne lage. Log cheekhte-chillaate hue idhar-udhar bhaagne lage. Ship ka crew life jackets baant te hue logon ko safe areas ki taraf dhakels raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne aage badh kar Priya aur Arjun ko dono haathon se sambhala. "Jaldi! Suite ki taraf bhaago! Life jackets peheno!"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Deck ka wooden floor ab paani se bhar chuka tha aur behad slippery ho gaya tha. Bahar ki hawa ab ek paagal toofaan ban chuki thi—baarish seedhi nahi, balki hawa ke saath horizontal maar rahi thi, jaise hazaron suiyan jism par chubh rahi hon. Ship har ek lehr ke saath jhatke khakar upar-neeche ho raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Suite ke corridor tak pahunchte-pahunchte ek aur behad vishalkay, khaufnak lehr ship ke side se takrayi. Jhatka itna zordar tha ki deck par khade log phisal kar gir pade.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ka pair wet floor par phisla aur unka haath Arjun ke haath se chhoot gaya. Unka jism deck ki iron railing se ja takraya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"MUMMA!" Arjun ne poori taqat se chillaaya, uska haath hawa mein hi reh gaya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne khud ko sambhalne ki koshish ki, unki aankhon mein behad darr tha. Raj ne aage badh kar unka haath pakadne ke liye haath phailaaya. "Priya! Haath pakdo mera!"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Lekin ussi microsecond mein, ek aur paani ka Sailab deck par aakar gira. Paani ke us behad tez bahaav ne Priya ko railing ke paar dhakel diya. Priya ke pair zameen se ukhad gaye. Ek aakhri second ke liye, Priya ki badi-badi nam aankhen Raj aur Arjun ki taraf uthin—unme ek anjaan darr, behad dard aur kuch kehne ki aakhri koshish thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Aur agle hi pal, woh vishalkay kaale samundar ki gahraiyon mein ojhal ho gayin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"PRIYA!" Raj ne apni poori jaan laga kar cheekha. Woh pagalon ki tarah us railing ki taraf bhaage, jahan se unki biwi abhi giree thi. Unhone samundar mein koodne ki koshish ki, lekin do ship crew members ne unhe peeche se kas ke pakad liya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Mumma! Mumma kahan hain?! Mumma!" Arjun bilkul paagal ho chuka tha. Uski aawaaz gale mein ghoot rahi thi, uski aankhon se paani aur baarish ek saath beh rahe the. Woh railings ko pakad kar niche kaale, uphanate paani mein ghoor raha tha, jahan sirf safed jhaag aur behad oonchi lehren dikh rahi thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Sir, aapko andar chalna hoga! Ship damage ho raha hai! Please!" Crew members unhe zabardasti kheench kar emergency rescue zone ki taraf le gaye.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Toofaan ne ship ke ek hisse ko poori tarah se apahij kar diya tha. Emergency sirens ki aawaaz, logon ki cheekhein, aur samundar ka woh khaufnak shor—sab kuch ek bhayanak sapne jaisa lag raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Kai ghanton ke khaufnak sangharsh ke baad, jab toofaan ka zor thoda dhiema hua, coast guard aur marine search teams wahan pahunchi. Helicopters ki search lights kaale paani par roshni phenk rahi thin, speedboats lehron par chakkar kaat rahi thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Lekin Priya Sharma ka koi naam-o-nishaan nahi mila.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Ghento ki mashaqqat ke baad, rescue team ko paani ke upar tairta hua sirf ek kapda mila—Priya ki woh light yellow sundress ka ek phata hua hissa aur unka woh stole, jo paani mein beh raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj aur Arjun ko ek rescue ship par shift kar diya gaya. Unhe medical lounge mein bithaya gaya. Raj room ke ek kone mein zameen par baithe hue the, unka sar dono haathon mein tha. Unki aankhen ekdum lal aur patthraayi hui thin. Woh baar-baar sirf ek hi baat badbada rahe the... "Main uska haath pakad sakta tha... main pakad sakta tha... maine use chhod diya..."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ek chair par baitha hua tha. Uska poora jism thand aur shok se kaamp raha tha. Uski aankhon ke samne se woh scene hat hi nahi raha tha—maa ki woh aakhri nazar, unka phisalta hua haath.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Rescue ship ke ek senior marine officer ne unke paas aakar Raj ke kandhe par haath rakha. Officer ke haath mein ek heavy-duty, long-range marine walkie-talkie device tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Sir... yeh emergency frequency radio set hai," officer ne behad dhiemi, hamdard aawaaz mein kaha. "Agar... agar woh kisi floating debris par hain ya kisi aas-paas ke chaat par pahunchi hain, toh shayad yeh kaam aaye. Yeh marine emergency channels par broadcast kar sakta hai."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ne jhatke se apna sar uthaya aur officer ke haath se woh walkie-talkie chheen jaisa liya. Usne use apne dono haathon mein kas ke pakada aur apne seene se laga liya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raat bhar rescue ship mainland ki taraf badhta raha. Raj ek lash ki tarah kone mein pade rahe, lekin Arjun ne ek second ke liye bhi aakhein band nahi kin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Woh poori raat walkie-talkie ke dials ko ghumaata raha. Frequencies badalta raha. Channels 16, 21, 88... har ek channel par static noise ki harsh, ajeeb aawaazein aati thin—<span style="font-style: italic;" class="mycode_i">ssshhhhh... zzzzz...</span></span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun walkie-talkie ka button dabata aur kaampthi hui, roti hui aawaaz mein bolta:</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Mumma... agar aap sun rahi ho... please jawab do. Main hoon, Arjun. Mumma please... please jawab do..."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne ek baar dhere se apna sar utha kar Arjun ko dekha. "Arjun... beta... mat kar. Khud ko aur dard mat de... woh..."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Nahi Papa!" Arjun pehli baar apne baap par chilla utha, uski aawaaz mein behad dard aur zid thi. "Woh zinda hain! Mujhe pata hai meri Mumma mujhe chhod kar nahi ja sakti! Main dhoondunga unhe!"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne phir kuch nahi kaha, bas dobara apna sar ghutnon mein chhupa liya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Subah ki pehli kiran ke saath samundar bilkul shant ho chuka tha—ekdum saaf, neela aur khamosh. Jaise kal raat wahan kuch hua hi na ho. Jaise kisi ki zindagi tabah hi na hui ho.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Lekin Sharma parivaar ab hamesha ke liye do hisson mein toot chuka tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Ek taraf Raj aur Arjun the—mainland ki taraf laut te hue, toot chuke, lekin Arjun ke haath mein pakde us walkie-talkie ke jariye umeed ke ek aakhri dhaage ko kas ke thame hue.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Aur doosri taraf... mainland se saikon nautical miles door, ek gumnam, anjaan island ke sunsaan aur patthrilay kinaare par...</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Ek behosh, bheegi hui aur adhmari aurat ka jism lehron ke thapedon se ret par pada hua tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya Sharma.</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><a href="https://imgbb.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url"><img src="https://i.ibb.co/JFsDRnXs/1786428738675.png" alt="[Image: 1786428738675.png]" class="mycode_img" /></a></span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">To be continued ...</span>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Hi all! <br />
</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">I’m here with another story. Ye story mujhe ek reader ne share ki thi. I’m not really sure about the original author, but original story kaafi short aur rushed thi. Mujhe iska basic theme kaafi interesting laga, so I decided to completely rewrite it in my own way.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Original story se sirf <span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">characters aur basic setting</span> li gayi hai. Baaki story ke saare <span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">aspects, twists, turns, threats aur developments meri imagination se hain.</span> Basically, maine ise apne style mein ek completely different story bana diya hai.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">I had actually written this story quite some time ago, but kabhi post nahi kiya. </span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">And don’t worry, main apni old stories abandon nahi kar raha hoon. Instead, main abhi un sabko complete kar raha hoon. Stories kaafi long hain, isliye sabko finish karne mein kuch months lagenge. Once they’re completely finished from my end, I’ll be able to give you <span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">continuous updates</span> without making you wait for every chapter.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">So please thoda patience rakho. </span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Lekin ye story already mere laptop par completely finished hai, so I thought, why not post this one in the meantime? Iski updates bhi hopefully ek month ke andar complete ho jayengi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">So, enjoy the story! ❤️</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">And as always, hope you guys like it.</span><br />
<br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Story Begins....</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Mumbai ki shaam hamesha ek ajeeb si behaya raftaar ke saath aati thi—bhaagti hui gaadiyon ka shor, door samundar se aati namkeen hawa, aur un unchi emaraton ke shishen jo dhalati dhoop mein sone ki tarah chamakte the. Marine Drive ke paas bane us aalishan residential tower ke barahwein maale par, 3BHK ke us luxurious flat mein bhi dhoop ki aakhri narangi kiranen aakar phail gayi thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Lekin us chaar hazar square feet ke ghar ke andar ek aisi khamoshi thahri hui thi, jo kisi dharati ke andar hone wale zalzale se pehle hoti hai. Bahar se dekhne par Sharma family parfect lagti thi—ek behad kamyaab businessman pati, ek behad khoobsurat aur sambhalti hui biwi, aur ek shaant, padhaaku beta. Lekin us mehangay Italian marble aur designer lights ke peeche, rishte dheere-dheere ret ki tarah phisal rahe the.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj Sharma, 45 saal ke, apne hi khade kiye hue textile empire ke bojhtale itne dabe hue the ki unke liye unka ghar sirf ek aisi jagah ban chuka tha jahan woh nahaane, kapde badalne aur paanch ghante ki adhi-adhuri neend lene aate the. Unka chahra hamesha ek ajeeb se tanav mein rehta, aankhon ke neeche kaale ghere aur mathe par waqt se pehle aayi shrikant. Subah saat baje unka briefcase band hota aur raat ke baarah baje unke jooton ki aawaaz hallway mein gunjti.</span><br />
<br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Ghar ke baaki do logon ke liye woh ek saaya ban chuke the.</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya Sharma ne dining table par rakhe hue crystal vase ko ek baar phir se adjust kiya. Unki umar baalis saal ki ho chuki thi, lekin unhe dekh kar koi bhi yeh kehne ki jurrat nahi kar sakta tha. Priya ki kaaya mein ek aisa raw, mature aakarshan tha jo umar ke saath aur gahra ho gaya tha. Resham jaise kaale baal jo kamar tak lehraate the, aur unka jism—ek aisi tanaav aur soft curves ka milan jo yoga ki saalon ki tapasya se bana tha. Pet bilkul flat, kamar patli, aur unke bhari-bhari D-cup breasts jo har saree ya kurta ke andar apni ek ba-asar mojoodgi darz karwate the.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne balcony ki taraf dekha. Unke chahre par ek halki, udas muskaan aayi. Woh mirror ke samne khadi hui. Aam tor par log is umar mein dhalne lagte hain, lekin Priya ka jism jaise apne sabse madhosh daor se guzar raha tha. Unki gori rangat, chodhvi ke chaand jaisa gol chahra, aur badi, bolti hui aankhen. Lekin us khoobsurati ko sarahne wala ghar mein koi nahi tha. Raj ke paas unhe dekhne ka waqt nahi tha, aur Priya ke dil ke andar ek aisi pyas janam le rahi thi jo jism se zyada rooh ki akelapan thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Ab bhi itni sundar hoon... lekin kis ke liye?" unhone khud se aahista se kaha, aur apni saree ke pallu ko sahi karte hue kitchen ki taraf badh gayi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Kitchen mein jab poha pakne ki khushbu phailne lagi, tabhi Arjun wahan aaya. Unka unnis saal ka beta. Arjun thoda introvert tha, kitabon aur apni hi duniya mein gum rehne wala. Lekin apni maa ke liye uske dil mein ek behad azeeb, shiddat bhari waftadari thi. Woh apni maa ka sabse bada sahara tha, aur shayad Priya bhi yeh baat jaanti thin.</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><a href="https://imgbb.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url"><img src="https://i.ibb.co/PGV5K1Ds/1786428702629.png" alt="[Image: 1786428702629.png]" class="mycode_img" /></a></span><br />
<br />
<br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><a href="https://imgbb.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url"><img src="https://i.ibb.co/k62DhHcN/1786428708565.png" alt="[Image: 1786428708565.png]" class="mycode_img" /></a></span><br />
<br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ne fridge khola aur cold water ki bottle nikalte hue maa ko dekha. Priya us waqt gas ke paas jhuki hui thin. Unhone ek light yellow rang ki mulmul ki saree pehni hui thi, blouse thoda tight tha jo unki peeth aur waist ke deep curves ko ubhar raha tha. Jab woh poha chalaane ke liye aage jhuk thin, unka saree ka pallu thoda sa sarak gaya tha, jis se unka gehra cleavage aur breasts ka uper ka hissa saaf jhalak raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ki nazar ek microsecond ke liye wahan atki. Uske dil ki dhadkan achanak tez hui. Usne turant apni nazar hata li, ek ajeeb sa guilt uske seene mein daud gaya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Mumma... aaj phir se poha?" Arjun ne apni aawaaz ko jitna ho sake normal rakhne ki koshish karte hue poochha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne peeche mud kar dekha, unke chahre par wahi mithi, aanchal jaisi muskaan thi jo Arjun ke saare tanav ko pigments mein baant deti thi. "Haan beta. Tumhe pasand hai na? Chalo, baitho, main abhi garam-garam lagati hoon."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Woh plate mein poha nikalne lagin. Unki choodiyon ki khanak kitchen ke sannate ko tod rahi thi. "Papa aaj ghar pe hain," Priya ne aahista se kaha, unki aawaaz mein ek dabaye hue intezar ka dard tha. "Thoda time nikaal ke baat kar lena unse, Arjun. Tum dono ke beech ki doori mujhe achhi nahi lagti."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ne dining chair khainchi aur baith gaya. "Main try karta hoon Mumma... lekin Papa toh hamesha phone ya laptop mein hi rehte hain. Unke paas mere liye time kahan hai?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne plate uske samne rakhi aur uske sar par haath phiraaya. Unke haath ki garmaahat aur unke jism se aati jasmine aur chandan ki halki khushbu Arjun ke sanson mein utar gayi. "Koshish karo, beta. Rishte sambhalne padte hain."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Tabhi Raj Sharma kitchen ki taraf aaye. Haath mein iPad, doosre haath mein Bluetooth earpiece. Unhone ek baar bhi Priya ki taraf nahi dekha, na hi Arjun ki taraf koi baap wali warm look di.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Raj... aaj Sunday hai," Priya ne aage badhte hue behad soft voice mein kaha, unki aankhon mein ek aakhri umeed thi. "Thoda family time nikaalo na. Aaj hum sab saath mein breakfast karte hain."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne iPad se nazar hataye bina hi jawab diya, aawaaz mein koi jazbaat nahi the. "Meeting hai mere video call pe. Dubai ke client hain. Main study room mein khana mangwa lunga. Tum log khao."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Woh palat kar apne study room ki taraf badh gaye. Unke qadmon ki aawaaz ke saath hi Priya ka chahra ek baar phir bujh gaya. Unka pallu niche gir gaya tha, lekin unhe sambhalne ka hosh nahi raha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ne apni maa ke un dhale hue shandhon ko dekha. Uska dil chah raha tha ki woh uthe aur Papa par chillaaye, lekin woh chup raha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne apne aansuon ko andar hi ghoont liya aur Arjun ki taraf dekh kar ek nakli muskaan bikhri. "Chalo beta... hum dono kha lete hain."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Do-pahar ke waqt, jab Raj apne study room mein kisi international deal par chilla rahe the, Priya balcony mein khadi thin. Unke baal hawa mein ud rahe the. Pata nahi kyun, aaj unhe apna hi ghar ek pinjra lag raha tha. Unki umar ka woh mod jahan ek aurat ko sabse zyada muhabbat, izzat aur sahare ki zaroorat hoti hai, wahan woh bilkul akeli thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun dhere se balcony ke darwaze par aaya. Usne dekha ki uski maa ki aankhen nam thin. Uska pair aage badha aur usne dhere se Priya ke shoulder par apna haath rakh diya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne chounk kar peeche dekha, lekin Arjun ko dekh kar unka tanaav kam ho gaya. Unhone Arjun ka haath apne gaal par lagaaya aur uske baal sehlaaye. "Haan beta? Tumne padhai kar li?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Mumma... aap theek ho?" Arjun ne uski aankhon mein jhankte hue poochha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ki aankhon se ek aansu phisalke Arjun ki ungliyon par gira. "Haan beta. Bas... kabhi-kabhi lagta hai ki main is ghar mein ek shringaar ki cheez ban ke reh gayi hoon. Papa bahut door nikal gaye hain humse."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ke andar ka beta jaag utha. Usne aage badh kar Priya ko apne gale se laga liya. "Aap aisa mat socho, Mumma. Main hoon na aapke saath. Main aapko kabhi akela nahi chhodunga."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne bhi Arjun ko kas ke pakad liya. Us pal mein, do bhatke hue dil ek doosre se lipat gaye the. Priya ke bhari aur soft breasts Arjun ke seene par tight press hue. Priya ke jism ki woh warmth, uski body scent, aur uski saanson ki garmi Arjun ki neck par mehsoos hui. Arjun ke jism mein ek ajeeb sa current daud gaya. Ek aisi aanch jo betepan ki sarhad ko chhute hue bhi kuch aur mehsoos karwa rahi thi. Arjun ko achanak ahasas hua ki uski maa ek behad khoobsurat aur jawan aurat bhi hain.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Guilt ke ek jhatke ke saath, Arjun dhere se alag hua. Unka chahra halka sa laal tha. Priya ne shayad is baat par dhyan nahi diya, unhe bas apne bete ka sahara mehsoos hua tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Shaam ko, ghar ka mahool aur bhari ho gaya tha. Priya ne living room mein apna yoga mat bichhaya. Yeh unka roz ka routine tha—jism ko fit rakhne aur dimaag ke shor ko shaant karne ka ek zariya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Living room ka darwaza adha khula tha. Arjun apne kamre se kitchen ki taraf paani lene ja raha tha ki uski nazar pad gayi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya us waqt *Downward-Facing Dog* aur *Cobra Pose* kar rahi thin. Unhone ek tight black gym leggings aur ek low-cut sports bra pehna hua tha. Saree utar chuki thi. Unki kamar ka arc, unki bhari hips jo hawa mein thin, aur jab woh aage jhuk thin toh unke heavy D-cup breasts sports bra ke andar se bahar aane ko beqaraar dikh rahe the. Unka pet ekdum flat tha, aur perspiration ki boonden unke gale aur chest par chamak rahi thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ke qadam wahin jam gaye. Uski saans atak gayi. Uske dimaag mein ek taraf apni maa ke liye izzat thi, aur doosri taraf ek 19 saal ke ladke ka jawan jism jo is bemisaal khoobsurati ko dekh kar machal utha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne ek gehri saans li, unki chest ooper-neeche hui. Unki aankhen band thin.</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><a href="https://imgbb.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url"><img src="https://i.ibb.co/GQxs8t1Q/1786428712008.png" alt="[Image: 1786428712008.png]" class="mycode_img" /></a></span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ne zor se apni aankhen band ki. "Nahi... nahi Arjun, yeh teri maa hain. Tu yeh kya soch raha hai!" usne khud ko andar hi andar gusse mein daanta aur bina koi aawaaz kiye dhere se apne kamre mein wapas chala gaya, uska dil seene mein kisi janglee janwar ki tarah dhadak raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raat ke do baje.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Ghar ke saare lights bujh chuke the. Master bedroom mein, king-size bed ke ek kone par Raj Sharma so rahe the—apni peeth Priya ki taraf kiye hue, unki saanson mein sirf thakan thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Doosre kone par Priya leti hui thi. Unki aankhen chhat par tiki thin. Unka haath dhere se apne hi pet par aur phir apni chest par gaya. Ek ajeeb si khalish thin. Ek khwahish ki koi unhe chhue, koi unhe bataye ki woh zinda hain, woh khoobsurat hain. Unka jism garmi se sulag raha tha, lekin paas leta hua pati ek barf ki deewar ban chuka tha. Unhone ek gehri aah bhari aur aankhen band kar li.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Wahin, doosre kamre mein, Arjun bhi jaag raha tha. Uski nazar ceiling par thi, lekin uski dimaag mein baar-baar maa ka woh roop, woh khushbu, aur unka woh soft touch ghoom raha tha. Woh guilt mein jal raha tha, lekin sath hi ek ajeeb si bekudi us par haawi ho rahi thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Sharma family bahar se ek aalishan mahel ki tarah khadi thi. Lekin andar se, uski buniyaad mein gehre cracks aa chuke the.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Aur un teeno mein se kisi ko yeh andaza nahi tha ki kuch hi hafton mein, ek luxury cruise ship par unki zindagi ka yeh naazuk shisha hamesha ke liye tootne wala tha—ek aisa toofan aane wala tha jo unke saare rishton ko hamesh ke liye badal kar rakh dega.</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">## Chapter 2: A Flicker of Hope</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Agle hi hafte, Sharma family ke us shaant flat mein kuch aisa hua jiski kisi ne umeed nahi ki thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ek raat office se thoda jaldi ghar aa gaye—raat ke kareeb saade nau baje. Puraane dino ki tarah unke chehre par wahi ghamand aur thakan thi, lekin unke qadmon mein ek alag si tezi thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Us waqt Priya kitchen mein khadi kal ke nashte ki taiyari kar rahi thi. Unhone ek halki pink rang ki silk nighty pehni hui thi. Us nighty ka fabric kaafi soft aur patla tha, jo unke jism ke curves se chipka hua tha. Light ke neeche unke bhari-bhari D-cup breasts ka shape bilkul saaf dikh raha tha, aur nighty ke neeche se unki toned thighs aur kamar ka curve jhalak raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Jab Priya chawal ke dibbe ko counter par rakh rahi thin, tabhi Raj ne peeche se aakar dhere se unki kamar par apna haath rakh diya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ek pal ke liye chaunk gayi. Unhone pichle kai mahinon se Raj ka aisa touch mehsoos nahi kiya tha. Unhone ghum kar Raj ki taraf dekha, unki badi aankhon mein hairani thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Aaj itni jaldi? Sab theek toh hai na, Raj?" Priya ne dhere se poochha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ke chehre par ek halki si muskaan aayi—ek aisi smile jo shayad saal bhar se missing thi. "Haan... sab theek hai. Main bas raste mein soch raha tha. Hum teeno ko ek break ki zaroorat hai, Priya. Main... main kaam mein itna doob gaya tha ki tum par aur Arjun par dhyan hi nahi de paaya."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne unki taraf dekha. Unke dil ke kisi kone mein ek soyi hui umeed phir se jaag uthi. "Matlab? Aap kya kehna chahte ho?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne fridge khol kar paani ki bottle nikali aur ek ghoont bhar kar bole, "Maine ek luxury cruise book ki hai. Agle mahine. Teen raat aur chaar din ka trip hai. Maldives ke paas ka route hai. Sirf hum teen honge. Koi client calls nahi, koi office ka pressure nahi. Bas humari family."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ka chehra pehle toh ekdum blank hua, phir unke honton par ek khoobsurat, chamakti hui muskaan phail gayi. "Sach mein, Raj? Yeh... yeh toh bohot pyaara surprise hai!"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Unhone ek step aage badh kar Raj ke chest par apna haath rakha. Pink nighty ke andar se unki saansen thodi tez chalne lagi thin. "Mera kabse mann tha ki hum teeno kahin door chalein. Saath mein thoda waqt bitayein."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne unka haath pakda aur halka sa dabaya. Unka touch abhi bhi thoda formal aur mechanical tha, lekin Priya ke liye yeh bhi bohot bada badlaav tha. "Haan, Priya. Main is baar poori koshish karunga. Main promise karta hoon."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Tabhi Arjun apne kamre se paani lene ke liye bahar nikla. Kitchen mein Mom aur Dad ko itne paas khade aur baat karte dekh kar woh wahin ruk gaya. Uske chehre par surprise saaf dikh raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Kya hua, Mumma? Sab khairiyat?" Arjun ne poochha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya turant ghoomi, unka chehra khushi se khil utha tha. Unki gaalon par halki red rangat aa gayi thi. "Arjun! Beta, idhar aao. Tumhare Papa ne hum sabke liye ek cruise trip book kiya hai! Hum teeno saath ja rahe hain... khula samundar, bada sa ship, sab kuch!"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ki aankhen badi ho gayi. "Really, Papa? Khula samundar? Kab nikalna hai?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Agle mahine ki bees tareek ko," Raj ne muskura kar kaha. "Apni packing abhi se shuru kar do. Thode formal kapde bhi rakh lena, ek-do raaton ko main deck par dinner ke liye chalenge."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Us raat ghar ke mahol mein ek aisi warm energy aa gayi thi, jo shayad pichle do saalon se kahin kho gayi thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Agle kuch din ghar mein sirf packing aur shopping ki baatein hoti rahin. Flat mein jo sannaata rehta tha, woh ab kapdon ki shor aur travel bags ki chain kholne-band karne ki aawaazon se bhar gaya tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne apne wardrobe ke saare darwaze khol diye the. Sarees, evening gowns, beach dresses... aur naye khareede hue swimsuits.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Ek dopahar, Arjun apne kamre se nikal kar hall ki taraf ja raha tha. Master bedroom ka darwaza adha khula tha. Uski nazar andar gayi aur woh wahin freeze ho gaya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya mirror ke samne khadi thi. Unhone ek black color ka one-piece swimsuit pehna hua tha, jo unhone specially cruise ke pool ke liye mangwaya tha. Fabric unke jism par ekdum tight chipka hua tha. Unke bhari breasts ko woh swimsuit tightly hold kiye hue tha, jis se deep neck ke upar unka cleavage bohot gehra dikh raha tha. Neeche unki kamar ka patla curve aur unki bhari thighs ekdum clear dikh rahi thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya side angle se mirror mein apna reflection dekh rahi thin. Unhone apna haath apne flat pet par rakha, jo yoga ki wajah se 42 ki umar mein bhi ekdum tight tha, aur phir apne shoulders ko peeche karke apni posture check ki.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ki saans us pal ke liye gusse aur ajeeb si aanch se atak gayi. Uska dil seene mein zor-zor se dhadakne laga. *'Maa itni... itni hot aur attractive kaise lag sakti hain?'*</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Usne jaldi se apni nazar palti aur bina koi aawaaz kiye dhere se apne kamre mein chala gaya. Uska dimaag sunn ho raha tha. Usne apne chehre par paani ke chhinak maare aur khud ko daanta, *'Tu kya soch raha hai Arjun? Woh teri Maa hain... unhe is nazar se mat dekh!'* Lekin woh image uske dimaag mein aag ki tarah chhap chuki thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Thodi der baad, Priya ne living room mein sofa par kapde fold karte hue Arjun ko aawaaz di. "Arjun! Beta, ek minute idhar aana toh."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun thoda sa hichkichate hue bahar aaya. Priya ke haath mein ek deep maroon rang ki silk saree thi jismein heavy golden border tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Unhone woh saree apne jism par rakh kar hold ki aur Arjun ko dikhate hue poocha, "Yeh wali saree dekh beta. Kya yeh cruise ke final dinner night ke liye sahi rahegi?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Matching blouse ka design kaafi deep neck tha. Arjun ne apni nazar saree par rakhi, Priya ke chehre aur unki chest se bachte hue. Usne apni aawaaz ko jitna ho sake normal rakhne ki koshish ki. "Haan... Mumma. Bohot achhi lag rahi hai. Aap par bohot suit karegi."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya khilkhila kar muskura di. "Chalo phir yeh lock hui. Tum bhi apne formal shirts aur blazers nikaal kar rakh lo. Papa ke saath matching karna."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ab bhi mostly apne phone aur emails par busy rehte the, lekin ab woh shaam ko thoda waqt nikaal kar packing mein help kar dete the. Ek shaam unhone Priya ke suitcase mein sunscreen, sunglasses aur beach hats rakhte hue kaha, "Priya, maine team ko bol diya hai. Is chaar din mein koi emergency call hi attend karunga. No laptop."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne unki taraf dekha. Unki aankhon mein ek ajeeb sa sukoon tha. "Bas itna hi chahiye, Raj. Thoda sa humare saath present rehna. Hum teeno ko iski bohot zaroorat hai."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Us raat dinner table ka scene pehle jaisa thanda nahi tha. Baatein ho rahi thin, khane ki mehak ke saath hansi ki aawaazein mil rahi thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun excitement mein pooch raha tha, "Mumma, ship par sach mein itna bada pool hota hai? Aur buffet mein international food bhi milta hai kya?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne uske liye roti paros te hue kaha, "Haan beta, sab kuch hota hai. Aur sabse khoobsurat toh woh raat ka samundar hota hai... jab charo taraf sirf paani ho aur upar taare chamak rahe hon."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne bhi halki si smile di. "Tum dono jitna ho sake enjoy karna. Main bhi poori koshish karunga free rehne ki."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne Arjun ke baalon mein haath phiraaya. "Tumhe toh swimming achhi tarah aati hai na? Last year hi toh seekhi thi."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Haan Mumma, ekdum perfect. Aur aapko?" Arjun ne poocha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Mujhe bhi aati thi... pehle. Ab toh bohot saal ho gaye paani mein utre hue. Dekhte hain wahan ja kar," Priya ne hante hue kaha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raat ko jab Arjun apne kamre mein chala gaya, tab Priya balcony mein khadi shaant hawa ko feel kar rahi thin. Unke lambe kaale baal hawa mein halka-halka ud rahe the.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj peeche se aaye aur unhone Priya ke shoulder par apna haath rakha. "Excited ho?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne peeche mud kar Raj ki aankhon mein dekha. "Haan... bohot time baad aisa feel ho raha hai. Mujhe poori ummeed hai ki yeh trip humari family ko phir se pehle jaisa close le aayega."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne zyada kuch nahi kaha, bas unke shoulder ko lightly press kiya. Unke touch mein abhi bhi woh purani passionate intimacy toh nahi thi, lekin ek sachhi koshish zaroor jhalak rahi thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne dhere se apni aankhen band kar lin aur dimaag mein ek dua mangi. *'Bhagwan kare sab theek ho jaaye. Yeh cruise humari family ka naya start bane.'*</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Unke andar ek soft hope jag chuki thi. Yeh trip unke liye sirf ek ghumne ki jagah nahi thi, balki unki toot ti hui shaadi aur bikharte hue ghar ko bachane ka ek aakhri mauka tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Aur doosre kamre mein, Arjun apne bed par leta hua chhat ko ghoor raha tha. Uske dimaag mein baar-baar apni Maa ka woh swimsuit wala roop, unki pyari smile aur unka excited chehra ghoom raha tha. Uske andar apni Maa ko protect karne ki ek gehre waftadari thi... lekin us feeling ke neeche ek aisa guilty aakarshan bhi dab raha tha, jise woh accept karne se darta tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Sharma family ab poori tarah se apni journey ke liye ready thi. Unhein zara bhi andaza nahi tha ki samundar ki lehron ke beech unki zindagi aisi karwat lene wali thi, jo unke wajood ko hamesha ke liye bikher kar rakh degi.</span><br />
<br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Cruise ka din aakhir kaar aa hi gaya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Subah aath baje ke kareeb Sharma family Mumbai ke Chhatrapati Shivaji Maharaj International Airport se seedha international cruise terminal par pahunch gayi. Dhoop mein chamakta hua, paani par tairta ek vishalkay safed mehal jaisa luxury ship khada tha—<span style="font-style: italic;" class="mycode_i">Ocean Pearl</span>. Port par logon ki zabardast bheed thi, trolley par ghoomte hue mehangay suitcases, bachon ki hansi, aur cameras ki flashes har taraf chamak rahi thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne us din ek light blue rang ki floral print vali chiffon maxi dress pehni thi. Unke lambe kaale baal khule the jo samundari hawa mein aazaadi se lehra rahe the, aur shoulders par unhone ek patla sa matching stole daala hua tha. Dress ka fabric behad soft tha, jo chalte waqt unke jism kecurves ko ek bohot hi graceful tarike se hug kar raha tha. Raj ek simple formal shirt aur trousers mein standard corporate executive lag rahe the, jabki Arjun white t-shirt aur beige shorts mein ek seedha-saadha college student lag raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Jab woh teeno wooden gangway se hote hue ship ke upper deck ki taraf chadh rahe the, Arjun ne ek pal ke liye peeche mud kar apni maa ko dekha. Priya ke chehre par bikhri hui woh behad pak, masoom aur sachhi khushi dekh kar Arjun ke dil mein ek ajeeb si narmi aur garmaahat phail gayi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Mumma, dekho toh sahi... yeh kitna bada hai!" Arjun ne excited aawaaz mein kaha, uski aankhen ship ki unchi balconies ko dekh kar phati ki phati reh gayi thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne aage badh kar Arjun ke kandhe par apna haath rakha. Unki ungliyon ki soft touch se Arjun ko ek ajeeb sa sukoon mila. "Haan beta... pehli baar hum itne bade ship par aa rahe hain. Pura saher lag raha hai paani ke upar."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Unka suite upper deck par book tha. Yeh do rooms wala ek interconnected luxury suite tha—ek master bedroom Raj aur Priya ke liye, aur uske saath lagta hua ek chhota room Arjun ke liye. Suite ke living area se seedha ek private balcony khulti thi, jahan se endless neela samundar aur aasmaan ka milan saaf dikhta tha. Priya room mein aate hi seedha balcony ki railing ke paas ja kar khadi ho gayi. Thandi, namkeen hawa ne unke baalon ko unke chehre par bikher diya. Unhone apni aankhen band ki, ek gehri saans li, aur samundar ke sannate ko apne andar utarne diya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne bags ek kone mein rakhte hue poocha, "Kaisa hai, Priya? Sab theek hai na?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne peeche mud kar dekha, unke honton par ek mithi muskaan thi. "Bohot achha hai, Raj. Bohot hi zyada pyara."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Pehle din ki dopahar pool deck par guzri.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun cabin se hi apne swimming trunks pehan kar nikal aaya tha aur bina kisi deri ke pool ke thande paani mein kud chuka tha. Raj deck chair par baith kar apne iPad par kuch emails check kar rahe the—unka phone off toh tha, lekin business mind ki purani aadat abhi poori tarah se gayi nahi thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Thodi der baad Priya pool side ke changing room se bahar niklin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Unhone wahi black color ka one-piece swimsuit pehna tha jo unhone ghar par try kiya tha. Fabric unke jism par kisi doosri skin ki tarah chipka hua tha. Deep neck design hone ki wajah se unke heavy D-cup breasts ka ek gehra cleavage saaf dikh raha tha. Wet look mein unki patli kamar, unki rounded hips aur unki goree, toned thighs ekdum prominent lag rahi thin. Unki 42 saal ki umar ke bawajood unka jism kisi bhi jawan ladki se kahin zyada aakarshak aur bharpoor dikh raha tha.</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><a href="https://imgbb.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url"><img src="https://i.ibb.co/qMtYhJGb/1786428714684.png" alt="[Image: 1786428714684.png]" class="mycode_img" /></a></span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Deck par baithe kuch doosre male tourists ki nazrein ek pal ke liye Priya par aakar atakk gayin. Lekin Priya ne unn sabhi nazron ko poori tarah ignore kiya aur seedha pool ke kinare khade Arjun ki taraf badh gayin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Arjun! Beta, dheere kudo... paani bahar uchhal raha hai!" Priya ne hante hue kaha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ne paani se apna chehra bahar nikala aur jaise hi uski nazar apni maa par padi... woh ek second ke liye bilkul freeze ho gaya. Uski saans atak gayi. Ghar par toh woh hamesha maa ko saree, salwar-suit ya ek dhili nighty mein hi dekhta aaya tha. Yahan khule aasmaan ke neeche, is swimsuit mein... Priya ekdum alag, ekdum aazaad aur behad khoobsurat dikh rahi thin. Arjun ke andar ek ajeeb si aanch daud gayi. Usne jhatke se apni nazar palti, apne gaalon ki garmi ko chupane ke liye paani se chehra dhoya aur bola, "Aap bhi aao na Mumma! Paani bohot mast hai!"</span><br />
<br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><a href="https://imgbb.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url"><img src="https://i.ibb.co/zTCw45fg/1786428717020.png" alt="[Image: 1786428717020.png]" class="mycode_img" /></a></span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne slowly stairs se pool ke thande paani mein entry li. Jaise hi thanda paani unke jism se takraya, unke honton se ek halki, soft sarsarahat jaisi aawaaz nikli. Unhone dhere-dheere paani mein aage badhte hue Arjun ke paas aakar uske geele baalon ko bigad diya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Kitna maza aa raha hai na?" Priya ne khilkhila kar poochha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Haan Mumma... bohot! Par Papa ko bhi bulao na," Arjun ne deck chair ki taraf ishara kiya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne deck ki taraf dekha. Raj abhi bhi iPad par apni ungliyan chala rahe the. Priya ke chehre par ek halki si nirasha aayi, par unhone ek gehri saans lekar us feeling ko dabaya aur Arjun ke saath paani mein khelne lagin. Unhone Arjun par paani ke chhinak maare, fir jab Arjun unhe pakadne aage badha toh woh peeche hat kar bachon ki tarah hansi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Khel-khel mein ek baar Arjun ka paanv phisla aur usne khud ko sambhalne ke liye Priya ke shoulder par apna haath rakh diya. Paani ke andar Priya ki wet, garam skin ka touch Arjun ke haath mein aate hi dono ek second ke liye bilkul silent ho gaye. Unki nazrein mili. Priya ne ek behad soft aur pyari smile di aur dhere se alag ho gayi. Arjun ka dil seene mein kisi dhol ki tarah pitne laga tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Shaam ko ship ke main banquet hall mein formal dinner rakha gaya tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne woh deep maroon rang ki silk saree pehni jismein heavy golden border tha. Blouse ka deep-neck design unke shoulders aur necklines ko behad khoobsurati se highlight kar raha tha. Unhone apne lambe baalon ko loosely ek bun mein baandha hua tha aur kaanon mein halki jhumkiyan pehni thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Jab woh apne room se nikal kar living room mein aayin, toh Arjun unhe dekhte hi wahin ruk gaya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Mumma... aap... aap bohot hi zyada sundar lag rahi ho," Arjun ke mukh se yeh alfaz bina kisi rukawat ke nikal gaye.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ke chehre par ek halki si blushing aayi. Unhone aage badh kar Arjun ke gaal par apna haath rakha. "Thank you mera bacha. Tum bhi kam smart nahi lag rahe ho is shirt mein."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Banquet hall ka mahol behad aalishan tha. Live violin ki dhun baj rahi thi. Dinner table par Raj aaj sach mein thode present lage. Unhone apne phone ko suit ke pocket mein daal diya tha. Unhone apne liye aur Priya ke liye fine red wine order ki, aur Arjun ke liye ek mocktail.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Dinner ke waqt pehli baar mahino baad ek normal family conversation ho rahi thi. Raj ne apne purane dino ke kisse sunaye, Priya purani baaton par khilkhila kar hansi, aur Arjun excitement mein ship ke alag-alag decks ke baare mein batata raha. Raj ke chehre par bhi ek waqt baad sachhi muskuraahat dekhi ja sakti thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Dinner khatam hone ke baad teeno apne suite ki private balcony mein aa gaye.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raat ka waqt tha. Charo taraf sirf gehra neela samundar, door tak koi zameen nahi, aur upar taaron se bhara hua khula aasmaan. Cold sea breeze unke chehron se takra rahi thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya balcony ki wooden railing se lag kar khadi ho gayi. Hawa unke saree ke pallu ko udha rahi thi. Arjun unke bilkul bagal mein aakar khada ho gaya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Mumma... aaj ka din kitna achha tha na?" Arjun ne dhere se kaha, samundar ki lehron ko ghoorte hue.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne Arjun ke shoulder par apna sar thoda sa tika diya. Unke jism ki warmth aur unke baalon ki jasmine khushbu Arjun ki saanson mein bhar gayi. "Haan beta... mujhe toh aisa lag raha hai jaise kaafi saalon baad humari family ek saath aayi hai. Sab kitna shaant aur pyara hai."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj thoda door khade hokar in dono ko dekh rahe the. Unhone apni pocket se phone nikalne ka socha, par phir rokk liya. Unke dimaag mein ek ajeeb sa sukoon aaya—shayad yeh trip unki shaadi aur unke parivaar ko ek naya janam de sakta tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raat ko jab Arjun apne room mein chala gaya, Priya master bedroom mein aayi. Raj bed par baith kar ek kitaab padh rahe the.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne bed par baithte hue Raj ka haath pakda. "Aaj... aaj mujhe bohot achha laga, Raj. Tumne aaj hume waqt diya."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne Priya ke haath ko apne dono haath mein liya aur use dhere se chuma. "Main try kar raha hoon, Priya. Tum sab mere liye bohot important ho."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Us raat unke beech koi jismanya intimacy nahi hui, lekin ek bohot hi pyari, emoshnal closeness zaroor qayim ho gayi thi. Ek aisi closeness jiski Priya ko saalon se pyaas thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Aur doosre kamre mein, Arjun apne bed par leta hua chhat ko ghoor raha tha. Uske dimaag mein baar-baar chal raha tha—Maa ka woh pool mein swimsuit wala roop, unki saree mein khoobsurati, unki soft aawaaz, aur unka woh shoulder par sar tikana. Usne apni aankhen kas ke band ki aur khud ko zor se samjhaaya, <span style="font-style: italic;" class="mycode_i">"Yeh normal hai... woh teri Mumma hain, aur woh tujhe bohot pyar karti hain."</span></span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Lekin uske dil aur jism ke kisi aisi kone mein ek ajeeb si feeling jag chuki thi, jise daba pana ab uske liye din-ba-din mushkil hota ja raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Pehla din umeedon, mithas aur ek naye aagaz ke saath guzar gaya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><span style="font-style: italic;" class="mycode_i">Ocean Pearl</span> dheere-dheere gahre samundar ki taraf badh raha tha... anjaan toofanon se bekhabar.</span><br />
<br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Doosre din ki subah thodi dheemi aur bohot shant thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Sooraj abhi poori tarah se nahi nikla tha, aasmaan par halki gulabi aur narangi rangat bikhri hui thi. Ocean Pearl ke upper deck ke suite mein, Priya balcony ki wooden railing se lag kar khadi thi. Unhone ek behad patli, safed rang ki cotton nighty pehni hui thi jo unke pairon ke takhno tak ja rahi thi. Subah ki mulayam dhoop jab us patle fabric par pad rahi thi, toh unka body outline bilkul saaf jhalak raha tha—unke bhari D-cup breasts ka vazan, unke pet ka soft curve, unki choudee hips aur unki goree thighs ka aakaar.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Unke lambe kaale baal peeth par bikhre hue the. Raj abhi bhi bed par gahri neend mein so rahe the.</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><a href="https://imgbb.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url"><img src="https://i.ibb.co/2fJLnPL/1786428719733.png" alt="[Image: 1786428719733.png]" class="mycode_img" /></a></span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Tabhi Arjun apne kamre ka glass door khol kar living area se hota hua balcony par aaya. Jaise hi uski nazar apni maa par padi, uske qadam wahin ruk gaye. Subah ki thandi hawa mein Priya ki nighty unke jism se chipak rahi thi, aur unka roop kisi chitrkari jaisa haseen lag raha tha. Arjun ke dil ki dhadkan achanak tez ho gayi. Usne apne dimaag ko zor se jhatka aur apni aawaaz ko sambhalne ki koshish ki.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Good morning, Mumma..." Arjun ne dhere se kaha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne chounk kar peeche mud kar dekha. Unke honton par ek behad pyari, mithi subah ki muskaan aayi. "Good morning mera beta. Neend achhi aayi?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Haan Mumma... ekdum mast. Aur aap?" Arjun ne unke paas aakar railing par haath rakhte hue poocha. Unke jism se aati subah ki taazgi aur jasmine ki khushbu Arjun ki saanson mein bhar gayi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Haan, mujhe bhi. Aaj bohot time baad itna relax feel ho raha hai," Priya ne samundar ki taraf dekhte hue kaha. Unki aankhon mein abhi bhi ek halki si umeed ki chamak thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Thodi der baad teeno ne suite ke dining area mein breakfast kiya. Raj late uthe the, aur jab woh table par aaye toh unke haath mein pehle se hi unka phone tha. Priya ne ek baar unke haath mein chamakne wali screen ko dekha, unke chehre ka noor thoda sa kam hua, lekin unhone kitchen se coffee nikalte hue kuch nahi kaha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Din bhar ship ke alag-alag decks par activity chalti rahi. Hawa mein garmi badhne lagi thi. Mid-day mein jab sab deck pool par gaye, toh Priya par male attention kal se kahin zyada tha. Unhone ek light yellow floral swimsuit pehna tha. Jab woh pool chair par let kar sunbathing kar rahi thin, toh aas-paas se guzarne wale kai foreign aur Indian men ki nazrein unki choudee hips, unki tight waist aur unke unche breasts par aakar atak jati thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ek taraf baith kar kisi international client se phone par behas kar rahe the. Unka dhyan apni biwi par bilkul nahi tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun pool ke paas khada tha. Usne dekha ki do young ladke Priya ko ghoor rahe the aur aapas mein kuch whispering kar rahe the. Arjun ke andar achanak ek ajeeb sa gussa aur possessiveness jaag uthi. Uska dil chah raha tha ki woh un ladkon ke paas ja kar unhe dhakka de de. Usne turant ek towel uthaya aur Priya ke paas ja kar unke shoulders par daal diya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne apni sunglasses thodi neeche karke Arjun ko dekha aur halki si hansi. "Kya hua beta?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Kuch nahi Mumma... bas dhoop bohot tez hai. Aapki skin jal jayegi," Arjun ne nazrein churaate hue kaha. Uska dimaag abhi bhi is baat par atka tha ki uski maa kitni zyada attractive aur desire-able hain.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne uske haath par thapthapaaya. "Mera khayal rakhne ke liye thank you, beta."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raat ka waqt aaya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Grand formal dinner ke baad teeno wapas apne suite mein laute. Arjun ne dono ko good night kaha aur apne room mein chala gaya. Uska room interconnected tha, lekin door halka sa ajar (adha khula) reh gaya tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne bathroom mein ja kar apna makeup saaf kiya, apne baalon ko khola aur ek behad khubsoorat, light pink color ki silk-satin nighty pehen li. Yeh nighty behad patli thi aur body par ek paani ki tarah phisal rahi thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Jab woh master bedroom mein aayin, toh Raj balcony se andar aa rahe the.</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Light ke samne khadi Priya ko dekhte hi Raj ke qadam ruk gaye. Nighty ke translucent fabric ke peeche se Priya ke jism ki har ek detail dikh rahi thi—unke bhari-bhari D-cup breasts ka ubhar, unke nipples ka dark outline jo kapde ke upar se saaf ubhar raha tha, unki patli kamar, aur unki goree thighs. Kaafi mahinon baad Raj ke andar ka mard jaag utha tha. Unhone door band kiya aur dhere-dheere Priya ki taraf badhe.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Priya..." Raj ne behad gehri aawaaz mein kaha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne thoda chaunk kar unki taraf dekha. Unki aankhon mein ek ajeeb sa tanaav aur umeed ka milan tha. "Haan, Raj?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne unke bilkul paas aakar unke gaal par haath rakha aur unke baalon ko peeche kiya. "Aaj... aaj main tumhare paas aana chahta hoon, Priya. Bohot din ho gaye hain humare beech is doori ko. I missed you."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ke hont halka sa kaampe. Unki aankhon mein nami aa gayi. Unhone dhere se apne sar ko haan mein hilaaya. "Main bhi, Raj... bohot miss kiya maine."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne aage badh kar Priya ke honton par apne hont rakh diye. Pehle ek bohot hi soft aur pyari kiss thi, lekin jaise-jaise Priya ne respond karna shuru kiya, kiss gehri aur hungry hoti gayi. Unki saansen ek doosre se takraane lagin. Kaafi arse baad Priya ko mehsoos hua ki woh kisi ke liye desire-able hain.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ke haath Priya ki nighty ke andar gaye, unki smooth back aur unki waist ko sehlane lage. Unhone dhere se nighty ke patle straps ko Priya ke shoulders se neeche saraka diya. Silk ki nighty phisal kar neeche floor par gir gayi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ab bilkul nangi, kamre ke dim yellow light mein Raj ke samne khadi thin. Unka 42 saal ka mature jism kisi ajeeb hi nasha bikhher raha tha—unke bhari, aakarshak breasts, unka soft aur halka sa rounded pet, unki choudee hips, aur unke dono thighs ke beech unka saaf, soft secret area.</span><br />
<br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><a href="https://imgbb.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url"><img src="https://i.ibb.co/0yn9dPSJ/1786428722641.png" alt="[Image: 1786428722641.png]" class="mycode_img" /></a></span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne ek gehri saans li aur unke breasts ko ghoorte hue kaha, "Tum abhi bhi... bilkul wahi ho, Priya. Itni hi khoobsurat."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne unhe bed par litaya aur unke upar aa gaye. Unhone apne kapde utar kar phaink diye. Raj ne sabse pehle Priya ke gale aur collarbone par apne hont rakhe, aur phir dhere-dheere neeche aate hue unke left breast ko apne haath mein bhar liya. Unka haath poori tarah se us heavy breast ko cover nahi kar pa raha tha. Unhone use soft squeeze kiya, aur phir unke nipple ko apne muh mein bhar kar suck karne lage.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Ahhh... Raj..." Priya ke honton se ek gehri, aah bhari moan nikli. Unhone apne dono haath Raj ke baalon mein daal diye aur unhe apne jism par aur kas liya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne ek-ek karke dono breasts ko behad shiddat se choosa aur dabaaya. Unki tongue jab Priya ke nipples par ghoomti, toh Priya ki kamar bed se halki si upar uth jaati.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Isi beech, interconnected room ke adhe khule darwaze ke paas... Arjun khada tha. Woh paani lene ke liye utha tha, lekin kamre se aati un halki moans aur jismon ke takraane ki aawaaz ne uske qadmon ko wahin rok diya tha. Unkscious state mein, uski nazar door ke gap se andar gayi. Usne dekha ki uski maa bed par bilkul nangi leti hui hain, aur unke heavy breasts uske baap ke haath aur muh mein hain. Arjun ka poora jism aag ki tarah sulag utha. Uski saans atak gayi, uska dil seene ko tod kar bahar aane ko beqaraar tha. Ek taraf behad khaufnak guilt tha, aur doosri taraf ek aisa jismanya nasha jo use wahin jamaye rakh raha tha. Usne kas kar apni aakhne band ki, apna hont kaata aur dhere-dheere peeche hat kar apne bed par ja kar dher ho gaya, uska poora jism kaamp raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Bed par, Raj ab neeche ki taraf slide ho rahe the. Unhone Priya ke flat pet par kisses diye, unki thighs ko alag kiya aur apna chehra Priya ke legs ke beech daal diya. Unki tongue ne Priya ke wet, sensitive part ko touch kiya. Priya ne apni aankhen kas ke band kar lin, uski kamar mein ek zordar jhatka laga.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Ah... ahh... Raj... wait..." Priya ke honton se shiddat bhari aawaaz nikli, unki ungliyan bedsheet ko kas ke pakad chuki thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne thodi der tak oral pleasure dene ke baad apna chehra upar uthaya. Woh poori tarah se arous ho chuke the. Unhone apna erection Priya ki entrance par set kiya aur ek dhieme lekin firm push ke saath unke andar enter kar gaye.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ke muh se ek gehri saans nikli. Saalon baad unhe apne andar woh bharne ka ehsaas mila tha. Unhone Raj ke gale mein apne haath daal diye.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne slowly aur deeply strokes lagana shuru kiya. Har thrust ke saath Priya ke heavy breasts rhythmic way mein upar-neeche hil rahe the. Kamre mein unke jismon ke takraane ki aur wet friction ki aawaazein gunjne lagin. Raj ki speed dhere-dheere badhne lagi. Unhone Priya ki ek taang ko apne shoulder par rakha aur deeper thrusts maarne lage.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Priya... tum abhi bhi kitni tight ho..." Raj ne haafte hue kaha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ki moans ab thodi tez ho rahi thin. "Aah... Raj... faster... thoda aur..."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne apni speed aur badha di. Bed halka-halka hila raha tha. Priya ne apne legs ko Raj ke kamar ke gird lock kar liya, unke nails Raj ki back par scratch kar rahe the. Kuch hi minutes mein Priya ka poora jism tight hua, unki thighs kaampne lagin aur unhone ek bohot hi gehri moan ke saath apna orgasm release kiya. Unka jism thar-thar kaamp raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ke orgasm ke contract hote hi Raj bhi apna control khosh bathe. Unhone teen-chaar behad deep aur hard thrusts maare aur apna pura garam load Priya ke jism ke andar hi khali kar diya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Dono ek doosre ke upar gire hue haafte rahe. Raj ne Priya ke baalon ko chuma. "I missed this, Priya..."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne unke chest par apna sar rakhte hue behad soft aawaaz mein kaha, "Main bhi, Raj... bohot miss kiya."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Us raat, dono ek doosre ke jism ki garmi se lipat kar so gaye. Sab kuch perfect lag raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Lekin agli subah, khwaab toot gaya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Jab Priya ki aankh khuli, toh bed ka doosra hissa thanda pad chuka tha. Raj bed par nahi the. Priya ne nighty pehni aur bahar aayi. Raj balcony mein khade the, phone kaan par laga hua tha, aur unki aawaaz mein wahi purana corporate gussa aur tanaav tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ko dekh kar Raj ne bas haath se "busy" ka signal diya aur apni conversation continue rakhi, ek baar bhi Priya ki taraf dekh kar muskuraye nahi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Breakfast table par bhi wahi mahol tha. Raj ne khana kam aur apne phone par type zyada kiya. Kal raat ki saari garmi, saari closeness jaise ek raat ke saath hi hawa mein uadh gayi thi. Priya ne unki taraf do-teen baar dekha, unki aankhon mein ek ajeeb sa dard tha, lekin unhone kuch nahi bola.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ne bhi notice kiya ki uski maa ka chehra bujha hua hai. Usne breakfast ke waqt chup-chap apni maa ko dekha. Kal raat jo scene usne galti se dekh liya tha, uski wajah se woh maa ke samne nazrein nahi mila pa raha tha, lekin unki udasi usse bardasht nahi ho rahi thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Dopahar ko jab woh pool side gaye, Priya ne ek simple aur poora cover-up robe daal rakha tha. Kal wala enthusiasm bilkul khatam ho chuka tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ne unke paas aakar dhere se poochha, "Mumma... aap theek ho na? Tabiyat kharab hai kya?"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne Arjun ko dekha aur ek behad thaki hui, nakli muskaan di. "Haan beta... main theek hoon. Bas thoda sa thakan lag rahi hai."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Din bhar Raj beech-beech mein cabin wapas jaate rahe, international calls attend karte rahe. Priya aur Arjun saath rahe, lekin Priya ke chehre par woh pehle din wali umeed ab poori tarah se toot chuki thi. Unhe samajh aa gaya tha ki ek raat ki physical intimacy unki toot ti hui shaadi ko nahi bachha sakti.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raat ko jab Arjun apne kamre mein so gaya, Priya akeli balcony mein railing ke sahare khadi thi. Dark sea breeze unke baalon ko uda rahi thi. Unki aankhon se ek khamosh aansu nikal kar unke gaal par phisal gaya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Ek raat se kuch nahi badalta... sab pehle jaisa hi hai," unhone aahista se khud se kaha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Unke andar ki emptiness ab aur behad gehari aur zaharili ho chuki thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><span style="font-style: italic;" class="mycode_i">Ocean Pearl</span> ab samundar ke sabse gahre aur alag-thalag ilaqe mein pahunch chuka tha. Aasmaan par kaale badal ghirne lage the... aur kal jo toofan aane wala tha, woh unki zindagi ko aisi jagah phenkne wala tha jahan se wapsi ka koi rasta nahi tha.</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Teesre din ki subah behad aam aur haseen tareeqe se shuru hui thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Samundar bilkul shaant tha, paani ki satah par sooraj ki shuaayein hiraa bankar chamak rahi thin. Khula, saaf aasmaan aur thandi samundari hawa.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Breakfast ke baad, Priya aur Arjun upper promenade deck par tahl rahe the. Priya ne ek behad pyari, light yellow color ki cotton sundress pehni hui thi jiske waist par ek halka sa tie-up tha. Unke lambe kaale baal hawa mein khule lehra rahe the. Unke chehre par kal raat ki udasi ke bawajood ek aisi mamta bhari muskaan thi jo Arjun ke dil ko sukoon de rahi thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun unke sath-sath chal raha tha, kabhi unki baat par hansta, toh kabhi samundar ke door kinaare ki taraf ishara karta. Raj thoda peeche chal rahe the. Aaj pehli baar unke haath mein phone nahi tha. Woh chup-chap apni biwi aur bete ko dekh rahe the. Unke andar ek chhoti si hope abhi bhi baaqi thi ki yeh chhutti unke bikharte hue parivaar ko jod sakti hai.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Dopahar ke kareeb do baje, mausam ne achanak apna mazaaj badalna shuru kiya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Pehle hawa ki raftaar tez hui. Khula neela aasmaan minute-on mein kaale, khaufnak badalon se ghir gaya. Samundar ki shant lehrin achanak unchi hone lagin. Ship ka heavy iron frame lehron ke thapedon se gungunane laga.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Tabhi ship ke loud speakers par emergency announcement ki sound gunji:</span><br />
<blockquote class="mycode_quote"><cite>Quote:</cite><span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><span style="font-style: italic;" class="mycode_i">"Attention all passengers. We are encountering an unexpected high-pressure storm. All guests are strictly advised to return to their cabins immediately. I repeat, return to your cabins."</span></span></blockquote>
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne ghabra kar Arjun ka haath kas ke pakad liya. "Chalo beta, jaldi andar chalte hain. Mausam kharab ho raha hai."</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><a href="https://imgbb.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url"><img src="https://i.ibb.co/G4NxCQ9Z/1786428725828.png" alt="[Image: 1786428725828.png]" class="mycode_img" /></a></span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Lekin toofaan itni tezi aur khaufnak roop se aaya ki kisi ko sambhalne ka mauka tak nahi mila.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Pehle hi ek achanak aayi vishalkay lehr ne <span style="font-style: italic;" class="mycode_i">Ocean Pearl</span> ko ek zordar jhatka diya. Ship ek taraf ko jhuk gaya. Deewaron par lage glass, tables, chairs sab toot kar girne lage. Log cheekhte-chillaate hue idhar-udhar bhaagne lage. Ship ka crew life jackets baant te hue logon ko safe areas ki taraf dhakels raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne aage badh kar Priya aur Arjun ko dono haathon se sambhala. "Jaldi! Suite ki taraf bhaago! Life jackets peheno!"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Deck ka wooden floor ab paani se bhar chuka tha aur behad slippery ho gaya tha. Bahar ki hawa ab ek paagal toofaan ban chuki thi—baarish seedhi nahi, balki hawa ke saath horizontal maar rahi thi, jaise hazaron suiyan jism par chubh rahi hon. Ship har ek lehr ke saath jhatke khakar upar-neeche ho raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Suite ke corridor tak pahunchte-pahunchte ek aur behad vishalkay, khaufnak lehr ship ke side se takrayi. Jhatka itna zordar tha ki deck par khade log phisal kar gir pade.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ka pair wet floor par phisla aur unka haath Arjun ke haath se chhoot gaya. Unka jism deck ki iron railing se ja takraya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"MUMMA!" Arjun ne poori taqat se chillaaya, uska haath hawa mein hi reh gaya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya ne khud ko sambhalne ki koshish ki, unki aankhon mein behad darr tha. Raj ne aage badh kar unka haath pakadne ke liye haath phailaaya. "Priya! Haath pakdo mera!"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Lekin ussi microsecond mein, ek aur paani ka Sailab deck par aakar gira. Paani ke us behad tez bahaav ne Priya ko railing ke paar dhakel diya. Priya ke pair zameen se ukhad gaye. Ek aakhri second ke liye, Priya ki badi-badi nam aankhen Raj aur Arjun ki taraf uthin—unme ek anjaan darr, behad dard aur kuch kehne ki aakhri koshish thi.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Aur agle hi pal, woh vishalkay kaale samundar ki gahraiyon mein ojhal ho gayin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"PRIYA!" Raj ne apni poori jaan laga kar cheekha. Woh pagalon ki tarah us railing ki taraf bhaage, jahan se unki biwi abhi giree thi. Unhone samundar mein koodne ki koshish ki, lekin do ship crew members ne unhe peeche se kas ke pakad liya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Mumma! Mumma kahan hain?! Mumma!" Arjun bilkul paagal ho chuka tha. Uski aawaaz gale mein ghoot rahi thi, uski aankhon se paani aur baarish ek saath beh rahe the. Woh railings ko pakad kar niche kaale, uphanate paani mein ghoor raha tha, jahan sirf safed jhaag aur behad oonchi lehren dikh rahi thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Sir, aapko andar chalna hoga! Ship damage ho raha hai! Please!" Crew members unhe zabardasti kheench kar emergency rescue zone ki taraf le gaye.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Toofaan ne ship ke ek hisse ko poori tarah se apahij kar diya tha. Emergency sirens ki aawaaz, logon ki cheekhein, aur samundar ka woh khaufnak shor—sab kuch ek bhayanak sapne jaisa lag raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Kai ghanton ke khaufnak sangharsh ke baad, jab toofaan ka zor thoda dhiema hua, coast guard aur marine search teams wahan pahunchi. Helicopters ki search lights kaale paani par roshni phenk rahi thin, speedboats lehron par chakkar kaat rahi thin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Lekin Priya Sharma ka koi naam-o-nishaan nahi mila.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Ghento ki mashaqqat ke baad, rescue team ko paani ke upar tairta hua sirf ek kapda mila—Priya ki woh light yellow sundress ka ek phata hua hissa aur unka woh stole, jo paani mein beh raha tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj aur Arjun ko ek rescue ship par shift kar diya gaya. Unhe medical lounge mein bithaya gaya. Raj room ke ek kone mein zameen par baithe hue the, unka sar dono haathon mein tha. Unki aankhen ekdum lal aur patthraayi hui thin. Woh baar-baar sirf ek hi baat badbada rahe the... "Main uska haath pakad sakta tha... main pakad sakta tha... maine use chhod diya..."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ek chair par baitha hua tha. Uska poora jism thand aur shok se kaamp raha tha. Uski aankhon ke samne se woh scene hat hi nahi raha tha—maa ki woh aakhri nazar, unka phisalta hua haath.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Rescue ship ke ek senior marine officer ne unke paas aakar Raj ke kandhe par haath rakha. Officer ke haath mein ek heavy-duty, long-range marine walkie-talkie device tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Sir... yeh emergency frequency radio set hai," officer ne behad dhiemi, hamdard aawaaz mein kaha. "Agar... agar woh kisi floating debris par hain ya kisi aas-paas ke chaat par pahunchi hain, toh shayad yeh kaam aaye. Yeh marine emergency channels par broadcast kar sakta hai."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun ne jhatke se apna sar uthaya aur officer ke haath se woh walkie-talkie chheen jaisa liya. Usne use apne dono haathon mein kas ke pakada aur apne seene se laga liya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raat bhar rescue ship mainland ki taraf badhta raha. Raj ek lash ki tarah kone mein pade rahe, lekin Arjun ne ek second ke liye bhi aakhein band nahi kin.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Woh poori raat walkie-talkie ke dials ko ghumaata raha. Frequencies badalta raha. Channels 16, 21, 88... har ek channel par static noise ki harsh, ajeeb aawaazein aati thin—<span style="font-style: italic;" class="mycode_i">ssshhhhh... zzzzz...</span></span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Arjun walkie-talkie ka button dabata aur kaampthi hui, roti hui aawaaz mein bolta:</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Mumma... agar aap sun rahi ho... please jawab do. Main hoon, Arjun. Mumma please... please jawab do..."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne ek baar dhere se apna sar utha kar Arjun ko dekha. "Arjun... beta... mat kar. Khud ko aur dard mat de... woh..."</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">"Nahi Papa!" Arjun pehli baar apne baap par chilla utha, uski aawaaz mein behad dard aur zid thi. "Woh zinda hain! Mujhe pata hai meri Mumma mujhe chhod kar nahi ja sakti! Main dhoondunga unhe!"</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Raj ne phir kuch nahi kaha, bas dobara apna sar ghutnon mein chhupa liya.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Subah ki pehli kiran ke saath samundar bilkul shant ho chuka tha—ekdum saaf, neela aur khamosh. Jaise kal raat wahan kuch hua hi na ho. Jaise kisi ki zindagi tabah hi na hui ho.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Lekin Sharma parivaar ab hamesha ke liye do hisson mein toot chuka tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Ek taraf Raj aur Arjun the—mainland ki taraf laut te hue, toot chuke, lekin Arjun ke haath mein pakde us walkie-talkie ke jariye umeed ke ek aakhri dhaage ko kas ke thame hue.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Aur doosri taraf... mainland se saikon nautical miles door, ek gumnam, anjaan island ke sunsaan aur patthrilay kinaare par...</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Ek behosh, bheegi hui aur adhmari aurat ka jism lehron ke thapedon se ret par pada hua tha.</span><br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">Priya Sharma.</span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size"><a href="https://imgbb.com/" target="_blank" rel="noopener" class="mycode_url"><img src="https://i.ibb.co/JFsDRnXs/1786428738675.png" alt="[Image: 1786428738675.png]" class="mycode_img" /></a></span><br />
<br />
<span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">To be continued ...</span>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[மச்சி.. அம்மாவ மாத்திக்கலாமா டா??!! (MOM SWAP)]]></title>
			<link>https://xossipy.com/thread-74908.html</link>
			<pubDate>Tue, 11 Aug 2026 05:21:17 +0300</pubDate>
			<guid isPermaLink="false">https://xossipy.com/thread-74908.html</guid>
			<description><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #3333ff;" class="mycode_color"><span style="font-size: medium;" class="mycode_size">மச்சி.. அம்மாவ மாத்திக்கலாமா டா??!!</span></span></span></div>
<br />
<br />
<br />
<img src="https://i.ibb.co/4nc0wfbH/gemini-machi.png" alt="[Image: gemini-machi.png]" class="mycode_img" /><br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">20 வயது இளம் பசங்களான கார்த்திக் வினோத் இருவருமே மிக நெருங்கிய நண்பர்கள். அவர்கள் இருவரும் ஒன்னா படித்தது ஸ்கூல் படிப்பை <span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">மட்டுமல்ல, </span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">செக்ஸ் கதைகளையும் தான். இப்போ ஒன்னா பிட்டு படம் பார்த்து கையடிப்பது வரை அவர்கள் நட்பு </span></span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">காம பாதையில் நெருக்கமானது. </span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">அவர்கள் இருவரையும் இணைக்கும் இன்னொரு காரணமும் இருந்தது. அது </span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">அவர்கள் இருவரின் அப்பாவும் அளவுக்கு மிஞ்சிய குடிப்பழக்கத்தால் நடுத்தர வயதிலேயே குடும்பத்தை நடுத்தெருவில் விட்டுவிட்டு செத்துப்போய்விட்டார்கள். </span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"> </span><br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><br />
நாற்பது வயதைக் கடந்த அந்த இரண்டு தாய்மார்களும், தங்களின் இளமைக்காலத்தை கணவனின் குடிப்பழக்க சித்திரவதையால் நரகமாக்கியவர் மறைந்த பிறகு, தற்போது வறுமையிலும் தனிமையின் கொடுமையில் தவித்துக் கொண்டிருந்தார்கள்.</span><br />
<br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="font-style: italic;" class="mycode_i">ஒருநாள்... நண்பர்களான வினோத்தும் கார்த்திக்கும் மனம்விட்டு பேசிக்கொண்டிருந்தார்கள்....</span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">" எனக்கு நினைவு தெரிஞ்சு, அப்பா இருந்த வரைக்கும் ஒரு நாள் கூட அம்மா முகத்துல சந்தோஷத்தை நான் பார்த்ததில்லை. தினமும் குடி சண்டை அடி உதைனு அப்பா இருந்தவரைக்கும் அவங்களுக்கு நரகம் தான்..  இப்போ அப்பாவும் இல்லை. ஆனா, இந்த வயசுல புருசன் இல்லாம அவங்க படுற கஷ்டம் இருக்கே... அதை பார்க்க சகிக்கலடா. " என கார்த்திக் சொல்ல, </span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">"ஆமா மச்சி.. நம்ம அம்மாவோட இளமைக்கால வாழ்க்கைய இந்த குடி கடன் எல்லாம் மொத்தமா கெடுத்துட்டு போயிடுச்சி.. " என </span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">அதே மனநிலையில் இருந்த </span></span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">வினோத் பெருமூச்சு விட்டான். </span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">" மச்சி.. எங்கம்மா இனிமேலாவது சந்தோஷமா இருக்கனும்டா.. என் அம்மாவுக்கு இன்னொரு கல்யாணம் செஞ்சு வைக்கனும்னு எனக்கு தோணுதுடா.. " என கார்த்தி சொல்ல, வினோத்தின் கண்கள் விரிந்தது. </span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">"டேய்.. நிஜமா எனக்கும் அதே தான் தோணுது டா. எங்கம்மாவுக்கு ஒருத்தரை பார்த்து கல்யாணம் பண்ணி வைச்சி, அவங்களுக்கு முதலிரவு அரேஞ்ஜ் பண்ணி, ஹனிமூன் அனுப்பி வைச்சி.. அம்மா இதுவரைக்கும் அனுபவிக்காத சுகத்தை எல்லாம் அனுபவிக்க வைக்கனும்டா... " என துள்ளலாக சொன்ன வினோத் கொஞ்சம் நிறுத்தி தொடர்ந்தான். " ஆனா, அதே சமயம் பயமாவும் இருக்குடா. வெளியில இருந்து யாரோ ஒருத்தன் வந்து மறுபடி அம்மாவை கொடுமைப்படுத்த மாட்டான்னு என்ன நிச்சயம்? ஏற்கனவே குடி கடன் சித்ரவதைனு இளமையிலயே நரகத்தை பார்த்தவங்களுக்கு, இன்னொரு கல்யாணம்னு வர்றவனும் அம்மாவுக்கு சுகம் தராம, சித்ரவதை பண்ணினா என்ன பண்றது?" என வினோத் மனசுல இருக்கிற ஏக்கத்தையும் பயத்தையும் ஒண்ணா சொன்னான். </span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">அது கார்த்திக்கின் மனதிலும் குழப்பத்தை உண்டாக்கியது, " ஆமா.. மச்சி.. நல்லா தெரிஞ்சவங்களா.. நம்பிக்கையான ஆளா இருக்கனும்.. இல்லனா பிரச்சினை தான்.. என்ன பண்றது.. " என அவனும் தயங்கினான்.<br />
<br />
அந்தக் கேள்வி இருவருக்குள்ளும் ஒரு தவிப்பையும் கவலையையும் ஏற்படுத்தியது. அது அவர்களுக்கு இடையே ஒரு விசித்திரமான மௌனத்தை நிலை நிறுத்தியது. அந்த மெளன நிலையில் இருவரின் மூளையும் அம்மாவிற்கு துணையாக இருக்க நம்பிக்கையான ஆள் யாரென்பதை தேடி அலைந்தது. </span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">திடீரென வினோத்தின் மனதில் ஒரு விபரீதமான, அதே சமயம் விசித்திரமான கணக்கு ஒன்று ஓடியது. அதை </span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">எப்படி வெளியே சொல்வது என்று தெரியாமல் கார்த்திக்கின் முகத்தைப் பார்த்தான்.</span><br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><br />
" மச்சி.. எனக்கு ஒரு யோசனை வருதுடா.. " <span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">என வினோத் ஒரு நொடி நிறுத்த, " சொல்லு மச்சி.. " என கார்த்தின் அவனை இமை கொட்டாமல் பார்த்துக்கொண்டிருந்தான். </span><br />
<br />
" நம்பிக்கையான ஆளுன்னு நினைச்சி பார்த்தா.. மொதல்ல வர்றது நீ தான்டா.. எங்கம்மாவ நீ கல்யாணம் பண்ணிக்கிறீயா ??? " <span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">என வினோத் சொல்ல, " டேய்.. மச்சி.. அதெப்படிடா.. " என கார்த்திக் அதிர்ச்சியோடு அவனை</span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"> பார்த்தான். </span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">" மச்சி.. <span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">வெ</span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">ளி</span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"> ஆளை நம்பி ஏமாறுறதுக்கு பதிலா, நீ கல்யாணம் பண்ணிக்கிட்டா எங்கம்மாவ நல்லா பாத்துப்ப, அவங்கள ஆசை தீர ஓத்து அனுபவிப்பனு எனக்கு நம்பிக்கை இருக்குடா.. <span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">" வினோத் அவன் கையைப் பற்றினான். </span></span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">" மச்சி.. நீ சொல்றது சரிடா.. எனக்கும் நம்பிக்கையானவனா நீ தான் இருக்க.. அப்போ எங்கம்மாவ நீ கல்யாணம் பண்ணிக்கிறீயா.. " என கார்த்திக் நண்பன் வினோத்தின் கண்களை எதிர்நோக்கினான். </span></span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">உண்மையில், அம்மா வயசில் இருக்கும் பல பெண்களை ஒன்றாக சைட்டடிக்கும் இருவருக்கும், தன் நண்பனின் அம்மா மீதும் ஒரு காம ஈர்ப்பு இருந்தது. </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">வினோத்தின் அம்மா :</span> 42 வயது , சந்தன கலர் மேனி, செதுக்கிய சிலை போன்ற உடற்கட்டு, கூம்பு முலை, பெருத்த குண்டி, ஆழமான தொப்புள் குழி என சந்தனக்கட்டை உடம்புக்கு <span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">சொந்தக்காரி. </span> </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">கார்த்திக்கின் அம்மா : 40 வயது, சாக்லேட் நிற மேனி, கொழுத்த முலை பெருத்த குண்டி, பனியாரம் போக உப்பிய தொப்புள், அடுக்கடுக்காய் பிதுங்கி நிற்கும் இடுப்பு சதை என நாட்டுக்கட்டை உடம்புக்கு சொந்தக்காரி. </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">"</span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"> </span><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">மச்சி.. நம்ம அம்மாவ மாத்திக்கலாமா டா..</span></span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">  எங்கம்மா உனக்கு.. உங்கம்மா எனக்கு.. " என வினோத் சொன்ன வார்த்தைகள் கார்த்திக்கின் மன</span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">தில் ஒரு கிளர்ச்சியை ஏற்படுத்தின. </span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">" உங்கம்மாவ நானும் எங்கம்மாவ நீயும் கல்யாணம் பண்ணிக்கலாம்.. </span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">நம்ம அம்மாக்களுக்கு ஒரு பாதுகாப்பான, நிம்மதியான வாழ்க்கை கிடைக்கும். <span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">நாம அவங்களை ஒரு நாளும் கைவிட மாட்டோம். </span>நம்ம நட்பும் சாகிற வரைக்கும் பிரியாமல் அப்படியே தொடரும்</span></span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"> " என இருவருக்குள்ளும் இருந்த அந்த ரகசிய சபலம் இப்போது ஒரு நியாயமான தீர்வாக உருவெடுத்தது.</span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">ஒருமுறை</span> '<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">நண்பன் மனைவி' எனும் காமக்கதையை</span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"> படிக்கும்போது, "மச்சி, க</span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">ல்யாணமான அப்புறம் நாம பொண்டாட்டிங்களை மாத்திக்கலாம்டா.. மாத்தி மாத்தி</span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"> ஓத்துக்கலாம்டா.. " என வினோத் கிளர்ச்சியாக பேசியது கார்த்திக்கின் நினைவுக்கு வந்தது. அந்த நினைவில் மெளனமாய் நின்றவனிடம், வினோத் மீண்டும் கேட்டான்....</span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"> </span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">" சொல்லுடா மச்சி.. நம்ம அம்மாவ மாத்திக்கலாமா டா ??!!"</span> </span><br />
<br />
<br />
<br />
<span style="font-style: italic;" class="mycode_i"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">இந்த கேள்வி அவர்களுக்கு மட்டுமல்ல.. கதையை படிக்கும் உங்களுக்கும் தான்..  பதில் சொல்லுங்க.. </span></span>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #3333ff;" class="mycode_color"><span style="font-size: medium;" class="mycode_size">மச்சி.. அம்மாவ மாத்திக்கலாமா டா??!!</span></span></span></div>
<br />
<br />
<br />
<img src="https://i.ibb.co/4nc0wfbH/gemini-machi.png" alt="[Image: gemini-machi.png]" class="mycode_img" /><br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">20 வயது இளம் பசங்களான கார்த்திக் வினோத் இருவருமே மிக நெருங்கிய நண்பர்கள். அவர்கள் இருவரும் ஒன்னா படித்தது ஸ்கூல் படிப்பை <span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">மட்டுமல்ல, </span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">செக்ஸ் கதைகளையும் தான். இப்போ ஒன்னா பிட்டு படம் பார்த்து கையடிப்பது வரை அவர்கள் நட்பு </span></span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">காம பாதையில் நெருக்கமானது. </span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">அவர்கள் இருவரையும் இணைக்கும் இன்னொரு காரணமும் இருந்தது. அது </span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">அவர்கள் இருவரின் அப்பாவும் அளவுக்கு மிஞ்சிய குடிப்பழக்கத்தால் நடுத்தர வயதிலேயே குடும்பத்தை நடுத்தெருவில் விட்டுவிட்டு செத்துப்போய்விட்டார்கள். </span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"> </span><br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><br />
நாற்பது வயதைக் கடந்த அந்த இரண்டு தாய்மார்களும், தங்களின் இளமைக்காலத்தை கணவனின் குடிப்பழக்க சித்திரவதையால் நரகமாக்கியவர் மறைந்த பிறகு, தற்போது வறுமையிலும் தனிமையின் கொடுமையில் தவித்துக் கொண்டிருந்தார்கள்.</span><br />
<br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="font-style: italic;" class="mycode_i">ஒருநாள்... நண்பர்களான வினோத்தும் கார்த்திக்கும் மனம்விட்டு பேசிக்கொண்டிருந்தார்கள்....</span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">" எனக்கு நினைவு தெரிஞ்சு, அப்பா இருந்த வரைக்கும் ஒரு நாள் கூட அம்மா முகத்துல சந்தோஷத்தை நான் பார்த்ததில்லை. தினமும் குடி சண்டை அடி உதைனு அப்பா இருந்தவரைக்கும் அவங்களுக்கு நரகம் தான்..  இப்போ அப்பாவும் இல்லை. ஆனா, இந்த வயசுல புருசன் இல்லாம அவங்க படுற கஷ்டம் இருக்கே... அதை பார்க்க சகிக்கலடா. " என கார்த்திக் சொல்ல, </span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">"ஆமா மச்சி.. நம்ம அம்மாவோட இளமைக்கால வாழ்க்கைய இந்த குடி கடன் எல்லாம் மொத்தமா கெடுத்துட்டு போயிடுச்சி.. " என </span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">அதே மனநிலையில் இருந்த </span></span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">வினோத் பெருமூச்சு விட்டான். </span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">" மச்சி.. எங்கம்மா இனிமேலாவது சந்தோஷமா இருக்கனும்டா.. என் அம்மாவுக்கு இன்னொரு கல்யாணம் செஞ்சு வைக்கனும்னு எனக்கு தோணுதுடா.. " என கார்த்தி சொல்ல, வினோத்தின் கண்கள் விரிந்தது. </span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">"டேய்.. நிஜமா எனக்கும் அதே தான் தோணுது டா. எங்கம்மாவுக்கு ஒருத்தரை பார்த்து கல்யாணம் பண்ணி வைச்சி, அவங்களுக்கு முதலிரவு அரேஞ்ஜ் பண்ணி, ஹனிமூன் அனுப்பி வைச்சி.. அம்மா இதுவரைக்கும் அனுபவிக்காத சுகத்தை எல்லாம் அனுபவிக்க வைக்கனும்டா... " என துள்ளலாக சொன்ன வினோத் கொஞ்சம் நிறுத்தி தொடர்ந்தான். " ஆனா, அதே சமயம் பயமாவும் இருக்குடா. வெளியில இருந்து யாரோ ஒருத்தன் வந்து மறுபடி அம்மாவை கொடுமைப்படுத்த மாட்டான்னு என்ன நிச்சயம்? ஏற்கனவே குடி கடன் சித்ரவதைனு இளமையிலயே நரகத்தை பார்த்தவங்களுக்கு, இன்னொரு கல்யாணம்னு வர்றவனும் அம்மாவுக்கு சுகம் தராம, சித்ரவதை பண்ணினா என்ன பண்றது?" என வினோத் மனசுல இருக்கிற ஏக்கத்தையும் பயத்தையும் ஒண்ணா சொன்னான். </span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">அது கார்த்திக்கின் மனதிலும் குழப்பத்தை உண்டாக்கியது, " ஆமா.. மச்சி.. நல்லா தெரிஞ்சவங்களா.. நம்பிக்கையான ஆளா இருக்கனும்.. இல்லனா பிரச்சினை தான்.. என்ன பண்றது.. " என அவனும் தயங்கினான்.<br />
<br />
அந்தக் கேள்வி இருவருக்குள்ளும் ஒரு தவிப்பையும் கவலையையும் ஏற்படுத்தியது. அது அவர்களுக்கு இடையே ஒரு விசித்திரமான மௌனத்தை நிலை நிறுத்தியது. அந்த மெளன நிலையில் இருவரின் மூளையும் அம்மாவிற்கு துணையாக இருக்க நம்பிக்கையான ஆள் யாரென்பதை தேடி அலைந்தது. </span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">திடீரென வினோத்தின் மனதில் ஒரு விபரீதமான, அதே சமயம் விசித்திரமான கணக்கு ஒன்று ஓடியது. அதை </span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">எப்படி வெளியே சொல்வது என்று தெரியாமல் கார்த்திக்கின் முகத்தைப் பார்த்தான்.</span><br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><br />
" மச்சி.. எனக்கு ஒரு யோசனை வருதுடா.. " <span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">என வினோத் ஒரு நொடி நிறுத்த, " சொல்லு மச்சி.. " என கார்த்தின் அவனை இமை கொட்டாமல் பார்த்துக்கொண்டிருந்தான். </span><br />
<br />
" நம்பிக்கையான ஆளுன்னு நினைச்சி பார்த்தா.. மொதல்ல வர்றது நீ தான்டா.. எங்கம்மாவ நீ கல்யாணம் பண்ணிக்கிறீயா ??? " <span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">என வினோத் சொல்ல, " டேய்.. மச்சி.. அதெப்படிடா.. " என கார்த்திக் அதிர்ச்சியோடு அவனை</span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"> பார்த்தான். </span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">" மச்சி.. <span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">வெ</span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">ளி</span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"> ஆளை நம்பி ஏமாறுறதுக்கு பதிலா, நீ கல்யாணம் பண்ணிக்கிட்டா எங்கம்மாவ நல்லா பாத்துப்ப, அவங்கள ஆசை தீர ஓத்து அனுபவிப்பனு எனக்கு நம்பிக்கை இருக்குடா.. <span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">" வினோத் அவன் கையைப் பற்றினான். </span></span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">" மச்சி.. நீ சொல்றது சரிடா.. எனக்கும் நம்பிக்கையானவனா நீ தான் இருக்க.. அப்போ எங்கம்மாவ நீ கல்யாணம் பண்ணிக்கிறீயா.. " என கார்த்திக் நண்பன் வினோத்தின் கண்களை எதிர்நோக்கினான். </span></span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">உண்மையில், அம்மா வயசில் இருக்கும் பல பெண்களை ஒன்றாக சைட்டடிக்கும் இருவருக்கும், தன் நண்பனின் அம்மா மீதும் ஒரு காம ஈர்ப்பு இருந்தது. </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">வினோத்தின் அம்மா :</span> 42 வயது , சந்தன கலர் மேனி, செதுக்கிய சிலை போன்ற உடற்கட்டு, கூம்பு முலை, பெருத்த குண்டி, ஆழமான தொப்புள் குழி என சந்தனக்கட்டை உடம்புக்கு <span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">சொந்தக்காரி. </span> </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">கார்த்திக்கின் அம்மா : 40 வயது, சாக்லேட் நிற மேனி, கொழுத்த முலை பெருத்த குண்டி, பனியாரம் போக உப்பிய தொப்புள், அடுக்கடுக்காய் பிதுங்கி நிற்கும் இடுப்பு சதை என நாட்டுக்கட்டை உடம்புக்கு சொந்தக்காரி. </span></span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">"</span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"> </span><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">மச்சி.. நம்ம அம்மாவ மாத்திக்கலாமா டா..</span></span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">  எங்கம்மா உனக்கு.. உங்கம்மா எனக்கு.. " என வினோத் சொன்ன வார்த்தைகள் கார்த்திக்கின் மன</span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">தில் ஒரு கிளர்ச்சியை ஏற்படுத்தின. </span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">" உங்கம்மாவ நானும் எங்கம்மாவ நீயும் கல்யாணம் பண்ணிக்கலாம்.. </span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">நம்ம அம்மாக்களுக்கு ஒரு பாதுகாப்பான, நிம்மதியான வாழ்க்கை கிடைக்கும். <span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">நாம அவங்களை ஒரு நாளும் கைவிட மாட்டோம். </span>நம்ம நட்பும் சாகிற வரைக்கும் பிரியாமல் அப்படியே தொடரும்</span></span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"> " என இருவருக்குள்ளும் இருந்த அந்த ரகசிய சபலம் இப்போது ஒரு நியாயமான தீர்வாக உருவெடுத்தது.</span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">ஒருமுறை</span> '<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">நண்பன் மனைவி' எனும் காமக்கதையை</span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"> படிக்கும்போது, "மச்சி, க</span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">ல்யாணமான அப்புறம் நாம பொண்டாட்டிங்களை மாத்திக்கலாம்டா.. மாத்தி மாத்தி</span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"> ஓத்துக்கலாம்டா.. " என வினோத் கிளர்ச்சியாக பேசியது கார்த்திக்கின் நினைவுக்கு வந்தது. அந்த நினைவில் மெளனமாய் நின்றவனிடம், வினோத் மீண்டும் கேட்டான்....</span><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"> </span></span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"><br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">" சொல்லுடா மச்சி.. நம்ம அம்மாவ மாத்திக்கலாமா டா ??!!"</span> </span><br />
<br />
<br />
<br />
<span style="font-style: italic;" class="mycode_i"><span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">இந்த கேள்வி அவர்களுக்கு மட்டுமல்ல.. கதையை படிக்கும் உங்களுக்கும் தான்..  பதில் சொல்லுங்க.. </span></span>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Stretched Between Danger]]></title>
			<link>https://xossipy.com/thread-74905.html</link>
			<pubDate>Mon, 10 Aug 2026 20:08:09 +0300</pubDate>
			<guid isPermaLink="false">https://xossipy.com/thread-74905.html</guid>
			<description><![CDATA[Dr. Ananya Sharma was the kind of woman who made hospital corridors quieter when she walked past.<br />
<br />
Twenty-eight, fair-skinned to the point of almost luminous under fluorescent lights, with a soft baby face that somehow made the heavy, full breasts and the pronounced curve of her hips look even more forbidden. She had that rare combination: the innocent, slightly rounded cheeks and large dark eyes of a girl barely out of her twenties, set on a body that was pure mature woman - narrow waist, heavy, high tits that strained against whatever blouse she wore, and an ass that filled out a saree like it had been dbangd specifically to torture every man who saw her from behind.<br />
<br />
She mostly wore sarees to work. Soft cottons and georgettes in pastels or deep jewel tones, always with a blouse that was just a little too fitted, the neckline dipping just enough to show the beginning of that deep cleavage when she leaned over a file or a patient chart. The pallu would sometimes slip, and she’d casually hitch it back up with one hand while the other held a stethoscope, completely unaware (or so it seemed) of the way male colleagues, interns, even a few senior consultants would freeze for half a second.<br />
<br />
Her husband, Rohan, worked in Dubai. Finance. Six months on, one month off. They had been married three years. She still wore the mangalsutra and the thin gold bangles he had given her, and every night before sleep she video-called him, still in her nightie or sometimes still in the saree she had worn that day, hair loose, face washed clean of makeup so that the soft, almost girlish features were even more pronounced against the mature body beneath.<br />
<br />
She was loyal. Painfully, deliberately loyal. She knew how men looked at her. She felt the stares in the cafeteria, the way the new surgical resident’s eyes dropped to her chest when she adjusted her pallu, the way the pharmacist’s voice went slightly husky when she came to collect medicines. She never encouraged it. She smiled politely, kept conversations clinical, went home to an empty flat in Bandra that still smelled faintly of her husband’s cologne from his last visit.<br />
<br />
But the body she lived in didn’t care about loyalty. It was young, healthy, and starved for more than hurried video sex and the occasional intense week when Rohan flew back. Some nights she would stand in front of the mirror after a shower, still damp, and just look - cupping the heavy weight of her breasts, turning sideways to see the way her ass curved out, the soft belly that stayed flat but never quite athletic. She would remember the last time her husband had bent her over the edge of the bed, saree still half on, and she would touch herself slowly, guiltily, until she came with his name in her mouth.<br />
<br />
Today was no different, except that the new cardiology fellow, Dr. Kabir Malhotra, had been assigned to her floor for the week.<br />
<br />
He was tall, quiet, and had the kind of dark, steady eyes that didn’t look away when she caught him staring. When she walked into the consultation room that morning in a cream silk saree with a deep maroon blouse, the pallu dbangd modestly across her chest, she felt his gaze travel from her face down to the soft swell of her breasts, then lower, lingering on the way the silk clung to the heavy curve of her hips and ass before he finally looked back up and said, “Good morning, Dr. Sharma.”<br />
<br />
His voice was perfectly professional.<br />
<br />
His eyes were not.<br />
<br />
Ananya adjusted the pallu a fraction higher, gave him the same polite, slightly distant smile she gave everyone, and opened the first patient file.<br />
<br />
She did not notice - or pretended not to notice - the way his gaze dropped again the moment she turned to the computer, the silk of her saree pulling tight across the full, rounded cheeks of her ass as she leaned forward slightly.]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[Dr. Ananya Sharma was the kind of woman who made hospital corridors quieter when she walked past.<br />
<br />
Twenty-eight, fair-skinned to the point of almost luminous under fluorescent lights, with a soft baby face that somehow made the heavy, full breasts and the pronounced curve of her hips look even more forbidden. She had that rare combination: the innocent, slightly rounded cheeks and large dark eyes of a girl barely out of her twenties, set on a body that was pure mature woman - narrow waist, heavy, high tits that strained against whatever blouse she wore, and an ass that filled out a saree like it had been dbangd specifically to torture every man who saw her from behind.<br />
<br />
She mostly wore sarees to work. Soft cottons and georgettes in pastels or deep jewel tones, always with a blouse that was just a little too fitted, the neckline dipping just enough to show the beginning of that deep cleavage when she leaned over a file or a patient chart. The pallu would sometimes slip, and she’d casually hitch it back up with one hand while the other held a stethoscope, completely unaware (or so it seemed) of the way male colleagues, interns, even a few senior consultants would freeze for half a second.<br />
<br />
Her husband, Rohan, worked in Dubai. Finance. Six months on, one month off. They had been married three years. She still wore the mangalsutra and the thin gold bangles he had given her, and every night before sleep she video-called him, still in her nightie or sometimes still in the saree she had worn that day, hair loose, face washed clean of makeup so that the soft, almost girlish features were even more pronounced against the mature body beneath.<br />
<br />
She was loyal. Painfully, deliberately loyal. She knew how men looked at her. She felt the stares in the cafeteria, the way the new surgical resident’s eyes dropped to her chest when she adjusted her pallu, the way the pharmacist’s voice went slightly husky when she came to collect medicines. She never encouraged it. She smiled politely, kept conversations clinical, went home to an empty flat in Bandra that still smelled faintly of her husband’s cologne from his last visit.<br />
<br />
But the body she lived in didn’t care about loyalty. It was young, healthy, and starved for more than hurried video sex and the occasional intense week when Rohan flew back. Some nights she would stand in front of the mirror after a shower, still damp, and just look - cupping the heavy weight of her breasts, turning sideways to see the way her ass curved out, the soft belly that stayed flat but never quite athletic. She would remember the last time her husband had bent her over the edge of the bed, saree still half on, and she would touch herself slowly, guiltily, until she came with his name in her mouth.<br />
<br />
Today was no different, except that the new cardiology fellow, Dr. Kabir Malhotra, had been assigned to her floor for the week.<br />
<br />
He was tall, quiet, and had the kind of dark, steady eyes that didn’t look away when she caught him staring. When she walked into the consultation room that morning in a cream silk saree with a deep maroon blouse, the pallu dbangd modestly across her chest, she felt his gaze travel from her face down to the soft swell of her breasts, then lower, lingering on the way the silk clung to the heavy curve of her hips and ass before he finally looked back up and said, “Good morning, Dr. Sharma.”<br />
<br />
His voice was perfectly professional.<br />
<br />
His eyes were not.<br />
<br />
Ananya adjusted the pallu a fraction higher, gave him the same polite, slightly distant smile she gave everyone, and opened the first patient file.<br />
<br />
She did not notice - or pretended not to notice - the way his gaze dropped again the moment she turned to the computer, the silk of her saree pulling tight across the full, rounded cheeks of her ass as she leaned forward slightly.]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Heroine]]></title>
			<link>https://xossipy.com/thread-74904.html</link>
			<pubDate>Mon, 10 Aug 2026 17:44:32 +0300</pubDate>
			<guid isPermaLink="false">https://xossipy.com/thread-74904.html</guid>
			<description><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-family: Times New Roman;" class="mycode_font"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #ff3399;" class="mycode_color"><span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">హీరోయిన్</span></span><span style="font-size: large;" class="mycode_size"> </span></span></span></div>
<br />
<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Times New Roman;" class="mycode_font"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">కొంచెం నిజం       కొంచెం కల్పితం</span></span></span></div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Times New Roman;" class="mycode_font"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">ప్రయాణం...</span></span></span></div>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-family: Times New Roman;" class="mycode_font"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="color: #ff3399;" class="mycode_color"><span style="font-size: xx-large;" class="mycode_size">హీరోయిన్</span></span><span style="font-size: large;" class="mycode_size"> </span></span></span></div>
<br />
<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Times New Roman;" class="mycode_font"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">కొంచెం నిజం       కొంచెం కల్పితం</span></span></span></div>
<div style="text-align: center;" class="mycode_align"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Times New Roman;" class="mycode_font"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">ప్రయాణం...</span></span></span></div>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[MERI BARBAADI YA TARAKKI]]></title>
			<link>https://xossipy.com/thread-74899.html</link>
			<pubDate>Mon, 10 Aug 2026 07:32:15 +0300</pubDate>
			<guid isPermaLink="false">https://xossipy.com/thread-74899.html</guid>
			<description><![CDATA[NEW UPDET <br />
<br />
<br />
<br />
Mera naam Anita hai. Jab main 18 saal ki hui, tab se meri jawani ne ek alag hi rang le liya. Pehle to main bilkul ordinary si ladki thi, college uniform mein, chhoti si body, koi special nahi. Lekin 18 ke baad jaise koi jadoo ho gaya. Mere body mein achanak se badlav aaya. Mere boobs 34 size ke ho gaye – bade, gool, aur itne tight ki koi bhi kapda unhe chhupa nahi paata tha. Upar se hips itni badi aur gol ho gayi ki jeans pehenne par bhi unka shape saaf dikhta tha. Meri kamar patli, aur yeh curves itne deep the ki mirror mein khud dekh ke main hairaan ho jaati thi.<br />
<br />
Ghar se nikalte hi logon ki nazar mujh par padne lagi. College jaane ke raaste mein bade-bade ladke line laga ke khade ho jaate. Koi bike pe aake slow down karta, koi seedha aage aa ke “Anita, number de de” bolta. Unki aankhon mein bhookh saaf dikhti thi – meri 34 size ki chaati aur badi hips dekh ke unka muh khula reh jaata. Main unki taraf dekhti bhi nahi thi. Sirf aankhen neeche kiye, apna rasta pakad ke chalti rehti. Unhe koi bhav nahi deti thi. Unke ishaare, unki sietiyan, unke “hello-hello” – sab air mein udd jaate the.<br />
<br />
Lekin sirf jawaan ladke nahi the. Budhdhe bhi... 40-50-60 saal ke uncle log. Road pe khade hoke dekhte, unki aankhen meri body pe chipki rehti. Koi dukaandar tha, koi auto wala, koi office jaane wala. Unke ishaare alag tarah ke hote – aankh maarna, muh banana, kabhi-kabhi haath se ishara karna. Ek baar ek budhdha aadmi mere peeche-peeche aaya aur dheere se bola, “Beta, itni jawaan body... kisi ko bhi pagal kar de.” Main ne uski taraf sirf ek thandi nazar daali aur chali gayi. Kisi ko bhav nahi dena – yeh meri rule thi.<br />
<br />
Ghar mein bhi log bolte the. Pados wali aunties meri ma se kehti, “Anita itni mature ho gayi hai... dekhna, log uske peeche padenge.” Ma kehti, “Apni izzat sambhal ke rakhna.” Main sirf muskuraati. Andar se main jaanti thi ki meri body ab ek alag power ban chuki hai. Jab main tight top pehen ke nikalti, to 34 size ke boobs upar se jhatke khaate the. Hips left-right hote the. Har kadam pe logon ki saansein ruk jaati.<br />
<br />
College ke canteen mein, library mein, bus stand pe – har jagah. Bade ladke group bana ke baithte aur mujhe dekhte rehte. Unme se kuch himmat karke aate, “Anita, coffee peene chalegi?” Main bas “Nahi” bol ke door ho jaati. Unki line lagni shuru ho jaati – ek ke baad ek. Koi flower laata, koi letter, koi seedha proposal. Main kisi ko face nahi karti thi. Unki saari mehnat bekaar jaati.<br />
<br />
Raat ko jab ghar aati, to kabhi-kabhi sochti – yeh body meri hai, lekin log ise apna samajh ke dekhte hain. Meri jawani unke liye ek show ban gayi thi. 34 size ke boobs, badi hips, patli kamar – yeh sab unke dimaag mein ghumta rehta. Lekin main unhe koi bhav nahi deti. Na smile, na baat, na nazar. Sirf apna kaam, apni padhai, apna rasta.<br />
<br />
Kabhi-kabhi lagta ki main kisi film ki heroine hoon jiske peeche pura sheher pagal hai. Lekin main unke ishaaron ko air mein uddati chhod deti. Bade ladke line lagaye, budhdhe ishara karein – mujhe farak nahi padta. Meri jawani meri hai. Main kisi ko haath nahi lagane dungi, kisi ko bhav nahi dungi.<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
Ek raat ki baat hai. Ghar mein sab so rahe the. Main apne room se bathroom jaane nikli. Papa-mummy ka room thoda sa khula hua tha. Andar se halki-halki awaazein aa rahi thin. Pehle to main sochi shayad koi TV chal raha hoga, lekin jab qareeb gayi to samajh aa gaya. Mummy ki dabi hui siskiyan, papa ki bhari saansein, bed ki halki-halki char-char. Main wahan khadi ho gayi. Dimag mein ek ajeeb si ghabrahat aur utsukt a saath-saath uthne lagi.<br />
<br />
Darwaze ke gap se main dekh sakti thi. Kamre mein dim light thi. Mummy bilkul nangi thin, unka body papa ke neeche daba hua tha. Papa upar the, unke haath mummy ke boobs pe, unhe dabate hue, nichodte hue. Mummy ke pair papa ke kamar pe lapete hue the. Har dhakke ke saath bed hil raha tha. Mummy ke munh se “ahh… ahhh… dheere…” nikal raha tha, lekin unki awaaz mein dard nahi, maze ki gehraai thi. Papa bhi bol rahe the, “Itni gili ho gayi ho aaj… kitni der se soch rahi thi kya?” Mummy bas unke seene mein munh chhupa ke siskiyan le rahi thin.<br />
<br />
Main dekhte-dekhte jaise pathar ho gayi. Mera dil zor-zor se dhadak raha tha. Mere apne 34 size ke boobs mein ek ajeeb si gudgudi si hone lagi. Neeche, legs ke beech, main mehsoos kar sakti thi ki main bhi geeli hone lagi hoon. Yeh dekhna galat tha, main jaanti thi. Yeh mere papa-mummy the. Lekin nazar hat nahi rahi thi. Papa ke dhakke tez ho rahe the. Mummy ke nails unki peeth pe khurach rahe the. Unki awaazein tez hoti ja rahi thin. Phir ek lamha aaya jab mummy ne zor se “bas… ab… aa raha hai…” kaha, aur unka body kaamp utha. Papa bhi ek lambi saans ke saath unke upar jhuk gaye.<br />
<br />
Main wahan se dheere-dheere hat gayi. Bathroom mein jaake mirror ke saamne khadi ho gayi. Mera chehra laal tha. Mere boobs tight top mein upar-neeche ho rahe the. Main ne apne aap ko touch kiya. Neeche haath le gayi to geelapan saaf mehsoos hua. Us raat main so nahi paayi. Dimag mein woh scene baar-baar ghoom raha tha. Mummy ki siskiyan, papa ke dhakke, unka nanga body… sab kuch. Mujhe sharam aa rahi thi, lekin uske saath ek ajeeb si garmi bhi. Main sochne lagi – kya yeh normal hai? Kya har ghar mein aisa hota hai? Kya main bhi kabhi aise hi kisi ke neeche hongi?<br />
<br />
Uske baad se main unki awaazein sunne lagi. Kabhi raat ko, kabhi dopahar mein jab main ghar pe hoti. Kabhi-kabhi main jaan-bujh ke unke room ke paas se guzarti. Unki chudai dekhna ab meri ek chhupi hui aadat ban chuki thi. Har baar mere body mein wahi garmi, wahi geelapan. Kabhi main apne room mein jaake darwaza band karti aur khud ko touch karti, unke scene ko yaad karke.<br />
<br />
Saheliyon se bhi sunna shuru ho gaya. College mein meri teen-chaar close friends thin – Riya, Pooja, Sneha aur Kavita. Lunch break mein ya library ke peeche baith ke baatein hoti thin. Pehle to normal gossip, lekin dheere-dheere affairs ki baatein aane lagi.<br />
<br />
Riya ne ek din bataya, “Mera senior se affair chal raha hai. Woh hostel mein aata hai, raat bhar rehta hai. Pehli baar jab usne mujhe choda to dard hua, lekin ab main uske bina nahi reh sakti. Uske haath, uski jeebh, uske dhakke… bas yaad aate hain to body gili ho jaati hai.” Main sun rahi thi, munh band. Pooja ne kaha, “Mera to neighbour se hai. 28 saal ka hai. Ghar pe akele hote hain to woh aata hai. Kabhi sofa pe, kabhi kitchen mein. Ek baar mummy almost pakad hi leti thin.” Sneha aur aage badh gayi, “Main to do ladkon se karti hoon. Ek college ka, ek bahar ka. Dono alag-alag tarike se chode. Ek dheere, ek bilkul jungli.”<br />
<br />
Main unki baatein sunti rehti. Unke chehron pe woh glow, woh muskaan, woh detail – kaise unke boobs dabaye gaye, kaise unki chut chatayi gayi, kaise unhone pehli baar cum kiya. Main bas sunti. Kabhi-kabhi sawal karti, “Dard hota hai kya?” “Maza aata hai?” “Tum log condom use karti ho?” Woh haske bataati. Unki stories sun ke meri body phir se garam ho jaati. Mere 34 size ke boobs tight ho jaate, hips mein gudgudi hoti. Kabhi main unse door jaake bathroom mein jaati aur khud ko thanda karti.<br />
<br />
Andar se meri feelings bahut uljhi hui thin. Ghar mein papa-mummy ki chudai dekh ke mujhe ek ajeeb sa mix feel hota – sharam, uttejana, aur thodi si jealousy. Mummy ki body ab bhi tight thi, papa unhe itne mazze se chode ja rahe the. Main sochti, kya main bhi aisi hi hongi? Kya mera bhi koi hoga jo mujhe aise hi niche dabayega, mere bade boobs dabayega, meri hips pakad ke dhakke marega?<br />
<br />
Saheliyon ki baatein sun ke aur bhi zyada. Unke affairs sun ke main feel karti ki main peeche reh gayi hoon. Woh sab already experience kar chuki thin, main abhi sirf dekh aur sun rahi thi. Kabhi lagta ki main bhi kisi ko allow kar doon. College ke woh bade ladke jo line lagate the, unme se kisi ek ko… lekin phir dil nahi maanta tha. Main kisi ko bhav nahi deti thi. Bahar se strong dikhti, andar se confusion.<br />
<br />
Raat ko bed pe leti to scenes mix ho jaate. Papa-mummy ki chudai, Riya ki hostel wali baatein, Pooja ka neighbour, Sneha ke do ladke. Sab milke ek film ban jaati dimag mein. Main apne haath se apne boobs dabati, nipples ko pinch karti, neeche haath le jaake geeli chut pe ungli ferati. Kabhi zor se, kabhi dheere. Jab climax aata to main pillow mein munh daba leti taaki awaaz na nikle. Uske baad body soft ho jaati, lekin dimag aur bhi sawalon se bhara rehta.<br />
<br />
Kabhi sochti – yeh sab dekhna aur sunna galat hai kya? Papa-mummy ko pata chal gaya to? Saheliyan agar jaan jaayein ki main unki baatein sun ke khud ko touch karti hoon? Lekin main rok nahi paati thi. Meri jawani ab sirf bahar ke ladkon ke isharon se nahi, ghar ke andar ke in scenes se aur saheliyon ki affairs ki kahaniyon se bhi jal rahi thi.<br />
<br />
Din bhar main normal dikhti. Padhai karti, ghar ka kaam karti, kisi ko bhav nahi deti. Lekin raat ko, ya jab akele hoti, to woh sab yaad aa jaata. Papa ke dhakke, mummy ki siskiyan, Riya ka “uske bina nahi reh sakti”, Pooja ka “kitchen mein chod diya”. Sab kuch. Meri 34 size ki body, meri badi hips, meri geeli hone wali chut – sab un scenes ka hissa ban jaate.<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
B.Ed pura hote hi ghar ki halat aur bhi kharab ho gayi thi. Papa ki naukri chhut chuki thi, mummy beemar rehti thin, ghar ka kharcha nahi chal raha tha. Mere 34 size ke boobs aur badi hips wali body pe log to line lagate the, lekin paisa nahi aata tha. Isliye main teacher ki job ke liye private colleges mein apply karne nikal padi.<br />
<br />
Ek din main ek private college gayi jo thoda sheher ke bahar tha. college ka naam “Sunrise Public college” tha. Office mein jaake main ne form bhara, certificates diye. Clerk ne kaha, “Madam, aapki degree theek hai, lekin final decision trustee saheb lenge. Unse milna hoga.” Main wait karne lagi.<br />
<br />
Thodi der baad ek 48-50 saal ka aadmi aaya. Safed shirt, black pant, moti gold chain, aur aankhon mein woh nazar jo main pehchaan chuki thi. Usne mera form dekha, phir mujhe upar se neeche tak ghoora. Meri white salwar-kameez mein 34 size ke boobs saaf ubhar rahe the, hips ka shape bhi chhupa nahi tha.<br />
<br />
Woh bola, “Anita… hai na? Baitho.”<br />
<br />
Main baith gayi. Usne door band kiya. Office mein sirf hum do the.<br />
<br />
Trustee (muskuraate hue): “Tumhari degree achhi hai. Experience nahi hai, lekin face aur personality dekh ke lagta hai students ko pasand aayegi. Lekin… college mein vacancy limited hai. Bahut ladkiyan aati hain.”<br />
<br />
Main: “Sir, main mehnat karungi. Ghar ki halat theek nahi hai, isliye job ki zaroorat hai.”<br />
<br />
Usne mera form side rakh diya aur seedha meri aankhon mein dekha.<br />
<br />
Trustee: “Seedhi baat karti hoon, Anita. Job mil sakti hai. Full time, 25 hazar salary, PF, sab. Lekin… ek shart hai.”<br />
<br />
Mera dil tez dhadakne laga. Main jaanti thi kya aane wala hai.<br />
<br />
Main (dheere se): “Kya shart, sir?”<br />
<br />
Usne chair aage kiya, awaaz dheemi ki.<br />
<br />
Trustee: “Ek baar. Sirf ek baar. Mere saath sex. Uske baad tumhari job confirm. Koi disturbance nahi, koi blackmail nahi. Ek baar de do, baaki life teacher banke raho.”<br />
<br />
Main chup ho gayi. Andar se gussa bhi aa raha tha, lekin ghar ki paristhiti yaad aa gayi. Papa ka udhaar, mummy ki dawai, chhota bhai ki fees. Main ne apne 34 size ke boobs pe nazar daali jo uski aankhon mein mirror ho rahe the.<br />
<br />
Main: “Sir… yeh theek nahi hai. Main padhne-likhne aayi hoon, yeh sab ke liye nahi.”<br />
<br />
Trustee (hans te hue): “Main jaanta hoon. Lekin duniya aisi hi hai. Tumhari body dekh ke koi bhi trustee yeh offer karega. Main kam se kam clear bol raha hoon. Ek baar. Sirf Sunday ko. Do din baad. Uske baad tum free.”<br />
<br />
Main: “Agar main mana kar doon?”<br />
<br />
Trustee: “To form reject. Koi doosra college bhi mere jaan-pehchaan wale hain. Wahan bhi same scene hoga. Soch lo. Ghar ki halat tumhare chehre pe likhi hai.”<br />
<br />
Main ne neeche dekh liya. Uski baat sach thi. Pichle do colleges mein bhi aise hi ishare mile the. Yahan at least woh clear bol raha tha.<br />
<br />
Main (lambi saans lete hue): “Agar… agar main maan jaoon… to guarantee hai job ki?”<br />
<br />
Trustee: “Haan. Written mein bhi de dunga appointment letter Sunday ke baad. Pehle milna hoga. Mere farmhouse pe. Sheher se 20 km. Koi nahi hoga wahan. Sirf hum dono.”<br />
<br />
Main: “Time?”<br />
<br />
Trustee: “Sunday subah 11 baje. Main address de dunga. Tum aana. Kapde aise pehenna jo asani se utrein. Aur… clean rakhna apne aap ko.”<br />
<br />
Usne number liya mera. Phir bola,<br />
<br />
Trustee: “Anita, tumhari hips aur yeh 34 size… dekh ke mera mann kar raha hai abhi yahin table pe litane ka. Lekin main control kar raha hoon. Sunday ko poora time milega. Main dheere-dheere karunga, dard nahi hoga. Tum bhi enjoy karna. Ek baar ke baad kabhi haath nahi lagaunga.”<br />
<br />
Main uth khadi hui. Meri awaaz thodi kaamp rahi thi.<br />
<br />
Main: “Theek hai, sir. Main Sunday aaungi. Lekin uske baad job milni chahiye. Aur koi baat nahi honi chahiye college mein.”<br />
<br />
Trustee (muskuraate hue): “Promise. Ab jao. Form approve kar diya maine. Sunday ko dekhte hain kitni garam ho tum.”<br />
<br />
Main office se bahar nikli. Paon kaamp rahe the. Auto mein baithte hue meri aankhon mein pani aa gaya, lekin main rok gayi. Ghar pahunch ke mummy ko bas itna kaha, “Job almost pakki hai. Sunday final baat hogi.”<br />
<br />
Raat ko bed pe leti to uski baatein yaad aa rahi thin. “Ek baar… sirf ek baar… farmhouse pe… kapde asani se utrein…” Mere boobs tight ho rahe the, neeche geelapan ho raha tha. Ghar ki majboori ne mujhe yeh faisla lene pe majboor kar diya tha. Do din baad Sunday ko mujhe uske saamne nanga hona tha. Uske haath meri 34 size ki chaati pe, uski body meri badi hips pe… sab soch ke main kaamp rahi thi.<br />
<br />
Lekin ab peeche hatne ka koi rasta nahi tha. Job chahiye thi. Isliye main ne offer swikar kar liya tha. Ab bas Sunday ka wait tha… us din ki lambi, geeli, aur majboori bhari mulakat ka.<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
Sunday subah 10 baje main ghar se nikal padi. Neeche black leggings, upar ek simple pink top – aisa kapda jo asani se utar jaye, jaise usne kaha tha. Dil zor-zor se dhadak raha tha. Auto se farmhouse tak ka rasta mujhe bahut lamba laga. Dimag mein baar-baar yahi ghoom raha tha – aaj meri wo cheez jo main apne future husband ke liye sambhal ke rakh rahi thi, koi aur loot lega.<br />
<br />
Farmhouse bada tha, charon taraf diwar, andar bada sa lawn. Main gate pe pahunchi to trustee khud khada tha. Safed kurta-pajama mein, aankhon mein wahi bhookhi nazar.<br />
<br />
Trustee: “On time aa gayi. Achha kiya. Andar aao.”<br />
<br />
Main andar gayi. Usne door band kiya. Drawing room se seedha bedroom le gaya. Bada sa bed, dim light, AC chal raha tha. Usne mera haath pakda.<br />
<br />
Trustee: “Dar mat. Main dheere karunga. Pehle kapde utaro… ya main utarun?”<br />
<br />
Main (kaampte hue): “Aap… aap utaro.”<br />
<br />
Usne pehle mera top dheere-dheere upar kiya. Pink top sir ke upar se nikalte hi mere 34 size ke boobs bra mein ubhar aaye. Usne bra ke hook peeche se khole. Bra girte hi mere bade, gool, tight boobs free ho gaye. Nipples pehle se hi khade the.<br />
<br />
<br />
<br />
<img src="https://xossipy.com/images/smilies/funny/xlovers_10.webp" alt="Xlovers_10" title="Xlovers_10" class="smilie smilie_603" /> <br />
Trustee (haath ferte hue): “Balls… itne bade aur tight. Kitne dino se soch raha tha inhe dabane ka.”<br />
<br />
Usne dono haathon se mere boobs pakde, dabaya, nichoda. Main ne siski li – “Ahh…”<br />
<br />
Phir usne meri leggings neeche ki taraf khinchi. Leggings aur panty ek saath meri taangon se nikal gayi. Ab main bilkul nangi thi uske saamne. Meri badi hips, patli kamar, aur neeche wo chut jo ab tak kisi ne nahi chhui thi.<br />
<br />
Trustee: “Itni clean, itni tight dikh rahi hai. Husband ke liye rakh thi na? Aaj main loot raha hoon.”<br />
<br />
Main ne aankhen band kar li. Sharam se mera poora body laal ho gaya tha.<br />
<br />
Woh khud nanga hua. Main ne pehli baar kisi mard ka lund dekha. Lamba, mota, nasein phooli hui, upar se chamdi thodi hati hui. Dekhte hi meri aankhen phail gayi.<br />
<br />
Main (darrte hue): “Sir… yeh… yeh bahut bada hai… andar nahi jayega…”<br />
<br />
Trustee (hans te hue): “Jayega. Dheere-dheere. Pehle chut ko taiyar karte hain.”<br />
<br />
Usne mujhe bed pe lita diya. Mere pair failaye. Pehli baar kisi ki ungli meri chut pe padi. Woh dheere-dheere upar-neeche ferne laga, phir ek ungli andar daali.<br />
<br />
Main: “Ahh… uhh… dard… dheere…”<br />
<br />
Trustee: “Itni tight hai… bilkul kunwari. Dekho kitni gili ho rahi hai.”<br />
<br />
Usne do ungliyan kar di. Main siskiyan le rahi thi – “Ahh… ahh… nikal do… bahut tight hai…”<br />
<br />
Thodi der baad usne apna lund meri chut ke ched pe rakha. Top ka gola andar dhakelne laga.<br />
<br />
Trustee: “Ab legi. Sambhal ke… aahh…”<br />
<br />
Main ne zor ki siski li – “Aahhhh… dard ho raha hai… nikal do… please… bahut bada hai…”<br />
<br />
Lekin woh rukaa nahi. Dheere-dheere pura lund andar dhakelta gaya. Jab poora andar gaya to main ne muh khol ke ek lambi siski li – “Ummmaahhh… poora… poora andar chala gaya… ahhh…”<br />
<br />
Trustee: “Lo… ab husband ke liye jo sambhal ke rakha tha, woh main le liya. Kaisa feel ho raha hai?”<br />
<br />
Main (aansu aate hue): “Dard… lekin… andar… garmi… ahhh… hilo mat…”<br />
<br />
Woh dheere-dheere hilne laga. Pehle chhote dhakke, phir thode tez.<br />
<br />
Main ki siskiyan nikalne lagi:<br />
<br />
“Ahh… ahh… dheere… sir… ahhh… <br />
<br />
Ufff… andar tak… ja raha hai… <br />
<br />
Ahhh… mera… pehla… ahhh… <br />
<br />
Nahi… tez mat karo… ahhhh…”<br />
<br />
Trustee: “Kitni garam chut hai teri. Pakad meri kamar… leg upar kar.”<br />
<br />
Usne mere dono pair apne kandhon pe rakh diye. Ab dhakke gehre ho gaye. Har dhakke ke saath meri 34 size ke boobs upar-neeche uchhal rahe the. Usne unhe munh mein le liya, choosne laga.<br />
<br />
Main: “Aahhhh… choos… ahhh… boobs… dabao… ahhhh… <br />
<br />
Lund… bahut deep… ja raha hai… <br />
<br />
<br />
<img src="https://xossipy.com/images/smilies/funny/hardcore_stickers_17.webp" alt="Hardcore_stickers_17" title="Hardcore_stickers_17" class="smilie smilie_581" /> <br />
<br />
Main… main kuch… hone wali hoon… ahhhhh…”<br />
<br />
Uske dhakke tez ho gaye. Bed ki char-char, meri siskiyan, uski bhari saansein – sab milke room mein goonj rahi thin.<br />
<br />
Main (zor se): “Aahhhh… nikal… nikal mat… andar… ahhhh… bas… aa rahi hoon… ahhhhhhhh!”<br />
<br />
Mera body kaamp utha. Pehli baar orgasm aaya. Chut ne uske lund ko mazbooti se pakad liya. Uske thodi der baad woh bhi bolne laga,<br />
<br />
Trustee: “Main bhi… nikal raha hoon… andar… aahhh…”<br />
<br />
Usne pura cum andar jhad diya. Garam-garam liquid meri kunwari chut mein fail gaya. Woh mere upar gira raha. Dono ki saansein tez chal rahi thin.<br />
<br />
Thodi der chup rehne ke baad usne kaha,<br />
<br />
Trustee: “Ho gaya. Ab tu free hai. Kal se college aana. Job teri pakki.”<br />
<br />
Main nangi padi thi. Meri chut se uska cum bahar nikal raha tha. Aankhon mein aansu the – is liye nahi ki dard ho raha tha, balki is liye ki jo cheez main kisi apne ke liye rakh rahi thi, aaj majboori mein kisi aur ne loot li.<br />
<br />
Usne meri chut saaf ki, kapde diye. Main dheere-dheere kapde pehenne lagi. Jab nikalne lagi to usne kaha,<br />
<br />
Trustee: “Kabhi regret mat karna. Duniya aisi hi hai. Tu ab teacher hai.”<br />
<br />
Main farmhouse se bahar nikli. Auto mein baithte hue meri taangein kaamp rahi thin. Beech mein ab bhi uska cum mehsoos ho raha tha. Jo main ne apne husband ke liye sambhal ke rakha tha… aaj kisi trustee ne le liya.<br />
<br />
Ghar pahunch ke main seedha bathroom gayi. Shower ke neeche khadi ho gayi. Pani girte hue bhi meri aankhon se aansu nahi ruk rahe the. Body pe uske nishan the – boobs pe daant ke nishan, hips pe ungliyon ke nishan, aur andar… uska cum.<br />
<br />
Us raat main so nahi paayi. Baar-baar yahi yaad aa raha tha – pehli baar lund dekhna, pehli baar chut mein lena, siskiyan, dard, phir woh ajeeb sa sukoon… aur woh khali-pan jo ab andar reh gaya tha.]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[NEW UPDET <br />
<br />
<br />
<br />
Mera naam Anita hai. Jab main 18 saal ki hui, tab se meri jawani ne ek alag hi rang le liya. Pehle to main bilkul ordinary si ladki thi, college uniform mein, chhoti si body, koi special nahi. Lekin 18 ke baad jaise koi jadoo ho gaya. Mere body mein achanak se badlav aaya. Mere boobs 34 size ke ho gaye – bade, gool, aur itne tight ki koi bhi kapda unhe chhupa nahi paata tha. Upar se hips itni badi aur gol ho gayi ki jeans pehenne par bhi unka shape saaf dikhta tha. Meri kamar patli, aur yeh curves itne deep the ki mirror mein khud dekh ke main hairaan ho jaati thi.<br />
<br />
Ghar se nikalte hi logon ki nazar mujh par padne lagi. College jaane ke raaste mein bade-bade ladke line laga ke khade ho jaate. Koi bike pe aake slow down karta, koi seedha aage aa ke “Anita, number de de” bolta. Unki aankhon mein bhookh saaf dikhti thi – meri 34 size ki chaati aur badi hips dekh ke unka muh khula reh jaata. Main unki taraf dekhti bhi nahi thi. Sirf aankhen neeche kiye, apna rasta pakad ke chalti rehti. Unhe koi bhav nahi deti thi. Unke ishaare, unki sietiyan, unke “hello-hello” – sab air mein udd jaate the.<br />
<br />
Lekin sirf jawaan ladke nahi the. Budhdhe bhi... 40-50-60 saal ke uncle log. Road pe khade hoke dekhte, unki aankhen meri body pe chipki rehti. Koi dukaandar tha, koi auto wala, koi office jaane wala. Unke ishaare alag tarah ke hote – aankh maarna, muh banana, kabhi-kabhi haath se ishara karna. Ek baar ek budhdha aadmi mere peeche-peeche aaya aur dheere se bola, “Beta, itni jawaan body... kisi ko bhi pagal kar de.” Main ne uski taraf sirf ek thandi nazar daali aur chali gayi. Kisi ko bhav nahi dena – yeh meri rule thi.<br />
<br />
Ghar mein bhi log bolte the. Pados wali aunties meri ma se kehti, “Anita itni mature ho gayi hai... dekhna, log uske peeche padenge.” Ma kehti, “Apni izzat sambhal ke rakhna.” Main sirf muskuraati. Andar se main jaanti thi ki meri body ab ek alag power ban chuki hai. Jab main tight top pehen ke nikalti, to 34 size ke boobs upar se jhatke khaate the. Hips left-right hote the. Har kadam pe logon ki saansein ruk jaati.<br />
<br />
College ke canteen mein, library mein, bus stand pe – har jagah. Bade ladke group bana ke baithte aur mujhe dekhte rehte. Unme se kuch himmat karke aate, “Anita, coffee peene chalegi?” Main bas “Nahi” bol ke door ho jaati. Unki line lagni shuru ho jaati – ek ke baad ek. Koi flower laata, koi letter, koi seedha proposal. Main kisi ko face nahi karti thi. Unki saari mehnat bekaar jaati.<br />
<br />
Raat ko jab ghar aati, to kabhi-kabhi sochti – yeh body meri hai, lekin log ise apna samajh ke dekhte hain. Meri jawani unke liye ek show ban gayi thi. 34 size ke boobs, badi hips, patli kamar – yeh sab unke dimaag mein ghumta rehta. Lekin main unhe koi bhav nahi deti. Na smile, na baat, na nazar. Sirf apna kaam, apni padhai, apna rasta.<br />
<br />
Kabhi-kabhi lagta ki main kisi film ki heroine hoon jiske peeche pura sheher pagal hai. Lekin main unke ishaaron ko air mein uddati chhod deti. Bade ladke line lagaye, budhdhe ishara karein – mujhe farak nahi padta. Meri jawani meri hai. Main kisi ko haath nahi lagane dungi, kisi ko bhav nahi dungi.<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
Ek raat ki baat hai. Ghar mein sab so rahe the. Main apne room se bathroom jaane nikli. Papa-mummy ka room thoda sa khula hua tha. Andar se halki-halki awaazein aa rahi thin. Pehle to main sochi shayad koi TV chal raha hoga, lekin jab qareeb gayi to samajh aa gaya. Mummy ki dabi hui siskiyan, papa ki bhari saansein, bed ki halki-halki char-char. Main wahan khadi ho gayi. Dimag mein ek ajeeb si ghabrahat aur utsukt a saath-saath uthne lagi.<br />
<br />
Darwaze ke gap se main dekh sakti thi. Kamre mein dim light thi. Mummy bilkul nangi thin, unka body papa ke neeche daba hua tha. Papa upar the, unke haath mummy ke boobs pe, unhe dabate hue, nichodte hue. Mummy ke pair papa ke kamar pe lapete hue the. Har dhakke ke saath bed hil raha tha. Mummy ke munh se “ahh… ahhh… dheere…” nikal raha tha, lekin unki awaaz mein dard nahi, maze ki gehraai thi. Papa bhi bol rahe the, “Itni gili ho gayi ho aaj… kitni der se soch rahi thi kya?” Mummy bas unke seene mein munh chhupa ke siskiyan le rahi thin.<br />
<br />
Main dekhte-dekhte jaise pathar ho gayi. Mera dil zor-zor se dhadak raha tha. Mere apne 34 size ke boobs mein ek ajeeb si gudgudi si hone lagi. Neeche, legs ke beech, main mehsoos kar sakti thi ki main bhi geeli hone lagi hoon. Yeh dekhna galat tha, main jaanti thi. Yeh mere papa-mummy the. Lekin nazar hat nahi rahi thi. Papa ke dhakke tez ho rahe the. Mummy ke nails unki peeth pe khurach rahe the. Unki awaazein tez hoti ja rahi thin. Phir ek lamha aaya jab mummy ne zor se “bas… ab… aa raha hai…” kaha, aur unka body kaamp utha. Papa bhi ek lambi saans ke saath unke upar jhuk gaye.<br />
<br />
Main wahan se dheere-dheere hat gayi. Bathroom mein jaake mirror ke saamne khadi ho gayi. Mera chehra laal tha. Mere boobs tight top mein upar-neeche ho rahe the. Main ne apne aap ko touch kiya. Neeche haath le gayi to geelapan saaf mehsoos hua. Us raat main so nahi paayi. Dimag mein woh scene baar-baar ghoom raha tha. Mummy ki siskiyan, papa ke dhakke, unka nanga body… sab kuch. Mujhe sharam aa rahi thi, lekin uske saath ek ajeeb si garmi bhi. Main sochne lagi – kya yeh normal hai? Kya har ghar mein aisa hota hai? Kya main bhi kabhi aise hi kisi ke neeche hongi?<br />
<br />
Uske baad se main unki awaazein sunne lagi. Kabhi raat ko, kabhi dopahar mein jab main ghar pe hoti. Kabhi-kabhi main jaan-bujh ke unke room ke paas se guzarti. Unki chudai dekhna ab meri ek chhupi hui aadat ban chuki thi. Har baar mere body mein wahi garmi, wahi geelapan. Kabhi main apne room mein jaake darwaza band karti aur khud ko touch karti, unke scene ko yaad karke.<br />
<br />
Saheliyon se bhi sunna shuru ho gaya. College mein meri teen-chaar close friends thin – Riya, Pooja, Sneha aur Kavita. Lunch break mein ya library ke peeche baith ke baatein hoti thin. Pehle to normal gossip, lekin dheere-dheere affairs ki baatein aane lagi.<br />
<br />
Riya ne ek din bataya, “Mera senior se affair chal raha hai. Woh hostel mein aata hai, raat bhar rehta hai. Pehli baar jab usne mujhe choda to dard hua, lekin ab main uske bina nahi reh sakti. Uske haath, uski jeebh, uske dhakke… bas yaad aate hain to body gili ho jaati hai.” Main sun rahi thi, munh band. Pooja ne kaha, “Mera to neighbour se hai. 28 saal ka hai. Ghar pe akele hote hain to woh aata hai. Kabhi sofa pe, kabhi kitchen mein. Ek baar mummy almost pakad hi leti thin.” Sneha aur aage badh gayi, “Main to do ladkon se karti hoon. Ek college ka, ek bahar ka. Dono alag-alag tarike se chode. Ek dheere, ek bilkul jungli.”<br />
<br />
Main unki baatein sunti rehti. Unke chehron pe woh glow, woh muskaan, woh detail – kaise unke boobs dabaye gaye, kaise unki chut chatayi gayi, kaise unhone pehli baar cum kiya. Main bas sunti. Kabhi-kabhi sawal karti, “Dard hota hai kya?” “Maza aata hai?” “Tum log condom use karti ho?” Woh haske bataati. Unki stories sun ke meri body phir se garam ho jaati. Mere 34 size ke boobs tight ho jaate, hips mein gudgudi hoti. Kabhi main unse door jaake bathroom mein jaati aur khud ko thanda karti.<br />
<br />
Andar se meri feelings bahut uljhi hui thin. Ghar mein papa-mummy ki chudai dekh ke mujhe ek ajeeb sa mix feel hota – sharam, uttejana, aur thodi si jealousy. Mummy ki body ab bhi tight thi, papa unhe itne mazze se chode ja rahe the. Main sochti, kya main bhi aisi hi hongi? Kya mera bhi koi hoga jo mujhe aise hi niche dabayega, mere bade boobs dabayega, meri hips pakad ke dhakke marega?<br />
<br />
Saheliyon ki baatein sun ke aur bhi zyada. Unke affairs sun ke main feel karti ki main peeche reh gayi hoon. Woh sab already experience kar chuki thin, main abhi sirf dekh aur sun rahi thi. Kabhi lagta ki main bhi kisi ko allow kar doon. College ke woh bade ladke jo line lagate the, unme se kisi ek ko… lekin phir dil nahi maanta tha. Main kisi ko bhav nahi deti thi. Bahar se strong dikhti, andar se confusion.<br />
<br />
Raat ko bed pe leti to scenes mix ho jaate. Papa-mummy ki chudai, Riya ki hostel wali baatein, Pooja ka neighbour, Sneha ke do ladke. Sab milke ek film ban jaati dimag mein. Main apne haath se apne boobs dabati, nipples ko pinch karti, neeche haath le jaake geeli chut pe ungli ferati. Kabhi zor se, kabhi dheere. Jab climax aata to main pillow mein munh daba leti taaki awaaz na nikle. Uske baad body soft ho jaati, lekin dimag aur bhi sawalon se bhara rehta.<br />
<br />
Kabhi sochti – yeh sab dekhna aur sunna galat hai kya? Papa-mummy ko pata chal gaya to? Saheliyan agar jaan jaayein ki main unki baatein sun ke khud ko touch karti hoon? Lekin main rok nahi paati thi. Meri jawani ab sirf bahar ke ladkon ke isharon se nahi, ghar ke andar ke in scenes se aur saheliyon ki affairs ki kahaniyon se bhi jal rahi thi.<br />
<br />
Din bhar main normal dikhti. Padhai karti, ghar ka kaam karti, kisi ko bhav nahi deti. Lekin raat ko, ya jab akele hoti, to woh sab yaad aa jaata. Papa ke dhakke, mummy ki siskiyan, Riya ka “uske bina nahi reh sakti”, Pooja ka “kitchen mein chod diya”. Sab kuch. Meri 34 size ki body, meri badi hips, meri geeli hone wali chut – sab un scenes ka hissa ban jaate.<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
B.Ed pura hote hi ghar ki halat aur bhi kharab ho gayi thi. Papa ki naukri chhut chuki thi, mummy beemar rehti thin, ghar ka kharcha nahi chal raha tha. Mere 34 size ke boobs aur badi hips wali body pe log to line lagate the, lekin paisa nahi aata tha. Isliye main teacher ki job ke liye private colleges mein apply karne nikal padi.<br />
<br />
Ek din main ek private college gayi jo thoda sheher ke bahar tha. college ka naam “Sunrise Public college” tha. Office mein jaake main ne form bhara, certificates diye. Clerk ne kaha, “Madam, aapki degree theek hai, lekin final decision trustee saheb lenge. Unse milna hoga.” Main wait karne lagi.<br />
<br />
Thodi der baad ek 48-50 saal ka aadmi aaya. Safed shirt, black pant, moti gold chain, aur aankhon mein woh nazar jo main pehchaan chuki thi. Usne mera form dekha, phir mujhe upar se neeche tak ghoora. Meri white salwar-kameez mein 34 size ke boobs saaf ubhar rahe the, hips ka shape bhi chhupa nahi tha.<br />
<br />
Woh bola, “Anita… hai na? Baitho.”<br />
<br />
Main baith gayi. Usne door band kiya. Office mein sirf hum do the.<br />
<br />
Trustee (muskuraate hue): “Tumhari degree achhi hai. Experience nahi hai, lekin face aur personality dekh ke lagta hai students ko pasand aayegi. Lekin… college mein vacancy limited hai. Bahut ladkiyan aati hain.”<br />
<br />
Main: “Sir, main mehnat karungi. Ghar ki halat theek nahi hai, isliye job ki zaroorat hai.”<br />
<br />
Usne mera form side rakh diya aur seedha meri aankhon mein dekha.<br />
<br />
Trustee: “Seedhi baat karti hoon, Anita. Job mil sakti hai. Full time, 25 hazar salary, PF, sab. Lekin… ek shart hai.”<br />
<br />
Mera dil tez dhadakne laga. Main jaanti thi kya aane wala hai.<br />
<br />
Main (dheere se): “Kya shart, sir?”<br />
<br />
Usne chair aage kiya, awaaz dheemi ki.<br />
<br />
Trustee: “Ek baar. Sirf ek baar. Mere saath sex. Uske baad tumhari job confirm. Koi disturbance nahi, koi blackmail nahi. Ek baar de do, baaki life teacher banke raho.”<br />
<br />
Main chup ho gayi. Andar se gussa bhi aa raha tha, lekin ghar ki paristhiti yaad aa gayi. Papa ka udhaar, mummy ki dawai, chhota bhai ki fees. Main ne apne 34 size ke boobs pe nazar daali jo uski aankhon mein mirror ho rahe the.<br />
<br />
Main: “Sir… yeh theek nahi hai. Main padhne-likhne aayi hoon, yeh sab ke liye nahi.”<br />
<br />
Trustee (hans te hue): “Main jaanta hoon. Lekin duniya aisi hi hai. Tumhari body dekh ke koi bhi trustee yeh offer karega. Main kam se kam clear bol raha hoon. Ek baar. Sirf Sunday ko. Do din baad. Uske baad tum free.”<br />
<br />
Main: “Agar main mana kar doon?”<br />
<br />
Trustee: “To form reject. Koi doosra college bhi mere jaan-pehchaan wale hain. Wahan bhi same scene hoga. Soch lo. Ghar ki halat tumhare chehre pe likhi hai.”<br />
<br />
Main ne neeche dekh liya. Uski baat sach thi. Pichle do colleges mein bhi aise hi ishare mile the. Yahan at least woh clear bol raha tha.<br />
<br />
Main (lambi saans lete hue): “Agar… agar main maan jaoon… to guarantee hai job ki?”<br />
<br />
Trustee: “Haan. Written mein bhi de dunga appointment letter Sunday ke baad. Pehle milna hoga. Mere farmhouse pe. Sheher se 20 km. Koi nahi hoga wahan. Sirf hum dono.”<br />
<br />
Main: “Time?”<br />
<br />
Trustee: “Sunday subah 11 baje. Main address de dunga. Tum aana. Kapde aise pehenna jo asani se utrein. Aur… clean rakhna apne aap ko.”<br />
<br />
Usne number liya mera. Phir bola,<br />
<br />
Trustee: “Anita, tumhari hips aur yeh 34 size… dekh ke mera mann kar raha hai abhi yahin table pe litane ka. Lekin main control kar raha hoon. Sunday ko poora time milega. Main dheere-dheere karunga, dard nahi hoga. Tum bhi enjoy karna. Ek baar ke baad kabhi haath nahi lagaunga.”<br />
<br />
Main uth khadi hui. Meri awaaz thodi kaamp rahi thi.<br />
<br />
Main: “Theek hai, sir. Main Sunday aaungi. Lekin uske baad job milni chahiye. Aur koi baat nahi honi chahiye college mein.”<br />
<br />
Trustee (muskuraate hue): “Promise. Ab jao. Form approve kar diya maine. Sunday ko dekhte hain kitni garam ho tum.”<br />
<br />
Main office se bahar nikli. Paon kaamp rahe the. Auto mein baithte hue meri aankhon mein pani aa gaya, lekin main rok gayi. Ghar pahunch ke mummy ko bas itna kaha, “Job almost pakki hai. Sunday final baat hogi.”<br />
<br />
Raat ko bed pe leti to uski baatein yaad aa rahi thin. “Ek baar… sirf ek baar… farmhouse pe… kapde asani se utrein…” Mere boobs tight ho rahe the, neeche geelapan ho raha tha. Ghar ki majboori ne mujhe yeh faisla lene pe majboor kar diya tha. Do din baad Sunday ko mujhe uske saamne nanga hona tha. Uske haath meri 34 size ki chaati pe, uski body meri badi hips pe… sab soch ke main kaamp rahi thi.<br />
<br />
Lekin ab peeche hatne ka koi rasta nahi tha. Job chahiye thi. Isliye main ne offer swikar kar liya tha. Ab bas Sunday ka wait tha… us din ki lambi, geeli, aur majboori bhari mulakat ka.<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<br />
Sunday subah 10 baje main ghar se nikal padi. Neeche black leggings, upar ek simple pink top – aisa kapda jo asani se utar jaye, jaise usne kaha tha. Dil zor-zor se dhadak raha tha. Auto se farmhouse tak ka rasta mujhe bahut lamba laga. Dimag mein baar-baar yahi ghoom raha tha – aaj meri wo cheez jo main apne future husband ke liye sambhal ke rakh rahi thi, koi aur loot lega.<br />
<br />
Farmhouse bada tha, charon taraf diwar, andar bada sa lawn. Main gate pe pahunchi to trustee khud khada tha. Safed kurta-pajama mein, aankhon mein wahi bhookhi nazar.<br />
<br />
Trustee: “On time aa gayi. Achha kiya. Andar aao.”<br />
<br />
Main andar gayi. Usne door band kiya. Drawing room se seedha bedroom le gaya. Bada sa bed, dim light, AC chal raha tha. Usne mera haath pakda.<br />
<br />
Trustee: “Dar mat. Main dheere karunga. Pehle kapde utaro… ya main utarun?”<br />
<br />
Main (kaampte hue): “Aap… aap utaro.”<br />
<br />
Usne pehle mera top dheere-dheere upar kiya. Pink top sir ke upar se nikalte hi mere 34 size ke boobs bra mein ubhar aaye. Usne bra ke hook peeche se khole. Bra girte hi mere bade, gool, tight boobs free ho gaye. Nipples pehle se hi khade the.<br />
<br />
<br />
<br />
<img src="https://xossipy.com/images/smilies/funny/xlovers_10.webp" alt="Xlovers_10" title="Xlovers_10" class="smilie smilie_603" /> <br />
Trustee (haath ferte hue): “Balls… itne bade aur tight. Kitne dino se soch raha tha inhe dabane ka.”<br />
<br />
Usne dono haathon se mere boobs pakde, dabaya, nichoda. Main ne siski li – “Ahh…”<br />
<br />
Phir usne meri leggings neeche ki taraf khinchi. Leggings aur panty ek saath meri taangon se nikal gayi. Ab main bilkul nangi thi uske saamne. Meri badi hips, patli kamar, aur neeche wo chut jo ab tak kisi ne nahi chhui thi.<br />
<br />
Trustee: “Itni clean, itni tight dikh rahi hai. Husband ke liye rakh thi na? Aaj main loot raha hoon.”<br />
<br />
Main ne aankhen band kar li. Sharam se mera poora body laal ho gaya tha.<br />
<br />
Woh khud nanga hua. Main ne pehli baar kisi mard ka lund dekha. Lamba, mota, nasein phooli hui, upar se chamdi thodi hati hui. Dekhte hi meri aankhen phail gayi.<br />
<br />
Main (darrte hue): “Sir… yeh… yeh bahut bada hai… andar nahi jayega…”<br />
<br />
Trustee (hans te hue): “Jayega. Dheere-dheere. Pehle chut ko taiyar karte hain.”<br />
<br />
Usne mujhe bed pe lita diya. Mere pair failaye. Pehli baar kisi ki ungli meri chut pe padi. Woh dheere-dheere upar-neeche ferne laga, phir ek ungli andar daali.<br />
<br />
Main: “Ahh… uhh… dard… dheere…”<br />
<br />
Trustee: “Itni tight hai… bilkul kunwari. Dekho kitni gili ho rahi hai.”<br />
<br />
Usne do ungliyan kar di. Main siskiyan le rahi thi – “Ahh… ahh… nikal do… bahut tight hai…”<br />
<br />
Thodi der baad usne apna lund meri chut ke ched pe rakha. Top ka gola andar dhakelne laga.<br />
<br />
Trustee: “Ab legi. Sambhal ke… aahh…”<br />
<br />
Main ne zor ki siski li – “Aahhhh… dard ho raha hai… nikal do… please… bahut bada hai…”<br />
<br />
Lekin woh rukaa nahi. Dheere-dheere pura lund andar dhakelta gaya. Jab poora andar gaya to main ne muh khol ke ek lambi siski li – “Ummmaahhh… poora… poora andar chala gaya… ahhh…”<br />
<br />
Trustee: “Lo… ab husband ke liye jo sambhal ke rakha tha, woh main le liya. Kaisa feel ho raha hai?”<br />
<br />
Main (aansu aate hue): “Dard… lekin… andar… garmi… ahhh… hilo mat…”<br />
<br />
Woh dheere-dheere hilne laga. Pehle chhote dhakke, phir thode tez.<br />
<br />
Main ki siskiyan nikalne lagi:<br />
<br />
“Ahh… ahh… dheere… sir… ahhh… <br />
<br />
Ufff… andar tak… ja raha hai… <br />
<br />
Ahhh… mera… pehla… ahhh… <br />
<br />
Nahi… tez mat karo… ahhhh…”<br />
<br />
Trustee: “Kitni garam chut hai teri. Pakad meri kamar… leg upar kar.”<br />
<br />
Usne mere dono pair apne kandhon pe rakh diye. Ab dhakke gehre ho gaye. Har dhakke ke saath meri 34 size ke boobs upar-neeche uchhal rahe the. Usne unhe munh mein le liya, choosne laga.<br />
<br />
Main: “Aahhhh… choos… ahhh… boobs… dabao… ahhhh… <br />
<br />
Lund… bahut deep… ja raha hai… <br />
<br />
<br />
<img src="https://xossipy.com/images/smilies/funny/hardcore_stickers_17.webp" alt="Hardcore_stickers_17" title="Hardcore_stickers_17" class="smilie smilie_581" /> <br />
<br />
Main… main kuch… hone wali hoon… ahhhhh…”<br />
<br />
Uske dhakke tez ho gaye. Bed ki char-char, meri siskiyan, uski bhari saansein – sab milke room mein goonj rahi thin.<br />
<br />
Main (zor se): “Aahhhh… nikal… nikal mat… andar… ahhhh… bas… aa rahi hoon… ahhhhhhhh!”<br />
<br />
Mera body kaamp utha. Pehli baar orgasm aaya. Chut ne uske lund ko mazbooti se pakad liya. Uske thodi der baad woh bhi bolne laga,<br />
<br />
Trustee: “Main bhi… nikal raha hoon… andar… aahhh…”<br />
<br />
Usne pura cum andar jhad diya. Garam-garam liquid meri kunwari chut mein fail gaya. Woh mere upar gira raha. Dono ki saansein tez chal rahi thin.<br />
<br />
Thodi der chup rehne ke baad usne kaha,<br />
<br />
Trustee: “Ho gaya. Ab tu free hai. Kal se college aana. Job teri pakki.”<br />
<br />
Main nangi padi thi. Meri chut se uska cum bahar nikal raha tha. Aankhon mein aansu the – is liye nahi ki dard ho raha tha, balki is liye ki jo cheez main kisi apne ke liye rakh rahi thi, aaj majboori mein kisi aur ne loot li.<br />
<br />
Usne meri chut saaf ki, kapde diye. Main dheere-dheere kapde pehenne lagi. Jab nikalne lagi to usne kaha,<br />
<br />
Trustee: “Kabhi regret mat karna. Duniya aisi hi hai. Tu ab teacher hai.”<br />
<br />
Main farmhouse se bahar nikli. Auto mein baithte hue meri taangein kaamp rahi thin. Beech mein ab bhi uska cum mehsoos ho raha tha. Jo main ne apne husband ke liye sambhal ke rakha tha… aaj kisi trustee ne le liya.<br />
<br />
Ghar pahunch ke main seedha bathroom gayi. Shower ke neeche khadi ho gayi. Pani girte hue bhi meri aankhon se aansu nahi ruk rahe the. Body pe uske nishan the – boobs pe daant ke nishan, hips pe ungliyon ke nishan, aur andar… uska cum.<br />
<br />
Us raat main so nahi paayi. Baar-baar yahi yaad aa raha tha – pehli baar lund dekhna, pehli baar chut mein lena, siskiyan, dard, phir woh ajeeb sa sukoon… aur woh khali-pan jo ab andar reh gaya tha.]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[অগোচরা]]></title>
			<link>https://xossipy.com/thread-74895.html</link>
			<pubDate>Sun, 09 Aug 2026 22:40:14 +0300</pubDate>
			<guid isPermaLink="false">https://xossipy.com/thread-74895.html</guid>
			<description><![CDATA[অগোচরা <br />
অধ্যায় ১ - শুরুর আরম্ভ <br />
<br />
পরম নিশ্চিন্তে যে মেয়েটা আমার নগ্ন বুকে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছে, সে জানেই না আমি কী ভাবছি। আমি ভাবছি, আদৌ মুক্তি পেয়েছি কি না? <br />
<br />
<br />
<br />
মুক্তি আছে আমার হাতের নাগালে আর পাশের ঘরে! <br />
<br />
<br />
<br />
আমি একজন শুটার। ছিলাম আর কি। সত্যি বলতে, হতে হতেও হয়ে উঠিনি। যদি হতাম, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি পদক থাকতো আমার ঝুলিতে। কিন্তু সে সুযোগ আমি কখনও পাইনি। বলা ভালো, আমাকে সুযোগই দেওয়া হয়নি। অন্যায়ভাবে বঞ্চিত করা হয়েছিল আমাকে, আর এই ঘটনাটাই আমূল পাল্টে দেয় আমার জীবন। <br />
<br />
<br />
<br />
আমার চেয়ে ভালো শুটার না হয়েও সালেকীন নামের একজন এশিয়ান গেমসের ৫০ মিটার দূরপাল্লার শুটিংয়ে অংশ নেবার সুযোগ পেয়ে যায়। দীর্ঘদিন থেকে সে শুটিং ক্লাবের মেম্বার। অন্যদিকে আমাকে কখনও সাধারণ মেম্বারশিপও দেয়নি তারা। <br />
<br />
<br />
<br />
সালেহীনের আরেকটি বড় পরিচয় ছিল-প্রভাবশালী এক মন্ত্রীর আপন ভাগ্নে সে। এদিকে আমি…আমার গল্পটা আসলে সিনেমার মতো। কখনও কখনও মনে হয়, সিনেমাও এমনটা হয় কী না কে জানে! <br />
<br />
<br />
<br />
এ দেশে মন্ত্রী মানে ছোটখাটো রাজা। নারীকে পুরুষ, পুরুষকে নারী বানানো ছাড়া সবই করতে পারে এরা। নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে ভাগ্নেকে এশিয়ান গেমসে পাঠায় ঐ মন্ত্রী, ধুলিস্যাৎ করে দেয় আমার স্বপ্ন। ঘুণাক্ষরেও ভাবিনি এ রকম সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবো। এমন অন্যায়ের শিকার হয়ে একেবারে ভেঙে পড়েছিলাম, ডুবে গিয়েছিলাম হতাশায়। চারপাশের মানুষজন আমার পিঠ চাপড়ে সান্ত্বনা দিতো। তাদের এই সান্ত্বনা আরো বেশি অসহ্য ঠেকতো আমার কাছে। <br />
<br />
<br />
<br />
তীব্র হতাশা নিয়ে এখানে সেখানে বিক্ষিপ্তভাবে ঘোরাঘুরি করতে শুরু করে দিলাম, সঙ্গি হিসেবে পেয়ে গেলাম বাল্যবন্ধু মুন্নাকে। এর আগে তার সঙ্গে অতোটা সখ্যতা ছিল না আমার, ক্লাস টু থেকে এইট পর্যন্ত পড়েছি একসঙ্গে, কিন্তু মুন্না পর পর দুবার ফেল করলে আমাদের কলেজ থেকে টিসি দেয়া হয় তাকে, সে চলে যায় অন্য একটা কলেজে। এরপর থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগও কমে আসে আমার। পাশাপাশি মহল্লায় থাকি বলে মাঝেমধ্যে পথেঘাটে দেখা হতো অবশ্য। <br />
<br />
আমার এমন দুর্দিনে সেই মুন্নাই হয়ে উঠল একমাত্র সহচর। ফেন্সিডিলে আসক্ত ছিল সে, আমার দুঃখ ভোলাতে উদাত্তচিত্তে বোতল বাড়িয়ে দিয়েছিল—সেই থেকে শুরু হয়ে গেল আমারও। <br />
<br />
<br />
<br />
তবে তার ফেন্সিডিল সেবনের সঙ্গি হলেও আমাকে এক টাকাও খরচ করতে হতো না। ফেন্সি সেবন করার পর প্রচুর চিনি দিয়ে চা পান করতাম নেশা গাঢ় করার জন্য, সেই সাথে চলতো সিগারেট। গভীর রাতে বাড়ি ফিরতাম, কখনও কখনও মুন্নার বাড়িতেও থেকে যেতাম রাতে। সারা রাত আমরা ভিসিআরে হিন্দি-ইংরেজি সিনেমা দেখতাম, সিগারেট খেতাম। ভোরের দিকে ক্লান্তিতে ঘুম আসতো। খুব বেলা করে উঠতাম দুজন। মানুষজন যখন দুপুরের খাবার খাওয়ার প্রস্তুতি নিতো, আমরা তখন নাস্তা করতাম। এভাবেই দিনগুলো কেটে যাচ্ছিল একটা ঘোরের মধ্যে। ভালো-মন্দ হিসেব করার মতো বোধশক্তি হারিয়ে ফেলেছিলাম আমি। <br />
<br />
<br />
<br />
কিন্তু আমার এই আসক্তির কথা বেশিদিন গোপন থাকেনি।<br />
<br />
<br />
<br />
বাবাকে হারিয়ে ছিলাম জ্ঞান হবার আগেই, মাকে হারাই ক্লাস থ্রিতে পড়ার সময়। পরগাছার মতো বড় ভাইয়ের সংসারে মানুষ হয়েছি, সেই ভাই নেশা করার কথা জেনে যাবার পর ভীষণ রেগে গেল, চড়থাপ্পড় মেরে গালাগালি করলো আমাকে। তারটা খেয়ে-পরে আমি কী না নেশা করছি! ভাবি আরো এক ধাপ এগিয়ে বলেছিল, এমন ছেলে বাড়িতে থাকলে তার সন্তানেরাও নষ্ট হয়ে যাবে। <br />
<br />
<br />
<br />
খুব আত্মসম্মানে লেগেছিল কথাগুলো। সেদিনই এক কাপড়ে বাড়ি ছাড়ি আমি। চিরতরের জন্য। একই এলাকায় থাকার সুবাদে বড়ভাই আর ভাবির সঙ্গে মাঝেমধ্যে দেখা হয়ে গেলে তারা এড়িয়ে যেতো আমাকে। এক সময় আমিও এড়িয়ে যেতে শুরু করলাম। আমার জীবন থেকে মুছে ফেললাম তাদেরকে, হয়ে গেলাম পুরোপুরি পরিবারবিহীন পিছুটানহীন একজন মানুষ। <br />
<br />
<br />
<br />
মুন্নার বাপের বেশ কয়েকটি বাড়ি ছিল পুরান ঢাকায়, একটা বাদে সবগুলো ভাড়া দিয়ে রাজার হালে থাকতো তারা। গেন্ডারিয়ায় এরকম একটি ভাড়া দেয়া বাড়ির চিলেকোঠায় মুন্নার ঘর ছিল মওজ-মাস্তি করার জন্য। ওখানে ইয়ার-দোস্ত নিয়ে তাস খেলতো, নেশাপানি করতো, কখনও কখনও মেয়েমানুষ নিয়ে আসতো। বাড়ি ছাড়ার পর কিছুদিনের জন্য আমার ঠাঁই হলো সেই চিলেকোঠায়। সেখানে তাস খেলা, মদ্যপান চলতো প্রতিদিন। <br />
<br />
<br />
<br />
রিপন নামে হ্যাংলা মতোন এক ছেলে ছিল মুন্নার পরিচিত, সেই ছেলে কোত্থেকে যেন অল্প বয়সি তরুণীদের নিয়ে আসতো রাতের বেলায়। মেয়েগুলোকে রেখে চলে যেতো, নিয়ে যেতো পরদিন সকালে। দেখে মনে হতো কলেজপড়ুয়া, খারাপ মেয়ে হিসেবে ওদেরকে মেনে নিতে কষ্ট হতো আমার। <br />
<br />
<br />
<br />
এমন না যে মুন্না একাই সম্ভোগ করার জন্য নিয়ে আসতো ওদেরকে, প্রতিবার আমাকেও সাধতো কিন্তু আমি কখনও ওসব করিনি। কেন করিনি, জানি না। <br />
<br />
<br />
<br />
আমার কি ঘেন্না লাগতো? অস্বস্তি হতো? নিশ্চিত করে বলতে পারবো না। কাজ শেষে মুন্না ঘুমিয়ে পড়তো, নয়তো ছাদের এককোণে গিয়ে সিগারেট খেতো, তখন ওদের সঙ্গে আলাপ করতাম আমি, নিতান্তই আগ্রহ থেকে। <br />
<br />
<br />
<br />
নাম কি? কই থাকো? <br />
<br />
<br />
<br />
এই পেশায় কেন আসছো? <br />
<br />
<br />
<br />
বাড়িতে কে কে আছে? <br />
<br />
<br />
<br />
সত্যি বলতে, এমন প্রশ্ন শুনে মেয়েগুলো খুবই বিরক্ত হতো। সম্ভবত এরকম প্রশ্ন তারা অনেকবার অনেকের কাছ থেকে শুনেছে। তবে তারা বুঝতো আমি মুন্নার ঘনিষ্ঠ বন্ধু, ঐ চিলেকোঠাতেই থাকি, তাই অনিচ্ছাসত্ত্বেও জবাব দিতো। <br />
<br />
<br />
<br />
মিথ্যেই বলতো তারা। আমি বুঝতাম, তারপরও ওদের মিথ্যেগুলো শুনতাম আগ্রহ নিয়ে। মিথ্যে যদি ধরা যায়, সত্যিটাও বের করে নেওয়া যায় অনায়াসে। আমি ওদের মিথ্যে থেকে সত্যিটা আন্দাজ করে নিতাম।<br />
<br />
<br />
টানবাজারে যায়। একদিন আমারে কী কয়, জানোস?” <br />
<br />
<br />
<br />
আমি উন্মুখ হয়ে রইলাম শোনার জন্য। <br />
<br />
<br />
<br />
“কয়, শবনরে বিয়া করবো!” সিগারেটে শেষ টানটা বেশ জোরে দিয়ে হাসতে লাগলো মুন্না। “পুরা মাথা খারাপ হয়া গেছিল মাদারচোদের। ওর এই আলগা পিরিতি হোগা দিয়া ভইরা দিছে টানবাজারের মাস্তানরা। ক্যামনে জানি হেরা টের পাইয়া গেছিল…খানকি ভাগাইতে চাস, মাদারচোদ! দীন ইসলামরে এমন মাইর দিছে…থেরেটও করছে…আর যদি টানবাজারে দেহি, মাইরা শীতলক্ষ্যায় ফালায়া দিমু।” <br />
<br />
<br />
<br />
ঐ মেয়েটাও কি দীন ইসলামকে ভালোবাসতো? এমন প্রশ্ন না করে পারিনি আমি। <br />
<br />
<br />
<br />
“ক্যামতে কমু,” গাল চুলকে বলেছিল মুন্না। “তয় ঐ মাইয়াও ভাইগ্যা যাইতে রাজি হয় নাই।”<br />
<br />
<br />
<br />
সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে তাকিয়েছিলাম। <br />
<br />
“খানকিপাড়ায় এইরকম বহুত মানুষ আহে যায়…লাগায়া মাগায়া দিওয়ানা হইয়া কয় ভালোবাসে, বিয়া করবো, বুঝছোস? মাইয়াগুলান এইসব বহুত দেহে…দুইদিন পর এইসব নাগোরগো পেরেম-পিরিতি ফুট্টুস মারে!” কিছুক্ষণ চুপ থেকে মুন্না আবার বলল, “তুইও কি তৃপ্তির…” <br />
<br />
<br />
<br />
মাথা দোলালাম আমি। জোর দিয়ে বললাম, ও রকম কিছুই না। মেয়েটার প্রতি আমার মায়া জন্মে গেছে। স্রেফ মায়া। আমার কথা শুনে অবাক হয়েছিল মুন্না। অচেনা মানুষের প্রতি মায়া জন্মে কীভাবে? বিশ্বাস করতে পারছিল না। <br />
<br />
<br />
<br />
“মায়া করোস ভালা কথা, মায়া কইরা-ই লাগাইতি!”<br />
<br />
<br />
<br />
মায়া যে কী, মুন্নাকে সেটা বোঝাতে পারিনি। কেন যে মেয়েটার প্রতি আমার হুট করে মায়া জন্মালো, নিজেও জানি না। এই মায়ার তল কিংবা বিস্তৃতি কোথা থেকে শুরু, কোথায় গিয়ে শেষ হয়, তা-ও আমার অজানা। <br />
<br />
<br />
<br />
শুধু জানি, মায়া খুব খারাপ জিনিস! <br />
<br />
<br />
<br />
তৃপ্তির সঙ্গে রাত কাটালেও ওকে আমি ছুঁয়েও দেখিনি মেয়েটাও আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল, আমি কেন এমনটা করলাম। ওকে শুধু বলেছিলাম, এমনি। আর মানুষ যখন বলে এমনি…বুঝে নিতে হবে ‘এমনি’টা এমনি এমনি কিছু না, গভীর কারণ রয়েছে এর পেছনে। যে কারণের কথা সে গুছিয়ে বলতে পারে না। কিংবা বলতে চায় না। <br />
<br />
<br />
<br />
এভাবে কিছুদিন চলার পর মনের ভেতরে খচখচানি শুরু হয়ে গেল-মুন্নার দয়ায় আর কতো দিন? টাকা রোজগারের দিকে মনোযোগ দিতে হবে আমাকে। নিজের অন্নের সংস্থান নিজেকেই করতে হবে। <br />
<br />
<br />
<br />
কিন্তু কী করবো আমি? <br />
<br />
<br />
<br />
এখন পর্যন্ত একটা কাজই ভালোভাবে করতে পারি-লং রেঞ্জের রাইফেল দিয়ে শুটিং করা। বাড়ি ছাড়ার পর পড়াশোনার পাটও চুকে গেছে। জগন্নাথ কলেজে অনার্সে ভর্তি হয়েছিলাম, ক্লাস করেছিলাম মাত্র কয়েক মাস, হতাশার চোরাবালিতে ডুবে যাবার পর সেখানে আর যাওয়া হয়নি। <br />
<br />
একদিন সেই কলেজের এক ছাত্রনেতা সজল ভাই দেখা করলো আমার সঙ্গে। পাশের মহল্লার বড় ভাই হিসেবে আগে থেকেই পরিচয় ছিল। আমার মহল্লার কিছু বড় ভাইয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিল তার, মহল্লায় নিয়মিত আড্ডা দিতে আসতো। দেখা হলে সালাম দিতাম, সে-ও আমার খোঁজ খবর নিতো। হয়তো শাঁখারিবাজারের শুকলাল ঘোষে ঢুকেছি কাচ্চি খেতে, দেখি সজল ভাইও আছে সেখানে, ব্যস, বিলের টাকা আর দিতে হতো না আমাকে। এটা পুরান ঢাকার অলিখিত নিয়ম-বড়রা ছোটদের হোটেলের বিল দিয়ে দেয়। <br />
<br />
<br />
<br />
সজল ভাইয়ের বাপ বিরাট বড়লোক, অঢেল টাকার মালিক, তাই দেদারসে টাকা খরচ করতে কসুর করতো না। ঐদিন আমাকে তার বাড়িতে নিয়ে গিয়ে কাবাব-পরোটা খাইয়ে আপ্যায়ন করলো খুব। অন্য সবার মতো সান্ত্বনাও দিলো, সেই সাথে উসকে দিলো আমার ভেতরে থাকা তুষের আগুন। <br />
<br />
<br />
<br />
“তোর মতো শুটাররে কেমনে বাদ দিলো হারামজাদারা!” আমার কাঁধে স্নেহময় হাত রেখে আক্ষেপের ভঙ্গিতে বলেছিল। “সালেকীনের মামুর আরেক ভাইগ্না আজগর কলেজে ভর্তি হইছে…মামুর জোরে আমাগো পার্টিতে হান্দাইছে।” <br />
<br />
<br />
<br />
বুঝতে পারলাম, সালেকীনের মামা আমার সাথে যা করেছে, সজল ভাইদের সঙ্গেও তাই করছে। <br />
<br />
<br />
<br />
“আমরা কতোদিন ধইরা কতো কষ্ট কইরা রাজনীতি করি আর এই হালারপো দুইদিন ধইরা কলেজে ঢুইকা-ই রেডিমেড নেতা হইবার চাইতাছে! ওর হোগা দিয়া আমি নেতাগিরি ঢুকায়া দিমু!” <br />
<br />
<br />
<br />
এসব রাজনীতির সাথে আমার কী সম্পর্ক? আমাকে কেন এসব কথা বলছে সজল ভাই?—মাথামুণ্ডু কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। <br />
<br />
<br />
<br />
“ওরে খায়া ফালাইতে অইবো।” <br />
<br />
<br />
<br />
আমার দিকে তাকিয়ে আস্তে করে বলেছিল। যেন যুগ যুগ ধরে আমরা দুজনে মিলে ‘খেয়ে ফেলার কাজটা করছি একসঙ্গে। স্পষ্ট কথা, তারপরও আমি বুঝতে পারছিলাম না। <br />
<br />
<br />
<br />
“ত্রিশ হাজার দিমু তোরে…” কথাটা বলেই পকেট থেকে দশ হাজার টাকার বান্ডিল বের করে দেয়। “এই কামটায় কোনো রিস্ক নাই। গোলাগুলির মইদ্যে দূর থেইক্যা মাইরা দিবি…সব ব্যবস্থা করুম আমি। কেউ কিচ্ছু বুঝবার পারবো না।” <br />
<br />
<br />
<br />
তারপর সবটা খুলে বলেছিল। আমার কাজ কেবল নিরাপদ দূরত্বে থেকে সহি নিশানা লাগানো। <br />
<br />
<br />
<br />
ত্রিশ হাজার টাকা তখনকার দিনে কম না। হেসেখেলে আমার ছয় মাস চলে যাবে। তারপরও অনেক দ্বিধা ছিল আমার মধ্যে কিন্তু তার চেয়েও বেশি ছিল ঐ মন্ত্রীর উপরে ক্ষোভ। সেই ক্ষোভ উগলে দেবার সুযোগ আর অতোগুলো টাকার হাতছানির যৌথ প্রলোভনে রাজি হয়ে গেলাম আমি। <br />
<br />
<br />
<br />
জগন্নাথ কলেজে বিবাদমান দুটো ছাত্রসংগঠনের মধ্যে মারামারি লাগার পর কলেজ ক্যাম্পাস দখল করে ফেলেছিল সজল ভাইদের প্রতিপক্ষ সংগঠনটি। ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত হবার পর তারা তক্কে তক্কে ছিল পুণর্দখল করার জন্য। কিন্তু একবার হাতছাড়া হয়ে গেলে ক্যাম্পাস হয়ে পড়ে দূর্গ-সশস্ত্র প্রহরা থাকে দিন-রাত। ভেতরে ঠিক কতোজন কতোগুলো অস্ত্র নিয়ে কোথায় অবস্থান করছে, সেটা নিশ্চিত করে জানার উপায় থাকে না। তার চেয়েও বড় কথা, গুলির মজুদ কী রকম, সেসব জানতে পারা আরো কঠিন কাজ। সেই কঠিন কাজ অবশ্য সহজ হয়ে গেছিল একজনের কারণে। <br />
<br />
“বিধুদারে টার্গেট কর্!” <br />
<br />
<br />
<br />
কয়েক মুহূর্তের জন্য আমি সজল ভাইয়ের কথা বুঝতে পারলাম না। টেলিস্কোপ থেকে চোখ সরিয়ে তাকালাম তার দিকে। আমার ঠিক পাশেই আছে সে, কোমর থেকে পিস্তল বের করে জিন্সের প্যান্টে আলতো করে চাপড় মারলো। <br />
<br />
<br />
<br />
“জলদি কর্!…ভিতরে ঢুইকা পড়বো!” <br />
<br />
<br />
<br />
রীতিমতো বজ্রাহত আমি। এরকম কথা শোনার জন্য একদমই প্রস্তুত ছিলাম না। সজল ভাই তার নিজের নেতাকে মারতে চাচ্ছে! <br />
<br />
<br />
<br />
“যা কইতাছি কর্!” পিস্তলটা দিয়ে নিজের গাল চুলকে খুবই শান্তকণ্ঠে আদেশ করলো। <br />
<br />
<br />
<br />
দম বন্ধ হয়ে এলো আমার। চট করেই বুঝে গেলাম, তার কথার বরখেলাপ হলে আমার জন্য কী পরিণতি অপেক্ষা করবে। কিন্তু এটাও মাথায় জেঁকে বসলো, কাজ শেষে আমাকে… <br />
<br />
<br />
<br />
“গুলি কর্!” তাড়া দিলো সজল ভাই <br />
<br />
<br />
<br />
জীবনের প্রথম মিশনেই, রীতিমতো গানপয়েন্টে আমি। ভয়ানক বিপদ। কিন্তু কিচ্ছু করার নেই। <br />
<br />
<br />
<br />
বিধুদাকে টেলিস্কোপের ক্রশ-হেয়ারে নিয়ে নিলাম। সে তখন ক্যাম্পাস দখল করা জেনারেলের ভূমিকায়। দুহাতে পিস্তল নিয়ে নিজের ক্যাডার বাহিনিকে নির্দেশ দিচ্ছে <br />
<br />
<br />
<br />
জায়গামতো অবস্থান নেবার জন্য। ততক্ষণে ভেতরে থাকা প্রতিপক্ষ দলের ক্যাডাররা ক্যাম্পাস থেকে সটকে পড়তে শুরু করেছে। আকাশের দিকে তাক্ করে বিধুদা গুলি ছুঁড়তে লাগলো প্রতিপক্ষকে পালানোর সুযোগ করে দেবার জন্য। <br />
<br />
<br />
<br />
ট্রিগার না চেপে আর কোনো উপায় ছিল না। <br />
<br />
<br />
<br />
আমার অব্যর্থ নিশানা বিধুদাকে বিদীর্ণ করে ফেলল! সঙ্গে সঙ্গে লুটিয়ে পড়লো সে। সদ্য ক্যাম্পাস দখল করা তার ক্যাডার বাহিনি হতভম্ব হয়ে পড়লো এ ঘটনায়। এলোপাথারি গুলি ছুঁড়তে শুরু করলো তারা। <br />
<br />
<br />
<br />
আমার দম বন্ধ হয়ে এলো। এই বুঝি সজল ভাইয়ের পিস্তলটা গর্জে উঠবে, পেছন থেকে উড়িয়ে দেবে আমার মাথার খুলি! <br />
<br />
<br />
<br />
“গুটায়ে ফেল সব…জলদি কর্!”<br />
<br />
সজল ভাই তাড়া দিলো। হাঁপ ছেড়ে বাঁচলাম আমি। এ যাত্রায় প্রাণটা বেঁচে গেল তাহলে! <br />
<br />
<br />
<br />
রাইফেল, টেলিস্কোপ আর স্ট্যান্ডটা গুটিয়ে ব্যাগে ভরে নেবার পর সজল ভাই আমাকে নিরাপদে বাড়ি পর্যন্ত পৌছে দিলো। কেউ কিচ্ছু বুঝতে পারলো না কিন্তু সারাটা রাত নির্ঘুম কাটলো আমার। মাথায় একটাই চিন্তা ঘুরপাক খেতে লাগলো, যা করেছি ঠিকমতো করতে পেরেছি তো? <br />
<br />
<br />
<br />
পরদিন সজল ভাই ডেকে পাঠালো আমাকে। ইসলামপুরের পরিত্যক্ত এক বাড়িতে দেখা করলাম। নির্জন দোতলায় একটা চেয়ারে বসে বিয়ার খাচ্ছে বিমর্ষ মুখে। গত বছর স্বৈরাচারের পতনের পরই এই বাড়িটা দখলে নিয়েছে সে। <br />
<br />
<br />
<br />
“হালায় তো মরে নাই,” আফসোসের সুর তার কণ্ঠে। “গুলি ঠিকই লাগছে, তয় হাতে…” একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। “আরেকটু এইদিক ওইদিক হইলেই কাম হইয়া যাইতো।” <br />
<br />
<br />
<br />
অপরাধীর মতো মাথা নিচু করে রাখলাম আমি। <br />
<br />
<br />
<br />
“যাউকগিয়া, কেউ যেন এইটা জানবার না পারে, আমাকে সতর্ক করে দিয়ে বলল সজল ভাই। “জানবার পারলে আমি তো শ্যাষই…তুই-ও খাম হইয়া যাইবি। বুঝছোস?” <br />
<br />
<br />
<br />
মাথা নেড়ে সায় দিলাম। তারপর আমাকে অবাক করে দিয়ে পুরো ত্রিশ হাজার টাকা দিয়ে দিলো। <br />
<br />
<br />
<br />
এটা আমি আশা করিনি। ভেবেছিলাম কাজ যেহেতু হয়নি টাকা আর দেবে না। <br />
<br />
<br />
<br />
চুপচাপ টাকাগুলো নিয়ে চলে আসি ওখান থেকে। <br />
<br />
<br />
<br />
চলবে?<br />
আমি xossipy সাইটে নতুন, কিভাবে ছবি আড করতে হয়, কিভাবে পোস্ট করতে হয় ঠিকমতো জানি না। সবাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করি।<br />
উপন্যাসটি ভালো লাগলে কমেন্ট করে জানাবেন। ধন্যবাদ ?]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[অগোচরা <br />
অধ্যায় ১ - শুরুর আরম্ভ <br />
<br />
পরম নিশ্চিন্তে যে মেয়েটা আমার নগ্ন বুকে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছে, সে জানেই না আমি কী ভাবছি। আমি ভাবছি, আদৌ মুক্তি পেয়েছি কি না? <br />
<br />
<br />
<br />
মুক্তি আছে আমার হাতের নাগালে আর পাশের ঘরে! <br />
<br />
<br />
<br />
আমি একজন শুটার। ছিলাম আর কি। সত্যি বলতে, হতে হতেও হয়ে উঠিনি। যদি হতাম, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি পদক থাকতো আমার ঝুলিতে। কিন্তু সে সুযোগ আমি কখনও পাইনি। বলা ভালো, আমাকে সুযোগই দেওয়া হয়নি। অন্যায়ভাবে বঞ্চিত করা হয়েছিল আমাকে, আর এই ঘটনাটাই আমূল পাল্টে দেয় আমার জীবন। <br />
<br />
<br />
<br />
আমার চেয়ে ভালো শুটার না হয়েও সালেকীন নামের একজন এশিয়ান গেমসের ৫০ মিটার দূরপাল্লার শুটিংয়ে অংশ নেবার সুযোগ পেয়ে যায়। দীর্ঘদিন থেকে সে শুটিং ক্লাবের মেম্বার। অন্যদিকে আমাকে কখনও সাধারণ মেম্বারশিপও দেয়নি তারা। <br />
<br />
<br />
<br />
সালেহীনের আরেকটি বড় পরিচয় ছিল-প্রভাবশালী এক মন্ত্রীর আপন ভাগ্নে সে। এদিকে আমি…আমার গল্পটা আসলে সিনেমার মতো। কখনও কখনও মনে হয়, সিনেমাও এমনটা হয় কী না কে জানে! <br />
<br />
<br />
<br />
এ দেশে মন্ত্রী মানে ছোটখাটো রাজা। নারীকে পুরুষ, পুরুষকে নারী বানানো ছাড়া সবই করতে পারে এরা। নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে ভাগ্নেকে এশিয়ান গেমসে পাঠায় ঐ মন্ত্রী, ধুলিস্যাৎ করে দেয় আমার স্বপ্ন। ঘুণাক্ষরেও ভাবিনি এ রকম সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবো। এমন অন্যায়ের শিকার হয়ে একেবারে ভেঙে পড়েছিলাম, ডুবে গিয়েছিলাম হতাশায়। চারপাশের মানুষজন আমার পিঠ চাপড়ে সান্ত্বনা দিতো। তাদের এই সান্ত্বনা আরো বেশি অসহ্য ঠেকতো আমার কাছে। <br />
<br />
<br />
<br />
তীব্র হতাশা নিয়ে এখানে সেখানে বিক্ষিপ্তভাবে ঘোরাঘুরি করতে শুরু করে দিলাম, সঙ্গি হিসেবে পেয়ে গেলাম বাল্যবন্ধু মুন্নাকে। এর আগে তার সঙ্গে অতোটা সখ্যতা ছিল না আমার, ক্লাস টু থেকে এইট পর্যন্ত পড়েছি একসঙ্গে, কিন্তু মুন্না পর পর দুবার ফেল করলে আমাদের কলেজ থেকে টিসি দেয়া হয় তাকে, সে চলে যায় অন্য একটা কলেজে। এরপর থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগও কমে আসে আমার। পাশাপাশি মহল্লায় থাকি বলে মাঝেমধ্যে পথেঘাটে দেখা হতো অবশ্য। <br />
<br />
আমার এমন দুর্দিনে সেই মুন্নাই হয়ে উঠল একমাত্র সহচর। ফেন্সিডিলে আসক্ত ছিল সে, আমার দুঃখ ভোলাতে উদাত্তচিত্তে বোতল বাড়িয়ে দিয়েছিল—সেই থেকে শুরু হয়ে গেল আমারও। <br />
<br />
<br />
<br />
তবে তার ফেন্সিডিল সেবনের সঙ্গি হলেও আমাকে এক টাকাও খরচ করতে হতো না। ফেন্সি সেবন করার পর প্রচুর চিনি দিয়ে চা পান করতাম নেশা গাঢ় করার জন্য, সেই সাথে চলতো সিগারেট। গভীর রাতে বাড়ি ফিরতাম, কখনও কখনও মুন্নার বাড়িতেও থেকে যেতাম রাতে। সারা রাত আমরা ভিসিআরে হিন্দি-ইংরেজি সিনেমা দেখতাম, সিগারেট খেতাম। ভোরের দিকে ক্লান্তিতে ঘুম আসতো। খুব বেলা করে উঠতাম দুজন। মানুষজন যখন দুপুরের খাবার খাওয়ার প্রস্তুতি নিতো, আমরা তখন নাস্তা করতাম। এভাবেই দিনগুলো কেটে যাচ্ছিল একটা ঘোরের মধ্যে। ভালো-মন্দ হিসেব করার মতো বোধশক্তি হারিয়ে ফেলেছিলাম আমি। <br />
<br />
<br />
<br />
কিন্তু আমার এই আসক্তির কথা বেশিদিন গোপন থাকেনি।<br />
<br />
<br />
<br />
বাবাকে হারিয়ে ছিলাম জ্ঞান হবার আগেই, মাকে হারাই ক্লাস থ্রিতে পড়ার সময়। পরগাছার মতো বড় ভাইয়ের সংসারে মানুষ হয়েছি, সেই ভাই নেশা করার কথা জেনে যাবার পর ভীষণ রেগে গেল, চড়থাপ্পড় মেরে গালাগালি করলো আমাকে। তারটা খেয়ে-পরে আমি কী না নেশা করছি! ভাবি আরো এক ধাপ এগিয়ে বলেছিল, এমন ছেলে বাড়িতে থাকলে তার সন্তানেরাও নষ্ট হয়ে যাবে। <br />
<br />
<br />
<br />
খুব আত্মসম্মানে লেগেছিল কথাগুলো। সেদিনই এক কাপড়ে বাড়ি ছাড়ি আমি। চিরতরের জন্য। একই এলাকায় থাকার সুবাদে বড়ভাই আর ভাবির সঙ্গে মাঝেমধ্যে দেখা হয়ে গেলে তারা এড়িয়ে যেতো আমাকে। এক সময় আমিও এড়িয়ে যেতে শুরু করলাম। আমার জীবন থেকে মুছে ফেললাম তাদেরকে, হয়ে গেলাম পুরোপুরি পরিবারবিহীন পিছুটানহীন একজন মানুষ। <br />
<br />
<br />
<br />
মুন্নার বাপের বেশ কয়েকটি বাড়ি ছিল পুরান ঢাকায়, একটা বাদে সবগুলো ভাড়া দিয়ে রাজার হালে থাকতো তারা। গেন্ডারিয়ায় এরকম একটি ভাড়া দেয়া বাড়ির চিলেকোঠায় মুন্নার ঘর ছিল মওজ-মাস্তি করার জন্য। ওখানে ইয়ার-দোস্ত নিয়ে তাস খেলতো, নেশাপানি করতো, কখনও কখনও মেয়েমানুষ নিয়ে আসতো। বাড়ি ছাড়ার পর কিছুদিনের জন্য আমার ঠাঁই হলো সেই চিলেকোঠায়। সেখানে তাস খেলা, মদ্যপান চলতো প্রতিদিন। <br />
<br />
<br />
<br />
রিপন নামে হ্যাংলা মতোন এক ছেলে ছিল মুন্নার পরিচিত, সেই ছেলে কোত্থেকে যেন অল্প বয়সি তরুণীদের নিয়ে আসতো রাতের বেলায়। মেয়েগুলোকে রেখে চলে যেতো, নিয়ে যেতো পরদিন সকালে। দেখে মনে হতো কলেজপড়ুয়া, খারাপ মেয়ে হিসেবে ওদেরকে মেনে নিতে কষ্ট হতো আমার। <br />
<br />
<br />
<br />
এমন না যে মুন্না একাই সম্ভোগ করার জন্য নিয়ে আসতো ওদেরকে, প্রতিবার আমাকেও সাধতো কিন্তু আমি কখনও ওসব করিনি। কেন করিনি, জানি না। <br />
<br />
<br />
<br />
আমার কি ঘেন্না লাগতো? অস্বস্তি হতো? নিশ্চিত করে বলতে পারবো না। কাজ শেষে মুন্না ঘুমিয়ে পড়তো, নয়তো ছাদের এককোণে গিয়ে সিগারেট খেতো, তখন ওদের সঙ্গে আলাপ করতাম আমি, নিতান্তই আগ্রহ থেকে। <br />
<br />
<br />
<br />
নাম কি? কই থাকো? <br />
<br />
<br />
<br />
এই পেশায় কেন আসছো? <br />
<br />
<br />
<br />
বাড়িতে কে কে আছে? <br />
<br />
<br />
<br />
সত্যি বলতে, এমন প্রশ্ন শুনে মেয়েগুলো খুবই বিরক্ত হতো। সম্ভবত এরকম প্রশ্ন তারা অনেকবার অনেকের কাছ থেকে শুনেছে। তবে তারা বুঝতো আমি মুন্নার ঘনিষ্ঠ বন্ধু, ঐ চিলেকোঠাতেই থাকি, তাই অনিচ্ছাসত্ত্বেও জবাব দিতো। <br />
<br />
<br />
<br />
মিথ্যেই বলতো তারা। আমি বুঝতাম, তারপরও ওদের মিথ্যেগুলো শুনতাম আগ্রহ নিয়ে। মিথ্যে যদি ধরা যায়, সত্যিটাও বের করে নেওয়া যায় অনায়াসে। আমি ওদের মিথ্যে থেকে সত্যিটা আন্দাজ করে নিতাম।<br />
<br />
<br />
টানবাজারে যায়। একদিন আমারে কী কয়, জানোস?” <br />
<br />
<br />
<br />
আমি উন্মুখ হয়ে রইলাম শোনার জন্য। <br />
<br />
<br />
<br />
“কয়, শবনরে বিয়া করবো!” সিগারেটে শেষ টানটা বেশ জোরে দিয়ে হাসতে লাগলো মুন্না। “পুরা মাথা খারাপ হয়া গেছিল মাদারচোদের। ওর এই আলগা পিরিতি হোগা দিয়া ভইরা দিছে টানবাজারের মাস্তানরা। ক্যামনে জানি হেরা টের পাইয়া গেছিল…খানকি ভাগাইতে চাস, মাদারচোদ! দীন ইসলামরে এমন মাইর দিছে…থেরেটও করছে…আর যদি টানবাজারে দেহি, মাইরা শীতলক্ষ্যায় ফালায়া দিমু।” <br />
<br />
<br />
<br />
ঐ মেয়েটাও কি দীন ইসলামকে ভালোবাসতো? এমন প্রশ্ন না করে পারিনি আমি। <br />
<br />
<br />
<br />
“ক্যামতে কমু,” গাল চুলকে বলেছিল মুন্না। “তয় ঐ মাইয়াও ভাইগ্যা যাইতে রাজি হয় নাই।”<br />
<br />
<br />
<br />
সপ্রশ্ন দৃষ্টিতে তাকিয়েছিলাম। <br />
<br />
“খানকিপাড়ায় এইরকম বহুত মানুষ আহে যায়…লাগায়া মাগায়া দিওয়ানা হইয়া কয় ভালোবাসে, বিয়া করবো, বুঝছোস? মাইয়াগুলান এইসব বহুত দেহে…দুইদিন পর এইসব নাগোরগো পেরেম-পিরিতি ফুট্টুস মারে!” কিছুক্ষণ চুপ থেকে মুন্না আবার বলল, “তুইও কি তৃপ্তির…” <br />
<br />
<br />
<br />
মাথা দোলালাম আমি। জোর দিয়ে বললাম, ও রকম কিছুই না। মেয়েটার প্রতি আমার মায়া জন্মে গেছে। স্রেফ মায়া। আমার কথা শুনে অবাক হয়েছিল মুন্না। অচেনা মানুষের প্রতি মায়া জন্মে কীভাবে? বিশ্বাস করতে পারছিল না। <br />
<br />
<br />
<br />
“মায়া করোস ভালা কথা, মায়া কইরা-ই লাগাইতি!”<br />
<br />
<br />
<br />
মায়া যে কী, মুন্নাকে সেটা বোঝাতে পারিনি। কেন যে মেয়েটার প্রতি আমার হুট করে মায়া জন্মালো, নিজেও জানি না। এই মায়ার তল কিংবা বিস্তৃতি কোথা থেকে শুরু, কোথায় গিয়ে শেষ হয়, তা-ও আমার অজানা। <br />
<br />
<br />
<br />
শুধু জানি, মায়া খুব খারাপ জিনিস! <br />
<br />
<br />
<br />
তৃপ্তির সঙ্গে রাত কাটালেও ওকে আমি ছুঁয়েও দেখিনি মেয়েটাও আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল, আমি কেন এমনটা করলাম। ওকে শুধু বলেছিলাম, এমনি। আর মানুষ যখন বলে এমনি…বুঝে নিতে হবে ‘এমনি’টা এমনি এমনি কিছু না, গভীর কারণ রয়েছে এর পেছনে। যে কারণের কথা সে গুছিয়ে বলতে পারে না। কিংবা বলতে চায় না। <br />
<br />
<br />
<br />
এভাবে কিছুদিন চলার পর মনের ভেতরে খচখচানি শুরু হয়ে গেল-মুন্নার দয়ায় আর কতো দিন? টাকা রোজগারের দিকে মনোযোগ দিতে হবে আমাকে। নিজের অন্নের সংস্থান নিজেকেই করতে হবে। <br />
<br />
<br />
<br />
কিন্তু কী করবো আমি? <br />
<br />
<br />
<br />
এখন পর্যন্ত একটা কাজই ভালোভাবে করতে পারি-লং রেঞ্জের রাইফেল দিয়ে শুটিং করা। বাড়ি ছাড়ার পর পড়াশোনার পাটও চুকে গেছে। জগন্নাথ কলেজে অনার্সে ভর্তি হয়েছিলাম, ক্লাস করেছিলাম মাত্র কয়েক মাস, হতাশার চোরাবালিতে ডুবে যাবার পর সেখানে আর যাওয়া হয়নি। <br />
<br />
একদিন সেই কলেজের এক ছাত্রনেতা সজল ভাই দেখা করলো আমার সঙ্গে। পাশের মহল্লার বড় ভাই হিসেবে আগে থেকেই পরিচয় ছিল। আমার মহল্লার কিছু বড় ভাইয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব ছিল তার, মহল্লায় নিয়মিত আড্ডা দিতে আসতো। দেখা হলে সালাম দিতাম, সে-ও আমার খোঁজ খবর নিতো। হয়তো শাঁখারিবাজারের শুকলাল ঘোষে ঢুকেছি কাচ্চি খেতে, দেখি সজল ভাইও আছে সেখানে, ব্যস, বিলের টাকা আর দিতে হতো না আমাকে। এটা পুরান ঢাকার অলিখিত নিয়ম-বড়রা ছোটদের হোটেলের বিল দিয়ে দেয়। <br />
<br />
<br />
<br />
সজল ভাইয়ের বাপ বিরাট বড়লোক, অঢেল টাকার মালিক, তাই দেদারসে টাকা খরচ করতে কসুর করতো না। ঐদিন আমাকে তার বাড়িতে নিয়ে গিয়ে কাবাব-পরোটা খাইয়ে আপ্যায়ন করলো খুব। অন্য সবার মতো সান্ত্বনাও দিলো, সেই সাথে উসকে দিলো আমার ভেতরে থাকা তুষের আগুন। <br />
<br />
<br />
<br />
“তোর মতো শুটাররে কেমনে বাদ দিলো হারামজাদারা!” আমার কাঁধে স্নেহময় হাত রেখে আক্ষেপের ভঙ্গিতে বলেছিল। “সালেকীনের মামুর আরেক ভাইগ্না আজগর কলেজে ভর্তি হইছে…মামুর জোরে আমাগো পার্টিতে হান্দাইছে।” <br />
<br />
<br />
<br />
বুঝতে পারলাম, সালেকীনের মামা আমার সাথে যা করেছে, সজল ভাইদের সঙ্গেও তাই করছে। <br />
<br />
<br />
<br />
“আমরা কতোদিন ধইরা কতো কষ্ট কইরা রাজনীতি করি আর এই হালারপো দুইদিন ধইরা কলেজে ঢুইকা-ই রেডিমেড নেতা হইবার চাইতাছে! ওর হোগা দিয়া আমি নেতাগিরি ঢুকায়া দিমু!” <br />
<br />
<br />
<br />
এসব রাজনীতির সাথে আমার কী সম্পর্ক? আমাকে কেন এসব কথা বলছে সজল ভাই?—মাথামুণ্ডু কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। <br />
<br />
<br />
<br />
“ওরে খায়া ফালাইতে অইবো।” <br />
<br />
<br />
<br />
আমার দিকে তাকিয়ে আস্তে করে বলেছিল। যেন যুগ যুগ ধরে আমরা দুজনে মিলে ‘খেয়ে ফেলার কাজটা করছি একসঙ্গে। স্পষ্ট কথা, তারপরও আমি বুঝতে পারছিলাম না। <br />
<br />
<br />
<br />
“ত্রিশ হাজার দিমু তোরে…” কথাটা বলেই পকেট থেকে দশ হাজার টাকার বান্ডিল বের করে দেয়। “এই কামটায় কোনো রিস্ক নাই। গোলাগুলির মইদ্যে দূর থেইক্যা মাইরা দিবি…সব ব্যবস্থা করুম আমি। কেউ কিচ্ছু বুঝবার পারবো না।” <br />
<br />
<br />
<br />
তারপর সবটা খুলে বলেছিল। আমার কাজ কেবল নিরাপদ দূরত্বে থেকে সহি নিশানা লাগানো। <br />
<br />
<br />
<br />
ত্রিশ হাজার টাকা তখনকার দিনে কম না। হেসেখেলে আমার ছয় মাস চলে যাবে। তারপরও অনেক দ্বিধা ছিল আমার মধ্যে কিন্তু তার চেয়েও বেশি ছিল ঐ মন্ত্রীর উপরে ক্ষোভ। সেই ক্ষোভ উগলে দেবার সুযোগ আর অতোগুলো টাকার হাতছানির যৌথ প্রলোভনে রাজি হয়ে গেলাম আমি। <br />
<br />
<br />
<br />
জগন্নাথ কলেজে বিবাদমান দুটো ছাত্রসংগঠনের মধ্যে মারামারি লাগার পর কলেজ ক্যাম্পাস দখল করে ফেলেছিল সজল ভাইদের প্রতিপক্ষ সংগঠনটি। ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত হবার পর তারা তক্কে তক্কে ছিল পুণর্দখল করার জন্য। কিন্তু একবার হাতছাড়া হয়ে গেলে ক্যাম্পাস হয়ে পড়ে দূর্গ-সশস্ত্র প্রহরা থাকে দিন-রাত। ভেতরে ঠিক কতোজন কতোগুলো অস্ত্র নিয়ে কোথায় অবস্থান করছে, সেটা নিশ্চিত করে জানার উপায় থাকে না। তার চেয়েও বড় কথা, গুলির মজুদ কী রকম, সেসব জানতে পারা আরো কঠিন কাজ। সেই কঠিন কাজ অবশ্য সহজ হয়ে গেছিল একজনের কারণে। <br />
<br />
“বিধুদারে টার্গেট কর্!” <br />
<br />
<br />
<br />
কয়েক মুহূর্তের জন্য আমি সজল ভাইয়ের কথা বুঝতে পারলাম না। টেলিস্কোপ থেকে চোখ সরিয়ে তাকালাম তার দিকে। আমার ঠিক পাশেই আছে সে, কোমর থেকে পিস্তল বের করে জিন্সের প্যান্টে আলতো করে চাপড় মারলো। <br />
<br />
<br />
<br />
“জলদি কর্!…ভিতরে ঢুইকা পড়বো!” <br />
<br />
<br />
<br />
রীতিমতো বজ্রাহত আমি। এরকম কথা শোনার জন্য একদমই প্রস্তুত ছিলাম না। সজল ভাই তার নিজের নেতাকে মারতে চাচ্ছে! <br />
<br />
<br />
<br />
“যা কইতাছি কর্!” পিস্তলটা দিয়ে নিজের গাল চুলকে খুবই শান্তকণ্ঠে আদেশ করলো। <br />
<br />
<br />
<br />
দম বন্ধ হয়ে এলো আমার। চট করেই বুঝে গেলাম, তার কথার বরখেলাপ হলে আমার জন্য কী পরিণতি অপেক্ষা করবে। কিন্তু এটাও মাথায় জেঁকে বসলো, কাজ শেষে আমাকে… <br />
<br />
<br />
<br />
“গুলি কর্!” তাড়া দিলো সজল ভাই <br />
<br />
<br />
<br />
জীবনের প্রথম মিশনেই, রীতিমতো গানপয়েন্টে আমি। ভয়ানক বিপদ। কিন্তু কিচ্ছু করার নেই। <br />
<br />
<br />
<br />
বিধুদাকে টেলিস্কোপের ক্রশ-হেয়ারে নিয়ে নিলাম। সে তখন ক্যাম্পাস দখল করা জেনারেলের ভূমিকায়। দুহাতে পিস্তল নিয়ে নিজের ক্যাডার বাহিনিকে নির্দেশ দিচ্ছে <br />
<br />
<br />
<br />
জায়গামতো অবস্থান নেবার জন্য। ততক্ষণে ভেতরে থাকা প্রতিপক্ষ দলের ক্যাডাররা ক্যাম্পাস থেকে সটকে পড়তে শুরু করেছে। আকাশের দিকে তাক্ করে বিধুদা গুলি ছুঁড়তে লাগলো প্রতিপক্ষকে পালানোর সুযোগ করে দেবার জন্য। <br />
<br />
<br />
<br />
ট্রিগার না চেপে আর কোনো উপায় ছিল না। <br />
<br />
<br />
<br />
আমার অব্যর্থ নিশানা বিধুদাকে বিদীর্ণ করে ফেলল! সঙ্গে সঙ্গে লুটিয়ে পড়লো সে। সদ্য ক্যাম্পাস দখল করা তার ক্যাডার বাহিনি হতভম্ব হয়ে পড়লো এ ঘটনায়। এলোপাথারি গুলি ছুঁড়তে শুরু করলো তারা। <br />
<br />
<br />
<br />
আমার দম বন্ধ হয়ে এলো। এই বুঝি সজল ভাইয়ের পিস্তলটা গর্জে উঠবে, পেছন থেকে উড়িয়ে দেবে আমার মাথার খুলি! <br />
<br />
<br />
<br />
“গুটায়ে ফেল সব…জলদি কর্!”<br />
<br />
সজল ভাই তাড়া দিলো। হাঁপ ছেড়ে বাঁচলাম আমি। এ যাত্রায় প্রাণটা বেঁচে গেল তাহলে! <br />
<br />
<br />
<br />
রাইফেল, টেলিস্কোপ আর স্ট্যান্ডটা গুটিয়ে ব্যাগে ভরে নেবার পর সজল ভাই আমাকে নিরাপদে বাড়ি পর্যন্ত পৌছে দিলো। কেউ কিচ্ছু বুঝতে পারলো না কিন্তু সারাটা রাত নির্ঘুম কাটলো আমার। মাথায় একটাই চিন্তা ঘুরপাক খেতে লাগলো, যা করেছি ঠিকমতো করতে পেরেছি তো? <br />
<br />
<br />
<br />
পরদিন সজল ভাই ডেকে পাঠালো আমাকে। ইসলামপুরের পরিত্যক্ত এক বাড়িতে দেখা করলাম। নির্জন দোতলায় একটা চেয়ারে বসে বিয়ার খাচ্ছে বিমর্ষ মুখে। গত বছর স্বৈরাচারের পতনের পরই এই বাড়িটা দখলে নিয়েছে সে। <br />
<br />
<br />
<br />
“হালায় তো মরে নাই,” আফসোসের সুর তার কণ্ঠে। “গুলি ঠিকই লাগছে, তয় হাতে…” একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। “আরেকটু এইদিক ওইদিক হইলেই কাম হইয়া যাইতো।” <br />
<br />
<br />
<br />
অপরাধীর মতো মাথা নিচু করে রাখলাম আমি। <br />
<br />
<br />
<br />
“যাউকগিয়া, কেউ যেন এইটা জানবার না পারে, আমাকে সতর্ক করে দিয়ে বলল সজল ভাই। “জানবার পারলে আমি তো শ্যাষই…তুই-ও খাম হইয়া যাইবি। বুঝছোস?” <br />
<br />
<br />
<br />
মাথা নেড়ে সায় দিলাম। তারপর আমাকে অবাক করে দিয়ে পুরো ত্রিশ হাজার টাকা দিয়ে দিলো। <br />
<br />
<br />
<br />
এটা আমি আশা করিনি। ভেবেছিলাম কাজ যেহেতু হয়নি টাকা আর দেবে না। <br />
<br />
<br />
<br />
চুপচাপ টাকাগুলো নিয়ে চলে আসি ওখান থেকে। <br />
<br />
<br />
<br />
চলবে?<br />
আমি xossipy সাইটে নতুন, কিভাবে ছবি আড করতে হয়, কিভাবে পোস্ট করতে হয় ঠিকমতো জানি না। সবাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করি।<br />
উপন্যাসটি ভালো লাগলে কমেন্ট করে জানাবেন। ধন্যবাদ ?]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[ఎవరు]]></title>
			<link>https://xossipy.com/thread-74891.html</link>
			<pubDate>Sun, 09 Aug 2026 13:12:06 +0300</pubDate>
			<guid isPermaLink="false">https://xossipy.com/thread-74891.html</guid>
			<description><![CDATA[<span style="color: #333333;" class="mycode_color"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Roboto, sans-serif;" class="mycode_font"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">ఎవరు....? </span></span></span></span><br />
<br />
<span style="font-size: large;" class="mycode_size"> (క్రైమ్ ధారావాహికం)</span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">సురేష్ జోస్యభట్ల</span></span><br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<span style="color: #000000;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Roboto, sans-serif;" class="mycode_font">ఆంధ్రరాష్ట్రానికి ఆర్ధిక కేంద్రంలాంటిది విజయవాడ నగరం. ఆ నగరంలొ పెద్ద పెద్ద రాజకీయనాయకులు మరియు ప్రముఖ వ్యాపారవేత్తలు నివసించె ప్రాంతాలలొ ఒకటి "గురునానక్ కాలని" ఈ కాలనిలోని ఒక విల్లా బయట ఆంబులన్స్ మరియు సెక్యూరిటీ ఆఫీసర్ల వాహనాలు ఆగి ఉన్నాయి. ఆ ఇంటి చుట్టూ పత్రికల వాళ్ళు చాలా మంది నించొని ఉన్నారు. ఆ విల్లా యజమాని పేరు "సూర్యనారాయణ". ఇతనొక మాజి MLA మరియు అధికారపార్టి అయినటువంటి "నవతరం పార్టీ" సభ్యుడు. లోపల ఒక ప్రక్క హాల్లో ఇతనిని పోలిసులు ప్రశ్నిస్తుంటె. మరో ప్రక్క డైనింగ్ హాల్లొ టేబుల్ వద్ద నేలపై చనిపోయున్న వ్యక్తి శవాన్నీ ఫారన్సిక్ బృందం పరిశీలిస్తుంది. ఆ చనిపోయిన వ్యక్తి పేరు "దేవేంద్ర రెడ్డి". ఇతను "విజయవాడ సెంట్రల్ " నియోజికవర్గం MLA. ఇతను కూడా అదే "నవతరం పార్టీ " సభ్యుడు. . చనిపోయింది ఒక MLA కావడం అదీ ఒక అధికారపార్టీకి చెందిన వ్యక్తి అవ్వడంతొ ఈ వార్త రాష్ట్రంలొని పెను సంచలనంగా మారింది.</span></span></span><br />
<br />
<br />
<br />
<span style="color: #000000;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Roboto, sans-serif;" class="mycode_font">స్వాతంత్ర్య దినోత్సవం తరువాత నుండి</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-family: Roboto, sans-serif;" class="mycode_font"><span style="color: #000000;" class="mycode_color"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">*</span></span><span style="color: #3333ff;" class="mycode_color"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">పాఠక మిత్రుల స్పందన లేకపోతే అప్డేట్లు ఆలస్యమౌతాయి</span></span></span></span>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<span style="color: #333333;" class="mycode_color"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Roboto, sans-serif;" class="mycode_font"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">ఎవరు....? </span></span></span></span><br />
<br />
<span style="font-size: large;" class="mycode_size"> (క్రైమ్ ధారావాహికం)</span><br />
<br />
<span style="font-weight: bold;" class="mycode_b"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">సురేష్ జోస్యభట్ల</span></span><br />
<br />
<br />
<br />
<br />
<span style="color: #000000;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Roboto, sans-serif;" class="mycode_font">ఆంధ్రరాష్ట్రానికి ఆర్ధిక కేంద్రంలాంటిది విజయవాడ నగరం. ఆ నగరంలొ పెద్ద పెద్ద రాజకీయనాయకులు మరియు ప్రముఖ వ్యాపారవేత్తలు నివసించె ప్రాంతాలలొ ఒకటి "గురునానక్ కాలని" ఈ కాలనిలోని ఒక విల్లా బయట ఆంబులన్స్ మరియు సెక్యూరిటీ ఆఫీసర్ల వాహనాలు ఆగి ఉన్నాయి. ఆ ఇంటి చుట్టూ పత్రికల వాళ్ళు చాలా మంది నించొని ఉన్నారు. ఆ విల్లా యజమాని పేరు "సూర్యనారాయణ". ఇతనొక మాజి MLA మరియు అధికారపార్టి అయినటువంటి "నవతరం పార్టీ" సభ్యుడు. లోపల ఒక ప్రక్క హాల్లో ఇతనిని పోలిసులు ప్రశ్నిస్తుంటె. మరో ప్రక్క డైనింగ్ హాల్లొ టేబుల్ వద్ద నేలపై చనిపోయున్న వ్యక్తి శవాన్నీ ఫారన్సిక్ బృందం పరిశీలిస్తుంది. ఆ చనిపోయిన వ్యక్తి పేరు "దేవేంద్ర రెడ్డి". ఇతను "విజయవాడ సెంట్రల్ " నియోజికవర్గం MLA. ఇతను కూడా అదే "నవతరం పార్టీ " సభ్యుడు. . చనిపోయింది ఒక MLA కావడం అదీ ఒక అధికారపార్టీకి చెందిన వ్యక్తి అవ్వడంతొ ఈ వార్త రాష్ట్రంలొని పెను సంచలనంగా మారింది.</span></span></span><br />
<br />
<br />
<br />
<span style="color: #000000;" class="mycode_color"><span style="font-size: large;" class="mycode_size"><span style="font-family: Roboto, sans-serif;" class="mycode_font">స్వాతంత్ర్య దినోత్సవం తరువాత నుండి</span></span></span><br />
<br />
<span style="font-family: Roboto, sans-serif;" class="mycode_font"><span style="color: #000000;" class="mycode_color"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size">*</span></span><span style="color: #3333ff;" class="mycode_color"><span style="font-size: x-large;" class="mycode_size"><span style="font-weight: bold;" class="mycode_b">పాఠక మిత్రుల స్పందన లేకపోతే అప్డేట్లు ఆలస్యమౌతాయి</span></span></span></span>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[கணவர் செய்த துரோகத்தால் கண்டவனை மனந்தேன்.]]></title>
			<link>https://xossipy.com/thread-51572.html</link>
			<pubDate>Sun, 09 Aug 2026 11:29:05 +0300</pubDate>
			<guid isPermaLink="false">https://xossipy.com/thread-51572.html</guid>
			<description><![CDATA[நண்பர்களே இது ஒரு உண்மை கதை. எனக்கு தெரிந்த ஒரு டிவிட்டர் நண்பரின் வாழ்க்கையை மையமாக கொண்ட பாதி கற்பனை கலந்த கதை இது. மேலும் இது ஒரு சிறுகதையாக கொடுக்கவே முயற்சி செய்கிறேன். <br />
<br />
<br />
<br />
என் கணவர் ஒரு எம்.என்.சி கம்பனியில் வேலை செய்வதால் அவருக்கு அடிக்கடி வெளியூர் செல்லும் வேலை இருக்கும். நான் அடிக்கடி அவருக்கு வெளியூர் செல்வதற்கான துணிமனி மற்று அவருக்கு தேவையான பொருட்களை கடுக்கி வைத்து அனுப்பி வைப்பேன்.]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[நண்பர்களே இது ஒரு உண்மை கதை. எனக்கு தெரிந்த ஒரு டிவிட்டர் நண்பரின் வாழ்க்கையை மையமாக கொண்ட பாதி கற்பனை கலந்த கதை இது. மேலும் இது ஒரு சிறுகதையாக கொடுக்கவே முயற்சி செய்கிறேன். <br />
<br />
<br />
<br />
என் கணவர் ஒரு எம்.என்.சி கம்பனியில் வேலை செய்வதால் அவருக்கு அடிக்கடி வெளியூர் செல்லும் வேலை இருக்கும். நான் அடிக்கடி அவருக்கு வெளியூர் செல்வதற்கான துணிமனி மற்று அவருக்கு தேவையான பொருட்களை கடுக்கி வைத்து அனுப்பி வைப்பேன்.]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[విజయ్ ఒక cuck భర్త]]></title>
			<link>https://xossipy.com/thread-74889.html</link>
			<pubDate>Sun, 09 Aug 2026 10:04:45 +0300</pubDate>
			<guid isPermaLink="false">https://xossipy.com/thread-74889.html</guid>
			<description><![CDATA[హాయ్ మిత్రులారా మరియు శృంగార కథల ప్రేమికులారా <br />
<br />
నా పేరు విజయ్, నేను నా టీనేజ్ నుండి (అంటే సరిగ్గా ** ఏళ్ల వయసు నుండి) వివిధ బ్లాగులు మరియు వెబ్‌సైట్‌లలోని శృంగార కథలను ఉత్సాహంగా చదువుతున్నాను.<br />
<br />
కౌమారదశ నుండి కకొల్డింగ్ వరకు నా లైంగిక ప్రయాణం గురించిన కథ ఇది.]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[హాయ్ మిత్రులారా మరియు శృంగార కథల ప్రేమికులారా <br />
<br />
నా పేరు విజయ్, నేను నా టీనేజ్ నుండి (అంటే సరిగ్గా ** ఏళ్ల వయసు నుండి) వివిధ బ్లాగులు మరియు వెబ్‌సైట్‌లలోని శృంగార కథలను ఉత్సాహంగా చదువుతున్నాను.<br />
<br />
కౌమారదశ నుండి కకొల్డింగ్ వరకు నా లైంగిక ప్రయాణం గురించిన కథ ఇది.]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Mee lovers tho or affairs tho chesina sex chat post cheyyandi please]]></title>
			<link>https://xossipy.com/thread-74887.html</link>
			<pubDate>Sun, 09 Aug 2026 09:06:47 +0300</pubDate>
			<guid isPermaLink="false">https://xossipy.com/thread-74887.html</guid>
			<description><![CDATA[Mee lovers tho or affairs tho chesina sex chat post cheyyandi please]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[Mee lovers tho or affairs tho chesina sex chat post cheyyandi please]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[একলা চলো রে..LOVE, SEX AUR DHOKA]]></title>
			<link>https://xossipy.com/thread-74883.html</link>
			<pubDate>Sun, 09 Aug 2026 05:48:51 +0300</pubDate>
			<guid isPermaLink="false">https://xossipy.com/thread-74883.html</guid>
			<description><![CDATA[<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">প্রথম পর্ব: </span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"> <br />
ঢাকা শহরের মতিঝিল এর যেকোনো আধুনিক বাণিজ্যিক ভবনের মতোই এই আকাশচুম্বী টাওয়ারটি তার আধুনিকতার জানান দেয়। গ্লাস আর স্টিলের নিখুঁত কারুকাজে তৈরি এই ভবনের সতেরো তলার পুরো ফ্লোর জুড়ে ‘সিরাজ এন্টারপ্রাইজ’-এর হেড অফিস। দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এই কর্পোরেট হাউজের মূল চাবিকাঠি যাঁর হাতে, তিনি হলেন এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান—আলতাফ সিরাজ চৌধুরী।<br />
<br />
বাইরে তখন বিকেলের নরম রোদ ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে সন্ধ্যার গোধূলিলগ্নে। এসি করা বিশাল রুমটার ভেতরটা এক অদ্ভুত শীতলতায় মোড়ানো। ঘরের তাপমাত্রা সবসময় উনি ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সেট করে রাখেন। এই শীতলতা শুধু ঘরের আবহাওয়ার নয়, এর চেয়েও বহুগুণ বেশি শীতল এই রুমের মানুষটির মন।<br />
<br />
রুমটার ইন্টেরিয়র ডিজাইন দেখলে যেকোনো শিল্পরসিকের চোখ জুড়িয়ে যাবে। ইতালিয়ান মার্বেলের মেঝেতে জুতোর শব্দ পর্যন্ত হয় না। পেছনের সুবিশাল দেওয়ালজোড়া কাঁচের জানলার বাইরে দেখা যাচ্ছে ব্যস্ত ঢাকার অগোছালো আকাশরেখা—অসংখ্য গাড়ি, ব্যস্ত মানুষের ছুটোছুটি, আর দূরে জ্বলে ওঠা নিয়ন আলো। কিন্তু এই দৃশ্য দেখার বা উপভোগ করার মতো কোনো অবকাশ বা মানসিকতা আলতাফ সাহেবের নেই।<br />
<br />
মাহমুদ আলতাফ সিরাজ চৌধুরী—বয়স ষাট ছুঁই ছুঁই, কিংবা পার হয়ে গেছে বলা চলে। মাথার চুলগুলোতে এখন রূপালি বরফের আস্তরণ, কিন্তু চেহারার শক্ত ও কর্কশ ভাব বিন্দুমাত্র কমেনি। বরং বয়সের সাথে সাথে তা আরও ঘনীভূত হয়েছে। চওড়া কপাল, কুঁচকানো ভ্রু, তীক্ষ্ণ ও অনুকম্পাহীন দৃষ্টি—সব মিলিয়ে প্রথম দেখায় যেকোনো মানুষ তার সামনে দাঁড়াতে ভয় পাবে। তার গায়ে সবসময় পরিপাটি করে কাটা স্যুট, টাইয়ের নট নিখুঁত। গত তিন দশক ধরে তার নিয়মে কোনোদিন এতটুকু ব্যত্যয় ঘটেনি। সকাল আটটায় অফিসে ঢোকা, রাত দশটা বা তারও পরে অফিস ত্যাগ করা—এটাই তার জীবন।<br />
<br />
সাফল্যের সোনার হরিণের পেছনে ছুটতে গিয়ে তিনি তার জীবনের সমস্ত ব্যক্তিগত অর্জনকে জলাঞ্জলি দিয়েছেন। কোনো সঙ্গী নেই, নেই কোনো কোলাহলপূর্ণ সংসার, সন্তানের স্নেহের পরশ বা স্ত্রীর ভালোবাসার উষ্ণতা। তিনি চিরকুমার। একা। এই বিশাল সাম্রাজ্যের তিনি একচ্ছত্র অধিপতি বটে, কিন্তু এই চার দেওয়ালের ভেতরে তিনি এক নিঃসঙ্গ দ্বীপ। তার জগৎ কেবল ফাইল, ব্যালেন্স শিট, প্রফিট-লস স্টেটমেন্ট আর বিশ্ববাজারের ওঠানামার খবরের মধ্যে সীমাবদ্ধ।<br />
<br />
টেবিলে রাখা মহামূল্যবান মন্টব্লংক পেনটা দিয়ে একটা গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টে স্বাক্ষর করছিলেন তিনি। তার মুখের পেশিগুলো শক্ত হয়ে আছে। এই মুহূর্তে একটা ছোট ভুলও তিনি সহ্য করেন না। তার অধীনস্থ কোনো এমপ্লয়ি যদি সামান্যতম শৈথিল্য দেখায়, তবে তার কড়া তিরস্কারের মুখোমুখি হতে হয়। অফিসের সবাই তাকে যমের মতো ভয় পায়। কেউ তার রুমের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময়ও ফিসফিস করে কথা বলে, পা টিপে হাঁটে।<br />
....<br />
<br />
হঠাৎ করে আলতাফ সাহেবের কলমটা থেমে গেল। ডকুমেন্টের কাগজ থেকে তার তীক্ষ্ণ চোখ দুটো সরে গেল সামনের বিশাল মেহগনি কাঠের দরজার দিকে। দরজাটা আংশিক বন্ধ, তবে তার ওপরের অংশে স্বচ্ছ কাঁচ লাগানো।<br />
<br />
তার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় সবসময় অত্যন্ত প্রখর। তিনি স্পষ্ট বুঝতে পারলেন, রুমের বাইরে করিডোরে কেউ একজন গত পনেরো মিনিট ধরে পায়চারি করছে। ভারী জুতোর মৃদু শব্দ, তারপর থেমে যাওয়া, আবার ফিসফিস করে হাঁটার আওয়াজ। সাধারণ কোনো পিওন বা এক্সিকিউটিভ হলে এতক্ষণ সাহস পেত না। এটা কারোর পদচারণা, যিনি ভেতরে ঢোকার জন্য সাহস সঞ্চয় করতে পারছেন না।<br />
<br />
আলতাফ সাহেব ভ্রু কুঁচকালেন। তার কপালে গভীর ভাঁজ পড়ল। এই সুশৃঙ্খল অফিসে নিয়মভঙ্গ বা বিনা অনুমতিতে কেউ তার রুমের কাছাকাছি আসবে—এটা তিনি বিন্দুমাত্র বরদাস্ত করেন না।<br />
<br />
তিনি ঘড়ি দেখলেন। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা বাজে। অফিসের বাকি সবাই প্রায় কাজ গুটিয়ে বাড়ি চলে গেছে। তাহলে এই সময়ে করিডোরে কে চক্কর কাটছে?<br />
<br />
তিনি চেয়ার থেকে এক ইঞ্চিও নড়লেন না। শুধু তার দৃষ্টি আরও তীক্ষ্ণ হলো। তিনি অপেক্ষা করলেন দেখতে চান, এই ধৃষ্টতা কার।<br />
<br />
বাইরে তখন ঘাম মুছছেন আবদুল মালেক।<br />
<br />
আবদুল মালেকের বয়স চল্লিশের কোঠায়। পরনে মেরুন রঙের সিকিউরিটি গার্ডের ইউনিফর্ম, যা গায়ে একটু ঢিলেঢালা। মাথায় টুপিতে সামান্য ময়লা জমেছে। তার কপাল বেয়ে ঘামের ফোঁটা গড়িয়ে পড়ছে গালের ওপর। তার হাত দুটো মৃদু কাঁপছে। গত তিন মাস হলো সে এই প্রতিষ্ঠানে সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে চাকরি পেয়েছে। এর আগে তার জীবনটা ছিল বড় বেশি দুর্বিষহ, এক অন্তহীন অন্ধকূপের মতো।<br />
<br />
মালেকের চাকুরির বয়স সবেমাত্র তিন মাস। তিন মাস আগে যখন সে এই অফিসে প্রথম এসে আলতাফ সাহেবের সামনে দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল, সেদিনের কথা মনে পড়লে এখনো তার বুক কেঁপে ওঠে। তখন তার পকেটে একটাও টাকা ছিল না, বাড়িতে ছোট বোন বা অসুস্থ মায়ের ওষুধ কেনার পয়সা ছিল না। পেটে ভাত ছিল না দিনের পর দিন। সেদিন সে আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেনি। আলতাফ সাহেবের মতো এমন একজন বজ্রকঠিন মানুষের সামনে সে হাউমাউ করে কেঁদে ফেলেছিল। নিজের চরম অভাবের কথা বলতে বলতে একেবারে তার পায়ে লুটিয়ে পড়েছিল সে।<br />
<br />
আলতাফ সাহেব সাধারণত আবেগ বা কান্নাকাটিতে গলে যাওয়ার পাত্র নন। তিনি সেদিনও বিরক্ত হয়েছিলেন। কিন্তু কী মনে করে যেন সেদিন তার মনের গভীরে অদ্ভুত এক শীতল স্রোত বয়ে গিয়েছিল। তিনি মালেককে তুলে দাঁড়িয়ে নির্দেশ দিয়েছিলেন এইচআর ডিপার্টমেন্টে যাওয়ার জন্য। তখনই ১০,০০০ টাকা মাসিক বেতনে তাকে সিকিউরিটি গার্ডের পদে বহাল করা হয়। সেই থেকে মালেক এই চাকরিটাকে তার জীবনের সবচেয়ে বড় নিয়ামত মনে করে। সে আলতাফ সাহেবকে কোনো সাধারণ মানুষ ভাবে না, ভাবে কোনো অদৃশ্য শক্তির দেবতার মতো, যিনি তাকে অনাহার থেকে বাঁচিয়েছেন।<br />
<br />
কিন্তু আজ মালেকের মনে অন্য একটা তাগিদ কাজ করছে। একটা অদ্ভুত দ্বিধা, এক বুক সংকোচ আর ভয়ের এক মিশ্র অনুভূতি তাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। সে পকেট থেকে বারবার একটা রুমাল বের করে ঘাম মুছছে, আর দরজার দিকে তাকাচ্ছে।<br />
.....<br />
<br />
"ভেতরে কে?"<br />
<br />
আলতাফ সাহেবের গম্ভীর ও ভারী কণ্ঠস্বরটা করিডোরের নিস্তব্ধতা চিরে প্রতিধ্বনিত হলো। ইন্টারকমের স্পিকার অন করাই ছিল। এই একটা মাত্র হুকুমেই বাইরে থমকে গেল মালেকের হৃৎস্পন্দন।<br />
<br />
দরজাটা আস্তে করে ধাক্কা খেল। তারপর অত্যন্ত সাবধানে, ভয়ে ভয়ে দরজাটা একটু ফাঁক হলো। মালেক ভেতরে প্রবেশ করল। তার দুই হাত কোমরের দুই পাশে শক্ত করে সেঁটে আছে, মাথা নিচু করা। ঘরের ভেতরে পা রেখেই তার পা যেন বরফে পরিণত হলো। বিশাল ওই রুমের জাঁকজমক আর আলতাফ সাহেবের ভীতিপ্রদ উপস্থিতি তাকে আরও ছোট করে দিল।<br />
<br />
"স্যার... আমি, মালেক," তার গলা দিয়ে শব্দগুলো প্রায় বেরোচ্ছিল না। ঢোক গিলল সে।<br />
<br />
আলতাফ সাহেব কলমটা টেবিলে রেখে চেয়ারে একটু হেলান দিয়ে বসলেন। তার চোখের চশমাটা সামান্য নামিয়ে দিয়ে মালেকের আপাদমস্তক দেখলেন। তার চেহারায় বিরক্তি স্পষ্ট।<br />
<br />
"কী ব্যাপার, মালেক? গত কুড়ি মিনিট ধরে বাইরে টিকটিক করে ঘুরছ কেন? অফিসের করিডোর কি তোমার পায়চারি করার জায়গা? নাকি তোমার ডিউটির সময় শেষ হয়ে গেছে বলে মনে করছ?" আলতাফ সাহেবের গলায় বরফের মতো ঠান্ডা কর্কশতা।<br />
<br />
মালেক ভয়ে কেঁপে উঠল। সে দ্রুত দুই হাত জোড় করে ফেলল। "মাফ করবেন স্যার! আল্লাহর ওয়াস্তে আমাকে মাফ করে দেবেন। আপনার কাজে ব্যাঘাত ঘটানোর কোনো উদ্দেশ্য আমার ছিল না স্যার। আমি শুধু... মানে..."<br />
<br />
"কথা পেঁচিয়ে লাভ নেই। সোজাসুজি বলো কী চাও। তোমার কাজের সময় আমি ফালতু কথা শোনার মানুষ নই," আলতাফ সাহেব হাত তুলে তাকে থামিয়ে দিলেন।<br />
<br />
মালেক আরও বেশি ঘাবড়ে গেল। সে তার শুকনো ঠোঁট দুটো চাটল। তারপর অত্যন্ত কাঁপাকাঁপা গলায় যা বলল, তা শোনার জন্য আলতাফ সাহেব প্রস্তুত ছিলেন না।<br />
<br />
"স্যার, একটা কথা বলার ছিল... আসলে স্যার, আপনি তো জানেন, আমি আজ থেকে তিন মাস আগে এখানে ঢুকেছি। আপনার দয়ায় আমার চাকরিটা হয়েছে। তারপর তো স্যার... এক মাস হলো আমি... আমি বিয়ে করেছি।" শেষ কথাটা বলতে গিয়ে মালেকের মুখটা লজ্জায় ও সংকোচে লাল হয়ে উঠল। সে মাথা নিচু করে রইল।<br />
<br />
আলতাফ সাহেব ভ্রু কুঁচকে তাকালেন। বিয়ে করেছে? চল্লিশ বছর বয়সে বিয়ে করাটা হয়তো মালেকের কাছে বড় কোনো ঘটনা, কিন্তু একজন কর্পোরেট চেম্বারের প্রধান নির্বাহীর কাছে এটা চরম এক তুচ্ছ ও অর্থহীন ব্যক্তিগত প্রলাপ। তার মুখের বিরক্তি আরও গাঢ় হলো।<br />
<br />
"বিয়ে করেছ তো তোমার বউকে নিয়ে সংসার করছ, আমাকে জানাতে এসেছ কেন? এটা কি কোনো ম্যারেজ রেজিস্ট্রি অফিস নাকি যে তোমার কাবিননামা আমাকে দেখতে হবে?" আলতাফ সাহেবের গলায় তীক্ষ্ণ ভৎসনা।<br />
<br />
মালেক তাড়াতাড়ি মাথা নেড়ে প্রতিবাদ করল। "না স্যার! না না, তা বলছি না স্যার। আসলে... আমার স্ত্রী... সে গ্রামের সাধারণ মেয়ে। কিন্তু সে আসার পর থেকে যখনই সে শুনেছে যে আপনি মায়া করে আমাকে এই চাকরিটা দিয়েছেন, সে তখন থেকেই আপনাকে খুব শ্রদ্ধা করে স্যার। সারাক্ষণ সে আপনার কথা বলে। বলে যে, ওই লোকটার জন্যই আজ আমাদের দু'বেলা দু'মুঠো ভাত জুটছে, আমরা শান্তিতে ঘুমাতে পারছি।"<br />
<br />
আলতাফ সাহেব নির্বিকার মুখে তাকিয়ে রইলেন। এসব চাটুকারিতা বা কৃতজ্ঞতার বুলি তার বহু শোনা। তিনি মুখ ফুটে বললেন, "বেশ তো, ভালো কথা। এখন কাজ করো গিয়ে।"<br />
<br />
কিন্তু মালেক নড়ল না। সে আরও বেশি কুঁকড়ে গিয়ে বলল, "স্যার, আমার স্ত্রী চাচ্ছে... মানে সে  আপনারে নিজের হাতে রান্না করে খাওয়াতে চায় স্যার। এটাই তার অনেক দিনের একটা বড় ইচ্ছা।"<br />
...<br />
<br />
কথাটা শোনার পর আলতাফ সাহেবের চোখ দুটো বিস্ময়ে সামান্য কুঁকড়ে গেল। তিনি জীবনে বহু ধরনের প্রস্তাব পেয়েছেন—কোম্পানির শেয়ার হোল্ডারদের কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব, বিদেশি বড় বড় কোম্পানির পার্টনারশিপের অফার, কিন্তু এমন অদ্ভুত ও হাস্যকর প্রস্তাব তিনি গত ত্রিশ বছরেও পাননি।<br />
<br />
তার একটা সিকিউরিটি গার্ডের নববিবাহিতা স্ত্রী তার জন্য রান্না করে আনবে! এ কোন দুনিয়ার কথা বলছে এই লোকটা?<br />
<br />
"মালেক! তুমি কি পাগল হয়ে গেছ?" আলতাফ সাহেবের গলা এবার বেশ উঁচুতে উঠল। তিনি সোজা হয়ে বসলেন। "তুমি কি ভুলে গেছ এটা কোন জায়গা? এটা কোনো চ্যারিটি হোম নয়, বা তোমার কোনো গ্রাম্য আত্মীয়ের বাড়ি নয় যে যা ইচ্ছা তাই নিয়ে চলে আসবে। আমি কার বাড়িতে কী খাই না খাই, তার কোনো ঠিকঠিকানা আছে? আমি বাইরের মানুষের হাতে রান্না খাই না। আর এগুলো কোন পাগলামি শুরু করেছ?"<br />
<br />
মালেক ভয়ে এবার একেবারে মেঝেতে বসে পড়ার উপক্রম হলো। সে দুই হাত জোড় করে মিনতি করতে লাগল, "স্যার, রাগ করবেন না স্যার! আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি জানি আপনার মতো বড় মানুষ আমাদের মতো গরিবের ঘরের খাবার খাবেন না। কিন্তু স্যার, মেয়েটার খুব শখ। সে সারাদিন রান্না নিয়ে পড়ে থাকে। সে বলছিল, একটা বড় স্যারের জন্য রান্না করতে পারব—এই ভাগ্য কি আমার হবে? সে যদি নিজ হাতে একটু রান্না করে আপনাকে খাওয়াতে পারে, সে মনে খুব শান্তি পাবে স্যার। একটুখানি শুধু... দয়া করুন স্যার।"<br />
<br />
আলতাফ সাহেবের ভেতরের কাঠিন্যটা আবার শক্ত হয়ে উঠল। তিনি এই সমস্ত আবেগীয় আবর্জনা থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পছন্দ করেন। মানুষের সাথে মেলামেশা, তাদের তুচ্ছ সুখ-দুঃখের অংশীদার হওয়া—এসব তার অভিধানে নেই।<br />
<br />
তিনি হাত নেড়ে স্পষ্ট ভাষায় বলতে যাচ্ছিলেন, "অসম্ভব! এসবের কোনো দরকার নেই। যাও কাজে যাও।"<br />
<br />
কিন্তু ঠিক তখনই মালেক এক অদ্ভুত সত্য প্রকাশ করে ফেলল, যা আলতাফ সাহেবকে এক মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ করে দিল।<br />
<br />
"স্যার, আপনি রাগ করবেন না। আমি আসলে তারিখ ঠিক করতে পারিনি বলেই আজ আপনাকে বলতে এসেছি। ও বলছিল, স্যার যদি তারিখটা বলে দেন, তবে আমি বাজার থেকে ভালো জিনিসপত্র কিনে আনব। ও নিজের হাতে মাছ, মাংস ভালো করে ধুয়ে, মসলা বেটে রান্না করবে। যদি দুই দিন পরে বলেন, তবে আমি সেভাবেই সব জোগাড় করে রাখব।"<br />
<br />
"দুই দিন পরের কথা বলছ?" আলতাফ সাহেব একটু থমকালেন। তার কড়া মুখের ওপর এক মুহূর্তের জন্য এক ভাবনাহীন ছায়া নেমে এল। তার জীবনটা এতই যান্ত্রিক যে, আগামী দুই দিন পর কী হবে বা তিনি কী করবেন, তার কোনো ব্যক্তিগত রুটিন নেই। সবই মিটিং, প্রেজেন্টেশন আর ফিনান্সিয়াল অডিটের ছকে বাঁধা।<br />
<br />
তার ভেতরে অদ্ভুত এক ক্লান্তি কাজ করছিল। গত কয়েকদিন ধরে পেপটিক আলসারের কারণে অফিসের ক্যান্টিনের বা বাইরের রেস্টুরেন্টের তেল-মশলাযুক্ত খাবার তার সহ্য হচ্ছিল না। ডাক্তার তাকে বারবার নরম, সেদ্ধ ও ঘরোয়া খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। কিন্তু তার তো রান্না করার কেউ নেই। সারাদিন ফ্ল্যাটে ফিরে হয় ঠান্ডা খাবার, নয়তো হোটেলের পার্সেল খেতে হয়।<br />
<br />
মালেকের সরল মুখের দিকে তাকিয়ে তার হঠাৎ মনে হলো—একটা গরিব মানুষ, নতুন সংসার পেতেছে, তার বউয়ের আনন্দের একটা ছোট শখ হয়েছে। এতে তার কী এমন ক্ষতি হবে? তাছাড়া, সাধারণ ঘরোয়া রান্নার গন্ধ কেমন হয়, তা তো তিনি ভুলেই গেছেন প্রায়।<br />
<br />
আলতাফ সাহেব ঠান্ডা গলায় বললেন, "শোনো মালেক। আমি এসব শখ-টখের ধার ধারি না। আজ বলছি বলেই বলছি—খাবারের বা এসব রান্নার কোনো প্রয়োজন নেই।"<br />
<br />
মালেকের মুখটা একদম শুকিয়ে গেল। তার চোখ দুটো ছলছল করে উঠল। সে যেন আকাশ থেকে পড়ল।<br />
<br />
কিন্তু আলতাফ সাহেবের পরের বাক্যটি মালেকের ম্রিয়মাণ মুখে হঠাৎ আলোর ঝলকানি এনে দিল।<br />
<br />
"তবে... যদি এতই জেদ ধরে থাকে তোমার ওই বউ, তাহলে পরশু দিন... মানে আগামী বুধবার কি আর কী... আচ্ছা, পরশু দিন দুপুরের লাঞ্চের সময় যাব। এর বেশি যেন কোনো কথা না হয়। যাও, এখন বাইরে যাও।"<br />
. <br />
<br />
মালেক যেন বিশ্বাসই করতে পারছিল না যে আলতাফ সাহেব শেষ পর্যন্ত রাজি হয়েছেন! তার বুকটা গর্বে ও আনন্দে ফুলে উঠল। তার চোখে জল এসে গেল, তবে সেটা কষ্টের নয়, চরম কৃতজ্ঞতার। সে বারবার মাথা নিচু করে সালাম ঠুকতে লাগল।<br />
<br />
"বহু ধন্যবাদ স্যার! আল্লাহ আপনার ভালো করুন! আপনি অনেক বড় মনের মানুষ স্যার! আমি ও ইতি পরশু ঠিক দুপুরের সময় খাবার নিয়ে রেডি থাকব স্যার। আসসালামু আলাইকুম।"<br />
<br />
মালেক আর এক মুহূর্তও সেখানে দাঁড়াল না। সে অত্যন্ত সন্তর্পণে, বুকভরা একরাশ আনন্দ নিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেল এবং আলতো হাতে দরজাটা বন্ধ করে দিল।<br />
<br />
রুমটা আবার আগের মতো নিখুঁত নিস্তব্ধতায় ডুবে গেল।<br />
<br />
এসি-র ঠান্ডা বাতাসটা মৃদু আওয়াজে বইছে। আলতাফ সাহেব আর আগের মতো ডকুমেন্টে মনোযোগ দিতে পারলেন না। তিনি কলমটা টেবিলে রেখে চেয়ারে পেছনে মাথা এলিয়ে দিলেন। চোখ দুটো বন্ধ করলেন কিছুক্ষণের জন্য।<br />
<br />
তার মনের গহীনে কেমন যেন একটা অদ্ভুত অনুভূতি নাড়া দিয়ে গেল। একটা সিকিউরিটি গার্ড, যার পেটে হয়তো সবসময় ঠিকমতো ভাত জোটে না, তার নববিবাহিতা স্ত্রী তার মতো একজন কর্পোরেট টাইকুনের জন্য নিজ হাতে রান্না করে খাওয়াতে  চাইছে! কেন? কী পাওয়ার আশায়? কোনো স্বার্থ নেই তো এর পেছনে?<br />
<br />
কর্পোরেট দুনিয়ায় এত বছর কাটিয়ে তিনি একটা জিনিস খুব ভালো করে শিখেছেন—বিনামূল্যে কেউ কাউকে এক কাপ চাও খাওয়ায় না। সবার পেছনেই কোনো না কোনো স্বার্থ থাকে। মালেক কি তবে তার বেতনের প্রমোশন চায়? কিংবা তার মেয়ের বা বোনের কোনো চাকরির ব্যবস্থা করতে চাইছে?<br />
<br />
কিন্তু লোকটার চোখ দুটো যখন তিনি দেখেছেন, তখন সেখানে কোনো চতুরতার ছাপ পাননি। সেখানে ছিল শুধুই এক ধরনের সহজ সরল আবেগ, কৃতজ্ঞতার বিশুদ্ধ প্রকাশ।<br />
<br />
আলতাফ সাহেব চোখ খুললেন। তার সামনে বড় কাঁচের জানলার বাইরে তখন রাতের ঢাকা শহরটা অসংখ্য আলোয় ঝলমল করছে। নিচের রাস্তায় ছোট ছোট পিঁপড়ের মতো গাড়িগুলো ছুটছে।<br />
<br />
তিনি একা। একদম একা। এই বিশাল সাম্রাজ্যের মালিক তিনি ঠিকই, কিন্তু দিনশেষে যখন তিনি ফ্ল্যাটে ফেরেন, তখন চার দেওয়াল তাকে গিলে খাওয়ার জন্য এগিয়ে আসে। কোনো দিন কেউ তার জন্য দরজা খুলে দেওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে থাকে না। কেউ জিজ্ঞেস করে না—"সারাদিন কেমন কাটল?"<br />
<br />
তিনি মনে মনে ভাবলেন, আচ্ছা... ওই সিকিউরিটি গার্ডটার বউ... সে দেখতে কেমন হবে? নিশ্চয়ই গ্রামের সহজ-সরল কোনো তরুণী। তার হাতের রান্না কেমন হবে কে জানে? হয়তো একটু ঝাল বেশি দেবে, কিংবা নুন কম হবে। তবুও, সে তো নিজ হাতে ভালোবাসার ছোঁয়া দিয়ে রান্না করবে।<br />
<br />
তার মনের একটা কোণ মৃদু শিউরে উঠল। অদ্ভুত এক ভাবনা তার মাথায় ঘুরপাক খেতে লাগল। তিনি দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।<br />
<br />
"পুত্রবধূ..." শব্দটা তার মনের ভেতরে প্রতিধ্বনিত হলো।<br />
<br />
হাঁ, তার তো কোনো সন্তান নেই। বিয়েই করেননি তিনি। কিন্তু যদি তার কোনো ছেলে থাকত, যদি তার একটা ভরা সংসার থাকত, তবে হয়তো এই বয়সে এসে তার ঘরেও এমন একজন নববিবাহিতা পুত্রবধূ থাকত। যে হয়তো প্রতিদিন সকালে চা বানিয়ে দিত, দুপুরের খাবার টিফিন বক্সে গুছিয়ে দিত, বাবার মতো যত্ন করে খেয়াল রাখত।<br />
<br />
আলতাফ সাহেব নিজের এই অবাস্তব চিন্তায় নিজেই মৃদু হাসলেন। কী সব আবলুস-তাবলুস ভাবছেন তিনি! এই বয়সে এসে এসব  আবেগপ্রবণ চিন্তা তার মতো মানুষের সাথে মানায় না। তিনি আলতাফ সিরাজ চৌধুরী—যিনি পাথর দিয়ে নিজের ভাগ্য গড়েছেন, যার জীবনে অনুকম্পার কোনো স্থান নেই।<br />
<br />
তবুও... পরশু দিনের কথাটি ভাবতেই তার মনের কোথাও যেন একটুখানি কৌতূহলের বরফ গলতে শুরু করল।<br />
<br />
তিনি টেবিলে রাখা ফাইলটার পাতা উল্টালেন। কিন্তু মনের ভেতরে মালেকের সেই কথাগুলো আর তার নববিবাহিতা স্ত্রীর রান্নার কল্পনার চিত্রটা বারবার ভেসে উঠতে লাগল। একটা অদৃশ্য সুতো যেন তাকে এই তুচ্ছ অথচ উষ্ণ ঘটনার সাথে বেঁধে ফেলল। বাইরে ঘড়ির কাঁটা টিকটিক করে এগোতে লাগল, আর আলতাফ সাহেব একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন সামনের দেয়ালঘড়িটার দিকে, যেখানে সময় যেন একটু ধীরেই চলল। (চলবে)</span>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color">প্রথম পর্ব: </span><br />
<br />
<span style="color: #1f1f1f;" class="mycode_color"> <br />
ঢাকা শহরের মতিঝিল এর যেকোনো আধুনিক বাণিজ্যিক ভবনের মতোই এই আকাশচুম্বী টাওয়ারটি তার আধুনিকতার জানান দেয়। গ্লাস আর স্টিলের নিখুঁত কারুকাজে তৈরি এই ভবনের সতেরো তলার পুরো ফ্লোর জুড়ে ‘সিরাজ এন্টারপ্রাইজ’-এর হেড অফিস। দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এই কর্পোরেট হাউজের মূল চাবিকাঠি যাঁর হাতে, তিনি হলেন এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান—আলতাফ সিরাজ চৌধুরী।<br />
<br />
বাইরে তখন বিকেলের নরম রোদ ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে সন্ধ্যার গোধূলিলগ্নে। এসি করা বিশাল রুমটার ভেতরটা এক অদ্ভুত শীতলতায় মোড়ানো। ঘরের তাপমাত্রা সবসময় উনি ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সেট করে রাখেন। এই শীতলতা শুধু ঘরের আবহাওয়ার নয়, এর চেয়েও বহুগুণ বেশি শীতল এই রুমের মানুষটির মন।<br />
<br />
রুমটার ইন্টেরিয়র ডিজাইন দেখলে যেকোনো শিল্পরসিকের চোখ জুড়িয়ে যাবে। ইতালিয়ান মার্বেলের মেঝেতে জুতোর শব্দ পর্যন্ত হয় না। পেছনের সুবিশাল দেওয়ালজোড়া কাঁচের জানলার বাইরে দেখা যাচ্ছে ব্যস্ত ঢাকার অগোছালো আকাশরেখা—অসংখ্য গাড়ি, ব্যস্ত মানুষের ছুটোছুটি, আর দূরে জ্বলে ওঠা নিয়ন আলো। কিন্তু এই দৃশ্য দেখার বা উপভোগ করার মতো কোনো অবকাশ বা মানসিকতা আলতাফ সাহেবের নেই।<br />
<br />
মাহমুদ আলতাফ সিরাজ চৌধুরী—বয়স ষাট ছুঁই ছুঁই, কিংবা পার হয়ে গেছে বলা চলে। মাথার চুলগুলোতে এখন রূপালি বরফের আস্তরণ, কিন্তু চেহারার শক্ত ও কর্কশ ভাব বিন্দুমাত্র কমেনি। বরং বয়সের সাথে সাথে তা আরও ঘনীভূত হয়েছে। চওড়া কপাল, কুঁচকানো ভ্রু, তীক্ষ্ণ ও অনুকম্পাহীন দৃষ্টি—সব মিলিয়ে প্রথম দেখায় যেকোনো মানুষ তার সামনে দাঁড়াতে ভয় পাবে। তার গায়ে সবসময় পরিপাটি করে কাটা স্যুট, টাইয়ের নট নিখুঁত। গত তিন দশক ধরে তার নিয়মে কোনোদিন এতটুকু ব্যত্যয় ঘটেনি। সকাল আটটায় অফিসে ঢোকা, রাত দশটা বা তারও পরে অফিস ত্যাগ করা—এটাই তার জীবন।<br />
<br />
সাফল্যের সোনার হরিণের পেছনে ছুটতে গিয়ে তিনি তার জীবনের সমস্ত ব্যক্তিগত অর্জনকে জলাঞ্জলি দিয়েছেন। কোনো সঙ্গী নেই, নেই কোনো কোলাহলপূর্ণ সংসার, সন্তানের স্নেহের পরশ বা স্ত্রীর ভালোবাসার উষ্ণতা। তিনি চিরকুমার। একা। এই বিশাল সাম্রাজ্যের তিনি একচ্ছত্র অধিপতি বটে, কিন্তু এই চার দেওয়ালের ভেতরে তিনি এক নিঃসঙ্গ দ্বীপ। তার জগৎ কেবল ফাইল, ব্যালেন্স শিট, প্রফিট-লস স্টেটমেন্ট আর বিশ্ববাজারের ওঠানামার খবরের মধ্যে সীমাবদ্ধ।<br />
<br />
টেবিলে রাখা মহামূল্যবান মন্টব্লংক পেনটা দিয়ে একটা গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টে স্বাক্ষর করছিলেন তিনি। তার মুখের পেশিগুলো শক্ত হয়ে আছে। এই মুহূর্তে একটা ছোট ভুলও তিনি সহ্য করেন না। তার অধীনস্থ কোনো এমপ্লয়ি যদি সামান্যতম শৈথিল্য দেখায়, তবে তার কড়া তিরস্কারের মুখোমুখি হতে হয়। অফিসের সবাই তাকে যমের মতো ভয় পায়। কেউ তার রুমের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময়ও ফিসফিস করে কথা বলে, পা টিপে হাঁটে।<br />
....<br />
<br />
হঠাৎ করে আলতাফ সাহেবের কলমটা থেমে গেল। ডকুমেন্টের কাগজ থেকে তার তীক্ষ্ণ চোখ দুটো সরে গেল সামনের বিশাল মেহগনি কাঠের দরজার দিকে। দরজাটা আংশিক বন্ধ, তবে তার ওপরের অংশে স্বচ্ছ কাঁচ লাগানো।<br />
<br />
তার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় সবসময় অত্যন্ত প্রখর। তিনি স্পষ্ট বুঝতে পারলেন, রুমের বাইরে করিডোরে কেউ একজন গত পনেরো মিনিট ধরে পায়চারি করছে। ভারী জুতোর মৃদু শব্দ, তারপর থেমে যাওয়া, আবার ফিসফিস করে হাঁটার আওয়াজ। সাধারণ কোনো পিওন বা এক্সিকিউটিভ হলে এতক্ষণ সাহস পেত না। এটা কারোর পদচারণা, যিনি ভেতরে ঢোকার জন্য সাহস সঞ্চয় করতে পারছেন না।<br />
<br />
আলতাফ সাহেব ভ্রু কুঁচকালেন। তার কপালে গভীর ভাঁজ পড়ল। এই সুশৃঙ্খল অফিসে নিয়মভঙ্গ বা বিনা অনুমতিতে কেউ তার রুমের কাছাকাছি আসবে—এটা তিনি বিন্দুমাত্র বরদাস্ত করেন না।<br />
<br />
তিনি ঘড়ি দেখলেন। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা বাজে। অফিসের বাকি সবাই প্রায় কাজ গুটিয়ে বাড়ি চলে গেছে। তাহলে এই সময়ে করিডোরে কে চক্কর কাটছে?<br />
<br />
তিনি চেয়ার থেকে এক ইঞ্চিও নড়লেন না। শুধু তার দৃষ্টি আরও তীক্ষ্ণ হলো। তিনি অপেক্ষা করলেন দেখতে চান, এই ধৃষ্টতা কার।<br />
<br />
বাইরে তখন ঘাম মুছছেন আবদুল মালেক।<br />
<br />
আবদুল মালেকের বয়স চল্লিশের কোঠায়। পরনে মেরুন রঙের সিকিউরিটি গার্ডের ইউনিফর্ম, যা গায়ে একটু ঢিলেঢালা। মাথায় টুপিতে সামান্য ময়লা জমেছে। তার কপাল বেয়ে ঘামের ফোঁটা গড়িয়ে পড়ছে গালের ওপর। তার হাত দুটো মৃদু কাঁপছে। গত তিন মাস হলো সে এই প্রতিষ্ঠানে সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে চাকরি পেয়েছে। এর আগে তার জীবনটা ছিল বড় বেশি দুর্বিষহ, এক অন্তহীন অন্ধকূপের মতো।<br />
<br />
মালেকের চাকুরির বয়স সবেমাত্র তিন মাস। তিন মাস আগে যখন সে এই অফিসে প্রথম এসে আলতাফ সাহেবের সামনে দাঁড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল, সেদিনের কথা মনে পড়লে এখনো তার বুক কেঁপে ওঠে। তখন তার পকেটে একটাও টাকা ছিল না, বাড়িতে ছোট বোন বা অসুস্থ মায়ের ওষুধ কেনার পয়সা ছিল না। পেটে ভাত ছিল না দিনের পর দিন। সেদিন সে আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেনি। আলতাফ সাহেবের মতো এমন একজন বজ্রকঠিন মানুষের সামনে সে হাউমাউ করে কেঁদে ফেলেছিল। নিজের চরম অভাবের কথা বলতে বলতে একেবারে তার পায়ে লুটিয়ে পড়েছিল সে।<br />
<br />
আলতাফ সাহেব সাধারণত আবেগ বা কান্নাকাটিতে গলে যাওয়ার পাত্র নন। তিনি সেদিনও বিরক্ত হয়েছিলেন। কিন্তু কী মনে করে যেন সেদিন তার মনের গভীরে অদ্ভুত এক শীতল স্রোত বয়ে গিয়েছিল। তিনি মালেককে তুলে দাঁড়িয়ে নির্দেশ দিয়েছিলেন এইচআর ডিপার্টমেন্টে যাওয়ার জন্য। তখনই ১০,০০০ টাকা মাসিক বেতনে তাকে সিকিউরিটি গার্ডের পদে বহাল করা হয়। সেই থেকে মালেক এই চাকরিটাকে তার জীবনের সবচেয়ে বড় নিয়ামত মনে করে। সে আলতাফ সাহেবকে কোনো সাধারণ মানুষ ভাবে না, ভাবে কোনো অদৃশ্য শক্তির দেবতার মতো, যিনি তাকে অনাহার থেকে বাঁচিয়েছেন।<br />
<br />
কিন্তু আজ মালেকের মনে অন্য একটা তাগিদ কাজ করছে। একটা অদ্ভুত দ্বিধা, এক বুক সংকোচ আর ভয়ের এক মিশ্র অনুভূতি তাকে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। সে পকেট থেকে বারবার একটা রুমাল বের করে ঘাম মুছছে, আর দরজার দিকে তাকাচ্ছে।<br />
.....<br />
<br />
"ভেতরে কে?"<br />
<br />
আলতাফ সাহেবের গম্ভীর ও ভারী কণ্ঠস্বরটা করিডোরের নিস্তব্ধতা চিরে প্রতিধ্বনিত হলো। ইন্টারকমের স্পিকার অন করাই ছিল। এই একটা মাত্র হুকুমেই বাইরে থমকে গেল মালেকের হৃৎস্পন্দন।<br />
<br />
দরজাটা আস্তে করে ধাক্কা খেল। তারপর অত্যন্ত সাবধানে, ভয়ে ভয়ে দরজাটা একটু ফাঁক হলো। মালেক ভেতরে প্রবেশ করল। তার দুই হাত কোমরের দুই পাশে শক্ত করে সেঁটে আছে, মাথা নিচু করা। ঘরের ভেতরে পা রেখেই তার পা যেন বরফে পরিণত হলো। বিশাল ওই রুমের জাঁকজমক আর আলতাফ সাহেবের ভীতিপ্রদ উপস্থিতি তাকে আরও ছোট করে দিল।<br />
<br />
"স্যার... আমি, মালেক," তার গলা দিয়ে শব্দগুলো প্রায় বেরোচ্ছিল না। ঢোক গিলল সে।<br />
<br />
আলতাফ সাহেব কলমটা টেবিলে রেখে চেয়ারে একটু হেলান দিয়ে বসলেন। তার চোখের চশমাটা সামান্য নামিয়ে দিয়ে মালেকের আপাদমস্তক দেখলেন। তার চেহারায় বিরক্তি স্পষ্ট।<br />
<br />
"কী ব্যাপার, মালেক? গত কুড়ি মিনিট ধরে বাইরে টিকটিক করে ঘুরছ কেন? অফিসের করিডোর কি তোমার পায়চারি করার জায়গা? নাকি তোমার ডিউটির সময় শেষ হয়ে গেছে বলে মনে করছ?" আলতাফ সাহেবের গলায় বরফের মতো ঠান্ডা কর্কশতা।<br />
<br />
মালেক ভয়ে কেঁপে উঠল। সে দ্রুত দুই হাত জোড় করে ফেলল। "মাফ করবেন স্যার! আল্লাহর ওয়াস্তে আমাকে মাফ করে দেবেন। আপনার কাজে ব্যাঘাত ঘটানোর কোনো উদ্দেশ্য আমার ছিল না স্যার। আমি শুধু... মানে..."<br />
<br />
"কথা পেঁচিয়ে লাভ নেই। সোজাসুজি বলো কী চাও। তোমার কাজের সময় আমি ফালতু কথা শোনার মানুষ নই," আলতাফ সাহেব হাত তুলে তাকে থামিয়ে দিলেন।<br />
<br />
মালেক আরও বেশি ঘাবড়ে গেল। সে তার শুকনো ঠোঁট দুটো চাটল। তারপর অত্যন্ত কাঁপাকাঁপা গলায় যা বলল, তা শোনার জন্য আলতাফ সাহেব প্রস্তুত ছিলেন না।<br />
<br />
"স্যার, একটা কথা বলার ছিল... আসলে স্যার, আপনি তো জানেন, আমি আজ থেকে তিন মাস আগে এখানে ঢুকেছি। আপনার দয়ায় আমার চাকরিটা হয়েছে। তারপর তো স্যার... এক মাস হলো আমি... আমি বিয়ে করেছি।" শেষ কথাটা বলতে গিয়ে মালেকের মুখটা লজ্জায় ও সংকোচে লাল হয়ে উঠল। সে মাথা নিচু করে রইল।<br />
<br />
আলতাফ সাহেব ভ্রু কুঁচকে তাকালেন। বিয়ে করেছে? চল্লিশ বছর বয়সে বিয়ে করাটা হয়তো মালেকের কাছে বড় কোনো ঘটনা, কিন্তু একজন কর্পোরেট চেম্বারের প্রধান নির্বাহীর কাছে এটা চরম এক তুচ্ছ ও অর্থহীন ব্যক্তিগত প্রলাপ। তার মুখের বিরক্তি আরও গাঢ় হলো।<br />
<br />
"বিয়ে করেছ তো তোমার বউকে নিয়ে সংসার করছ, আমাকে জানাতে এসেছ কেন? এটা কি কোনো ম্যারেজ রেজিস্ট্রি অফিস নাকি যে তোমার কাবিননামা আমাকে দেখতে হবে?" আলতাফ সাহেবের গলায় তীক্ষ্ণ ভৎসনা।<br />
<br />
মালেক তাড়াতাড়ি মাথা নেড়ে প্রতিবাদ করল। "না স্যার! না না, তা বলছি না স্যার। আসলে... আমার স্ত্রী... সে গ্রামের সাধারণ মেয়ে। কিন্তু সে আসার পর থেকে যখনই সে শুনেছে যে আপনি মায়া করে আমাকে এই চাকরিটা দিয়েছেন, সে তখন থেকেই আপনাকে খুব শ্রদ্ধা করে স্যার। সারাক্ষণ সে আপনার কথা বলে। বলে যে, ওই লোকটার জন্যই আজ আমাদের দু'বেলা দু'মুঠো ভাত জুটছে, আমরা শান্তিতে ঘুমাতে পারছি।"<br />
<br />
আলতাফ সাহেব নির্বিকার মুখে তাকিয়ে রইলেন। এসব চাটুকারিতা বা কৃতজ্ঞতার বুলি তার বহু শোনা। তিনি মুখ ফুটে বললেন, "বেশ তো, ভালো কথা। এখন কাজ করো গিয়ে।"<br />
<br />
কিন্তু মালেক নড়ল না। সে আরও বেশি কুঁকড়ে গিয়ে বলল, "স্যার, আমার স্ত্রী চাচ্ছে... মানে সে  আপনারে নিজের হাতে রান্না করে খাওয়াতে চায় স্যার। এটাই তার অনেক দিনের একটা বড় ইচ্ছা।"<br />
...<br />
<br />
কথাটা শোনার পর আলতাফ সাহেবের চোখ দুটো বিস্ময়ে সামান্য কুঁকড়ে গেল। তিনি জীবনে বহু ধরনের প্রস্তাব পেয়েছেন—কোম্পানির শেয়ার হোল্ডারদের কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব, বিদেশি বড় বড় কোম্পানির পার্টনারশিপের অফার, কিন্তু এমন অদ্ভুত ও হাস্যকর প্রস্তাব তিনি গত ত্রিশ বছরেও পাননি।<br />
<br />
তার একটা সিকিউরিটি গার্ডের নববিবাহিতা স্ত্রী তার জন্য রান্না করে আনবে! এ কোন দুনিয়ার কথা বলছে এই লোকটা?<br />
<br />
"মালেক! তুমি কি পাগল হয়ে গেছ?" আলতাফ সাহেবের গলা এবার বেশ উঁচুতে উঠল। তিনি সোজা হয়ে বসলেন। "তুমি কি ভুলে গেছ এটা কোন জায়গা? এটা কোনো চ্যারিটি হোম নয়, বা তোমার কোনো গ্রাম্য আত্মীয়ের বাড়ি নয় যে যা ইচ্ছা তাই নিয়ে চলে আসবে। আমি কার বাড়িতে কী খাই না খাই, তার কোনো ঠিকঠিকানা আছে? আমি বাইরের মানুষের হাতে রান্না খাই না। আর এগুলো কোন পাগলামি শুরু করেছ?"<br />
<br />
মালেক ভয়ে এবার একেবারে মেঝেতে বসে পড়ার উপক্রম হলো। সে দুই হাত জোড় করে মিনতি করতে লাগল, "স্যার, রাগ করবেন না স্যার! আমার ভুল হয়ে গেছে। আমি জানি আপনার মতো বড় মানুষ আমাদের মতো গরিবের ঘরের খাবার খাবেন না। কিন্তু স্যার, মেয়েটার খুব শখ। সে সারাদিন রান্না নিয়ে পড়ে থাকে। সে বলছিল, একটা বড় স্যারের জন্য রান্না করতে পারব—এই ভাগ্য কি আমার হবে? সে যদি নিজ হাতে একটু রান্না করে আপনাকে খাওয়াতে পারে, সে মনে খুব শান্তি পাবে স্যার। একটুখানি শুধু... দয়া করুন স্যার।"<br />
<br />
আলতাফ সাহেবের ভেতরের কাঠিন্যটা আবার শক্ত হয়ে উঠল। তিনি এই সমস্ত আবেগীয় আবর্জনা থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পছন্দ করেন। মানুষের সাথে মেলামেশা, তাদের তুচ্ছ সুখ-দুঃখের অংশীদার হওয়া—এসব তার অভিধানে নেই।<br />
<br />
তিনি হাত নেড়ে স্পষ্ট ভাষায় বলতে যাচ্ছিলেন, "অসম্ভব! এসবের কোনো দরকার নেই। যাও কাজে যাও।"<br />
<br />
কিন্তু ঠিক তখনই মালেক এক অদ্ভুত সত্য প্রকাশ করে ফেলল, যা আলতাফ সাহেবকে এক মুহূর্তের জন্য স্তব্ধ করে দিল।<br />
<br />
"স্যার, আপনি রাগ করবেন না। আমি আসলে তারিখ ঠিক করতে পারিনি বলেই আজ আপনাকে বলতে এসেছি। ও বলছিল, স্যার যদি তারিখটা বলে দেন, তবে আমি বাজার থেকে ভালো জিনিসপত্র কিনে আনব। ও নিজের হাতে মাছ, মাংস ভালো করে ধুয়ে, মসলা বেটে রান্না করবে। যদি দুই দিন পরে বলেন, তবে আমি সেভাবেই সব জোগাড় করে রাখব।"<br />
<br />
"দুই দিন পরের কথা বলছ?" আলতাফ সাহেব একটু থমকালেন। তার কড়া মুখের ওপর এক মুহূর্তের জন্য এক ভাবনাহীন ছায়া নেমে এল। তার জীবনটা এতই যান্ত্রিক যে, আগামী দুই দিন পর কী হবে বা তিনি কী করবেন, তার কোনো ব্যক্তিগত রুটিন নেই। সবই মিটিং, প্রেজেন্টেশন আর ফিনান্সিয়াল অডিটের ছকে বাঁধা।<br />
<br />
তার ভেতরে অদ্ভুত এক ক্লান্তি কাজ করছিল। গত কয়েকদিন ধরে পেপটিক আলসারের কারণে অফিসের ক্যান্টিনের বা বাইরের রেস্টুরেন্টের তেল-মশলাযুক্ত খাবার তার সহ্য হচ্ছিল না। ডাক্তার তাকে বারবার নরম, সেদ্ধ ও ঘরোয়া খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। কিন্তু তার তো রান্না করার কেউ নেই। সারাদিন ফ্ল্যাটে ফিরে হয় ঠান্ডা খাবার, নয়তো হোটেলের পার্সেল খেতে হয়।<br />
<br />
মালেকের সরল মুখের দিকে তাকিয়ে তার হঠাৎ মনে হলো—একটা গরিব মানুষ, নতুন সংসার পেতেছে, তার বউয়ের আনন্দের একটা ছোট শখ হয়েছে। এতে তার কী এমন ক্ষতি হবে? তাছাড়া, সাধারণ ঘরোয়া রান্নার গন্ধ কেমন হয়, তা তো তিনি ভুলেই গেছেন প্রায়।<br />
<br />
আলতাফ সাহেব ঠান্ডা গলায় বললেন, "শোনো মালেক। আমি এসব শখ-টখের ধার ধারি না। আজ বলছি বলেই বলছি—খাবারের বা এসব রান্নার কোনো প্রয়োজন নেই।"<br />
<br />
মালেকের মুখটা একদম শুকিয়ে গেল। তার চোখ দুটো ছলছল করে উঠল। সে যেন আকাশ থেকে পড়ল।<br />
<br />
কিন্তু আলতাফ সাহেবের পরের বাক্যটি মালেকের ম্রিয়মাণ মুখে হঠাৎ আলোর ঝলকানি এনে দিল।<br />
<br />
"তবে... যদি এতই জেদ ধরে থাকে তোমার ওই বউ, তাহলে পরশু দিন... মানে আগামী বুধবার কি আর কী... আচ্ছা, পরশু দিন দুপুরের লাঞ্চের সময় যাব। এর বেশি যেন কোনো কথা না হয়। যাও, এখন বাইরে যাও।"<br />
. <br />
<br />
মালেক যেন বিশ্বাসই করতে পারছিল না যে আলতাফ সাহেব শেষ পর্যন্ত রাজি হয়েছেন! তার বুকটা গর্বে ও আনন্দে ফুলে উঠল। তার চোখে জল এসে গেল, তবে সেটা কষ্টের নয়, চরম কৃতজ্ঞতার। সে বারবার মাথা নিচু করে সালাম ঠুকতে লাগল।<br />
<br />
"বহু ধন্যবাদ স্যার! আল্লাহ আপনার ভালো করুন! আপনি অনেক বড় মনের মানুষ স্যার! আমি ও ইতি পরশু ঠিক দুপুরের সময় খাবার নিয়ে রেডি থাকব স্যার। আসসালামু আলাইকুম।"<br />
<br />
মালেক আর এক মুহূর্তও সেখানে দাঁড়াল না। সে অত্যন্ত সন্তর্পণে, বুকভরা একরাশ আনন্দ নিয়ে রুম থেকে বেরিয়ে গেল এবং আলতো হাতে দরজাটা বন্ধ করে দিল।<br />
<br />
রুমটা আবার আগের মতো নিখুঁত নিস্তব্ধতায় ডুবে গেল।<br />
<br />
এসি-র ঠান্ডা বাতাসটা মৃদু আওয়াজে বইছে। আলতাফ সাহেব আর আগের মতো ডকুমেন্টে মনোযোগ দিতে পারলেন না। তিনি কলমটা টেবিলে রেখে চেয়ারে পেছনে মাথা এলিয়ে দিলেন। চোখ দুটো বন্ধ করলেন কিছুক্ষণের জন্য।<br />
<br />
তার মনের গহীনে কেমন যেন একটা অদ্ভুত অনুভূতি নাড়া দিয়ে গেল। একটা সিকিউরিটি গার্ড, যার পেটে হয়তো সবসময় ঠিকমতো ভাত জোটে না, তার নববিবাহিতা স্ত্রী তার মতো একজন কর্পোরেট টাইকুনের জন্য নিজ হাতে রান্না করে খাওয়াতে  চাইছে! কেন? কী পাওয়ার আশায়? কোনো স্বার্থ নেই তো এর পেছনে?<br />
<br />
কর্পোরেট দুনিয়ায় এত বছর কাটিয়ে তিনি একটা জিনিস খুব ভালো করে শিখেছেন—বিনামূল্যে কেউ কাউকে এক কাপ চাও খাওয়ায় না। সবার পেছনেই কোনো না কোনো স্বার্থ থাকে। মালেক কি তবে তার বেতনের প্রমোশন চায়? কিংবা তার মেয়ের বা বোনের কোনো চাকরির ব্যবস্থা করতে চাইছে?<br />
<br />
কিন্তু লোকটার চোখ দুটো যখন তিনি দেখেছেন, তখন সেখানে কোনো চতুরতার ছাপ পাননি। সেখানে ছিল শুধুই এক ধরনের সহজ সরল আবেগ, কৃতজ্ঞতার বিশুদ্ধ প্রকাশ।<br />
<br />
আলতাফ সাহেব চোখ খুললেন। তার সামনে বড় কাঁচের জানলার বাইরে তখন রাতের ঢাকা শহরটা অসংখ্য আলোয় ঝলমল করছে। নিচের রাস্তায় ছোট ছোট পিঁপড়ের মতো গাড়িগুলো ছুটছে।<br />
<br />
তিনি একা। একদম একা। এই বিশাল সাম্রাজ্যের মালিক তিনি ঠিকই, কিন্তু দিনশেষে যখন তিনি ফ্ল্যাটে ফেরেন, তখন চার দেওয়াল তাকে গিলে খাওয়ার জন্য এগিয়ে আসে। কোনো দিন কেউ তার জন্য দরজা খুলে দেওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে থাকে না। কেউ জিজ্ঞেস করে না—"সারাদিন কেমন কাটল?"<br />
<br />
তিনি মনে মনে ভাবলেন, আচ্ছা... ওই সিকিউরিটি গার্ডটার বউ... সে দেখতে কেমন হবে? নিশ্চয়ই গ্রামের সহজ-সরল কোনো তরুণী। তার হাতের রান্না কেমন হবে কে জানে? হয়তো একটু ঝাল বেশি দেবে, কিংবা নুন কম হবে। তবুও, সে তো নিজ হাতে ভালোবাসার ছোঁয়া দিয়ে রান্না করবে।<br />
<br />
তার মনের একটা কোণ মৃদু শিউরে উঠল। অদ্ভুত এক ভাবনা তার মাথায় ঘুরপাক খেতে লাগল। তিনি দীর্ঘশ্বাস ফেললেন।<br />
<br />
"পুত্রবধূ..." শব্দটা তার মনের ভেতরে প্রতিধ্বনিত হলো।<br />
<br />
হাঁ, তার তো কোনো সন্তান নেই। বিয়েই করেননি তিনি। কিন্তু যদি তার কোনো ছেলে থাকত, যদি তার একটা ভরা সংসার থাকত, তবে হয়তো এই বয়সে এসে তার ঘরেও এমন একজন নববিবাহিতা পুত্রবধূ থাকত। যে হয়তো প্রতিদিন সকালে চা বানিয়ে দিত, দুপুরের খাবার টিফিন বক্সে গুছিয়ে দিত, বাবার মতো যত্ন করে খেয়াল রাখত।<br />
<br />
আলতাফ সাহেব নিজের এই অবাস্তব চিন্তায় নিজেই মৃদু হাসলেন। কী সব আবলুস-তাবলুস ভাবছেন তিনি! এই বয়সে এসে এসব  আবেগপ্রবণ চিন্তা তার মতো মানুষের সাথে মানায় না। তিনি আলতাফ সিরাজ চৌধুরী—যিনি পাথর দিয়ে নিজের ভাগ্য গড়েছেন, যার জীবনে অনুকম্পার কোনো স্থান নেই।<br />
<br />
তবুও... পরশু দিনের কথাটি ভাবতেই তার মনের কোথাও যেন একটুখানি কৌতূহলের বরফ গলতে শুরু করল।<br />
<br />
তিনি টেবিলে রাখা ফাইলটার পাতা উল্টালেন। কিন্তু মনের ভেতরে মালেকের সেই কথাগুলো আর তার নববিবাহিতা স্ত্রীর রান্নার কল্পনার চিত্রটা বারবার ভেসে উঠতে লাগল। একটা অদৃশ্য সুতো যেন তাকে এই তুচ্ছ অথচ উষ্ণ ঘটনার সাথে বেঁধে ফেলল। বাইরে ঘড়ির কাঁটা টিকটিক করে এগোতে লাগল, আর আলতাফ সাহেব একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন সামনের দেয়ালঘড়িটার দিকে, যেখানে সময় যেন একটু ধীরেই চলল। (চলবে)</span>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Jaana tune nahi jaana]]></title>
			<link>https://xossipy.com/thread-74882.html</link>
			<pubDate>Sun, 09 Aug 2026 04:30:34 +0300</pubDate>
			<guid isPermaLink="false">https://xossipy.com/thread-74882.html</guid>
			<description><![CDATA[Main ek kahani is site pe likhne jaa raha hun. Ye kahani puri tarah se kalpnik h or is ka sambandh kisi se sambhndhit nahi h. Is khani main sabhi paatr kalpnik h]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[Main ek kahani is site pe likhne jaa raha hun. Ye kahani puri tarah se kalpnik h or is ka sambandh kisi se sambhndhit nahi h. Is khani main sabhi paatr kalpnik h]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[Kahani mere ghar ki]]></title>
			<link>https://xossipy.com/thread-74881.html</link>
			<pubDate>Sat, 08 Aug 2026 20:50:55 +0300</pubDate>
			<guid isPermaLink="false">https://xossipy.com/thread-74881.html</guid>
			<description><![CDATA[Kahani mere ghar ki<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size">"एक छोटा सा गाँव, जहाँ रिश्तों की अपनी मर्यादाएँ हैं... लेकिन उसी घर की चारदीवारी के भीतर एक ऐसा गुप्त खेल चल रहा है, जिससे पूरा परिवार अनजान है। एक माँ, जो अकेलेपन की बेबसी में मर्यादा की दीवारें तोड़ चुकी है, और उसका एक बेहद भोला-भाला बेटा रवि, जो सब कुछ अपनी आँखों के सामने देखकर भी अपनी नासमझी के कारण कुछ समझ नहीं पाता।</span><br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size">लेकिन क्या होता है जब वह नासमझ भोलापन धीरे-धीरे एक शातिर और गहरे मनोवैज्ञानिक ककहोल्ड (Cuckold) रोमांच में बदल जाता है? जब ब्लैकमेल की बजाय दिलों के तार जुड़ते हैं और बेटा ही अपनी माँ के गुप्त रिश्तों का सबसे बड़ा रक्षक और दर्शक बन जाता है?</span><br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size">पारिश्रमिक, रहस्य, और सस्पेंस से भरपूर एक ऐसी कहानी, जहाँ हर एक मोड़ आपकी उत्सुकता को चरम पर ले जाएगा। पहली पोस्ट आ रही है... दिल थाम कर बैठिए और किरदारों के इस अनोखे सफर का हिस्सा बनिए!"</span>]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[Kahani mere ghar ki<br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size">"एक छोटा सा गाँव, जहाँ रिश्तों की अपनी मर्यादाएँ हैं... लेकिन उसी घर की चारदीवारी के भीतर एक ऐसा गुप्त खेल चल रहा है, जिससे पूरा परिवार अनजान है। एक माँ, जो अकेलेपन की बेबसी में मर्यादा की दीवारें तोड़ चुकी है, और उसका एक बेहद भोला-भाला बेटा रवि, जो सब कुछ अपनी आँखों के सामने देखकर भी अपनी नासमझी के कारण कुछ समझ नहीं पाता।</span><br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size">लेकिन क्या होता है जब वह नासमझ भोलापन धीरे-धीरे एक शातिर और गहरे मनोवैज्ञानिक ककहोल्ड (Cuckold) रोमांच में बदल जाता है? जब ब्लैकमेल की बजाय दिलों के तार जुड़ते हैं और बेटा ही अपनी माँ के गुप्त रिश्तों का सबसे बड़ा रक्षक और दर्शक बन जाता है?</span><br />
<span style="font-size: medium;" class="mycode_size">पारिश्रमिक, रहस्य, और सस्पेंस से भरपूर एक ऐसी कहानी, जहाँ हर एक मोड़ आपकी उत्सुकता को चरम पर ले जाएगा। पहली पोस्ट आ रही है... दिल थाम कर बैठिए और किरदारों के इस अनोखे सफर का हिस्सा बनिए!"</span>]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[छोटी सी भूल]]></title>
			<link>https://xossipy.com/thread-74879.html</link>
			<pubDate>Sat, 08 Aug 2026 17:35:51 +0300</pubDate>
			<guid isPermaLink="false">https://xossipy.com/thread-74879.html</guid>
			<description><![CDATA[छोटी सी भूल<br />
<br />
मेरा नाम पंकज है। मैं अठारह साल का हूँ और दिल्ली में रहता हूँ।<br />
लम्बाई करीब पाँच फुट दस इंच है। दुबला-पतला शरीर है, लेकिन कंधे चौड़े हैं। जिम नियमित नहीं जाता, फिर भी घर के काम और कभी-कभी दौड़ने से बाज़ुओं और सीने में हल्की मज़बूती आ गई है। चेहरा साफ़ है, हल्की दाढ़ी की लाइनें अभी नई-नई निकल रही हैं। बाल काले और थोड़े बिखरे हुए हैं। आँखें तेज़ हैं, लेकिन ज़्यादातर समय चुप रहता हूँ। घर में बोलता कम हूँ, देखता ज़्यादा हूँ।<br />
पापा का नाम सुरेश है। उम्र करीब बयालीस-तैंतालीस। कद औसत, पेट थोड़ा निकला हुआ। बालों में सफ़ेदी आ चुकी है। चेहरे पर हमेशा एक थकी हुई गंभीरता रहती है। कपड़े साधारण पहनते हैं—पेंट-शर्ट, कभी-कभी कुर्ता। बातें कम करते हैं, भावनाएँ और भी कम दिखाते हैं।<br />
पापा का बिज़नेस कपड़े का थोक व्यापार है। सूती और सिंथेटिक कपड़ों की सप्लाई—शर्टिंग, सूटिंग, साड़ियाँ, ड्रेस मटीरियल। लुधियाना-अमृतसर के बाज़ारों में पुराने पार्टनर हैं। ऑर्डर और माल पहुँचाने के चक्कर में हफ़्ते में तीन-चार दिन बाहर रहते हैं। घर का ख़र्च बहुत अच्छा चल जाता है।<br />
अब आते हैं हमारी कहानी के सबसे प्रमुख पात्र पर—मेरी मम्मी।<br />
मम्मी का नाम अंजलि है। उम्र सैंतीस। कद पाँच फुट पाँच इंच। देखने में सुंदर हैं—न ज़्यादा पतली, न ज़्यादा मोटी। साफ़ गोरा और चिकना रंग। लंबे काले बाल जो वे हमेशा सादे जूड़े में बाँधती हैं, लेकिन कभी-कभी गर्दन के पीछे से कुछ मुलायम लटें निकल आती हैं। घर में ज़्यादातर साड़ी या सूट पहनती हैं। साड़ी का पल्लू कभी कंधे से नहीं खिसकता। ब्लाउज़ हमेशा सिंपल रखते हैं, आधी आस्तीन वाला। घर में भी कोई लापरवाही नहीं। संस्कारी औरत हैं। घर का सारा काम वही संभालती हैं।<br />
सुबह की दिनचर्या हमेशा एक जैसी होती है। छह बजते-बजते मम्मी उठ जाती हैं। सुबह की चाय, नाश्ता, पापा का काम के लिए बाहर जाना, मेरा कॉलेज। मम्मी मुझे जगाने आती हैं।<br />
“पंकज, कब तक सोएगा? उठ जा। नाश्ता ठंडा हो जाएगा।”<br />
मैं आलस भरी आँखों से उन्हें देखता हूँ। साधारण साड़ी, सिंपल ब्लाउज़। ब्लाउज़ उनकी छातियों की गोलाई को कसकर समेटे रहता है। चेहरे पर थकान है, लेकिन उस थकान में भी एक शांत सुंदरता है। इस सोशल मीडिया के ज़माने में किसी बुराई से अछूता था, ऐसा तो नहीं कह सकता। लेकिन अपनी माँ के बारे में कभी ग़लत नहीं सोचा था। हाँ, उनकी सुंदरता मुझे ज़रूर लुभाती थी, पर मुझे अपनी लिमिट्स पता थीं।<br />
नाश्ते पर पापा अगर घर हों तो अख़बार लेकर बैठे होते हैं। मम्मी उनकी चाय बनाती हैं—अदरक वाली, हल्की मीठी।<br />
पापा: “अंजलि, रमेश आया था। नया ऑर्डर मिला है। दो दिन अमृतसर जाना पड़ेगा।”<br />
मम्मी चाय रखते हुए: “फिर? पिछले हफ़्ते भी गए थे न।”<br />
पापा: “बिज़नेस है क्या करें। तू सँभाल ले। ये भी बड़ा हो गया है।”<br />
मम्मी मेरी तरफ़ देखती हैं। “पढ़ाई का ध्यान रख। बस फ़ोन में मत लगा रह।”<br />
“हाँ मम्मी।”<br />
मैंने कई बार गौर किया है मम्मी के स्वभाव पर। वे कम बोलती हैं। शिकायत कभी नहीं करतीं। पापा के बार-बार बाहर जाने पर भी चेहरे पर सिर्फ़ हल्की थकान होती है, गुस्सा नहीं। लेकिन उनकी चुप्पी में एक अनकहा अकेलापन साफ़ दिखता है। घर में सब कुछ ठीक चल रहा होता है, फिर भी वे जैसे किसी खाली जगह में खड़ी हों।<br />
एक दिन दोपहर को पापा घर नहीं थे। मम्मी छत पर कपड़े सुखा रही थीं। धूप तेज़ थी। साड़ी का पल्लू हवा में हल्का उड़ रहा था। वे बार-बार उसे ठीक कर रही थीं। ब्लाउज़ और साड़ी के बीच से झाँकती उनकी गोरी कमर की झलक दिखी। कपड़े टाँगने के बाद वे थोड़ी देर दीवार के सहारे खड़ी रहीं। आँखें बंद कर लीं। सीना हल्के से ऊपर-नीचे हो रहा था। बस दो-तीन पल। फिर खुद को सँभाला और नीचे आ गईं। ऐसे कई दृश्य मेरी रोज़मर्रा की ज़िंदगी का हिस्सा थे जो मुझे बेचैन कर देते, लेकिन मैं जानता था कि मेरी उम्र भी ऐसे ही दौर से गुज़र रही थी।<br />
शाम को कभी-कभी मम्मी किचन में अकेली बैठी चाय पी रही होती हैं। साड़ी का पल्लू गोद में रखा होता है। जब मैं पानी लेने जाता हूँ तो वे पूछती हैं, “तू भी ले ले?”<br />
“नहीं मम्मी।”<br />
वे सिर हिला देती हैं। आँखों में उस वक्त एक थकान होती है जो नींद की नहीं होती। मम्मी भी मुझसे कभी-कभी खुद ही बात कर लेती थीं। शायद उन्हें भी एहसास था कि इस उम्र में बेटे को एक दोस्त की तरह रखना चाहिए।<br />
एक रात पापा तीन दिन के टूर पर थे। खाना खाते समय मम्मी ने अचानक पूछा, “पंकज, तुझे लगता है पापा घर कम रहते हैं?”<br />
मैंने चौंककर देखा। उनकी आँखों में एक अजीब सी नमी थी।<br />
“हाँ… बिज़नेस है न मम्मी।”<br />
वे हल्के से मुस्कुराईं। मुस्कान अधूरी थी। “हाँ। बिज़नेस है।” फिर चुप हो गईं। थोड़ी देर बाद बोलीं, “खाना और ले ले। ठंडा हो जाएगा। और जल्दी सो जाना, कल स्टोर रूम की सफ़ाई करनी है। बहुत कबाड़ पड़ा है घर में।”<br />
उस रात मैंने देर तक सोचा। मम्मी ने शिकायत नहीं की थी। बस एक सवाल पूछा था। और उस सवाल के पीछे उनका अकेलापन साफ़ छिपा था। इसी सोच में डूबा मैं कब नींद की गोद में चला गया, मुझे पता नहीं।<br />
अगले दिन दोपहर को मम्मी ने मुझे स्टोर रूम में बुलाया।<br />
“पंकज, थोड़ा मदद कर दे। ऊपर वाली शेल्फ़ पर ये बॉक्स रखने हैं। मेरी पहुँच नहीं हो रही।”<br />
स्टोर रूम में एक छोटी स्टूल पड़ी थी। मम्मी ने हल्के पाउडर पिंक रंग की साड़ी पहनी हुई थी—सिंपल, घर का रोज़ का रंग। ब्लाउज़ भी उसी टोन का। उन्होंने स्टूल पर चढ़कर ऊपर की शेल्फ़ की तरफ़ हाथ बढ़ाया। मैं नीचे फर्श पर खड़ा था, बॉक्स पकड़े हुए। जब उन्होंने दोनों हाथ ऊपर उठाए तो साड़ी की पेटीकोट थोड़ी ढीली पड़कर नीचे सरक गई और ब्लाउज़ ऊपर को सरक गया।<br />
उसी पल उनका चिकना पेट और गहरी नाभि एकदम मेरे चेहरे के सामने आ गई। साफ़, मुलायम, दूध जैसा गोरा। मैं नीचे खड़ा था और वे स्टूल पर। नज़र की दूरी बहुत कम रह गई थी। वह खुला हुआ चिकना पेट और गहरी नाभि कुछ पल के लिए पूरी तरह साफ़ दिख रही थी।<br />
मैं एक पल के लिए हिल नहीं पाया।<br />
मम्मी ने तुरंत ब्लाउज़ नीचे खींचा और पेटी कस ली। उनके चेहरे पर हल्की शर्मिंदगी थी। आवाज़ में थोड़ी जल्दी थी।<br />
“यहाँ-वहाँ क्या देख रहा है… बॉक्स पकड़ अच्छे से। गिर न जाए।”<br />
मैंने सिर झुकाए रखा और बॉक्स उनके हाथों की तरफ़ बढ़ा दिया। उन्होंने बॉक्स लिया और शेल्फ़ पर रख दिया। फिर सावधानी से स्टूल से उतर आईं।<br />
“हो गया। जा, हाथ धो ले।”<br />
मैं चुपचाप बाहर निकल आया। कमरे में आकर दरवाज़ा बंद किया। आँखें बंद कीं तो वही दृश्य फिर से आ गया—मम्मी स्टूल पर खड़ी, उनका खुला हुआ चिकना पेट, गहरी नाभि, और मेरा नीचे खड़ा होना। उनकी खूबसूरती को कभी इतनी नज़दीक से नहीं देखा था। मन में अजीब ख्याल आ रहे थे, लेकिन रिश्तों की दीवार सामने आ जाती थी।<br />
शाम को मम्मी ने चाय बनाई। अब वे सलवार-कमीज़ में थीं। चेहरे पर अभी भी हल्की शर्मिंदगी के भाव थे, लेकिन मैंने ऐसा व्यवहार किया जैसे कुछ हुआ ही न हो।<br />
मम्मी सब कुछ अकेले सँभालती हैं। पापा आते हैं, खाते हैं, चले जाते हैं। घर की दुनिया उनके कंधों पर टिकी है। और वे चुपचाप ढो रही हैं—अपने अकेलेपन के साथ, अपनी थकान के साथ, और अपनी उस सुंदरता के साथ जो कभी-कभी अनजाने में सामने आ जाती है।<br />
ऐसे ही कई दिन बीत गए। कोई खास घटना नहीं हुई।<br />
एक दिन पापा नाश्ता कर रहे थे। अख़बार एक तरफ़ पड़ा था। वे जल्दी में थे।<br />
“अंजलि,” उन्होंने पराठे का एक टुकड़ा तोड़ते हुए कहा, “सुनो, आज एक लड़का आएगा। राहुल नाम है। मेरे पार्टनर गुप्ताजी का बेटा है।”<br />
मम्मी किचन से बाहर आईं, हाथ पल्लू से पोंछती हुईं। “कौन राहुल? पहले तो कभी नहीं आया।”<br />
पापा ने चाय का घूँट लिया। “अरे, नया-नया बिज़नेस में आया है। गुप्ताजी ने कहा है थोड़ा काम सिखा दूँ। आज कुछ ज़रूरी कागज़ात लेने आएगा। अगर मैं घर पर न मिलूँ, तो तुम उसे दे देना। मेरे दराज में लाल वाली फ़ाइल है, उसी में हैं।”<br />
मम्मी ने सिर हिलाया, लेकिन उनके चेहरे पर हल्की सी झिझक थी। “ठीक है। लेकिन कोई अजनबी…”<br />
पापा ने हाथ हिलाकर बात उड़ा दी। “अरे, अजनबी कैसा? गुप्ताजी का बेटा है। अपने ही घर का समझो। सीधा-साधा लड़का है। तुम बस कागज़ दे देना।”<br />
मम्मी चुप हो गईं। उन्होंने एक बार मेरी तरफ़ देखा। उनकी आँखों में एक चिंता थी।<br />
पापा उठ खड़े हुए। “चलो, मुझे देर हो रही है। तुम ध्यान रखना। और पंकज, तू भी थोड़ा घर में रहना, अगर मम्मी को ज़रूरत पड़े।”<br />
“हाँ पापा,” मैंने कहा।<br />
पापा चले गए। मम्मी ने दरवाज़ा बंद किया और एक गहरी साँस ली।<br />
शाम को घर के दरवाज़े पर दस्तक हुई।<br />
मैंने दरवाज़ा खोला। बाहर एक लड़का खड़ा था। उम्र करीब छब्बीस। लंबा, साफ़-सुथरा। हल्के रंग की शर्ट और गहरे पेंट में। बाल अच्छे से कंगे हुए। चेहरे पर एक विनम्र मुस्कान। हाथ में लिफ़ाफ़ा।<br />
“नमस्ते। मैं राहुल। सुरेश अंकल के पार्टनर का बेटा। अंकल घर पर हैं क्या?”<br />
आवाज़ शांत और सभ्य थी।<br />
पापा उस समय घर पर ही थे। वे बाहर आए। “अरे राहुल! आ जा बेटा। अंदर आ।”<br />
राहुल ने जूते बाहर उतार कर अंदर कदम रखा। बैठक में जाकर कुर्सी पर बैठ गया।<br />
पापा बोले, “अंजलि, चाय ला देना।”<br />
मम्मी किचन से निकलीं। साड़ी पहने, पल्लू कंधे पर सही जगह पर। राहुल तुरंत खड़ा हो गया।<br />
“नमस्ते आंटी।”<br />
आवाज़ में इज़्ज़त थी। नज़रें मम्मी के चेहरे पर कुछ देर तक टिकी रहीं, लेकिन नीचे नहीं गईं।<br />
मम्मी ने भी नमस्ते कहा। “बैठो। चाय लाती हूँ।”<br />
वे किचन चली गईं। राहुल पापा से बिज़नेस की बातें करने लगा।<br />
मम्मी चाय लेकर आईं। राहुल ने दोनों हाथों से कप लिया। “धन्यवाद आंटी।”<br />
बीस-पच्चीस मिनट बाद राहुल उठा। “अंकल, पेपर्स दे दीजिए।”<br />
पापा ने पेपर्स दिए। “ठीक है बेटा। मेहनत कर।”<br />
राहुल ने मम्मी की तरफ़ मुँह किया। “नमस्ते आंटी। कष्ट दिया।”<br />
मम्मी ने हल्के से मुस्कुराकर कहा, “कोई बात नहीं।”<br />
राहुल चला गया। पापा बोले, “अच्छा लड़का है। सभ्य है।”<br />
मम्मी ने सिर्फ़ “हम्म” किया और किचन चली गईं।<br />
उस दिन राहुल में कोई उतावलापन नहीं था। लेकिन इस दिन ने हमारे आने वाले कल को किस तरह बदलना था, इसके बारे में किसी ने सपने में भी नहीं सोचा होगा।<br />
अगले दिन दोपहर का समय था। पापा जा चुके थे। मम्मी किचन में थीं। उन्होंने मुझे आवाज़ दी।<br />
“पंकज, ज़रा यहाँ आना।”<br />
मैं किचन में गया। मम्मी ने एक प्लास्टिक की थैली मेरी तरफ़ बढ़ाई।<br />
“बेटा, यह मेरी गुलाबी वाली साड़ी है। इसकी पेटी थोड़ी ढीली हो गई है। दर्ज़ी को देकर आना, कहना थोड़ा कस दे।”<br />
मेरे मन में स्टोर रूम वाला दिन एकदम से सामने आ गया।<br />
मैंने थैली ली। “ठीक है, मम्मी।”<br />
“भूलना मत,” उन्होंने ज़ोर देकर कहा। “अगले हफ़्ते मुझे यही साड़ी पहननी है। पड़ोस में कीर्तन है।”<br />
“नहीं भूलूँगा, मम्मी,” मैंने कहा और थैली अपने कमरे में रख दी।<br />
लेकिन जैसा अठारह साल के लड़कों के साथ अक्सर होता है, मेरे दिमाग में हज़ार और चीज़ें थीं। दोस्तों के चैट, वीडियो गेम, कॉलेज का असाइनमेंट… साड़ी की पेटी कसवाने का काम दिमाग के किसी कोने में दब गया।<br />
कॉलेज के व्हाट्सएप ग्रुप में रिया की पूल पार्टी वाली फ़ोटो आई। मैं उस फ़ोटो को देखकर उलझ गया। दोपहर को कमरे में थैली बिस्तर पर पटक दी और लैपटॉप खोल लिया। एक गेम दूसरे में बदलता गया। समय का पता ही नहीं चला।<br />
शाम होते-होते जब नज़र थैली पर पड़ी तो खिड़की से बारिश शुरू हो चुकी थी। मैंने खुद को बहाना दिया—“कल सुबह दे आऊँगा।” और वह बात दिमाग से निकल गई।<br />
करीब दस-बारह दिन बाद एक दोपहर राहुल अकेला आया। पापा घर नहीं थे। मैंने दरवाज़ा खोला।<br />
“नमस्ते। अंकल घर पर हैं?”<br />
“नहीं।”<br />
राहुल ने लिफ़ाफ़ा आगे किया। “यह कागज़ रख देना।”<br />
फिर बोला, “आंटी घर पर हैं क्या? नमस्ते कर लूँ।”<br />
मैंने मम्मी को आवाज़ लगाई। मम्मी किचन से निकलीं। उन्होंने हल्के पाउडर ब्लू रंग का सलवार-कमीज़ पहना हुआ था। कमीज़ कमर तक सही बैठी थी। दुपट्टा कंधे पर था। उस दिन वे थकी हुई लग रही थीं। बालों की कुछ लटें गर्दन पर गिर रही थीं।<br />
राहुल जब नमस्ते कर रहा था, तो उसकी नज़र एक पल के लिए उनके कमीज़ के गले और कमर पर चली गई। मम्मी ने तुरंत दुपट्टा ठीक कर लिया।<br />
“नमस्ते आंटी। कागज़ देने आया हूँ।”<br />
“रख दो। पानी पियोगे?”<br />
“जी आंटी।”<br />
मम्मी गिलास लेकर आईं। राहुल ने गिलास लेते समय उनकी उंगलियों को हल्का छू लिया। मम्मी ने गिलास छुड़ाया और एक कदम पीछे हटीं। “पी लो। फिर जाओ।”<br />
वह मुस्कुराया और चला गया।<br />
कुछ देर बाद बारिश होने लगी। मम्मी अपने कमरे में थीं। दरवाज़ा आधा खुला था। मैं पानी लेने गया तो उनकी आवाज़ सुनाई दी।<br />
मैं रुक गया। नज़र अंदर चली गई।<br />
मम्मी बिस्तर के किनारे बैठी थीं। पाउडर ब्लू सलवार-कमीज़ में। नमी की वजह से कपड़े शरीर पर चिपक गए थे। दुपट्टा एक तरफ़ पड़ा था। बाल पूरी तरह खुले हुए थे। कमीज़ की ऊपर की दो बटन खुली हुई थीं। गला नंगा था। छातियों की ऊपरी गोलाई साँस के साथ उठ-गिर रही थी।<br />
वे खिड़की की तरफ़ देख रही थीं। उंगलियाँ बालों में फेर रही थीं। आँखें बंद थीं। साँसें धीरे-धीरे भारी हो रही थीं।<br />
मैं दरवाज़े के पास खड़ा साँस थामे देखता रहा।<br />
एक हफ़्ते बाद कीर्तन वाला दिन आया। मम्मी ने वही गुलाबी साड़ी पहनी जिसकी पेटी मैं दर्ज़ी को देना भूल गया था। उन्होंने बड़ी सावधानी से पहनी। पेटी दो बार बाँधी। पल्लू पिन से जमाया। बिल्कुल संस्कारी।<br />
तभी दरवाज़े पर दस्तक हुई। राहुल था।<br />
मम्मी चाय लेकर आईं। सोफे पर बैठते समय साड़ी का सिरा कुशन के नीचे दब गया। उठते समय साड़ी खिंच गई। पेटी ढीली पड़ गई। ब्लाउज़ ऊपर उठ गया।<br />
एक पल के लिए मम्मी का दूध जैसा सफ़ेद, चिकना पेट और गहरी नाभि राहुल के बिल्कुल सामने नंगा हो गया।<br />
राहुल की नज़रें वहीं जम गईं। आँखों में पहले हैरानी, फिर एक गहरी, प्यासी चमक आ गई।<br />
मम्मी का चेहरा लाल हो गया। उन्होंने जल्दी से कपड़े ठीक किए और कमरे में चली गईं।<br />
कुछ देर बाद वे वापस आईं। साड़ी ठीक करके। चेहरा अभी भी लाल था। “मैं जा रही हूँ,” कहकर वे निकल गईं।<br />
दरवाज़ा बंद होते ही राहुल की मुस्कान बदल गई। विनम्रता गायब हो गई। एक टेढ़ी, दुष्ट मुस्कान फैल गई।<br />
वह मेरी तरफ़ मुड़ा।<br />
“पंकज, तुम्हारा कोई छोटा भाई-बहन नहीं है?”<br />
“नहीं… सिर्फ़ मैं हूँ।”<br />
राहुल की मुस्कान और चौड़ी हो गई। “अच्छा… सिर्फ़ तू। और तेरी मम्मी।”<br />
वह करीब आया। “तो फिर घर में… सिर्फ़ तुम दोनों ही रहते हो ज़्यादातर?”<br />
मैं चुप रहा।<br />
राहुल हँसा। वह हँसी साफ़ नहीं थी।<br />
“मैं चलता हूँ। लेकिन पंकज… अपनी मम्मी का ख्याल रखना। और उन्हें मेरी तरफ़ से नमस्ते कह देना।”<br />
दरवाज़ा बंद हुआ।<br />
घर में भारी सन्नाटा पसर गया।<br />
मैं वहीं खड़ा रह गया। राहुल की टेढ़ी मुस्कान और उसका सवाल कानों में गूँज रहा था।<br />
डेढ़ घंटे बाद मम्मी कीर्तन से वापस आईं। चेहरे पर बेचैनी थी। उन्होंने मुझसे पूछा, “उसने… कुछ कहा?”<br />
मैंने झूठ बोला। “नहीं। बस कागज़ देकर चला गया।”<br />
रात का खाना चुपचाप हुआ। मम्मी की उंगलियाँ काँप रही थीं। खाना खत्म करने के बाद वे पूजा के कोने में पहले से ज़्यादा देर तक खड़ी रहीं। हाथ जोड़े। सिर झुकाए। जैसे माफ़ी माँग रही हों।<br />
मैं अपने कमरे में लेटा रहा। नींद नहीं आ रही थी।<br />
मैं जानता था कि अब बहुत कुछ बदलने वाला है।<br />
मम्मी की ढीली साड़ी सिर्फ़ एक हादसा नहीं थी।<br />
वह एक दरवाज़ा था।<br />
और राहुल उस दरवाज़े से अंदर आने की फ़िराक में था।]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[छोटी सी भूल<br />
<br />
मेरा नाम पंकज है। मैं अठारह साल का हूँ और दिल्ली में रहता हूँ।<br />
लम्बाई करीब पाँच फुट दस इंच है। दुबला-पतला शरीर है, लेकिन कंधे चौड़े हैं। जिम नियमित नहीं जाता, फिर भी घर के काम और कभी-कभी दौड़ने से बाज़ुओं और सीने में हल्की मज़बूती आ गई है। चेहरा साफ़ है, हल्की दाढ़ी की लाइनें अभी नई-नई निकल रही हैं। बाल काले और थोड़े बिखरे हुए हैं। आँखें तेज़ हैं, लेकिन ज़्यादातर समय चुप रहता हूँ। घर में बोलता कम हूँ, देखता ज़्यादा हूँ।<br />
पापा का नाम सुरेश है। उम्र करीब बयालीस-तैंतालीस। कद औसत, पेट थोड़ा निकला हुआ। बालों में सफ़ेदी आ चुकी है। चेहरे पर हमेशा एक थकी हुई गंभीरता रहती है। कपड़े साधारण पहनते हैं—पेंट-शर्ट, कभी-कभी कुर्ता। बातें कम करते हैं, भावनाएँ और भी कम दिखाते हैं।<br />
पापा का बिज़नेस कपड़े का थोक व्यापार है। सूती और सिंथेटिक कपड़ों की सप्लाई—शर्टिंग, सूटिंग, साड़ियाँ, ड्रेस मटीरियल। लुधियाना-अमृतसर के बाज़ारों में पुराने पार्टनर हैं। ऑर्डर और माल पहुँचाने के चक्कर में हफ़्ते में तीन-चार दिन बाहर रहते हैं। घर का ख़र्च बहुत अच्छा चल जाता है।<br />
अब आते हैं हमारी कहानी के सबसे प्रमुख पात्र पर—मेरी मम्मी।<br />
मम्मी का नाम अंजलि है। उम्र सैंतीस। कद पाँच फुट पाँच इंच। देखने में सुंदर हैं—न ज़्यादा पतली, न ज़्यादा मोटी। साफ़ गोरा और चिकना रंग। लंबे काले बाल जो वे हमेशा सादे जूड़े में बाँधती हैं, लेकिन कभी-कभी गर्दन के पीछे से कुछ मुलायम लटें निकल आती हैं। घर में ज़्यादातर साड़ी या सूट पहनती हैं। साड़ी का पल्लू कभी कंधे से नहीं खिसकता। ब्लाउज़ हमेशा सिंपल रखते हैं, आधी आस्तीन वाला। घर में भी कोई लापरवाही नहीं। संस्कारी औरत हैं। घर का सारा काम वही संभालती हैं।<br />
सुबह की दिनचर्या हमेशा एक जैसी होती है। छह बजते-बजते मम्मी उठ जाती हैं। सुबह की चाय, नाश्ता, पापा का काम के लिए बाहर जाना, मेरा कॉलेज। मम्मी मुझे जगाने आती हैं।<br />
“पंकज, कब तक सोएगा? उठ जा। नाश्ता ठंडा हो जाएगा।”<br />
मैं आलस भरी आँखों से उन्हें देखता हूँ। साधारण साड़ी, सिंपल ब्लाउज़। ब्लाउज़ उनकी छातियों की गोलाई को कसकर समेटे रहता है। चेहरे पर थकान है, लेकिन उस थकान में भी एक शांत सुंदरता है। इस सोशल मीडिया के ज़माने में किसी बुराई से अछूता था, ऐसा तो नहीं कह सकता। लेकिन अपनी माँ के बारे में कभी ग़लत नहीं सोचा था। हाँ, उनकी सुंदरता मुझे ज़रूर लुभाती थी, पर मुझे अपनी लिमिट्स पता थीं।<br />
नाश्ते पर पापा अगर घर हों तो अख़बार लेकर बैठे होते हैं। मम्मी उनकी चाय बनाती हैं—अदरक वाली, हल्की मीठी।<br />
पापा: “अंजलि, रमेश आया था। नया ऑर्डर मिला है। दो दिन अमृतसर जाना पड़ेगा।”<br />
मम्मी चाय रखते हुए: “फिर? पिछले हफ़्ते भी गए थे न।”<br />
पापा: “बिज़नेस है क्या करें। तू सँभाल ले। ये भी बड़ा हो गया है।”<br />
मम्मी मेरी तरफ़ देखती हैं। “पढ़ाई का ध्यान रख। बस फ़ोन में मत लगा रह।”<br />
“हाँ मम्मी।”<br />
मैंने कई बार गौर किया है मम्मी के स्वभाव पर। वे कम बोलती हैं। शिकायत कभी नहीं करतीं। पापा के बार-बार बाहर जाने पर भी चेहरे पर सिर्फ़ हल्की थकान होती है, गुस्सा नहीं। लेकिन उनकी चुप्पी में एक अनकहा अकेलापन साफ़ दिखता है। घर में सब कुछ ठीक चल रहा होता है, फिर भी वे जैसे किसी खाली जगह में खड़ी हों।<br />
एक दिन दोपहर को पापा घर नहीं थे। मम्मी छत पर कपड़े सुखा रही थीं। धूप तेज़ थी। साड़ी का पल्लू हवा में हल्का उड़ रहा था। वे बार-बार उसे ठीक कर रही थीं। ब्लाउज़ और साड़ी के बीच से झाँकती उनकी गोरी कमर की झलक दिखी। कपड़े टाँगने के बाद वे थोड़ी देर दीवार के सहारे खड़ी रहीं। आँखें बंद कर लीं। सीना हल्के से ऊपर-नीचे हो रहा था। बस दो-तीन पल। फिर खुद को सँभाला और नीचे आ गईं। ऐसे कई दृश्य मेरी रोज़मर्रा की ज़िंदगी का हिस्सा थे जो मुझे बेचैन कर देते, लेकिन मैं जानता था कि मेरी उम्र भी ऐसे ही दौर से गुज़र रही थी।<br />
शाम को कभी-कभी मम्मी किचन में अकेली बैठी चाय पी रही होती हैं। साड़ी का पल्लू गोद में रखा होता है। जब मैं पानी लेने जाता हूँ तो वे पूछती हैं, “तू भी ले ले?”<br />
“नहीं मम्मी।”<br />
वे सिर हिला देती हैं। आँखों में उस वक्त एक थकान होती है जो नींद की नहीं होती। मम्मी भी मुझसे कभी-कभी खुद ही बात कर लेती थीं। शायद उन्हें भी एहसास था कि इस उम्र में बेटे को एक दोस्त की तरह रखना चाहिए।<br />
एक रात पापा तीन दिन के टूर पर थे। खाना खाते समय मम्मी ने अचानक पूछा, “पंकज, तुझे लगता है पापा घर कम रहते हैं?”<br />
मैंने चौंककर देखा। उनकी आँखों में एक अजीब सी नमी थी।<br />
“हाँ… बिज़नेस है न मम्मी।”<br />
वे हल्के से मुस्कुराईं। मुस्कान अधूरी थी। “हाँ। बिज़नेस है।” फिर चुप हो गईं। थोड़ी देर बाद बोलीं, “खाना और ले ले। ठंडा हो जाएगा। और जल्दी सो जाना, कल स्टोर रूम की सफ़ाई करनी है। बहुत कबाड़ पड़ा है घर में।”<br />
उस रात मैंने देर तक सोचा। मम्मी ने शिकायत नहीं की थी। बस एक सवाल पूछा था। और उस सवाल के पीछे उनका अकेलापन साफ़ छिपा था। इसी सोच में डूबा मैं कब नींद की गोद में चला गया, मुझे पता नहीं।<br />
अगले दिन दोपहर को मम्मी ने मुझे स्टोर रूम में बुलाया।<br />
“पंकज, थोड़ा मदद कर दे। ऊपर वाली शेल्फ़ पर ये बॉक्स रखने हैं। मेरी पहुँच नहीं हो रही।”<br />
स्टोर रूम में एक छोटी स्टूल पड़ी थी। मम्मी ने हल्के पाउडर पिंक रंग की साड़ी पहनी हुई थी—सिंपल, घर का रोज़ का रंग। ब्लाउज़ भी उसी टोन का। उन्होंने स्टूल पर चढ़कर ऊपर की शेल्फ़ की तरफ़ हाथ बढ़ाया। मैं नीचे फर्श पर खड़ा था, बॉक्स पकड़े हुए। जब उन्होंने दोनों हाथ ऊपर उठाए तो साड़ी की पेटीकोट थोड़ी ढीली पड़कर नीचे सरक गई और ब्लाउज़ ऊपर को सरक गया।<br />
उसी पल उनका चिकना पेट और गहरी नाभि एकदम मेरे चेहरे के सामने आ गई। साफ़, मुलायम, दूध जैसा गोरा। मैं नीचे खड़ा था और वे स्टूल पर। नज़र की दूरी बहुत कम रह गई थी। वह खुला हुआ चिकना पेट और गहरी नाभि कुछ पल के लिए पूरी तरह साफ़ दिख रही थी।<br />
मैं एक पल के लिए हिल नहीं पाया।<br />
मम्मी ने तुरंत ब्लाउज़ नीचे खींचा और पेटी कस ली। उनके चेहरे पर हल्की शर्मिंदगी थी। आवाज़ में थोड़ी जल्दी थी।<br />
“यहाँ-वहाँ क्या देख रहा है… बॉक्स पकड़ अच्छे से। गिर न जाए।”<br />
मैंने सिर झुकाए रखा और बॉक्स उनके हाथों की तरफ़ बढ़ा दिया। उन्होंने बॉक्स लिया और शेल्फ़ पर रख दिया। फिर सावधानी से स्टूल से उतर आईं।<br />
“हो गया। जा, हाथ धो ले।”<br />
मैं चुपचाप बाहर निकल आया। कमरे में आकर दरवाज़ा बंद किया। आँखें बंद कीं तो वही दृश्य फिर से आ गया—मम्मी स्टूल पर खड़ी, उनका खुला हुआ चिकना पेट, गहरी नाभि, और मेरा नीचे खड़ा होना। उनकी खूबसूरती को कभी इतनी नज़दीक से नहीं देखा था। मन में अजीब ख्याल आ रहे थे, लेकिन रिश्तों की दीवार सामने आ जाती थी।<br />
शाम को मम्मी ने चाय बनाई। अब वे सलवार-कमीज़ में थीं। चेहरे पर अभी भी हल्की शर्मिंदगी के भाव थे, लेकिन मैंने ऐसा व्यवहार किया जैसे कुछ हुआ ही न हो।<br />
मम्मी सब कुछ अकेले सँभालती हैं। पापा आते हैं, खाते हैं, चले जाते हैं। घर की दुनिया उनके कंधों पर टिकी है। और वे चुपचाप ढो रही हैं—अपने अकेलेपन के साथ, अपनी थकान के साथ, और अपनी उस सुंदरता के साथ जो कभी-कभी अनजाने में सामने आ जाती है।<br />
ऐसे ही कई दिन बीत गए। कोई खास घटना नहीं हुई।<br />
एक दिन पापा नाश्ता कर रहे थे। अख़बार एक तरफ़ पड़ा था। वे जल्दी में थे।<br />
“अंजलि,” उन्होंने पराठे का एक टुकड़ा तोड़ते हुए कहा, “सुनो, आज एक लड़का आएगा। राहुल नाम है। मेरे पार्टनर गुप्ताजी का बेटा है।”<br />
मम्मी किचन से बाहर आईं, हाथ पल्लू से पोंछती हुईं। “कौन राहुल? पहले तो कभी नहीं आया।”<br />
पापा ने चाय का घूँट लिया। “अरे, नया-नया बिज़नेस में आया है। गुप्ताजी ने कहा है थोड़ा काम सिखा दूँ। आज कुछ ज़रूरी कागज़ात लेने आएगा। अगर मैं घर पर न मिलूँ, तो तुम उसे दे देना। मेरे दराज में लाल वाली फ़ाइल है, उसी में हैं।”<br />
मम्मी ने सिर हिलाया, लेकिन उनके चेहरे पर हल्की सी झिझक थी। “ठीक है। लेकिन कोई अजनबी…”<br />
पापा ने हाथ हिलाकर बात उड़ा दी। “अरे, अजनबी कैसा? गुप्ताजी का बेटा है। अपने ही घर का समझो। सीधा-साधा लड़का है। तुम बस कागज़ दे देना।”<br />
मम्मी चुप हो गईं। उन्होंने एक बार मेरी तरफ़ देखा। उनकी आँखों में एक चिंता थी।<br />
पापा उठ खड़े हुए। “चलो, मुझे देर हो रही है। तुम ध्यान रखना। और पंकज, तू भी थोड़ा घर में रहना, अगर मम्मी को ज़रूरत पड़े।”<br />
“हाँ पापा,” मैंने कहा।<br />
पापा चले गए। मम्मी ने दरवाज़ा बंद किया और एक गहरी साँस ली।<br />
शाम को घर के दरवाज़े पर दस्तक हुई।<br />
मैंने दरवाज़ा खोला। बाहर एक लड़का खड़ा था। उम्र करीब छब्बीस। लंबा, साफ़-सुथरा। हल्के रंग की शर्ट और गहरे पेंट में। बाल अच्छे से कंगे हुए। चेहरे पर एक विनम्र मुस्कान। हाथ में लिफ़ाफ़ा।<br />
“नमस्ते। मैं राहुल। सुरेश अंकल के पार्टनर का बेटा। अंकल घर पर हैं क्या?”<br />
आवाज़ शांत और सभ्य थी।<br />
पापा उस समय घर पर ही थे। वे बाहर आए। “अरे राहुल! आ जा बेटा। अंदर आ।”<br />
राहुल ने जूते बाहर उतार कर अंदर कदम रखा। बैठक में जाकर कुर्सी पर बैठ गया।<br />
पापा बोले, “अंजलि, चाय ला देना।”<br />
मम्मी किचन से निकलीं। साड़ी पहने, पल्लू कंधे पर सही जगह पर। राहुल तुरंत खड़ा हो गया।<br />
“नमस्ते आंटी।”<br />
आवाज़ में इज़्ज़त थी। नज़रें मम्मी के चेहरे पर कुछ देर तक टिकी रहीं, लेकिन नीचे नहीं गईं।<br />
मम्मी ने भी नमस्ते कहा। “बैठो। चाय लाती हूँ।”<br />
वे किचन चली गईं। राहुल पापा से बिज़नेस की बातें करने लगा।<br />
मम्मी चाय लेकर आईं। राहुल ने दोनों हाथों से कप लिया। “धन्यवाद आंटी।”<br />
बीस-पच्चीस मिनट बाद राहुल उठा। “अंकल, पेपर्स दे दीजिए।”<br />
पापा ने पेपर्स दिए। “ठीक है बेटा। मेहनत कर।”<br />
राहुल ने मम्मी की तरफ़ मुँह किया। “नमस्ते आंटी। कष्ट दिया।”<br />
मम्मी ने हल्के से मुस्कुराकर कहा, “कोई बात नहीं।”<br />
राहुल चला गया। पापा बोले, “अच्छा लड़का है। सभ्य है।”<br />
मम्मी ने सिर्फ़ “हम्म” किया और किचन चली गईं।<br />
उस दिन राहुल में कोई उतावलापन नहीं था। लेकिन इस दिन ने हमारे आने वाले कल को किस तरह बदलना था, इसके बारे में किसी ने सपने में भी नहीं सोचा होगा।<br />
अगले दिन दोपहर का समय था। पापा जा चुके थे। मम्मी किचन में थीं। उन्होंने मुझे आवाज़ दी।<br />
“पंकज, ज़रा यहाँ आना।”<br />
मैं किचन में गया। मम्मी ने एक प्लास्टिक की थैली मेरी तरफ़ बढ़ाई।<br />
“बेटा, यह मेरी गुलाबी वाली साड़ी है। इसकी पेटी थोड़ी ढीली हो गई है। दर्ज़ी को देकर आना, कहना थोड़ा कस दे।”<br />
मेरे मन में स्टोर रूम वाला दिन एकदम से सामने आ गया।<br />
मैंने थैली ली। “ठीक है, मम्मी।”<br />
“भूलना मत,” उन्होंने ज़ोर देकर कहा। “अगले हफ़्ते मुझे यही साड़ी पहननी है। पड़ोस में कीर्तन है।”<br />
“नहीं भूलूँगा, मम्मी,” मैंने कहा और थैली अपने कमरे में रख दी।<br />
लेकिन जैसा अठारह साल के लड़कों के साथ अक्सर होता है, मेरे दिमाग में हज़ार और चीज़ें थीं। दोस्तों के चैट, वीडियो गेम, कॉलेज का असाइनमेंट… साड़ी की पेटी कसवाने का काम दिमाग के किसी कोने में दब गया।<br />
कॉलेज के व्हाट्सएप ग्रुप में रिया की पूल पार्टी वाली फ़ोटो आई। मैं उस फ़ोटो को देखकर उलझ गया। दोपहर को कमरे में थैली बिस्तर पर पटक दी और लैपटॉप खोल लिया। एक गेम दूसरे में बदलता गया। समय का पता ही नहीं चला।<br />
शाम होते-होते जब नज़र थैली पर पड़ी तो खिड़की से बारिश शुरू हो चुकी थी। मैंने खुद को बहाना दिया—“कल सुबह दे आऊँगा।” और वह बात दिमाग से निकल गई।<br />
करीब दस-बारह दिन बाद एक दोपहर राहुल अकेला आया। पापा घर नहीं थे। मैंने दरवाज़ा खोला।<br />
“नमस्ते। अंकल घर पर हैं?”<br />
“नहीं।”<br />
राहुल ने लिफ़ाफ़ा आगे किया। “यह कागज़ रख देना।”<br />
फिर बोला, “आंटी घर पर हैं क्या? नमस्ते कर लूँ।”<br />
मैंने मम्मी को आवाज़ लगाई। मम्मी किचन से निकलीं। उन्होंने हल्के पाउडर ब्लू रंग का सलवार-कमीज़ पहना हुआ था। कमीज़ कमर तक सही बैठी थी। दुपट्टा कंधे पर था। उस दिन वे थकी हुई लग रही थीं। बालों की कुछ लटें गर्दन पर गिर रही थीं।<br />
राहुल जब नमस्ते कर रहा था, तो उसकी नज़र एक पल के लिए उनके कमीज़ के गले और कमर पर चली गई। मम्मी ने तुरंत दुपट्टा ठीक कर लिया।<br />
“नमस्ते आंटी। कागज़ देने आया हूँ।”<br />
“रख दो। पानी पियोगे?”<br />
“जी आंटी।”<br />
मम्मी गिलास लेकर आईं। राहुल ने गिलास लेते समय उनकी उंगलियों को हल्का छू लिया। मम्मी ने गिलास छुड़ाया और एक कदम पीछे हटीं। “पी लो। फिर जाओ।”<br />
वह मुस्कुराया और चला गया।<br />
कुछ देर बाद बारिश होने लगी। मम्मी अपने कमरे में थीं। दरवाज़ा आधा खुला था। मैं पानी लेने गया तो उनकी आवाज़ सुनाई दी।<br />
मैं रुक गया। नज़र अंदर चली गई।<br />
मम्मी बिस्तर के किनारे बैठी थीं। पाउडर ब्लू सलवार-कमीज़ में। नमी की वजह से कपड़े शरीर पर चिपक गए थे। दुपट्टा एक तरफ़ पड़ा था। बाल पूरी तरह खुले हुए थे। कमीज़ की ऊपर की दो बटन खुली हुई थीं। गला नंगा था। छातियों की ऊपरी गोलाई साँस के साथ उठ-गिर रही थी।<br />
वे खिड़की की तरफ़ देख रही थीं। उंगलियाँ बालों में फेर रही थीं। आँखें बंद थीं। साँसें धीरे-धीरे भारी हो रही थीं।<br />
मैं दरवाज़े के पास खड़ा साँस थामे देखता रहा।<br />
एक हफ़्ते बाद कीर्तन वाला दिन आया। मम्मी ने वही गुलाबी साड़ी पहनी जिसकी पेटी मैं दर्ज़ी को देना भूल गया था। उन्होंने बड़ी सावधानी से पहनी। पेटी दो बार बाँधी। पल्लू पिन से जमाया। बिल्कुल संस्कारी।<br />
तभी दरवाज़े पर दस्तक हुई। राहुल था।<br />
मम्मी चाय लेकर आईं। सोफे पर बैठते समय साड़ी का सिरा कुशन के नीचे दब गया। उठते समय साड़ी खिंच गई। पेटी ढीली पड़ गई। ब्लाउज़ ऊपर उठ गया।<br />
एक पल के लिए मम्मी का दूध जैसा सफ़ेद, चिकना पेट और गहरी नाभि राहुल के बिल्कुल सामने नंगा हो गया।<br />
राहुल की नज़रें वहीं जम गईं। आँखों में पहले हैरानी, फिर एक गहरी, प्यासी चमक आ गई।<br />
मम्मी का चेहरा लाल हो गया। उन्होंने जल्दी से कपड़े ठीक किए और कमरे में चली गईं।<br />
कुछ देर बाद वे वापस आईं। साड़ी ठीक करके। चेहरा अभी भी लाल था। “मैं जा रही हूँ,” कहकर वे निकल गईं।<br />
दरवाज़ा बंद होते ही राहुल की मुस्कान बदल गई। विनम्रता गायब हो गई। एक टेढ़ी, दुष्ट मुस्कान फैल गई।<br />
वह मेरी तरफ़ मुड़ा।<br />
“पंकज, तुम्हारा कोई छोटा भाई-बहन नहीं है?”<br />
“नहीं… सिर्फ़ मैं हूँ।”<br />
राहुल की मुस्कान और चौड़ी हो गई। “अच्छा… सिर्फ़ तू। और तेरी मम्मी।”<br />
वह करीब आया। “तो फिर घर में… सिर्फ़ तुम दोनों ही रहते हो ज़्यादातर?”<br />
मैं चुप रहा।<br />
राहुल हँसा। वह हँसी साफ़ नहीं थी।<br />
“मैं चलता हूँ। लेकिन पंकज… अपनी मम्मी का ख्याल रखना। और उन्हें मेरी तरफ़ से नमस्ते कह देना।”<br />
दरवाज़ा बंद हुआ।<br />
घर में भारी सन्नाटा पसर गया।<br />
मैं वहीं खड़ा रह गया। राहुल की टेढ़ी मुस्कान और उसका सवाल कानों में गूँज रहा था।<br />
डेढ़ घंटे बाद मम्मी कीर्तन से वापस आईं। चेहरे पर बेचैनी थी। उन्होंने मुझसे पूछा, “उसने… कुछ कहा?”<br />
मैंने झूठ बोला। “नहीं। बस कागज़ देकर चला गया।”<br />
रात का खाना चुपचाप हुआ। मम्मी की उंगलियाँ काँप रही थीं। खाना खत्म करने के बाद वे पूजा के कोने में पहले से ज़्यादा देर तक खड़ी रहीं। हाथ जोड़े। सिर झुकाए। जैसे माफ़ी माँग रही हों।<br />
मैं अपने कमरे में लेटा रहा। नींद नहीं आ रही थी।<br />
मैं जानता था कि अब बहुत कुछ बदलने वाला है।<br />
मम्मी की ढीली साड़ी सिर्फ़ एक हादसा नहीं थी।<br />
वह एक दरवाज़ा था।<br />
और राहुल उस दरवाज़े से अंदर आने की फ़िराक में था।]]></content:encoded>
		</item>
		<item>
			<title><![CDATA[கணவன் தான் best]]></title>
			<link>https://xossipy.com/thread-74843.html</link>
			<pubDate>Sat, 08 Aug 2026 17:14:53 +0300</pubDate>
			<guid isPermaLink="false">https://xossipy.com/thread-74843.html</guid>
			<description><![CDATA[சுகன்யா கழுத்தில் தாலி எற அவள் கண்களில் தன்னை மீறி கண்ணீர் வந்து கொண்டு இருக்க எல்லாரும் சரி அப்பா அம்மா பிரிய போவதால் வரும் கண்ணீர் என நினைத்து கொண்டு இருக்க அவளுக்கு மட்டும் தான் தெரியும் அது தன்னுடய காதலின் வலியால் வந்த கண்ணீர் என்று.<br />
<br />
ராஜ் மிகவும் சந்தோசமாக இருந்தான் ஏன் என்றால் சுகன்யா போன்று அழகான பெண் தனக்கு மனைவி ஆக வந்ததுக்கு<br />
<br />
எல்லா சடங்கு களும் முடிந்து முதல் இரவு தயார் ஆனது .பெட் ரூமில் ராஜ் தன் மனைவி சுகன்யா விக்கு ஆக காத்து இருந்தான் அவளை என்ன என்ன செய்யலாம் என நினைத்து கொண்டு இருந்தான்<br />
<br />
ஒரு 5 நிமிடத்தில் கதவு திறக்கப்படும் சத்தம் கேட்டது உள்ளே மெல்ல சுகன்யா வந்தாள் பச்சை பட்டு புடவை உடுத்தி தலை எல்லாம் மல்லிகை மற்றும் கனகாம்பரம் கலந்த பூ ஒன்றை வைத்து கழுத்தில் நெக்லஸ் மற்றும் சங்கிலி என அணிந்து அதன் பின்னர் இடுப்பில் ஒட்டியாணம் போட்டு இருக்க அது அவள் இடுப்புக்கு சரியாக இருந்தாலும் அதை எப்போ விடுவித்து அவள் இடுப்பை முழுமையாக பார்க்கலாம் என இருந்தது ராஜ் கு<br />
<br />
அவள் அழகு முகத்தில் அவளின் உதடு தான் பிளஸ் மேல் உதடு சிறித்தும் கீழ் உதடு தடித்தும் பார்க்க மிக செக்ஸி ஆக இருக்க அதை உடனே கிஸ் பண்ணி கவ்வி கடித்து இழுக்க வேண்டும் போல இருந்தது ராஜ் கு .<br />
<br />
அவள் மெல்ல வந்தாள் பால் சொம்பை கொடுத்தாள்.வா சுகு உக்காரு என அவன் மெல்ல அவள் மேல கை போட்டு உக்கார வைக்க <br />
<br />
மிக அருகே இருந்து அவள் அழகை பார்த்தான் ராஜ் .பார்த்து கொண்டே கொஞ்சம் பால் குடித்தான்<br />
<br />
<br />
நீ பால் குடிக்கிரியா சுகு என்றான் .இல்ல என தலைய மட்டும் ஆட்டினாள்.அவன் சிரித்து கொண்டே சரி பயப்பட்டு கிட்டு இருக்கா போல என நினைத்து கொண்டு மெல்ல அப்படியே அவ கன்னத்துல கிஸ் பண்ண கிட்ட வர எழுந்து வேகமாக சன்னல் கிட்ட போயிட்டு திரும்பி கிட்டு தேம்பி தேம்பி அழுக ஆரம்பித்தாள்<br />
<br />
அவள் அழுது கொண்டு இருப்பதை பார்த்த ராஜ்க்கு ஒன்றும் புரியவில்லை ஏன் இப்படி அழுகிறாள் என்ன என்று அவளிடமே கேப்போம் என நினைத்து<br />
<br />
என்ன ஆச்சு சுகு என அவன் மீண்டும் அவள் தோளை தொட்டு கேக்க<br />
<br />
தொடதிங்க பிளீஸ் என தள்ளி போனாள் <br />
<br />
ஏன் மா<br />
<br />
அவள் ஒன்றும் சொல்லாமல் அழுது கொண்டே இருக்க<br />
<br />
சரி நான் தொடல நீ எதுனாலும் சொல்லு என ராஜ் சொல்ல அவள் நிமிர்ந்து பார்த்தாள் அவள் அழுது அழுது கண்கள் வீங்கி இருந்தாலும் அவள் கண் மை எல்லாம் கரைந்து இருந்தாலும் அதிலும் ஒரு அழகு இருப்பதை ராஜ் ரசித்தான்<br />
<br />
பிறகு மெல்ல அங்கு இருந்த வாட்டர்கெனை எடுத்து அவ கிட்ட கொடுக்க அவளும் வாங்கி குடித்தாள் <br />
<br />
சரி இப்போ சொல் என ராஜ் கேக்க<br />
<br />
நான் வேற ஒருத்தர 5 வருசமா லவ் பண்றேன் க அவர் கூட தான் வாழ்க்கை வாழணும் அப்படினு நினைச்சேன் ஆனா ஜாதி அந்தஸ்து காரணம் சொல்லி என்னைய அவரையும் பிரிசுட்டாங்க<br />
<br />
ராஜ் பட் என்று தலையில் அடித்தான் இருந்து இருந்து 29 வயசுல கல்யாணம் பண்றேன் எனக்குநு வருவீங்க லா டி என மனசுக்குள் நினைத்து கொண்டான்.<br />
<br />
சரி இத என் நான் பொண்ணு பார்தப்பாவோ இல்ல நாம ஒரு மாசம் போன்ல பேசினோம் அப்போவோ சொல்லல என ராஜ் கேக்க<br />
<br />
இல்லைங்க அப்போ லாம் என் அக்கா இல்ல என் அம்மா யாராச்சும் கூட இருப்பாங்க அதான் சொல்லல<br />
<br />
நல்ல குடும்பம் சரி இப்போ என்ன பண்ணலாம் சொல்லு நீயே <br />
<br />
எண்ணையவும் அவரையும் சேர்த்து வசுட்டின்க அப்படின்னா என அவள் சொல்லி கொண்டு இருக்கும் போதே குறுக்கே புகுந்து என்ன உங்களுக்கு பிறக்க போற பிள்ளைக்கு என் பேர் வைப்பிங்களோ என அவன் வெறுப்போடு சொல்ல<br />
<br />
பிளீஸ் க என்னால உங்களோட வாழ முடியாது புறிஞ்சுகொங்க என அவள் அழுக<br />
<br />
ஹ ஹ அழுகாத சுகு என அவன் சொல்ல<br />
<br />
பிளீஸ் சுகுண்ணு என்னைய சொல்லாதீங்க<br />
<br />
ஏன் என ஒரு கோபத்துடன் ராஜ் கேக்க<br />
<br />
என்னைய அதிகமா அவன் தான் அப்படி கூப்பிட்டு இருக்கார்<br />
<br />
அய்யோ இது வேறயா என அவன் மீண்டும் தலையில் அடித்து கொண்டான்<br />
<br />
ரொம்ப சாரிங்க நான் உங்க லைப்ள இப்படி வந்து இருக்க கூடாது பிளீஸ் க என்னை எப்படி ஆச்சு அவர் கூட சேர்த்து வச்சு டுங்க என அவ காலில் விழுந்து அழுக<br />
<br />
அட சி எந்திரி என்னைய பார்த்தா எப்படி தெரியுது இப்போ எதோ ஒரு படம் வந்துச்சே பாடு  சி dude அதுல வர ஹீரோ மாதிரி கேன நினைச்சியா உண்ண கொண்டு போயி உன் லவ்வர் கூட சேர்த்து வைக்க என சொல்ல நினைத்தான் ராஜ் ஆனால் சொல்ல வில்லை<br />
<br />
பிறகு அவன் அப்பாக்கு தெரியாம எங்கோ ஒளித்து வைத்து இருந்த சிகரெட் பெட்டிய தேடி எடுத்தான் எடுத்து பற்ற வைத்து அடிக்க<br />
<br />
உங்களுக்கு இந்த பழக்கம் எல்லாம் இருக்கா சொல்லவே இல்ல என சுகன்யா கேக்க<br />
<br />
நீ கூட தான் உனக்கு லவ் இருக்குனு முதலே சொல்லல<br />
<br />
அது அது <br />
<br />
சரி சரி விடு என அவன் புகைய விட்டு கொண்டே யோசித்தான் யோசித்து கொண்டே சொன்னான். ம்ம் ஆண்மை நிறைய பெருகணும் அப்படினு ஒரு வருசம் முன்னால எனக்கு பொண்ணு தேடும் போதே நிப்பாட்டி இருந்தேன் இப்போ உன்னால மறுபடியும் தொடுற மாதிரி  ஆகிடுச்சு என்றான் புகை விட்டு கொண்டே<br />
<br />
சாரி<br />
<br />
அவளை கோபமாக முறைத்து கொண்டு சிகரெட் சன்னல் வழியே தூக்கி எறிந்து விட்டு சொன்னான்<br />
<br />
இப்போ என்ன உண்ண உன்னோட லவ்வர் கூட சேர்த்து வைக்கணும் அதானே <br />
<br />
ஆமா பிளீஸ் க உங்களுக்கு கோடி புண்ணியம் சேரட்டும்<br />
<br />
கோடி புண்ணியம் லாம் வேணாம் ஒரே ஒரு வாட்டி படு என்றான்<br />
<br />
Excuse me  புரியல எனக்கு<br />
<br />
உண்ண உன் ஆள் கூட சேர்த்து வைக்கணும் நா ஒரு வாட்டி என் கூட படு இன்னும் தெளிவாக சொல்றேன் நான் உண்ண ஒரு வாட்டி ஓக்கணும் அதுவும் இன்னைக்கு இப்பவே ஓக்கணும் புரியுதா I want fuck you இங்கிலீஷ் லும் சொல்லிட்டேன் புரியுதா என ராஜ் சொல்ல <br />
<br />
அப்படியே சாக் ஆகி நின்றாள் சுகன்யா<br />
<br />
<br />
தொடரும்.....]]></description>
			<content:encoded><![CDATA[சுகன்யா கழுத்தில் தாலி எற அவள் கண்களில் தன்னை மீறி கண்ணீர் வந்து கொண்டு இருக்க எல்லாரும் சரி அப்பா அம்மா பிரிய போவதால் வரும் கண்ணீர் என நினைத்து கொண்டு இருக்க அவளுக்கு மட்டும் தான் தெரியும் அது தன்னுடய காதலின் வலியால் வந்த கண்ணீர் என்று.<br />
<br />
ராஜ் மிகவும் சந்தோசமாக இருந்தான் ஏன் என்றால் சுகன்யா போன்று அழகான பெண் தனக்கு மனைவி ஆக வந்ததுக்கு<br />
<br />
எல்லா சடங்கு களும் முடிந்து முதல் இரவு தயார் ஆனது .பெட் ரூமில் ராஜ் தன் மனைவி சுகன்யா விக்கு ஆக காத்து இருந்தான் அவளை என்ன என்ன செய்யலாம் என நினைத்து கொண்டு இருந்தான்<br />
<br />
ஒரு 5 நிமிடத்தில் கதவு திறக்கப்படும் சத்தம் கேட்டது உள்ளே மெல்ல சுகன்யா வந்தாள் பச்சை பட்டு புடவை உடுத்தி தலை எல்லாம் மல்லிகை மற்றும் கனகாம்பரம் கலந்த பூ ஒன்றை வைத்து கழுத்தில் நெக்லஸ் மற்றும் சங்கிலி என அணிந்து அதன் பின்னர் இடுப்பில் ஒட்டியாணம் போட்டு இருக்க அது அவள் இடுப்புக்கு சரியாக இருந்தாலும் அதை எப்போ விடுவித்து அவள் இடுப்பை முழுமையாக பார்க்கலாம் என இருந்தது ராஜ் கு<br />
<br />
அவள் அழகு முகத்தில் அவளின் உதடு தான் பிளஸ் மேல் உதடு சிறித்தும் கீழ் உதடு தடித்தும் பார்க்க மிக செக்ஸி ஆக இருக்க அதை உடனே கிஸ் பண்ணி கவ்வி கடித்து இழுக்க வேண்டும் போல இருந்தது ராஜ் கு .<br />
<br />
அவள் மெல்ல வந்தாள் பால் சொம்பை கொடுத்தாள்.வா சுகு உக்காரு என அவன் மெல்ல அவள் மேல கை போட்டு உக்கார வைக்க <br />
<br />
மிக அருகே இருந்து அவள் அழகை பார்த்தான் ராஜ் .பார்த்து கொண்டே கொஞ்சம் பால் குடித்தான்<br />
<br />
<br />
நீ பால் குடிக்கிரியா சுகு என்றான் .இல்ல என தலைய மட்டும் ஆட்டினாள்.அவன் சிரித்து கொண்டே சரி பயப்பட்டு கிட்டு இருக்கா போல என நினைத்து கொண்டு மெல்ல அப்படியே அவ கன்னத்துல கிஸ் பண்ண கிட்ட வர எழுந்து வேகமாக சன்னல் கிட்ட போயிட்டு திரும்பி கிட்டு தேம்பி தேம்பி அழுக ஆரம்பித்தாள்<br />
<br />
அவள் அழுது கொண்டு இருப்பதை பார்த்த ராஜ்க்கு ஒன்றும் புரியவில்லை ஏன் இப்படி அழுகிறாள் என்ன என்று அவளிடமே கேப்போம் என நினைத்து<br />
<br />
என்ன ஆச்சு சுகு என அவன் மீண்டும் அவள் தோளை தொட்டு கேக்க<br />
<br />
தொடதிங்க பிளீஸ் என தள்ளி போனாள் <br />
<br />
ஏன் மா<br />
<br />
அவள் ஒன்றும் சொல்லாமல் அழுது கொண்டே இருக்க<br />
<br />
சரி நான் தொடல நீ எதுனாலும் சொல்லு என ராஜ் சொல்ல அவள் நிமிர்ந்து பார்த்தாள் அவள் அழுது அழுது கண்கள் வீங்கி இருந்தாலும் அவள் கண் மை எல்லாம் கரைந்து இருந்தாலும் அதிலும் ஒரு அழகு இருப்பதை ராஜ் ரசித்தான்<br />
<br />
பிறகு மெல்ல அங்கு இருந்த வாட்டர்கெனை எடுத்து அவ கிட்ட கொடுக்க அவளும் வாங்கி குடித்தாள் <br />
<br />
சரி இப்போ சொல் என ராஜ் கேக்க<br />
<br />
நான் வேற ஒருத்தர 5 வருசமா லவ் பண்றேன் க அவர் கூட தான் வாழ்க்கை வாழணும் அப்படினு நினைச்சேன் ஆனா ஜாதி அந்தஸ்து காரணம் சொல்லி என்னைய அவரையும் பிரிசுட்டாங்க<br />
<br />
ராஜ் பட் என்று தலையில் அடித்தான் இருந்து இருந்து 29 வயசுல கல்யாணம் பண்றேன் எனக்குநு வருவீங்க லா டி என மனசுக்குள் நினைத்து கொண்டான்.<br />
<br />
சரி இத என் நான் பொண்ணு பார்தப்பாவோ இல்ல நாம ஒரு மாசம் போன்ல பேசினோம் அப்போவோ சொல்லல என ராஜ் கேக்க<br />
<br />
இல்லைங்க அப்போ லாம் என் அக்கா இல்ல என் அம்மா யாராச்சும் கூட இருப்பாங்க அதான் சொல்லல<br />
<br />
நல்ல குடும்பம் சரி இப்போ என்ன பண்ணலாம் சொல்லு நீயே <br />
<br />
எண்ணையவும் அவரையும் சேர்த்து வசுட்டின்க அப்படின்னா என அவள் சொல்லி கொண்டு இருக்கும் போதே குறுக்கே புகுந்து என்ன உங்களுக்கு பிறக்க போற பிள்ளைக்கு என் பேர் வைப்பிங்களோ என அவன் வெறுப்போடு சொல்ல<br />
<br />
பிளீஸ் க என்னால உங்களோட வாழ முடியாது புறிஞ்சுகொங்க என அவள் அழுக<br />
<br />
ஹ ஹ அழுகாத சுகு என அவன் சொல்ல<br />
<br />
பிளீஸ் சுகுண்ணு என்னைய சொல்லாதீங்க<br />
<br />
ஏன் என ஒரு கோபத்துடன் ராஜ் கேக்க<br />
<br />
என்னைய அதிகமா அவன் தான் அப்படி கூப்பிட்டு இருக்கார்<br />
<br />
அய்யோ இது வேறயா என அவன் மீண்டும் தலையில் அடித்து கொண்டான்<br />
<br />
ரொம்ப சாரிங்க நான் உங்க லைப்ள இப்படி வந்து இருக்க கூடாது பிளீஸ் க என்னை எப்படி ஆச்சு அவர் கூட சேர்த்து வச்சு டுங்க என அவ காலில் விழுந்து அழுக<br />
<br />
அட சி எந்திரி என்னைய பார்த்தா எப்படி தெரியுது இப்போ எதோ ஒரு படம் வந்துச்சே பாடு  சி dude அதுல வர ஹீரோ மாதிரி கேன நினைச்சியா உண்ண கொண்டு போயி உன் லவ்வர் கூட சேர்த்து வைக்க என சொல்ல நினைத்தான் ராஜ் ஆனால் சொல்ல வில்லை<br />
<br />
பிறகு அவன் அப்பாக்கு தெரியாம எங்கோ ஒளித்து வைத்து இருந்த சிகரெட் பெட்டிய தேடி எடுத்தான் எடுத்து பற்ற வைத்து அடிக்க<br />
<br />
உங்களுக்கு இந்த பழக்கம் எல்லாம் இருக்கா சொல்லவே இல்ல என சுகன்யா கேக்க<br />
<br />
நீ கூட தான் உனக்கு லவ் இருக்குனு முதலே சொல்லல<br />
<br />
அது அது <br />
<br />
சரி சரி விடு என அவன் புகைய விட்டு கொண்டே யோசித்தான் யோசித்து கொண்டே சொன்னான். ம்ம் ஆண்மை நிறைய பெருகணும் அப்படினு ஒரு வருசம் முன்னால எனக்கு பொண்ணு தேடும் போதே நிப்பாட்டி இருந்தேன் இப்போ உன்னால மறுபடியும் தொடுற மாதிரி  ஆகிடுச்சு என்றான் புகை விட்டு கொண்டே<br />
<br />
சாரி<br />
<br />
அவளை கோபமாக முறைத்து கொண்டு சிகரெட் சன்னல் வழியே தூக்கி எறிந்து விட்டு சொன்னான்<br />
<br />
இப்போ என்ன உண்ண உன்னோட லவ்வர் கூட சேர்த்து வைக்கணும் அதானே <br />
<br />
ஆமா பிளீஸ் க உங்களுக்கு கோடி புண்ணியம் சேரட்டும்<br />
<br />
கோடி புண்ணியம் லாம் வேணாம் ஒரே ஒரு வாட்டி படு என்றான்<br />
<br />
Excuse me  புரியல எனக்கு<br />
<br />
உண்ண உன் ஆள் கூட சேர்த்து வைக்கணும் நா ஒரு வாட்டி என் கூட படு இன்னும் தெளிவாக சொல்றேன் நான் உண்ண ஒரு வாட்டி ஓக்கணும் அதுவும் இன்னைக்கு இப்பவே ஓக்கணும் புரியுதா I want fuck you இங்கிலீஷ் லும் சொல்லிட்டேன் புரியுதா என ராஜ் சொல்ல <br />
<br />
அப்படியே சாக் ஆகி நின்றாள் சுகன்யா<br />
<br />
<br />
தொடரும்.....]]></content:encoded>
		</item>
	</channel>
</rss>